অর্থনীতি

জিএসপি সুবিধা নিয়ে রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে কাজ করছে বাংলাদেশ : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, জিএসপি সুবিধা নিয়ে রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে কাজ করছে বাংলাদেশ। রাশিয়ার সাথে বাণিজ্যবৃদ্ধি করতে আগ্রহী উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ অঞ্চলে বাংলাদেশের তৈরি পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।বৃহস্পতিবার রাতে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক ফোরামে (এসপিআইইএফ) বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।দি এসসিও এন্ড প্রসপেক্টস ফর দি ডেভেলপমেন্ট অব ব্রড ইউরোশিয়ান পার্টনারশিপ সেশনে প্যানেলিষ্ট হিসেবে বক্তব্যে তোফায়েল আহমেদ আরো বলেন,আর্মেনিয়া, বেলারুশ, কাজাকাস্থান, কিরগিজস্থান এবং রাশিয়ান ফেডারেশনের সমন্বয়ে গঠিত ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়নের সাথে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার লক্ষ্যে একটি এমওইউ স্বাক্ষরের বিষয়ে বাংলাদেশ নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এতে করে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য অনেক বৃদ্ধি পাবে এবং দেশগুলো তুলনামূলক কমমূল্যে বাংলাদেশের পণ্য ক্রয়ের সুযোগ পাবে। ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়নের সাথে এমওইউ এবং সাংহাই করপোরেশন অর্গানাইজেশন ফোরামে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।প্যানেল আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন ইরানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী মাহমুদ ডেইজি সাংহাই করপোরেশন অর্গানাইজেশনের সেক্রেটারি জেনারেল রশিদ অলিমভ, রাশিয়ান ফেডারেশনের ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট এর ডেপুটি মিনিস্টার এ্যালেক্সি গুজডেভ, এসসিও বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি বখতিয়ার কাকিমভ।তোফায়েল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন বিশে^র মধ্যে উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে আগামী ২০২১ সালে বাংলাদেশ হবে ডিজিটাল মধ্য আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে হবে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নি¤œমধ্য আয়ের দেশে পরিনত হয়েছে। বাংলাদেশ গত বছর ৩৪.২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। ২০২১ সালে রপ্তানির পরিমান হবে ৬০ বিমিলিয়ন মার্কিন ডলার।মন্ত্রী বলেন, চীন, কাজাকস্থান, কিরঘিজস্থান, রাশিয়া, তাজাকস্থান এবং উজবেকিস্থানের সমন্ময়ে গঠিত সাংহাই করপোরেশন অর্গানাইজেশন ফোরামে প্রথমে অবজারভার এবং পরে পূর্নাঙ্গ সদস্য হিসেবে যোগদান করতে বাংলাদেশ আগ্রহী। এ বিষয়ে কার্যক্রম চলছে।

