অর্থনীতি

পোশাকশিল্পের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের অনুরোধ

পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়ে এই আহ্বান জানায় জোটটি। প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে অ্যাকর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মজুরি বোর্ড গঠনের পাশাপাশি যদি নিয়মিত পর্যালোচনার একটি ব্যবস্থা করা হয়, তবে সেটি পোশাক খাতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে তা সাম্প্রতিক সময়ে পোশাক খাতে যে অনভিপ্রেত ও অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে, তা-ও এড়ানো যাবে। এ ধরনের পরিস্থিতি শিল্পের ভাবমূর্তি ও আস্থা ক্ষুণ্ন করে, যা সরকারসহ সবাই কঠোর পরিশ্রম করে অর্জন করেছে। ১২ জানুয়ারি অ্যাকর্ড প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই চিঠি দিয়েছে। অ্যাকর্ডের পক্ষে চিঠিতে স্বাক্ষর করেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রব ওয়েজ। বৃহস্পতিবার চিঠির অনুলিপি নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে অ্যাকর্ড। সেই চিঠির অনুলিপি শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, বিজিএমইএর সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, বিকেএমইএর সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমানকে দিয়েছে সংস্থাটি। মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে গত মাসে আশুলিয়ায় পোশা৬কশ্রমিকেরা কর্মবিরতি পালন করেন। আন্দোলন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে সেখানকার ৫৯ কারখানা চার দিন বন্ধ থাকে। এ সময় আন্দোলন করার অজুহাতে অনেক শ্রমিককে ছাঁটাই করে কয়েকটি কারখানার কর্তৃপক্ষ। কয়েক হাজার শ্রমিকের বিরুদ্ধে নয়টি মামলা হয়। পুলিশের হাতে বেশ কয়েকজন শ্রমিকনেতা গ্রেপ্তার হন। এই প্রেক্ষাপটেই অ্যাকর্ড প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসের পর দেশের পোশাক খাতের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে ইউরোপীয় ২২০ ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতা এবং দেশি-বিদেশি শ্রমিক সংগঠনের চুক্তির মাধ্যমে অ্যাকর্ড গঠিত হয়। পরিদর্শনের মাধ্যমে পোশাক কারখানার অগ্নি, ভবন ও বৈদ্যুতিক ত্রুটি চিহ্নিত করে অ্যাকর্ড। তারপর সংস্থার তত্ত্বাবধানে ত্রুটি সংশোধন করে কারখানাগুলো। অ্যাকর্ডের পাশাপাশি উত্তর আমেরিকার ক্রেতাদের জোট অ্যালায়েন্স একইভাবে কাজ করছে। চিঠিতে অ্যাকর্ড বলেছে, গত তিন বছরের বেশি সময়ে অ্যাকর্ডের অধীনে দেশের পোশাকশিল্প নিরাপত্তা ইস্যুতে অভূতপূর্ব উন্নতি করেছে। প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে গত মাসের আশুলিয়ার ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ জানিয়ে অ্যাকর্ড বলেছে, সম্প্রতি যাঁদের আটক ও ছাঁটাই করা হয়েছে, তাঁরা শ্রমিক অধিকারে সোচ্চার। বিশ্বস্ত তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে কমপক্ষে ১৪ জন আটক বা গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১১ জন পুলিশি হেফাজতে আছেন। দু-তিনজনকে মারধর করা হয়েছে। প্রায় দেড় হাজার শ্রমিক ছাঁটাইয়ের শিকার হয়েছেন। এ ছাড়া আশুলিয়ার শ্রমিক-অসন্তোষে সাত শতাধিক শ্রমিকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ আছে এবং তাঁরা সম্ভাব্য গ্রেপ্তারের হুমকির মধ্যে আছেন। দেশের শ্রম ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন অনুযায়ী দেশের শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় শিগগিরই ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছে অ্যাকর্ড। একই সঙ্গে শ্রমিকদের যদি অন্যায়ভাবে আটক ও ছাঁটাই এবং মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়, সে ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে সংস্থাটি। অ্যাকর্ডের পাশাপাশি সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত এইচঅ্যান্ডএমসহ ২০টির বেশি ব্র্যান্ড ও ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান পোশাকশিল্পের মজুরি পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মিলিতভাবে একটি চিঠি দিয়েছে। এতে আশুলিয়ার সাম্প্রতিক শ্রমিক-অসন্তোষের বিষয়টি উল্লেখ করে শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণের অনুরোধ করা হয়। পোশাক খাতে সর্বশেষ ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মজুরি বাড়ে। সে সময় খাতটির ন্যূনতম মজুরি ৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩০০ টাকা করা হয়। শ্রম আইন অনুযায়ী, মজুরি ঘোষণার এক বছর পর ও তিন বছরের মধ্যে মজুরি পুনর্নির্ধারণের সুযোগ আছে। পাঁচ বছর পরপর মজুরি বোর্ড গঠিত হবে। অ্যাকর্ডের চিঠির বিষয়ে জানতে চাইলে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ নাছির বলেন, ‘মজুরি বোর্ড গঠন করার আহ্বান জানানোর কোনো এখতিয়ার অ্যাকর্ডের নাই। কারণ, তাদের কার্যক্রম কেবলমাত্র পোশাক কারখানা পরিদর্শন ও তত্ত্বাবধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ।’ এইচঅ্যান্ডএমসহ অন্য ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের চিঠির বিষয়ে মোহাম্মদ নাছির বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত ক্রেতাদের পোশাকের দাম বাড়াতে অনুরোধ করছি। তারা পোশাকের দাম এক সেন্ট বাড়ায়নি, বরং কমিয়েছে। উল্টো গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। কারখানার মান উন্নয়নে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের চাপ আছে মালিকদের ওপর।

