অর্থনীতি

ভ্যাট কমিশনারেট দক্ষিণের ৩৬৭৮ কোটি টাকার রাজস্ব আয়

চলতি (২০১৭-১৮) অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) ঢাকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট দক্ষিণ রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আহরণ করেছে। এ সময়ে ৩ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ শতাংশ বেশি। বিগত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট দক্ষিণের রাজস্ব আয় ছিল ২ হাজার ৮৭০ কোটি টাকা। এদিকে, একক মাস হিসেবে ফেব্রুয়ারিতে রাজস্ব আহরণে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে ভ্যাট কমিশনারেট দক্ষিণ। গত মাসে এলটিইউ ৪৩৬ কোটি টাকার রাজস্ব আয় করেছে। গতবছরের ফেব্রুয়ারিতে এর পরিমাণ ছিল ৩৫০ কোটি টাকা। সে ক্ষেত্রে একক মাস হিসেবে ফেব্রুয়ারিতে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রাজস্ব আয় বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট দক্ষিণের কমিশনার কাজী মোস্তাফিজুর রহমান বাসসকে বলেন,কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে বকেয়া রাজস্ব আদায় এবং চলতি অর্থবছর নতুন কয়েকটি খাত আমাদের কমিশনারেটে যুক্ত হওয়ায় এবার রাজস্ব আয় বেশ সন্তোষজনক। নিয়মিত পরিদর্শন ও অডিটের মাধ্যমে কর ফাঁকি রোধ করা হচ্ছে, যা রাজস্ব প্রবৃদ্ধিতে কার্যত ভূমিকা রাখছে। তিনি বলেন, করযোগ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনেক প্রতিষ্ঠান এখনও করজালের বাইরে রয়ে গেছে। এসব ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানকে খুঁজে বের করে করজালে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা এ ধরনের ২ হাজার প্রতিষ্ঠান খুঁজে বের করজালের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছি। যেখান থেকে রাজস্ব আয় আসতে শুরু করেছে। আগামীতে এই প্রচেষ্টা আরো জোরদার করা হবে বলে তিনি জানান। এছাড়া নিয়মিত ভ্যাট প্রদানকারী অনেক প্রতিষ্ঠান সবক্ষেত্র অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির যেসব খাতের ওপর কর দেয়ার কথা, তার সবগুলো খাত থেকে ভ্যাট পাওয়া যাচ্ছে না।এসব প্রতিষ্ঠানের সব খাত থেকে রাজস্ব আদায়ের জন্য বিশেষ মনিটারিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে কমিশনার উল্লেখ করেন। এ ধরনের উদ্ভাবনী কৌশল রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে ভাল ভূমিকা রাখছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। চলতি অর্থবছর ঢাকা কাস্টমস,এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট দক্ষিণের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৬ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা।

  • লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ১৫ মাসে ১২ কোটি ৭৩ লাখ টাকার রাজস্ব আয়

    লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস দালালের দৌরাত্ম্য কমে যাওয়ায় সর্বোচ্চ সেবা পাচ্ছেন গ্রাহকরা। গত ১৫ মাসে ৩৩ হাজার ৭৩৮টি আবদনে প্রায় ১২ কোটি ৭৩ লাখ ২৩ হাজার ৬২০ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। লক্ষ্মীপুর পাসপোর্ট অফিস সূত্রে জানায়, প্রতিদিন এ কার্যালয়ে প্রায় ৮০-৯০টি আবেদনপত্র জমা পড়ে। বর্তমানে গ্রাহকরা দালালদের স্মরণাপন্ন হয়ে প্রতারণার শিকার হতে হয় না। সাধারণ আবেদনে ক্ষেত্রে একটি পাসপোর্ট ৩ হাজার ৪৫০ টাকায় ২১ কার্যদিবসের মধ্যে এবং জরুরি আবেদনের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট ৬ হাজার ৯০০ টাকায় ১১ কার্যদিবসের মধ্যে পাওয়া যায়। ১৫ মাসে ৩৩ হাজার ৭৩৮টি পাসপোর্টে ১২ কোটি ৭৩ লাখ ২৩ হাজার ৬২০ টাকা রাজস্ব আয় করা সম্ভব হয়েছে। গ্রাহকদের নির্ধারিত নি¤েœাক্ত ব্যাংকের অনুমোদিত শাখা ফিস জমা দিতে হবে। যেমন সোনালী ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক ও এশিয়া ব্যাংক শাখায় টাকা জমা দিতে হয়। ব্যাংক থেকে টাকা জমার রশিদ গ্রাহক নিজ হাতে পাসপোর্ট কার্যালয়ে জমা দিলে আবেদন ফরম দেয়া হয়। পাসপোর্টের জন্য জমা দেয়া সকল টাকা সরকারের রাজস্ব খাতে জমা হয়। ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ১৫ মাসে এ কার্যালয় থেকে মোট ৩৩ হাজার ৭৩৮টি পাসপোর্ট ইস্যু করে গ্রাহকদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। পাসপোর্ট অধিদপ্তর লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান জানান, তিনি এ কার্যালয়ে যোগদানের পর থেকে দালালের দৌরাত্ম্য কমেছে। এতে গ্রাহকরা সর্বোচ্চ সুযোগ পাচ্ছেন। খুব সহজেই গ্রাহকরা নির্দিষ্ট সময়ে মধ্যে পাসপোর্ট হাতে পান।