  • আগামী বাজেটে করপোরেট করহার কমানোর ইঙ্গিত অর্থমন্ত্রীর

    ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে করপোরেট করহার কমানোর দাবির প্রেক্ষিতে আগামী অর্থবছরের বাজেটে করপোরেট করহার কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।তিনি বলেন,‘এবার সর্বোচ্চ করপোরেট করহার কমানোর চিন্তা করছে সরকার।একইসাথে ব্যক্তি পর্যায়ের করমুক্ত আয়সীমা ৩ থেকে ৫ বছরের জন্য ফিক্সড করা যায় কি-না সেটাও আমরা ভাবছি।’রোববার রাজধানীর আগারগাঁও বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও এফবিসিসিআইয়ের যৌথ পরামর্শক সভায় এসব কথা বলেন তিনি।সভায় ব্যবসায়ীরা আসছে বাজেটে সব ধরনের কোম্পানির করপোরেট করহার কমানোর প্রস্তাব দেন। এছাড়া ব্যক্তিশ্রেণীর করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা করার সুপারিশ করেন তারা।সভায় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান, এফবিসিসিআই সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাশেম খানসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।অর্থমন্ত্রী বলেন,ব্যক্তি পর্যায়ের আয়কর সীমা ঘোষণার পাশাপাশি নারীদের করমুক্ত করসীমার একটি স্থায়ী কাঠামো দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমেরিকাসহ উন্নত দেশগুলোর মতো আয়ের লিমিট দেয়া হবে। লিমিটের বেশি আয় হলে অবশ্যই ট্যাক্স দিতে হবে।তিনি বলেন,ব্যবসায়ীরা অগ্রীম ভ্যাট না নেওয়ার দাবি তুলেছেন। বর্তমানে ৫ শতাংশ অগ্রীম ভ্যাট আদায় করা হয়। বাজেটে ব্যবসায়ীদের দাবি বিবেচনার চেষ্টা করবো।এছাড়া ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশের আইসিটি সেক্টরকে অবমুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু আইসিটি ব্যবসায়ীরা বলছেন তারা অবমুক্ত সার্টিফিকেট পায়নি। এটা ঠিক হয়নি। এনবিআরকে বলবো দ্রুত তাদেরকে এটা দেয়া উচিত।ভোক্তা স্বার্থ সুরক্ষায় আইনের প্রসঙ্গে মুহিত বলেন, টোব্যাকো ট্যাক্সে বাংলাদেশ দূর্বল। আগামী অর্থবছর টোব্যাকো ট্যাক্স ভালো হবে। বিড়ি দেশ থেকে বিদায় দিতে হবে। বিড়ি নিয়ে অনেক মিথ আছে। বিড়ি এখন নেই,সব লো কোয়ালিটির সিগারেটের পরিণত হয়েছে।আসন্ন বাজেটকে উচ্চাভিলাষী উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগে ট্যাক্স দেওয়ার সময় হয়রানির ঘটনা ঘটতো;সেজন্য অনেকেই ট্যাক্স নেটে আসতে চাইতো না। এ সংস্কৃতিকে আমরা সফলভাবে বিদায় করেছি।এখন মানুষ ট্যাক্স দিতে চায়।ট্যাক্স দেয়াকে বাহাদুরী মনে করে।তরুণ প্রজন্মও ট্যাক্স দিতে আগ্রহী।আমাদের ই-টিআইএন প্রতিদিন বাড়ছে।তাই আগামী বাজেটকে বড় করতে চাই, এটাকে উচ্চাবিলাসীও বলতে পারেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।সভায় এক ব্যবসায়ী নেতা নতুন ভ্যাট আইনের আওতায় এফবিসিসিআইয়ের প্রস্তাব মোতাবেক ভ্যাট হার মেনে না নিলে আন্দোলনে যাবার হুমকি দিলে অর্থমন্ত্রী বলেন,‘আপনারা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে কতজন ভ্যাট দেন? আপনারা খামাখা আন্দোলন করছেন। যদি আপনারা আন্দোলন করেন, তবে আমরা তা দমন করব।’সভায় শুধু মূল্য সংযোজনের ওপরেই কর আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে এফবিসিসিআই। এ ছাড়া বেশ কিছু খাতে রেয়াতি হারে মূসক আরোপের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। আবার যাঁরা নতুন আইনে উপকরণ রেয়াত নিতে পারবেন না; তাঁদের ওপর সাড়ে ৪ শতাংশ হারে মূসক আরোপ করার সুপারিশ করা হয়েছে। ৩৬ লাখ টাকা থেকে ৫ কোটি টাকার লেনদেন পর্যন্ত ৩ শতাংশ হারে টার্নওভার কর আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।করপোরেট করের ক্ষেত্রে এফবিসিসিআইয়ের প্রস্তাব হলো, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের করপোরেট কর হার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ২২ শতাংশ; শেয়ারবাজারে তালিকাবহির্ভূত অন্য উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ (ভ্যাট নিবন্ধনের শর্ত থাকবে) ; অন্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সাড়ে ৩২ শতাংশ কর আরোপ। এ ছাড়া যেসব ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত, তাদের কর হার ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৩৭ শতাংশ করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এমন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কর হার কমিয়ে ৪০ শতাংশ এবং মার্চেন্ট ব্যাংকের কর হার ৩৫ শতাংশ করার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।