  • ফুলবাড়ী সেটেলমেন্ট অফিসে অনিয়ম দূর্নীতি

    দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সেটেলমেন্ট অফিসে দালাল ফড়–য়াদের তৎপরতা বৃদ্ধি, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি। অনিয়ম দূর্নীতি, দেখার কেউ নেই। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সেটেলমেন্ট অফিসে এক যুগ ধরে চলছে জমি জমার মাঠ পর্চার কাজ। ৩০ ধারা, শুনানিতে বাদি বিবাদির নিকট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। কাগজ বৈধ থাকলেও তাদেরকে মাসের পর মাস হয়রাণি করা হচ্ছে। দেওয়া হচ্ছে না মাঠ পর্চা। আবার অনেকে অবৈধ জাল দলিলের কাগজপত্র জমা দিয়েও পার পেয়ে যাচ্ছে উৎকোচের বিনিময়ে। দীর্ঘ ১ যুগ ধরে ফুলবাড়ী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার জরিপের কাজ শুরু হয়। শুরু থেকেই চলছে অনিয়ম দূর্নীতি। বর্তমান বেশকিছু ইউনিয়নে মাঠ পর্চার কাজ চলছে। মাঠ পর্চার কাজে বাদী বিবাদীরা কেউ ৩০ ধারায় আবেদন করেছে। যার কাগজপত্র ঠিক আছে তাকেও হয়রাণি করছে। অপরদিকে সেটেলমেন্ট অফিসের কতিপয় দালাল, অফিসের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বিবাদীকে মাঠ পর্চা দেওয়ায় দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে। অযথা সাধারণ মানুষকে হয়রাণি করা হচ্ছে বলে জানান ভুক্তভূগিরা। জানাযায়, ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউপির চককবির গ্রামের হরিপদ পালের স্ত্রী বুলবুলি রাণীর চককবির মৌজার ১৬৬ খতিয়ান ১.১৩ একর জমির ৩টি পর্চার আলাদা আলাদা খতিয়ান করে পর্চা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত ২৩/০১/২০১৭ ইং তারিখে ফুলবাড়ী সেটেলমেন্ট অফিসের মোঃ মোশররফ হোসেন ৩ হাজার টাকা নিয়ে আলাদা খতিয়ান খুলে পর্চা না দিয়ে পুরাতুন খতিয়ানে অংশ বসিয়ে দেন। এ ব্যাপারে গতকাল মঙ্গলবার বুলবুলি রাণি পালের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান, উক্ত অফিসের মোঃ মোশাররফ হোসেন পৃথক পৃথক পর্চা দেওয়ার কথা বলে  ৩ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেন। কিন্তু একই পর্চায় সবার নাম দেন। উক্ত সেটেলমেন্ট অফিসে এলাকার শত শত মানুষ দালাল খপ্পরদের পড়ে সর্বশান্ত হচ্ছে। বর্তমান উক্ত সেটেলমেন্ট অফিসে শিবনগর ইউপির সদস্য মজনু হক, মোঃ মোশাররফ হোসেন, বেতদিঘী ইউপির মোঃ আব্দুল আলিম, খয়েরবাড়ী ইউপির শ্রী লিটন কুমার সহ আরও বেশ কয়েকজন দালাল রিতিমত টাকার বিনিময়ে অবৈধকে বৈধ আর বৈধকে অবৈধ করে দিচ্ছেন। এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর রয়েছে। ফুলবাড়ী উপজেলার অনেকে কয়েক যুগ আগে এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতে বা পাকিস্থানে চলে গেছেন এবং অনেকে মারা গেছেন তাদের নামের জমির জাল দলিল সৃষ্টি করে প্রভাবশালীরা মাঠ পর্চা নিয়েছেন এমন অভিযোগ রয়েছে।     এছাড়া উক্ত অফিস থেকে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন জমি জমার মালিক কে ৩০ ধারা শুনানিতে নোটিশ প্রদান করে। তারা নোটিশ পাওয়া মাত্র সেটেলমেন্ট অফিসে এলে তাদের কে হাজিরা দিতে হয়। এ সময় প্রতি নোটিশের হাজিরায় ৫০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এমন অভিযোগ করেছেন সুলতানপুর গ্রামের প্রদীপ, সুনিল চন্দ্র, মধ্য সুলতান পুরের বুলবুল সহ অনেকে। এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী সহ কারী সেটেলমেন্ট অফিসার মোঃ আফসার আলীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, উক্ত অফিসে কর্মরত তারা কেউ এই অফিসের নিয়োগ প্রাপ্ত কর্মচারী নয়। তারা আমাদেরকে সহযোগীতা করেন। তবে তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম দূর্নীতির কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে অভিযোগ উঠেছে ফুলবাড়ী সেটেলমেন্ট অফিসে কর্মরত বেশ কয়েকজন দালাল অনিয়ম দূর্নীতির মাধ্যমে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন। তাদের কারণে সাধারণ মানুষ উক্ত অফিসে সুষ্ঠু ভাবে কাজ করতে পারছে না। তাদের মাধ্যমে উৎ কোচের টাকা চলে যায় কর্মকর্তাদের পকেটে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা দালাল ও দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভূমি মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আন্তর্জাতিক