  • ২০১৭ - ২০১৮ অর্থ বছরে ৫ থেকে ৬ লাখ মে. টন ইলিশ উৎপাদনের সম্ভাবনা

    প্রজনন মৌসুমে ২২ দিন নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় এবার নির্বিঘেœ ডিম ছাড়তে পেরেছে ইলিশ। বিশেষ করে বৃষ্টিপাত ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সমুদ্র থেকে অধিক ইলিশ ডিম ছাড়তে নদীতে এসেছিলো। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট চাঁদপুর নদীকেন্দ্রের ১৪ সদস্য বিশিষ্ট গবেষণা দল দেশের ৯টি পয়েন্টে গবেষণামূলক জরিপ চালিয়ে জানিয়েছে, এবার ৪৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ ইলিশ ডিম ছাড়তে সক্ষম হয়েছে। এ কারণে এবার ইলিশের পোনা বা জাটকা উৎপন্ন হবে ৪০ হাজার কোটি বা তার কিছু বেশি। যা গতবারের চেয়ে আড়াইগুণ বেশি। আগামী জাটকা মৌসুমে এসব পোনা সংরক্ষণ করা সম্ভব হলে এ অর্থ বছরে ৫/৬ লাখ মে. টন ইলিশ উৎপাদন হতে পারে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট নদী কেন্দ্র চাঁদপুরের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মাসুদ হোসেন খান জানান, চাঁদপুরসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ৪টি প্রধান প্রজনন কেন্দ্রে ২২ দিন ইলিশসহ সব মাছ ধরা বন্ধ ছিল। মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণার বিজ্ঞানী দল মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন অংশ থেকে নমুনা ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে চূড়ান্ত জরিপ করে ফলাফল দিয়েছে। তাতে দেখা যায় এ বছর ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে ডিম ছাড়ার ইলিশের পরিমাণ ৪৬.৪৭ শতাংশ যা বিগত বছরের তুলনায় আড়াইগুণ বেশি। ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে এ হার ছিলো ৪৩.৯৫ ভাগ এবং ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে ডিম ছাড়ার হার ছিলো ৩৩.৪৬ ভাগ। বিশেষ করে এ বছর প্রাকৃতিক পরিবেশ অর্থাৎ অধিক বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়া এবং পানির প্রবাহ সব মিলে পরিবেশ ছিল স্বাভাবিক। যার কারণে অধিক পরিমাণ ইলিশ সমুদ্র থেকে নদীতে উঠে আসতে পেরেছে এবং নিরাপদে ডিম ছেড়েছে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউট চাঁদপুর নদী কেন্দ্রের প্রধান মৎস্য গবেষক ডা. মাসুদ হোসেন খাঁন জানান, ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে এ অভিজানের ফলে ৬ লাখ ৬৮ হাজার ২৯১ কেজি ডিম উৎপাদন হয়। যার ফলে ৩৯ হাজার ২৬৮ কেজি জাটকা যুক্ত হয়, সর্বোপরি জেলেরা ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৪১৭ মে. টন ইলিশ আহরণ করে। এর পূর্বের বছর ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে ৩লাখ ৯৪ হাজার ৯৫১ মে. টন ইলিশ উৎপাদন হয়। ওয়ার্ল্ড ফিশের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মোট ইলিশের ৬৫ শতাংশই উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জাতীয় মাছ ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির হার ২৫ দশমিক ৬৯ শতাংশ। যদিও এক যুগ ধরে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির হার ১০ শতাংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছিল। মৎস্য অধিদফতরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক শেখ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে মৎস্য উৎপাদনের যে পরিসংখ্যান পেয়েছি সেটা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে খসড়া হিসেব অনুযায়ী ইলিশের উৎপাদনটা মোটামুটি ঠিক আছে। গত অর্থবছরে ইলিশের মোট উৎপাদন ৪ লাখ ৯৬ হাজার টন। তিনি বলেন, সরকারের নানামুখী উদ্যোগের ফলে ইলিশের উৎপাদন প্রতিবছর বেড়েই চলছে। আশা করছি চলতি অর্থবছরে সাড়ে ৫ লাখ থেকে ৬ লাখ টন ইলিশ উৎপাদিত হবে। চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও নদী কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ইলিশ গবেষক আনিছুর রহমান জানান, ইলিশের ডিম ছাড়ার হার পর্যবেক্ষণসহ পানির গুণাগুণ ও দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট দল নিয়ে গবেষণা জাহাজসহ চাঁদপুর থেকে যাত্রা শুরু হয়। বিশেষ করে লক্ষ্মীপুরের রামগতি, হাতিয়া, মনপুরা, ভোলা, দৌলতখান, ইলিশা, মেহেন্দিগঞ্জ ও শরীয়তপুর এ ৯টি পয়েন্টে গবেষণামূলক জরিপ করে সেখানে পানির গুণাগুণ স্বাভাবিক পাওয়া যায়। এছাড়া এ প্রজনন মৌসুমে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ছিল। যার কারণে ইলিশের ডিম ছাড়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এবং সফলভাবে ডিম ছাড়তে পেরেছে, এবার ডিম ছাড়ার এ হার ছিলো ৪৬.৪৭ শতাংশ । এসব ডিম থেকে জাটকা তৈরি হবে যা সংরক্ষণ করতে পারলে এ বছরে ৫ লাখ মে. টন এর বেশি ইলিশ উৎপাদন করা সম্ভব হতে পারে। সরকার আগামী জাটকা মৌসুমে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করলে দেশে ইলিশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও ইলিশ রফতানি করা সম্ভব হবে বলে জানান এ ইলিশ গবেষক।

  • কর কার্যালয়ে মেলা শুরু : কর মেলার সব সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে

    করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সুবিধার্থে দেশের সকল কর কার্যালয়ে রোববার থেকে শুরু হয়েছে আয়কর মেলা। চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। মেলার পরিবেশে এখানে সব ধরনের করসেবা পাওয়া যাচ্ছে। প্রথম দিনেই ঢাকার কর কার্যালয়গুলোতে করদাতাদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে রিটার্ন জমা দিয়ে কর কার্ড পাওয়ার আশায় করদাতারা কর কার্যালয়ে ভিড় করছেন। এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ এ মু’মেন বাসসকে বলেন, মেলার পরিবেশে কর কার্যালয়গুলোতে সব সুবিধা দেয়া হচ্ছে। যেসব করদাতা আয়কর মেলায় রিটার্ন জমা দিতে পারেননি,তারা এখানে এলে মেলার সুবিধা পাবেন। তিনি বলেন,কর কার্যালয়ে ২০ থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত রিটার্নের প্রাপ্তি রসিদ দেখিয়ে ঢাকার করদাতারা কর কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে আগামী বছর দেশের অন্যান্য করাঞ্চলেও কর কার্ড পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান। উল্লেখ্য,এবারের কর মেলায় করদাতাদের ব্যাপক সমাগম হয়। এবারই প্রথমবারের মতো ঢাকা ও চট্টগ্রামের করদাতারা রিটার্ন দিলে কর কার্ড দেয়া হয়। এতে করদাতাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আগ্রহের বিষয়টি মাথায় রেখে ঢাকার করদাতাদের জন্য কর কার্যালয়েও কর কার্ডের ব্যবস্থা করেছে এনবিআর। ৩০ নভেম্বর রিটার্ন জমার সময় শেষ হবে। এই সময়ে করদাতারা রিটার্ন দিতেই কর কার্যালয়ে ভিড় করে থাকেন।তাই প্রতিটি করাঞ্চলে করদাতাদের সহায়তার জন্য বুথ রাখা হয়েছে।এখানে ফরম পূরণে যাবতীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।ইলেকট্রনিক কর শনাক্তকরণ নম্বর (ই-টিআইএন), পুনর্নিবন্ধন, টিআইএনে ভুল-ত্রুটি সংশোধনসহ যেকোনো কর সেবা পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া নারী, প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রবীণ করদাতাদের বিশেষ যতেœ কর সেবা দেয়া হচ্ছে। অনলাইনে রিটার্ন জমা বা ই-ফাইলিং করার সুযোগ রয়েছে। এবারই প্রথমবারের মতো বেসরকারি চাকরিজীবীদের রিটার্ন দেয়া বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। তাই এবার তুলনামূলক বেশি রিটার্ন জমা পড়বে বলে আশা করছে এনবিআর। বর্তমানে ৩১ লাখ টিআইএনধারী আছেন। গতবছর সব মিলিয়ে ১৫ লাখের মতো টিআইএনধারী রিটার্ন জমা দেন।