নেপালে গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ৯

  কাঠমান্ডু, ৫ আগস্ট, ২০১৭ : নেপালের পশ্চিমাঞ্চলীয় দোতি জেলায় গাড়ি দুর্ঘটনায় নয় জন নিহত ও অপর সাত জন আহত হয়েছে। শনিবার পুলিশ একথা জানিয়েছে।স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা শিবা বাহাদুর সিংহ বলেন, গাড়িটি জেলার বোটাগান এলাকার একটি পার্বত্য রাস্তা থেকে ছিটকে প্রায় ৫শ’ মিটার নিচে গিরিখাতে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই নয় জন নিহত হয়।খবর সিনহুয়া’র।ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান, এই ঘটনায় আহত সাত জনের মধ্যে চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।তিনি আরো বলেন ‘আহতদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হয়েছে।’যাত্রীবাহী জিপ গাড়িটিতে ১৬ আরোহী ছিল। গাড়িটি দোতি থেকে দিপায়াল জেলার চামারাচাউতারা এলাকায় যাচ্ছিল।নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৮শ’ কিলোমিটার পশ্চিমে এই দুর্ঘটনা ঘটে।বাসস/ কেএআর/১৪৩০/জুনা বাসস বিদেশ-৯নেপাল-দুর্ঘটনানেপালে গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ৯কাঠমান্ডু, ৫ আগস্ট, ২০১৭ (বাসস ডেস্ক): নেপালের পশ্চিমাঞ্চলীয় দোতি জেলায় গাড়ি দুর্ঘটনায় নয় জন নিহত ও অপর সাত জন আহত হয়েছে। শনিবার পুলিশ একথা জানিয়েছে।স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা শিবা বাহাদুর সিংহ বলেন, গাড়িটি জেলার বোটাগান এলাকার একটি পার্বত্য রাস্তা থেকে ছিটকে প্রায় ৫শ’ মিটার নিচে গিরিখাতে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই নয় জন নিহত হয়।খবর সিনহুয়া’র।ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান, এই ঘটনায় আহত সাত জনের মধ্যে চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।তিনি আরো বলেন ‘আহতদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হয়েছে।’যাত্রীবাহী জিপ গাড়িটিতে ১৬ আরোহী ছিল। গাড়িটি দোতি থেকে দিপায়াল জেলার চামারাচাউতারা এলাকায় যাচ্ছিল।নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৮শ’ কিলোমিটার পশ্চিমে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

  • ভেঙ্কাইয়া নাইডু শনিবার ভারতের ১৩তম উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন

      নয়াদিল্লী, ৫ আগস্ট ২০১৭  : ভেঙ্কাইয়া নাইডু শনিবার ভারতের ১৩তম উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। খবর এএফপি’র৬৮ বছর বয়সী নাইডু ৫১৬ ভোট পেয়ে উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মহাত্মা গান্ধীর নাতি ৭২ বছর বয়সী গোপাল কৃষ্ণ গান্ধী। তিনি পেয়েছেন ২৪৪ ভোট।ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত নাইডু উপ-রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়ার আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন।নরেন্দ্র মোদি এক টুইট বার্তায় নবনির্বাচিত উপ-রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, ‘আমি আস্থাবান যে -তিনি একজন পরিশ্রমী ও নিবেদিতপ্রাণ উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেশের সেবা করবেন এবং জাতি গঠনের লক্ষ্যের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবেন।’ভারতে উপ-রাষ্ট্রপতি পদে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চলে।পার্লামেন্টের উভয় কক্ষ লোকসভা (নিম্নকক্ষ) এবং রাজ্যসভার (উচ্চকক্ষ) সদস্যরা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করেন।এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু ছিলেন ভারতের ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স ও গোপাল কৃষ্ণ গান্ধী ছিলেন বিরোধী দলের প্রার্থী।মহাত্মা গান্ধীর নাতি গোপাল কৃষ্ণ গান্ধী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একজন সাবেক গভর্নর।৫৪৫ সদস্য বিশিষ্ট লোকসভায় ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির ২৮১ জন আইনপ্রনেতা রয়েছেন। রাজ্যসভাতেও তারা একক বৃহত্তম দল।নির্বাচিত নতুন উপ-রাষ্ট্রপতি আগামী ১০ আগস্ট শপথ নেবেন। সেদিন বর্তমান উপ-রাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারির পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

  • ইরাকে সরকারি বাহিনীর অভিযানে ৩৫ আইএস জঙ্গি নিহত

      ইরাকে শনিবার নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) ৩৫ জঙ্গি নিহত ও আরো ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা তাদের সর্বশেষ শক্ত ঘাঁটি মসুলের পশ্চিমাঞ্চলীয় ওল্ড সিটি থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। ইরাকি সামরিক বাহিনী একথা জানায়। খবর সিনহুয়ার।এক বিবৃতিতে জয়েন্ট অপারেশন কমান্ড (জেওসি) বলেন, ওল্ড সিটি থেকে টাইগ্রিস নদী অতিক্রম করে অন্যত্র চলে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় আইএসের এসব সদস্য নিহত হয়।এছাড়া জেওসি মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া রাসুল সাংবাদিকদের বলেন, টাইগ্রিস নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক যুদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও ওল্ড সিটি সম্পূর্ণভাবে ইরাকি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।রাসুল বলেন, ওল্ড সিটির জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সর্বশেষ অঞ্চল মুক্ত করতে আমাদের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা তাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছেন।