আন্তর্জাতিক

কাবুলে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সোমবার আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে রোববারের হামলাকে ‘নৃশংস ও কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলা’ উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। খবর সিনহুয়া’র। ওই হামলায় ৬০ জনের বেশি লোক প্রাণ হারিয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা এই হামলায় নিহতদের পরিবারের সদস্য ও আফগান সরকারের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করছে। তারা এই হামলায় আহতদের দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছে।’ বিবৃতিতে আরো বলা হয়, যে কোন ধরনের সন্ত্রাস আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি। রোববারের ওই আত্মঘাতী বোমা হামলায় ২৭ নারী ও ৮ শিশুসহ ৬০ জনের বেশি লোক প্রাণ হারায়। একটি ভোট নিবন্ধন কেন্দ্রে এ হামলা চালানো হয়।  

  • পরমাণু কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র কোন পরীক্ষাই না চালানোর অঙ্গীকার উ.কোরীয় নেতার

    উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উন শনিবার এক ঘোষণায় বলেছেন, তিনি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা এবং আন্ত:মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ বন্ধ রাখবেন। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উনের মধ্যে বহুল প্রত্যাশিত সম্মেলনের প্রাক্কালে পিয়ংইয়ংয়ের এ ঘোষণাকে ওয়াশিংটন স্বাগত জানিয়েছে। খবর এএফপি’র। কোরীয় উপদ্বীপের দ্রুত কূটনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের দীর্ঘ প্রত্যাশিত পিয়ংইয়ংয়ের এ ঘোষণাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কোরীয় উপদ্বীপকে বিভক্ত করা ডিমিলিটারাইজড জোনে শীর্ষ সম্মেলনের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার নেতার সাক্ষাতের এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে এমন ঘোষণা দেয়া হলো। কিম বলেন, উত্তর কোরিয়া তাদের পরমাণু অস্ত্রের ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি অর্জন করেছে তা তাদের জন্যে ‘বড় বিজয়’। তিনি আরো বলেন, ‘এখন উত্তর কোরিয়ার জন্য আর কোন পারমাণবিক পরীক্ষা এবং মাঝারি পাল্লার ও আন্ত:মহাদেশীয় ব্যালাস্টিক রকেট উৎক্ষেপণের প্রয়োজন নেই।’ উত্তর কোরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানায়, দেশটির নেতা ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটিকে বলেছেন যে উত্তর কোরিয়ার এ ধরণের পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রের আর প্রয়োজন নেই। এখন থেকে উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালানো থেকে বিরত থাকবে দলটি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তারা পরীক্ষা বন্ধের নিশ্চয়তা দিতে পুংগি-রিতে থাকা পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্র ধ্বংস করবে। উল্লেখ্য, গত নভেম্বর থেকে উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক অস্ত্রের আর কোন পরীক্ষা চালায়নি। এদিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা এমন ঘোষণা দেয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে ট্রাম্প এক টুইটার বার্তায় বলেন, ‘উত্তর কোরিয়া ও সারাবিশ্বের জন্য এটি অনেক ভাল খবর। এটি একটি বড় অগ্রগতি। আমি আমাদের বৈঠকের অপেক্ষায় রয়েছি। এদিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের পারমাণবিক অস্ত্র ও ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা না চালানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। শনিবার সিউলে প্রেসিডেন্টের দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কোরীয় উপদ্বীপের নিরস্ত্রীকরণের জন্য উত্তর কোরিয়ার সিদ্ধান্ত ইতিবাচক। সারাবিশ্ব এমনটাই দেখতে চায়।’ বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘আসন্ন আন্তঃকোরীয় ও উত্তর কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র সম্মেলনের সফলতার জন্য এ সিদ্ধান্ত একটি ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি করবে।’

  • ব্রাজিলে কারাগার ভেঙ্গে পালানোর চেষ্টা : নিহত অন্তত ২০

    ব্রাজিলের উত্তরাঞ্চলের একটি কারাগার ভেঙ্গে পালানোর চেষ্টা করায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার কারাগারের বাইরে থেকে একটি সশস্ত্র গ্রুপ দেয়াল ভেঙ্গে ফেলার চেষ্টা করলে এ ঘটনা ঘটে। দেশটির কর্মকর্তারা একথা জানান। খবর এএফপি’র। পাড়া রাজ্যের নিরাপত্তা সূত্র জানায়, ব্রাজিলের পাড়া রাজ্যের বেলেম নগরীর অ্যামাজন রেনফরেস্টের কাছে সান্তা ইসাবেল পোনিটেনশিয়ারি কমপ্লেক্স ভেঙ্গে বন্দিদের মুক্ত করার চেষ্টা চালানো হয়। এ সময় জেলের ভেতরের বন্দি ও বাইরের সশস্ত্র দুষ্কৃতকারীরা সামরিক কায়দায় হামলা চালায়। সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা হামলাকারীদের লক্ষ্যকরে পাল্টা গুলি চালালে উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বন্দুকযুদ্ধ হয়। এ ঘটনায় ১৯ বন্দি ও বহিরাগত হামলাকারী নিহত হয়। এছাড়া ওই সংঘর্ষে একজন নিরাপত্তা রক্ষী নিহত ও অপর ছয় জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি বন্দুক উদ্ধার করেছে।

  • কানাডায় বাস দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত

    কানাডার সাসকাটিওয়ান এলাকার মহাসড়কে তরুণ হকি খেলোয়াড় বহনকারী বাসের সাথে দ্রুতগামী ট্রাকের মখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছে। পুলিশকে উদ্ধৃত করে কানাডার মিডিয়া এ খবর দিয়েছে বলে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়। দুর্ঘটনায় আরো ১৪ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে তিন জনের অবস্থা আশংকা জনক। কানাডিয়ান মিডিয়া সাসকাটোন স্টার ফনিকস জানায়, দেশটির হামব্রল্ড ব্রনকস হকি দল বহনকারী বাসটি দুর্ঘটনায় পড়ে। সাসকাটিওয়ান তরুন হকি দলটি জুনিয়র হকি লীগে নাইপাউন হকস দলের বিরুদ্ধে খেলায় অংশ নেয়ার জন্যে যাচ্ছিল। এ সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