  • মধ্য আফ্রিকায় শান্তিচুক্তির একদিন পর সংঘর্ষ : ৪০ জন নিহত

      মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে অস্ত্রবিরতি চুক্তির পরদিন মঙ্গলবার সংঘর্ষ শুরু হয়ে গেছে। এতে অন্তত ৪০ জন নিহত ও আরো বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।সহায়তা ও নিরাপত্তা সূত্রে জানা গেছে, দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় ব্রিয়ার শহরে খ্রিষ্টান ‘এনটি-বালাকা’ বিদ্রোহী ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সমন্বয়ে গঠিত সেলেকার মধ্যে সহিংসতা শুরু হয়েছে।সিএআর সরকার ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো সোমবার অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হওয়ার একদিন পর ফের সংঘর্ষ শুরু হয়।খবর এএফপি’র।রোমে ক্যাথলিক কমিউনিটি সান্টা’এগিদিওর মধ্যস্থতায় পাঁচ দিন আলোচনার পর চুক্তিটি হয়েছিল।চুক্তির আওতায় অবরোধ ও হামলা বন্ধের বিনিময়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে রাজনীতিতে প্রতিনিধিত্ব করার ব্যাপারে সম্মতি জানানো হয়।ব্রিয়ার শহর থেকে কারডক্টর্স উইদআউট বর্ডার্স (এমএসএফ)র প্রকল্প সমন্বয়ক মুমুজা মুহিন্দো মুসুবাহো এক বিবৃতিতে জানান, মঙ্গলবার ভোরে ফের নতুন করে সংঘর্ষ ও সহিংসতা শুরু হয়েছে। এতে বেশ কয়েকজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।সংস্থাটি জানায়, এই ঘটনায় ৪৩ জন আহত হয়েছে।মুসলিম সেলেকা জোটের শরিক পপুলার ফ্রন্ট ফর দি রিপাবলিক (এফপিআরসি)’র মুখপাত্র জামিল বাবানানি বলেন, ‘আমাদের অন্তত ১ যোদ্ধা নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন।

শিক্ষাঙ্গন

শিশু প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার জন্য শিক্ষক প্রশিক্ষণ শুরু

বেসিস সভাপতি জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, “বাংলাদেশের শিশুরাই হবে প্রোগ্রামার। দুনিয়াজুড়ে রয়েছে প্রোগ্রামারদের বিপুল চাহিদা। পৃথিবীর সব উন্নত দেশ প্রোগ্রামার খুঁজে বেড়ায়। বিশ্বে প্রোগ্রামাররা কেবল চাহিদার শীর্ষে নয়, তারাই পায় সর্বোচ্চ সম্মানী ও সম্মান। ডিজিটাল দুনিয়াতে সেরা পেশাটির নাম প্রোগ্রামার। বাংলাদেশেও প্রোগ্রামারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু দেশে সফটওয়্যারের কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামার পাওয়া যায় না। বরং কম্পিউটার বিজ্ঞান যারা পড়ে তাদের মাঝেও রয়েছে প্রোগ্রামিং ভীতি। তিনি বলেন, আমাদের কাছে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে কম্পিউটার বিজ্ঞান পড়ে এমন ছাত্র-ছাত্রীদের শতকরা মাত্র ৮ জন প্রোগ্রামার হতে চায়। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব অনুসারে কম্পিউটার বিজ্ঞানে ভর্তি হওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের ৫৮ জন কয়েক মাসের মধ্যেই এই বিষয় পড়া বাদ দিয়ে দেয়। তাদের কাছে বিষয়টি জটিল মনে হয়। আমরা মনে করি, এই অবস্থার পরিবর্তন করার জন্য কেবল কলেজ স্তরে প্রোগ্রামিং শেখানোর উদ্যোগ নিলে হবে না। প্রোগ্রামার তৈরির জন্য শৈশব থেকেই শিশুদের প্রোগ্রামিং সম্পর্কে ধারণা দেওয়া প্রয়োজন। এজন্য তাদের উপযোগি প্রোগ্রামিং শিক্ষা দিতে হবে, যার সহজতম উপায় হলো স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং শেখানো। স্ক্র্যাচ এমন একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা দিয়ে কোনো কোড লিখতে হয় না এবং কেউ একে খেলা হিসেবেই সেটি নিতে পারে। বেসিস সভাপতি আরও বলেন, বেসিস শিক্ষক শিক্ষিকাদেরকে স্ক্রাচ শেখানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশে একটি মাইলফলক উদ্যোগ গ্রহণ করলো। আমরা বেসিস থেকে মূলত একটি শিশু প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে চাই। তবে আমাদের এই কাজটি একটু চ্যালেঞ্জিং। বড়দের প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার বৈশিষ্ট্য হলো যে, কেবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করলেই হয়। যারা অংশ নেবে তারা প্রস্তুতই থাকে। কিন্তু শিশুদের বিষয়টি হচ্ছে যে, আগে তাদেরকে শেখাতে হবে এবং তারপর প্রতিযোগিতায় তাদেরকে ডাকতে হবে। আমরা শিশুদেরকে সরাসরি শেখাবো এবং একই সাথে শিশুদেরকে শেখানোর জন্য শিক্ষক শিক্ষিকাদেরকেও শেখাবো। আমরা আমাদের বিশাল যাত্রার সূচনা করলাম। এরই ধারাবাহিকতায় বেসিসের উদ্যোগে আয়োজিত হবে শিশু কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। এটি ২০১৮ সালের প্রথমার্ধে আয়োজিত হবে।”শিশুদের প্রোগ্রামিং শেখানোর জন্য বেসিস আয়োজিত শিক্ষক শিক্ষিকাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে বেসিস সভাপতি এই কথাগুলো বলেন। বেসিস তার অঙ্গ সংগঠন বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম) এর সহায়তায় গত শুক্রবার (২৫ আগস্ট ২০১৭) রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ বিআইটিএমের ৩০২ নাম্বার ল্যাবে শুধুমাত্র স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ‘স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং পরিচিতি’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ দিয়েছে।দিনব্যাপি এই প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য ছিলো, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিংয়ের সাথে পরিচিত করা এবং তারা যাতে তাদের শিক্ষার্থীদের মাঝে এই জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এই প্রশিক্ষণ চলে। প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।উদ্বোধনকালে বেসিস সভাপতি আরও বলেন,  “বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ও আগামীর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। আমরা ¯œাতক বা উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীদেরকে প্রোগ্রামিং শেখানোর কথা ভাবি। কিন্তু ওরা বস্তুত শৈশব থেকেই প্রোগ্রামিং এর ধারনা পেতে পারে। আমরা শিশুদের জন্য সেই ব্যবস্থাটিই করতে চাই। শিশুদেরকে প্রোগ্রামিং শেখানোর মাধ্যমেই সেটি সূচনা করতে হবে। সেই লক্ষ্য নিয়ে ‘শিশু-কিশোরদের প্রোগ্রামিং শিক্ষা’ শীর্ষক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি শিক্ষার্থীদের জন্য স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং শেখানো হবে। আমরা ২০১৮ সালের শুরুতে এইসব শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে একটি জাতীয় প্রতিযোগিতার আয়োজন করব। ”এই প্রশিক্ষণের প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন বিআইটিএমের প্রশিক্ষক জনাব সিরাজুল মামুন। সহযোগি হিসেবে ছিলেন মেহনাজ শারমিন মোহনা ও ফৌজিয়া আকতার নিহা। জনাব সিরাজুল মামুন বলেন, প্রশিক্ষণ নেওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকারা পরবর্তীতে শিশু-কিশোরদের কাছে এই শিক্ষা পৌছে দেবেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের প্রোগ্রামিংয়ের সাথে পরিচিত করে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য একটি প্রজন্ম তৈরি করা সম্ভব হবে। এই আয়োজনের সূচনায় থাকতে পেরে আমি আনন্দিত।এই আয়োজনের অন্যতম সমন্বয়ক ও ডিক্যাস্টালিয়ার সহ-প্রতিষ্ঠাতা সাবিলা ইনুন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রযাত্রার সাথে তাল মিলিয়ে আগামীর প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে প্রোগ্রামিং শিক্ষার বিকল্প নেই। বেসিসের এই উদ্যোগের সাথে ডিক্যাস্টালিয়াকে রাখার জন্য ও কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য বেসিস, বিআইটিএমসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।প্রথম ব্যাচে বাংলাদেশ ডিজিটাল স্কুল সোসাইটীর ৩০ জন শিক্ষক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তারা আগামীতে আরও শিক্ষকের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন বলে সোসাইটীর প্রধান জনাব ইয়াহিয়া খান রিজন জানান।প্রশিক্ষণার্থী ইয়াহিয়া খান বলেন, এ ধরণের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে শিশুদের তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন মানুষ হিসেবে তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখা যাবে। বড় হয়ে প্রোগ্রামার হওয়ার ভয় থাকবে না তাদের মধ্যে। তবে শিক্ষকদের আরও বেশি শেখার  আগ্রহ তৈরি করতে হবে।  তাদের জন্য বিষয়টি চ্যালেঞ্জিং।

  • স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘কিডস এন্ট্রপেনিউর প্রোগ্রাম’ চালু

    ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতার উন্নয়ন ও বিকাশে “কিডসপ্রেনিউর” নামে ’কিডস এন্ট্রপেনিউর প্রোগ্রাম’ চালু করা হয়েছে। আজ ৫ আগস্ট ২০১৭ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের মিলনায়তনে এ প্রোাগ্রামের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মারুফ রেজা। শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হতে অনুপ্রানিত করতে ও আত্ম নির্ভরশীলতা বাড়াতে ও মনোবল চাঙ্গা করতে অনুষ্ঠানে উদ্দীপনামূলক বক্তব্য রাখেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সিনিয়র ভাইস প্রিন্সিপাল রাহিমা কে মির্জা রোজমেরী। অনুষ্ঠানে আগামী ১২ আগস্ট ২০১৭ তারিখে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য মাই ই-কিডস্ শো-২০১৭ তে কিডস এন্ট্রনিউরশীপ প্রোগ্রাম পরিচালনা ও স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগীতার উপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থীকে এ প্রেগ্রামের অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এখন থেকে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে প্রতিসপ্তাহে একদিন বৃহস্পতিবার নিয়মিতভাবে এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ সেশান আয়োজন করা হবে যা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাব কাযক্রমের অংশ ও এক্সট্রা কারিকুলার কর্মকান্ডের আওতায় উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা ও দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে।