শিক্ষাঙ্গন

গোপালগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর,প্যাড ও সীল জাল করে অবৈধ এডহক কমিটির অনুমোদন

গোপালগঞ্জের একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর ও সীল জাল করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে অবৈধ এডহক কমিটির অনুমোদনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলতলী ইউনিয়নের বৌলতলী সাহাপুর সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যালয়ে। এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফুল আলম বিষয়টি জানিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান বরাবরে একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন।অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, বৌলতলী সাহাপুর সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফুল আলম ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কারনে গত ২২ জানুয়ারী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর এডহক কমিটি তৈরীর আবেদন জানিয়ে একটি দরখাস্ত প্রেরন করেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষীতে বোর্ড কতৃপক্ষ ১ ফেব্রুয়ারী ২২৪৬ (৩) স্বারকে একটি পত্র প্রেরন করে প্রধান শিক্ষককে একটি এডহক কমিটি গঠনের জন্য অনুমতি প্রদান করেন। তবে সভাপতি ব্যাতিত অভিবাবক প্রতিনিধি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কতৃক মনোনীত ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কতৃক মনোনীত শিক্ষক প্রতিনিধি মনোনয়ের কথা বলা হয়। উক্ত পত্রের আলোকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত ০৫.৩০.৩৫৩২.০০২.০৬.০০৫.১৭-৩০৮/১(৪) নং স্বারকে পবিত্র মজুমদার কে অভিবাবক প্রতিনিধি ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত জেশিঅ/গোপাল/২০১৮/১৬৮(৫) স্বারকে ভুপতি রঞ্জন দাস কে শিক্ষক প্রতিনিধি হিসাবে মনোনীত করে এবং প্রধান শিক্ষকে এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচন করার কথা বলা হয়।প্রধান শিক্ষক কতৃক সভাপতির মনোনয়নকৃত চিঠি বোর্ডে না যাওয়ার আগেই মো: মাহমুদ আলম নামে জনৈক ব্যাক্তি প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর, সীল ও বিদ্যালয়ের প্যাড জাল করে এবং অভিবাবক প্রতিনিধি, শিক্ষক প্রতিনিধি মনোনয়নের চিঠি ভুয়া স্বারকের কপি তৈরী করে শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট শাখার ডিলিং এসিস্ট্যান্ড এর সাথে লক্ষাধিক টাকার অবৈধ লেন-দেনের মাধ্যমে সম্পুর্ন অনৈতিক পন্থায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে নিজের নামে সভাপতি মনোনয়ন ও একটি এডহক কমিটি করিয়ে আনে। যাহা সম্পুর্ন ভুয়া ও মিথ্যা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।উক্ত ভুয়া কমিটির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে বৌলতলী সাহাপুর সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আশরাফুল আলম বিষয়টি জানিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান বরাবরে আরো একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন।এ ব্যাপারে বৌলতলী সাহাপুর সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আশরাফুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মো: মাহমুদ আলম একজন সুচতুর ব্যাক্তি তিনি জাল জালিয়াতির এবং লক্ষাধিক টাকার বিনিময়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ড ঢাকার থেকে একটি ভুয়া এডহক কমিটি করিয়ে আনেন যাহা আদৌও কার্যকরি না।তিনি আরো বলেন, সভাপতি ব্যাতিত অভিবাবক প্রতিনিধি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কতৃক মনোনীত ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কতৃক মনোনীত শিক্ষক প্রতিনিধি মনোনয়ের কথা বলা হয়। উক্ত পত্রের আলোকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত ০৫. ৩০. ৩৫৩২. ০০২. ০৬. ০০৫. ১৭-৩০৮/১ (৪) নং স্বারকে পবিত্র মজুমদার কে অভিবাবক প্রতিনিধি ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত জেশিঅ/গোপাল/২০১৮/১৬৮(৫) স্বারকে ভুপতি রঞ্জন দাস কে শিক্ষক প্রতিনিধি হিসাবে মনোনীত করেন। অথচ মো: মাহমুদ আলম বোর্ডে যে সকল চিঠির কথা উল্লেখ করেছেন তার স্বারক নম্বরই ভুল। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত ০৫. ৩০. ৩৫৩২. ০০২. ০৬. ০০৫. ১৭-৩০৮/১ (৪) নং স্বারক কে ০৫. ৩০. ৩৫৩২. ০০২. ০৬.০০৫. ১৭-৩০৮ নং স্বারক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত জেশিঅ/গোপাল/ ২০১৮/ ১৬৮ (৫) স্বারকে জেশিঅ/গোপাল/২০১৮/১০৬৮ নং স্বারক উল্লেখ করেছেন যাহা সম্পুর্ন মিথ্যা। মাহমুদ আলম বর্তমানে ওই ভুয়া এডহক কমিটির সভাপতি পরিচয়ে বিদ্যালয়ে এসে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত করছেন। ওই ভুয়া এডহক কমিটির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।এ ব্যাপারে এডহক কমিটির সভাপতি পরিচয় দানকারী মো: মাহমুদ আলমের ব্যবহৃত মোবাইল ০১৭১১-৩৯৭৯০৯ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ কমিটির ব্যাপারে আমার কোন ক্ষমতা নেই। যা যা করার ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক করেছে। আমি এ ব্যাপারে কিছুই করিনি। আমি বোর্ডের চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে কথা বলেছি তিনি আমাকে বলেছেন সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। স্বারক নম্বর ভুলের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন আমার ইউএনও অফিসে গিয়ে দেখতে হবে। আমি চিঠি দেখে জানাতে পারবো। এ সময় তিনি আরো বলেন আমার ভাইও সাংবাদিক সে এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজে ঢাকায় আছেন।