  • বাংলাদেশে আসছেন বিশিষ্ট সামাজিক উদ্যোক্তা প্রফেসর ড. অচ্ছুত সামন্ত

    ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এন্ট্রাপ্রিনিয়রশীপ ডিপার্টমেন্ট আয়োজিত “সামাজিক উদ্যোক্তা” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে যোগ দিতে বাংলাদেশে আসছেন ভারতের বিখ্যাত কেআইআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব ইন্ডাসট্রিয়াল টেকনোলজি-কওওঞ) ও কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্স (কওঝঝ) এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. অচ্ছুত সামন্ত। আগামী ২৭ জুলাই ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মিলনায়তন ৭১-এ সকাল ৯-৩০ মিনিটে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এ পর্বে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, দেশ বরেণ্য মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সরকারি ও বেসরকরি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। সেমিনার শেষে কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্স (কওঝঝ) ও ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্স এর সাথে বিভিন্ন অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ছিন্নমূল শিশুদের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও উন্নত জীবনমান নিশ্চিতকল্পে একটি পারস্পরিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান। ড. অচ্ছুত সামন্তকে বলা হয় ওড়িষ্যার বিস্ময় ব্যক্তিত্ব। তিনি অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে একক প্রচেষ্টায় ভারতের ওডিষ্যার রাজধানী ভুবনেশ্বরে গড়ে তুলেছেন অসাধারণ দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা কেআইআইটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্স (কওঝঝ) । অচ্ছুত সামন্তকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে মূলত কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্স এবং এর ২৫ হাজার আদিবাসী ছাত্রছাত্রী। এখানে পড়ার সুযোগ রয়েছে প্রথম শ্রেণি থেকে একদম স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে বিনামূল্যে থাকা, খাওয়া, বিনোদন, খেলাধুলা, স্বাস্থ্যসেবা, কম্পিউটার ল্যাব, কনফারেন্স ল্যাব ও ওয়াই-ফাই সিস্টেমের ব্যবস্থা। এছাড়া এখানে প্রত্যেক শিক্ষার্থী পড়ালেখার সঙ্গে সঙ্গে পায় কারিগরি প্রশিক্ষণ।ড. অচ্ছুত সামন্তের জন্ম ১৯৬৫ সালে ভারতের ওডিষ্যায়। ছোটকালে বাবাকে হারিয়ে নিদারুণ দুঃখ-কষ্টের মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন অচ্ছুত। রসায়ন শাস্ত্রে এমএসসি ডিগ্রি নিয়েছেন উৎকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এরপর পেশাজীবন শুরু করেন কলেজে শিক্ষকতা দিয়ে। দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করার পর ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন কিট (কওওঞ) । এর ঠিক এক বছর পর প্রতিষ্ঠা করেন কিস (কওঝঝ)। অচ্ছুত সামন্ত এ পর্যন্ত ২৫টি উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি ২০০০ সাল থেকে ‘খুদে মিস ইন্ডিয়া’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছেন। এছাড়া মহাত্মা গান্ধীর স্মরণে একটি আদিবাসী জাদুঘর নির্মাণ করছেন যার নাম ‘গান্ধী গ্রাম’। তিনি তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ দক্ষিণ কোরিয়ার হানসিওসহ ভারতের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা, কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর প্রভৃতি দেশ থেকে পেয়েছেন নানা পুরস্কার।

  • ড.ই.ইউ. তে ‘স্মার্ট সিটি-গুড সিটি-আওয়ার সিটি’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ফ্রেডরিক ন্যুম্যান ফাউন্ডেশন ফর ফ্রিডম, বাংলাদেশ (এফএনএফ)-এর যৌথ আয়োজনে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মিলনায়তন-৭১ এ ‘স্মার্ট সিটি-গুড সিটি-আওয়ার সিটি’ শীর্ষক এক কর্মশালা আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিশিষ্ট স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ মোঃ মাসুদুল ইসলাম। সকাল ১০টায় কর্মশালার উদ্বোধন করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কোষাধ্যক্ষ হামিদুল হক খান। কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন ফ্রেডরিক ন্যুম্যান ফাউন্ডেশন ফর ফ্রিডম, বাংলাদেশ (এফএনএফ)-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর প্রফেসর ড. নাজমুল হোসেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পরিচালক (স্টুডেন্ট এফেয়ার্স) সৈয়দ মিজানুর রহমান রাজু ও স্থাপত্য বিভাগের সিনিয়র লেকচারার শেখ মোহাম্মদ রিজওয়ান। কর্মশালায় বিভন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।  কর্মশালায় স্মার্ট সিটি সম্পর্কে নানা বিষয় তুলে ধরেন স্থপতি মোঃ মাসুদুল ইসলাম। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানুষের বসবাসযোগ্য শহর নির্মাণের ধারনাকেই বলা হচ্ছে স্মার্ট সিটি। এসময় তিনি সিঙ্গাপুর, হংকং, দুবাই, কোরিয়া সহ বিভিন্ স্মার্ট সিটির উদাহরণ দেন।বাংলাদেশের উদাহরণ টেনে মোঃ মাসুদুল ইসলাম বলেন, আমাদের শহরগুলোকে স্মার্ট সিটিতে পরিণত করতে হলে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। সবার আগে দরকার অবকাঠামোগত পরিকল্পনা। স্মার্ট সিটির অন্যতম শর্ত হচ্ছে উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, প্রশস্ত ফুটপাত, পর্যাপ্ত গাছপালা ইত্যাদি। এ সময় মো. মাসুদুল ইসলাম আরও বলেন, স্মার্ট সিটি ডিজাইনের সময় ভৌগলিক বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। বাংলাদেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ ইউরোপ, আমেরিকা বা মধ্যপ্রাচ্যের মতো নয়। ফলে দুবাইয়ের মতো স্মার্ট সিটি তৈরি করতে চাইলেই হবে না। নিজ দেশের ভৌগলিক অবস্থান বিবেচনায় রেখে নগর পরিকল্পনা করা উচিত।ক্যাপশনঃ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ফ্রেডরিক ন্যুম্যান ফাউন্ডেশন ফর ফ্রিডম, বাংলাদেশ (এফএনএফ)-এর যৌথ আয়োজনে ‘স্মার্ট সিটি-গুড সিটি-আওয়ার সিটি’ শীর্ষক এক কর্মশালায় মূখ্য আলোচকের বক্তব্য রাখছেন দেশের বিশিষ্ট স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ মোঃ মাসুদুল ইসলাম।

তথ্যপ্রযুক্তি

post-10

অ্যাসোসিও পুরস্কার পাচ্ছে বিআইটিএম

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় ভূ-অঞ্চলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ সংগঠন এশিয়ান-ওশেনিয়ান ক¤িপউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশন (অ্যাসোসিও) আয়োজিত ২০১৭ অ্যাসোসিও অ্যাওয়ার্ডস পাচ্ছে বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য দক্ষ জনবল তৈরির ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখায় এই পুরস্কার পাচ্ছে বেসিসের সহযোগি এই প্রতিষ্ঠানটি।বিআইটিএমের পাশাপাশি এবারের অ্যাসোসিও অ্যাওয়ার্ডসে আরও তিনটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান পুরস্কার পাচ্ছে। এগুলো হলো- আউটস্ট্যান্ডিং আইসিটি কো¤পানি ক্যাটাগরিতে ‘আমরা হোল্ডিংস লিমিটেড- উই স্মার্ট সল্যুউশন্স’, ডিজিটাল গভর্ণমেন্ট ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ পোস্ট অফিস ও তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় বাংলাদেশ ক¤িপউটার কাউন্সিল।অ্যাসোসিওর বাংলাদেশি সদস্য সংগঠন বাংলাদেশ ক¤িপউটার সমিতি (বিসিএস) এর মাধ্যমে পুরস্কার প্রাপ্তির বিষয়টি অবহিত করেছে অ্যাসোসিও। আগামী ১০ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, তাইওয়ানের তাইপে নগরীতে অ্যাসোসিও আইসিটি সামিটে অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হবে। এতে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিসহ বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশ ক¤িপউটার সমিতি (বিসিএস) এর নেতৃত্বে ৫০ সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করবে।উল্লেখ্য, বেসিস ২০০৭ সালে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে প্রশিক্ষণ শুরু করে। ২০১২ সালে বিআইটিএম প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ পর্যন্ত নিজস্ব প্রশিক্ষণ ছাড়াও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এসইআইপি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২৫ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে বিআইটিএম। প্রশিক্ষণার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়ে এক থেকে তিন মাস মেয়াদী বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এসইআইপি প্রকল্পের আওতায় আরও ১০ হাজার দক্ষ জনবল তৈরির প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে। আরও ৩০ হাজার তথ্যপ্রযুক্তি প্রফেশনাল তৈরির কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিআইটিএমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের চাকরি প্রাপ্তির হার ৬০ শতাংশের বেশি। অবশিষ্টদের অধিকাংশই ফ্রিল্যান্স পেশাজীবি হিসেবে কাজ করছেন। উপরোক্ত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বেসিস তার সদস্য কোম্পানিগুলোর সাথে যৌথ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- হেড ব্লকস, জেনুইটি সিস্টেমস লিমিটেড, বেটার কমিউনিকেশন অ্যান্ড অটোমেশন লিমিটেড, স্টার কম্পিউটার সিস্টেমস লিমিটেড, ইসফট এরিনা লিমিটেড, ঢাকা সেন্ট্রেনিক আইটি লিমিটেড, অলিভাইন লিমিটেড, ইউওয়াই সিস্টেম লিমিটেড, নেটসফট সল্যুউশন লিমিটেড, বিজনেস অ্যাক্সিলারেট বিডি লিমিটেড, ডাটাপার্ক বিডি লিমিটেড, হিউম্যাক ল্যাব লিমিটেড, লিডস ট্রেনিং অ্যান্ড কনসালটিং, মাইক্রোম্যাক টেকনো ভ্যালি লিমিটেড, মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট অ্যান্ড কমিউনেকশনস লিমিটেড (এমসিসি), সিগমা সিস্টেমস প্রাইভেট লিমিটেড, পিপল এন টেক, টেকনোবিডি ওয়েব সল্যুউশনস প্রাইভেট লিমিটেড, দ্য কম্পিউটার্স লিমিটেড (ঢাকা), এআরকে টেকনোলজি, বিটবার্ডস সল্যুউশনস, ডেভেলপ আইটি লিমিটেড, প্রাইম টেক সল্যুউশনস লিমিটেড, নেক্সিম, ইউএস সফটওয়্যার লিমিটেড, ন্যানোটেক সল্যুউশন অ্যান্ড কনসালটেন্সি, নিটা সফটওয়্যার লিমিটেড ও ই-সফট।বিআইটিএমে বর্তমানে ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ও অ্যানিমেশন, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, সফটওয়্যার টেস্টিং, নেটওয়ার্কিং ও সিকিউরিটি, গেইম ডেভেলপমেন্ট, বিগ ডাটা ও ডাটা ইত্যাদি বিষয়ে প্রায় অর্ধশত প্রশিক্ষণ চালু রয়েছে। আগ্রহীরা বিআইটিএমের ওয়েবসাইট (http://www.bitm.org.bd/) থেকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ও প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

  • বেসিস সদস্যদের ঋণ সহায়তা দেবে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক

    বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সদস্যদের ঋণ সহায়তা দেবে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড। এ উপলক্ষে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই ২০১৭) রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

    বেসিসের পক্ষে সদস্য কল্যাণ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন ফারুক ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির এসইভিপি ও হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং মোস্তাক আহমেদ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

    সমঝোতা অনুযায়ী, এখন থেকে বেসিস সদস্যদের জন্য শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড বিভিন্ন খাতে ঋণ দেবে। যারা বেসিস সদস্যদের কাছ থেকে সফটওয়্যার পণ্য বা সেবা নিতে চান তারাও ঋণ পাবে। এক্ষেত্রে ব্যাংকটির গ্রাহকরা যারা বেসিস সদস্যদের কাছ থেকে পণ্য বা সেবা কিনবেন তারা বিশেষ ছাড় পাবেন। পাশাপাশি শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড দেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতের সম্প্রসারণ এবং বহুল প্রচারে ¯পন্সর সংগ্রহসহ আর্থিক সহায়তা দেবে।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বেসিস পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, সদস্য কল্যাণ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির কো-চেয়ারম্যান উৎপল কুমার সরকার, মোহাম্মদ সামিউল ইসলাম, আরিফ আহমেদ চৌধুরী, সদস্য একেএম রাশেদুল ইসলাম, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরমান আর চৌধুরী, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সদস্য এম শহিদুল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সদস্য মোঃ আখতার হোসেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সদস্য মোঃ জাফর সাদেক, ভিপি অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগ আমীর উদ্দিন চৌধুরি, বিনিয়োগের বিভাগের এসইভিপি মাহমুদুল হক, কর্পোরেট বিভাগের এসভিপি বাহার মাহমুদ, কর্পোরেট বিভাগের ইভিপি মনজুরুল আলম চৌধুরি, জনসংযোগ বিভাগের ভিপি মোঃ সামসুদ্দোহা (ভিপি) ও ব্যাংকিং অপারেশন বিভাগের ভিপি নাকিবুল ইসলাম।