  • জলঢাকায় ঘুষের টাকা ফেরত না দেওয়ায় প্রধান শিক্ষক অবরুদ্ধ। আহত-১

    নীলফামারী জলঢাকায় ৪ লক্ষ টাকায় ঘুষ নিয়ে চাকুরী না দেওয়ায় জনতার কাছে অবরুদ্ধ হলেন, হামিদুর রহমান নামের এক প্রধান শিক্ষক। এ সময় চাকুরী প্রার্থীর ভাইকে মেরে আহত করেছে ওই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও হামিদুর রহমানের লোকজন। ঘটনাটি মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার শৌলমারী গোপালঝাড় দ্বিমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে। চাকুরী প্রার্থীর বাবা ফজলুর রহমান জানায়, প্রায় ৩ বছর আগে আমার ছেলে সোহরাব হোসেন (সিমলু) লাব্রেরিয়ান পদে চাকুরীর প্রলোভন ও গ্রন্থাগার সার্টিফিকেট পেয়ে দেওয়ার কথা বলে মোট ৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ঘুষ নেয় গোপালঝাড় দ্বিমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হামিদুর রহমান। দীর্ঘদিন টালবাহনা করে মঙ্গলবার ১২ লক্ষ টাকায় শিবির কর্মী সাদেকুর রহমানের তাকে চাকুরী পেয়ে দেয় এবং স্কুলে এই উপলক্ষ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এ খবর শুনে স্কুলে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে ঘুষের টাকা ফেরত চাইলে তিনি আমার উপর চড়াও হন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন হামিদুর মাষ্টারকে অবরুদ্ধ করে রাখে। শুধু সোহরাব হোসেনেই নয় এরকম প্রতারণার শিকার বালাগ্রাম ইউনিয়নের আসাদুজ্জামানের স্ত্রী তানিয়া আক্তার জানান, একই পদের কথা বলে আমার কাছ থেকে হামিদুর রহমান টাকা নিয়েছে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা আর সার্টিফিকেট বাবদ নিয়েছে ৫০ হাজার টাকা। এ সংক্রান্ত ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকার স্বীকারোক্তিমূলক স্বাক্ষর রয়েছে এবং ডিমলা বিন্দা রানী সরকারী হাই স্কুলে নিয়োগ পরীক্ষায় আমাকে সিলেকশন দিয়েছে। অথচ প্রধান শিক্ষক বলেছেন গ্রন্থাগারের সার্টিফিকেটটি নাকি জাল! এজন্য নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। আহত সুমন আলী (২৯) জানায়, আমার বাবা ফজলুর রহমান ওই স্কুলের একজন দাতা সদস্য তিনি প্রতিষ্ঠানটিতে প্রথমে ৩৫ শতাংশ পরে ১৫ শতাংশ জমি দান করেছেন। আমার ভাইয়ের চাকুরী বাবদ নগদ মোটা অঙ্কের টাকা দিয়েও চাকুরী দেয়নি। উল্টো এর প্রতিবাদ করলে সভাপতি ও তাদের লোকজন আমাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে এবং মামলাও দিয়েছে। এঘটনায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার চঞ্চল কুমার ভৌমিক অবরুদ্ধের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এটা ম্যানেজিং কমিটির অভ্যন্তরীন বিষয় আমার সাথে সংশ্লিষ্টতা নেই। ওই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নুরুজ্জামানকে মুঠোফোনে বার-বার চেষ্ট করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক হামিদুর রহমান অভিযোগ অ-স্বীকার করে বলেন, এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

  • অক্সফোর্ডে পড়তে গেলেন ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী

    অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা চুক্তির আওতায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের দুই শিক্ষার্থী সৈয়দা মাঈশা তাসনিম ও নিধি চাকমা এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান খান বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ডফোর্ড কলেজে পড়তে গেছেন। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা চুক্তির আওতায় এই তিন শিক্ষার্থী স্প্রিং প্রোগ্রামে অধ্যয়ন করেতে গেছেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ড্যাফোডিলের এই তিন শিক্ষার্থী প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণের পাশাপশি আন্তঃসাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করবেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী এই তিন শিক্ষার্থী বিশ্বের অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীদের সামনে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরেন। ঐতিহ্যবাহী অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির হার্ডফোর্ড কলেজ ১২৮২ সনে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮টি কলেজের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন কলেজ। প্রতি বছর শিক্ষার্থী বিনিময় প্রকল্প ও শিক্ষাবৃত্তি প্রকল্পের আওতায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী বিশ্বের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষার্থে পড়তে যাচ্ছেন। ক্যাপশনঃ সহপাঠী ও শিক্ষকদের সাথে বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ডফোর্ড কলেজে স্প্রিং প্রোগ্রামে অধ্যয়ন করেতে যাওয়া ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের দুই শিক্ষার্থী সৈয়দা মাঈশা তাসনিম ও নিধি চাকমা এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান খান।

  • ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘সুসাশনের জন্য যোগাযোগ ও গণমাধ্যম’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

    ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের আয়োজনে ‘সুসাশনের জন্য যোগাযোগ ও গণমাধ্যম’’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১ মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশণাল ইউনিভার্সিটির সংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান। সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাষ্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মোঃ সবুর খান। এছাড়া চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ সেমিনারে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে এ বছর স্বাধীনতা পদক পাওয়ায় শাইখ সিরাজকে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অভিনন্দিত করা হয়। তাকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান।  সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক এ এমএম হামিদুর রহমান, সহযোগী ডীন অধ্যাপক ফারহানা হেলাল মেহতাব, সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের প্রফেসর ড. সাখাওয়াত আলী খান, বিভাগীয় প্রধান সেলিম আহমেদ ও সহযোগী অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম । মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গণমাধ্যম সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে, এর বেশি কিছু নয়। গণমাধ্যম চাইলেই রাতকে দিন কিংবা দিনকে রাত বানাতে পারে না। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের পক্ষে সরাসরি সরকারের নিকট পৌঁছা সম্ভব নয়। তাই গণমাধ্যম সাধারণ মানুষের দাবি দাওয়া ও চাওয়া পাওয়া সরকারের নিকট তুলে ধরে। সরকার তখন সেসব বাস্তবায়ন করে। এভাবে গণমাধ্যম সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে থাকে।অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান আরও বলেন, সরকার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে গণমাধ্যম যেহেতু সেতুবন্ধের ভূমিকা পালন করে, তাই গণমাধ্যমকে নিজের দায়িত্বশীলতা সম্পর্কে আরো সচেতন হতে হবে। সামাজিক দায়বদ্ধতা, জবাবদিহিতা ও যৌক্তিকতার ভিত্তিতে গণমাধ্যম গড়ে উঠতে হবে। তিনি বলেন, কোনো রাষ্ট্র সুশাসনের ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা বোঝা যায় ছয়টি নির্ধারকের ভিত্তিতে। সেগুলো হচ্ছে বাক স্বাধীনতা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সরকারের কার্যকর ভূমিকা, সমাজে ধ্যান ধারনার প্রতিফলন ও দুর্নীতির নিয়ন্ত্রণ। এসব বিষয়ের ওপর তীক্ষè নজরদারি রাখা গণমাধ্যমের কাজ বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান।দেশবরেণ্য কৃষি সাংবাদিক ও চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ বলেন, গণমাধ্যম তখনই সরকারকে সুশাসনের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে পারে যখন গণমাধ্যম নিজে সৎ থাকে। তাই সুশাসনের চর্চা শুরু করতে হবে ঘর থেকে। যদি নিজের ঘরে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় তবে ক্রমান্বয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রেও তা প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি বাংলাদেশের গলমাধ্যম সম্পর্কে বলেন, আমাদের দেশে গণমাধ্যম দুর্বিষহ অবস্থায় আছে। বেশিরভাগ গণমাধ্যম অসুস্থ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। তারা সাংবাদিকতার নৈতিকতা মানছে না। উদারহরণ দিয়ে বলেন, এ দেশে একবার একযোগে ৬৪ জেলায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল। তারপর গণমাধ্যমগুলো সেই বিস্ফোরণের বিভৎসব ছবিগুলো প্রকাশের প্রতিযোগিতায় নামল। এই চর্চা এখনো চলছে বলে জানান শাইখ সিরাজ। তিনি বলেন, এ অবস্থা থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসতে হবে। গণমাধ্যমকে যত বেশি উন্মক্ত করা যাবে, সুশাসন তত দ্রুত আসবে। এজন্য গণমাধ্যমকর্মী, মালিক, সরকারসহ সংশ্লিস্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান শাইখ সিরাজ।গণমাধ্যম কীভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে তার উদাহরণ দিতে গিয়ে শাইখ সিরাজ বলেন, ২০০৬ সাল থেকে নিয়মিত কৃষি বাজেট নিয়ে অনুষ্ঠান করে আসছি। এরমাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারকদের মুখোমুখি হতে পারছে। তার প্রতিফলন পড়ছে জাতীয় বাজেটে।সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বলেন, কৃষিকে আগে মানুষ পেশা হিসেবে পরিচয় দিতে কুন্ঠাবোধ করতেন। এখন আর করেন না। অনেক তরুণ শিক্ষার্থী এখন গর্বের সঙ্গে বলেন, আমার বাবা একজন কৃষক। সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির এই যে পরিবর্তন সেটা গনমাধ্যমের অবদান এবং সেটা শাইখ সিরাজেরই অবদান। তিনি বলেন, কৃষকের চেয়ে বড় কোনো উদ্যোক্তা নেই। তাদের বেশির ভাগের নিজস্ব জমি না থাকা সত্ত্বেও বর্গা নিয়ে ফসল ফলান। কিন্তু এই প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের ব্যাপারে সরকারের তেমন কোনা উদ্যোগ নেই। এসব বিষয়ে গণমাধ্যমের আরো জোরালো ভূমিকা পালন করা উচিত বলে মন্তব্য করেন ড. মো. সবুর খান। তিনি বলেন, অস্বীকার করার উপায় নেই যে এখন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক মেরুদ- হচ্ছে গণমাধ্যম। কিন্তু গণমাধ্যম অনেক ক্ষেত্রেই নৈতিক আচরণ করে না। অনৈতিক সাংবাদিকতার কারণে দেশের অর্থনীতির গতি কমে যাচ্ছে। এখনই এসব অপসাংবাদিকতা রুখে দাঁড়াতে হবে বলে মন্তব্য করে ড. মো. সবুর খান। ক্যাপশনঃ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের আয়োজনে ‘সুসাশনের জন্য যোগাযোগ ও গণমাধ্যম’’ শীর্ষক সেমিনারে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশণাল ইউনিভার্সিটির সংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাষ্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মোঃ সবুর খানসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। 

তথ্যপ্রযুক্তি

post-10

সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে কমনওয়েলথের দৃঢ় অবস্থান

কমনওয়েলথ রাষ্ট্রসমূহ ঐতিহাসিক ঘোষণায় বর্তমান ও ২০২০ সালের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দৃঢ় অঙ্গিকার ব্যক্ত করেছে। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লন্ডনে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের (সিএইচওজিএম) বৈঠকে ঐতিহাসিক ঘোষণায় কমনওয়েলথের ৫৩ জন নেতা সাইবার অপরাধ বন্ধে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই ঘোষণা সাইবার নিরাপত্তা সহযোগিতা বিষয়ে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এবং ভৌগলিক দিক থেকে আন্ত:সরকারের একটি বলিষ্ঠ প্রতিশ্রুতি। সিএইচওজিএম’র এই ঘোষণার পর অপরাধী গ্রুপকে সামলাতে ও যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টিকারি রাষ্ট্রকে মোকাবেলায় সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা জোরদারে কমনওয়েলথ রাষ্ট্রসমূহকে সহায়তা করতে যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়। কমনওয়েলথ সেক্রেটারি জেনারেল প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড ঘোষণার পর বলেন, সাইবার স্পেস আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। তিনি বলেন, অভিন্ন পণ্যের জন্য কমনওয়েলথ কানেকশনের বহুমুখি স্তরের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। এতে অনেক ইতিবাচক সুফল বয়ে আনবে। কমনওয়েলথ সদস্য রাষ্ট্রসমূহ তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে একসঙ্গে কাজ করবে। তারা জাতীয়, আঞ্চলিক ও আর্ন্তজাতিক নিরাপত্তায় যে কোন সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত এবং সম্মিলিত ভাবে পদক্ষেপ নিতে পারবে। কমনওয়েলথ সাইবার ঘোষণা অর্থনৈতিক এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও অনলাইন অধিকারের মতো বিষয়ে সাইবার স্পেসের লক্ষ্য নির্ধারন করেছে। কমনওয়েলথ সদস্য দেশসমূহের মধ্যে ছোট দেশগুলোর জন্য এই ঘোষণা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কমনওয়েলথ সদস্যভূক্ত ৫৩ টি রাষ্ট্রের মধ্যে ৩১ টি রাষ্ট্রের জন্য এই ঘোষণা সাইবার অপরাধ বন্ধে সহায়ক হবে। তারা নিজেদের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক অগ্রগতি এগিয়ে নিয়ে যেতে বাস্তব মুখি পদক্ষেপ নিতে পারবে। কমনওয়েলথ সিভিল এবং ক্রিমিনাল জাস্টিস রিফর্ম অফিসের প্রধান স্টীভেন ম্যালবে বলেন, কমনওয়েলথ সাইবার ঘোষণা একটি ঐতিহাসিক দলিল। এ দলিল কমনওয়েলথ সদস্যভূক্ত ৫৩ টি রাষ্ট্রকে এক সঙ্গে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা এবং জনগনের অধিকার রক্ষায় কমনওয়েলথ এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। বিশ্বব্যাপী সাইবার চ্যালেঞ্জ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাইবার অপরাধ বন্ধ এবং সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কমনওয়েলথ দেশসমূহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ঘোষণায় বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীলতা এবং সাইবার স্পেস প্রশ্নে আন্তর্জাতিক আলোচনায় কমনওয়েলথকে আরো সক্রিয় ভূমিকা রাখতে সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। তিনি আরো বলেন, সাইবার ক্রাইম সংক্রান্ত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী ও বিচার কর্মকর্তাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সক্ষমতা গড়ে তুলতে এই ঘোষণার প্রয়োজন ছিল। এই ঘোষণা কমনওয়েলথ সাইবার ইনিশিয়েটিভ(সিসিআই) ও কমনওয়েলথ টেলিকমিউনিকেশন অর্গানাইজেশনসহ (সিটিও) এ ক্ষেত্রে অব্যাহত কাজ করে যাবে। সিটিও এবং কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশনের সহযোগিতায় কমনওয়েলথ সেক্রেটারি সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা গড়ে তুলতে সাইবার অপরাধে আক্রান্ত দেশগুলোকে টেকনিক্যাল সহায়তা দিবে।