  • ডাটা সেন্টার নিয়ে বেসিসের সেমিনার অনুষ্ঠিত

    বেসিসের মিলনায়তনে ডাটা সেন্টারের বর্তমান অবস্থা, এর নিরাপত্তাসহ সামগ্রিক বিষয়ে নিয়ে ‘গ্লোবাল আইটি ট্রেন্ডস : হাউ উইল দে এফেক্ট ইওর ডাটা সেন্টার স্ট্রাটেজি’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসিস ও ইকাডেমি আয়োজিত এই সেমিনারে বেসিস সদস্য কোম্পানির প্রতিনিধিসহ আগ্রহী অর্ধশতাধিক লোক অংশ নেন।
    সেমিনারে বেসিসের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান। আলোচনা করেন এপিআই সিঙ্গাপুরের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ওট্টো ডি রো এবং ইকাডেমির পরিচালক মনির আহমেদ।
    অনুষ্ঠানে বেসিসের সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান বলেন, সময়ের চাহিদায় স্থানীয় পর্যায়ে ডাটা সেন্টার স্থাপন আবশ্যক হয়ে পড়েছে। ব্যক্তিগত থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক এমনকি সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ডাটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সঠিক নিয়মে ডাটা সেন্টার স্থাপন অত্যন্ত জরুরী। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ইন্টারনেট অব থিংকস, অগমেন্টেড/ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জনপ্রিয়তায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইটি ও ডাটা সেন্টার স্ট্রাটেজিতে গুরুত্ব দিতে হবে। বেসিসের পক্ষ থেকে এর সদস্যসহ বাংলাদেশি আইটি কোম্পানির ডাটা সেন্টার সম্পর্কিত পরিকল্পনা গ্রহণে কাজ করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। আগামীতে এ ধরণের সেমিনারের ধারাবাহিকতা থাকবে বলে জানান বেসিস সহ-সভাপতি।
    অনুষ্ঠানের মূল আলোচক এপিআই সিঙ্গাপুরের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ওট্টো ডি রো ইন্টার‌্যাক্টিভ প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বর্তমান ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের নতুন ব্যবসায় ও সোশ্যাল মিডিয়ার পরিবর্তন ও এর ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। একইসাথে গ্রাহকদের চাহিদানুযায়ী নিরাপদ ডাটা সেন্টার ব্যবস্থাপনা নিয়ে করণীয় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি জানান, নতুন ব্যবসায় ও তথ্যপ্রযুক্তি দক্ষতার দ্রুতবর্ধমান চাহিদানুসারে আগামী কয়েক বছরে ডাটা সেন্টার ইন্ডাস্ট্রি অন্তত দুই ডিজিট বড় হবে।
    ইকাডেমির পরিচালক মনির আহমেদ ডাটা সেন্টার দক্ষতার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, আমাদের দেশে ডাটা সেন্টার প্রযুক্তিতে দক্ষ জনবলের অভাব রয়েছে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা নতুন এই প্রযুক্তির সাথে সমন্বিত নয়। অনেকেই ভেন্ডর সার্টিফিকেশন প্রশিক্ষণ নিলেও ডাটা সেন্টার ফ্যাসিলিটি ডিজাইন, অপারেশন, ক্যাপাসিটিতে প্রশিক্ষণের শিক্ষার্থী খুবই কম। কিন্তু সময়ের চাহিদায় এ বিষয়ে যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। বেসিসের সকল সদস্য কোম্পানি ও প্রফেশনালদের জন্য ইপিআই এর বাংলাদেশি পার্টনার ইকাডেমিতে সকল প্রশিক্ষণে ২০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে বলেও ঘোষনা দেন তিনি।

  • সৌর বিদ্যুৎ চালিত ড্রোন

    সৌর বিদ্যুৎ চালিত বিমানের পর এবার এলো ড্রোন। বিজ্ঞানীরা এই প্রথম সৌর বিদ্যুৎ চালিত ড্রোন উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছেন। এই ড্রোনটি সম্পূর্ণ সৌর বিদ্যুৎ চালিত। 

    ড্রোনটি তৈরি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিনিসোটার একদল গবেষক। ড্রোনটি দেখতে অনেকটা বিমানের মত। এতে বিমানের মত লম্বা পাখা আছে। এই পাখা ভাঁজ করা যায়। ভাঁজ খুললে এটি লম্বায় ছয় ফুট। 

    ড্রোনটিতে ক্যামেরা সংযোজন করা আছে। এর উদ্ভাবকেরা জানিয়েছেন, ড্রোনটি দিয়ে শস্যক্ষেতের অবস্থা পর্যালোচনা করা হবে। 

    এর আগে সৌরবিদ্যুৎ চালিত বিমান সোলার ইমপালস উদ্ভাবন করা হয়। এর পরীক্ষামূলক উড়ান সম্পন্ন করার পর এটি পুরো পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে সমর্থ হয়েছে।

বিনোদন

Back to Top

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top