  • ভোলা সদর উপজেলায় জুনের মধ্যে প্রত্যেক ঘরে বিদ্যুৎ

    ভোলা সদর উপজেলা আগামী জুনের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আনা হবে। ১৮১ কোটি টাকা ব্যয়ে শতভাগ বিদ্যুতায়নের কার্যক্রম ৮৬ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। এ উপজেলায় প্রত্যেক ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে ৪৭ হাজার ৫৮৬ জন গ্রহকের মাঝে ১ হাজার ১৩২ কি. মি. বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন করা হয়েছে। আর প্রয়োজন রয়েছে ১৭৭ কি. মি. বিদ্যুৎ লাইনের। ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ স্লোগানকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে জেলার দৌলতখান উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আনা হয়েছে। আর এপ্রিলের মধ্যে প্রত্যেক ঘরে বিদ্যুৎ পাবে তজুমুদ্দিন উপজেলা। এছাড়া চলতি বছরের মধ্যে সমগ্র জেলাকে শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধা দেয়া হবে।

    পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজ্যার (জিএম) মো. কেফায়েতউল্লাহ বাসস’কে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের সংবিধানের ১৬ অনুচ্ছেদে গ্রাম বিদ্যুতায়নের কথা উল্লেখ করেছেন। তার ধারাবাহিকতায় তার যোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে গ্রাম-গঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শেখ হাসিনা যদি শতভাগ বিদ্যুতের বিশেষ এ উদ্যোগ না নিতেন তবে অন্ধকারেই থেকে যেত এসব জনপদ।

    জিএম আরো বলেন, সমগ্র জেলাকে ২০১৮ সালের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনার লক্ষ্যে মহা-পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম উপজেলা হিসেবে দৌলতখানকে গতবছর সম্পূর্ণ আলোকিত করা হয়েছে। এপ্রিলের মধ্যে হবে তজুমুদ্দিন ও জুনের মধ্যে সদর উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধার মধ্যে আনা হবে। এতে করে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে মাথা পিছু আয় বৃদ্ধি পাবে, শিক্ষার মান বাড়বে, অভাব দূর হবে বলে মনে করেন কেফায়েতউল্লাহ।

    সমিতি’র এজিএম মো. আব্দুল বাসেত বাসস’কে বলেন, সদর উপজেলার প্রত্যেক ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে ১ হাজার ৩০৯ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন প্রয়োজন। আর শতভাগ বিদ্যুতের সুফল ভোগ করবে মোট ৫৫ হাজার ৮৬জন গ্রাহক। ইতোমধ্যে পল্লী বিদ্যুতের আবাসিক লাইন দেয়া হয়েছে ৩৮ হাজার ৩১০জন গ্রহকের মাঝে। বাণিজ্যিক সংযোগ ৪ হাজার ৫৮৭। শিল্প-কল-কারখানর জন্য ২৩৮ এবং স্কুল কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য ৪ হাজার ৬১১টি সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। ফলে পল্লী অঞ্চলে ব্যাপক বিদ্যূতায়নের প্রভাবে কমে যাচ্ছে শহর ও গ্রামের বৈষম্য।

    সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন জানান, সদরের ১৩টি ইউনিয়নে প্রত্যেক ঘরে ঘরে বিদ্যূৎ পৌঁছে দিতে এখানে ব্যাপক কাজ চলছে। নির্ধারিত সময়ে সম্পূর্ণ বিদ্যুতায়নের জন্য উপজেলা প্রশাসন’র পক্ষ থেকে সবধরনের সহায়তা করা হচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগকে।

    এদিকে আগামী জুনের মধ্যে সদর উপজেলায় ১০০ ভাগ বিদ্যুৎ বিতরনের খবরে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। মহাজোট সরকারের আমলে দ্বীপ জেলায় ব্যাপক বিদ্যুত সংযোগ বৃদ্ধি পাওয়াতে মানুষের জীবন-মান বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্ধকারের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পথে অবহেলিত এ অঞ্চলের বাসিন্দারা এগিয়ে চলছে। চরাঞ্চলগুলোও আজ বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত। বিগত কোন সরকারের আমলে এমন উদ্যোগ গ্রহণ না হলেও বর্তমান সরকারকে এমন কাজের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন এখানকার বাসিন্দারা।

    ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ১৬ নং দক্ষিণ চর ভেদুরিয়া এম হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাই মনে করেন, সরকারের প্রত্যন্ত এলাকায় ব্যাপক বিদ্যুতায়নের ফলে লেখা-পড়ার মান অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। একসময় কেরোসিন কিনে কুপি বা হ্যারিকেন জ্বালিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়া-লেখা করতে হতো। যা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হতোনা। বর্তমনে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়াতে লেখা পড়া অনেকটাই সহজ হয়েছে। ছেলে-মেয়েরা রাত জেগে লেখা-পড়া করার সুযোগ পাচ্ছে। পড়া লেখার আগ্রাহ বাড়াচ্ছে শিক্ষার্থীদের। এছাড়া বিদ্যুতের সুবাধে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের সুফলও ভোগ করছে নতুন প্রজন্ম।

    উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের চর-চন্দ্র প্রসাদ গ্রামের শরিফ খা বাজারের ক্ষুদ্র বিক্রেতা ফয়েজ হোসেন ও বারেক আলী বলেন, বিগত দিনে তাদের এখানে বিদ্যুৎ না থাকায় সন্ধ্যার পর পরই বাজারের বেঁচা-কেনা শেষ হয়ে যেত। গত কয়েক বছরে এলাকায় বিদ্যুৎ লাইন আসাতে অনেক রাত পর্যন্ত হাটের কার্যক্রম চলে। ফলে তাদের আয় রোজগারও বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এ ব্যাপারে ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল আজ বাসস’কে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত উদ্যোগের সুফল আজ প্রত্যেক ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ। পল্লী অঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকার জনপদও আজ বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত। এতে করে মানুষের জীবনমান বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থনৈতিক অবস্থারও পরিবর্তন হচ্ছে।

  • টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নিরাপদ সবজি উৎপাদনে সেক্সফেরোমন ফাঁদ

    জেলার সর্বদক্ষিণে চরাঞ্চলখ্যাত নাগরপুর উপজেলা। কৃষিতে এ উপজেলার অবদান অনস্বীকার্য। এক সময় এ অঞ্চল পাট ও ধান চাষের জন্য বিখ্যাত ছিল। এখন সময় পাল্টিয়েছে। এ অঞ্চলের কৃষকরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় ধান, পাট, গমের পাশাপাশি সবজি উৎপাদনের দিকে ঝুঁকছে। বর্তমানে টমেটো উৎপাদনে ব্যাপক সাড়া পড়েছে সমগ্র উপজেলায়। টমেটোর পাশাপাশি বেগুন, কুমড়া, শশা, ফুলকপি, বাধাঁকপি, লাউসহ নানা রকমের শীত ও গ্রীষ্মকালীন সবজির চাষ করছেন নাগরপুর উপজেলার চাষিরা।

    জানা যায়, সবজি ক্ষেতে পোকার আক্রমণ ঠেকাতে কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে সেক্সফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করতে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, সবজি ক্ষেতে বিভিন্ন ধরনের পোকা আক্রমণ করে থাকে। সবজির ক্ষতিকর পোকা হচ্ছে কান্ড ও ডগা ছিদ্রকারী পোকা। কান্ড ও ডগা ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ ঠেকাতে কৃষকরা তাদের সবজি ক্ষেতে বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক স্প্রে করে থাকেন। কীটনাশক ব্যবহার একদিকে যেমন ব্যয়বহুল অন্যদিকে ঝুকিপূর্ণ। তার উপর কীটনাশক প্রয়োগে কান্ড ও ডগা ছিদ্রকারী পোকা সমূলে ধ্বংস হয় না। আর এ বিষয়গুলো বিবেচনা করে কীটনাশক ব্যবহার কমিয়ে নিরাপদ সবজি উৎপাদনে সবজি ক্ষেতে সেক্্রফেরোমন ফাঁদের ব্যবহার বাড়াতে উপজেলার প্রতিটি ব্লকে কৃষকদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

    নাগরপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইমরান হাসান জানান, সবজি ক্ষেতের সবচেয়ে ক্ষতিকর পোকা হল কান্ড ও ডগা ছিদ্রকারী পোকা। যা কীটনাশক ব্যবহার করলে সমূলে ধ্বংস হয় না। তাই নিরাপদ ও বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন করতে হলে সেক্সফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করতে হবে। এ ফাঁদ তৈরি করা অনেক সহজ। একটি প্লাষ্টিকের কৌটায় সামান্য কেরোসিন তেল, সাবান, পানি ও একটি লেয়ার থাকবে। লেয়ারে সামান্য কেমিক্যাল মিশিয়ে দিতে হবে যাতে করে পুরুষ পোকা আকৃষ্ট হয়ে সে লেয়ারের উপর বসে পোকা মারা যায়। পুরুষ পোকার মৃত্যু হলে আর তাদের বংশ বিস্তার সম্ভব হয় না।

    নাগরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিএম রাশেদুল আলম বলেন, আমরা এ পর্যন্ত উপজেলার ৭ হেক্টর জমির সবজি ক্ষেতে সেক্সফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পেরেছি। এর উপকারীতা দেখে অনেক কৃষকের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে। ইতোমধ্যে কৃষকদের মাঝে সেক্্রফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করার আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে তিনি জানান।

  • হুমায়ূন - হিমুকে নিয়ে ডুডল করেছে গুগল

    হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে ডুডল তৈরি করেছে সার্চ ইঞ্জিন গুগল। সোমবার সমসাময়িক বাংলার এই অবিসংবাদিত লেখক ও নির্মাতার ৬৯তম জন্মদিনকে উদযাপনের অংশ হিসেবে ডুডলটি প্রকাশ করে তারা।

    এতে দেখা যাচ্ছে, হুমায়ূন আহমেদ বসে আছেন, আর তাঁর বিপুল জনপ্রিয় কাল্পনিক চরিত্র হিমু পায়চারি করছে। আর চারপাশে প্রকৃতির আবহ।
     
    আকাশের চাইতে বেশি কিছু ছুঁয়েছিলেন তিনি, জয় করে নিয়েছেন কোটি বাঙালির হৃদয়। এই বাংলায় তার মতো জনপ্রিয়তা সুদূর ভবিষ্যতেও আর কোনো কথাসাহিত্যিক পাবেন কিনা, সে ব্যাপারে সন্দেহ আছে। উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, গান প্রতিটি ক্ষেত্রেই তার সফলতা। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালনাতেও ছিল তার সমদক্ষতা। তিনি হিমালয়, আমাদের অতি প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ। ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

    বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা।

    তিনি মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে শহীদ হন। মায়ের নাম আয়েশা ফয়েজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের মেধাবী ছাত্র হুমায়ূন আহমেদ পাঠ শেষে ওই বিভাগেই প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। একপর্যায়ে তিনি অধ্যাপনা ছেড়ে লেখালেখি, নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাণে যুক্ত হন। হুমায়ূন আহমেদ একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। তিনি কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গত ১৯ জুলাই নিউ ইয়র্কে ইন্তেকাল করেন।

    বিশেষ দিন স্মরণে ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গুগল তাদের হোমপেজে মানানসই লোগো তৈরি করে থাকে। এটাকেই বলা হয় ডুডল। এই আয়োজন থাকে গুগল সার্চের মূল পাতায়। এর আগে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস, প্রখ্যাত স্থপতি এফ আর খানের জন্মদিনসহ বেশকিছু উল্লেখযোগ্য দিনে ডুডল প্রকাশিত হয়েছে। তবে হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনে এবারই প্রথম ডুডল প্রকাশ করল বিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন গুগল।

বিনোদন

Back to Top

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top