  • পোশাকশিল্পের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের অনুরোধ

    পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়ে এই আহ্বান জানায় জোটটি। প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে অ্যাকর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মজুরি বোর্ড গঠনের পাশাপাশি যদি নিয়মিত পর্যালোচনার একটি ব্যবস্থা করা হয়, তবে সেটি পোশাক খাতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে তা সাম্প্রতিক সময়ে পোশাক খাতে যে অনভিপ্রেত ও অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে, তা-ও এড়ানো যাবে। এ ধরনের পরিস্থিতি শিল্পের ভাবমূর্তি ও আস্থা ক্ষুণ্ন করে, যা সরকারসহ সবাই কঠোর পরিশ্রম করে অর্জন করেছে। ১২ জানুয়ারি অ্যাকর্ড প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই চিঠি দিয়েছে। অ্যাকর্ডের পক্ষে চিঠিতে স্বাক্ষর করেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রব ওয়েজ। বৃহস্পতিবার চিঠির অনুলিপি নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে অ্যাকর্ড। সেই চিঠির অনুলিপি শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, বিজিএমইএর সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, বিকেএমইএর সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমানকে দিয়েছে সংস্থাটি। মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে গত মাসে আশুলিয়ায় পোশা৬কশ্রমিকেরা কর্মবিরতি পালন করেন। আন্দোলন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে সেখানকার ৫৯ কারখানা চার দিন বন্ধ থাকে। এ সময় আন্দোলন করার অজুহাতে অনেক শ্রমিককে ছাঁটাই করে কয়েকটি কারখানার কর্তৃপক্ষ। কয়েক হাজার শ্রমিকের বিরুদ্ধে নয়টি মামলা হয়। পুলিশের হাতে বেশ কয়েকজন শ্রমিকনেতা গ্রেপ্তার হন। এই প্রেক্ষাপটেই অ্যাকর্ড প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসের পর দেশের পোশাক খাতের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে ইউরোপীয় ২২০ ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতা এবং দেশি-বিদেশি শ্রমিক সংগঠনের চুক্তির মাধ্যমে অ্যাকর্ড গঠিত হয়। পরিদর্শনের মাধ্যমে পোশাক কারখানার অগ্নি, ভবন ও বৈদ্যুতিক ত্রুটি চিহ্নিত করে অ্যাকর্ড। তারপর সংস্থার তত্ত্বাবধানে ত্রুটি সংশোধন করে কারখানাগুলো। অ্যাকর্ডের পাশাপাশি উত্তর আমেরিকার ক্রেতাদের জোট অ্যালায়েন্স একইভাবে কাজ করছে। চিঠিতে অ্যাকর্ড বলেছে, গত তিন বছরের বেশি সময়ে অ্যাকর্ডের অধীনে দেশের পোশাকশিল্প নিরাপত্তা ইস্যুতে অভূতপূর্ব উন্নতি করেছে। প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে গত মাসের আশুলিয়ার ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ জানিয়ে অ্যাকর্ড বলেছে, সম্প্রতি যাঁদের আটক ও ছাঁটাই করা হয়েছে, তাঁরা শ্রমিক অধিকারে সোচ্চার। বিশ্বস্ত তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে কমপক্ষে ১৪ জন আটক বা গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১১ জন পুলিশি হেফাজতে আছেন। দু-তিনজনকে মারধর করা হয়েছে। প্রায় দেড় হাজার শ্রমিক ছাঁটাইয়ের শিকার হয়েছেন। এ ছাড়া আশুলিয়ার শ্রমিক-অসন্তোষে সাত শতাধিক শ্রমিকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ আছে এবং তাঁরা সম্ভাব্য গ্রেপ্তারের হুমকির মধ্যে আছেন। দেশের শ্রম ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন অনুযায়ী দেশের শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় শিগগিরই ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছে অ্যাকর্ড। একই সঙ্গে শ্রমিকদের যদি অন্যায়ভাবে আটক ও ছাঁটাই এবং মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়, সে ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে সংস্থাটি। অ্যাকর্ডের পাশাপাশি সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত এইচঅ্যান্ডএমসহ ২০টির বেশি ব্র্যান্ড ও ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান পোশাকশিল্পের মজুরি পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মিলিতভাবে একটি চিঠি দিয়েছে। এতে আশুলিয়ার সাম্প্রতিক শ্রমিক-অসন্তোষের বিষয়টি উল্লেখ করে শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণের অনুরোধ করা হয়। পোশাক খাতে সর্বশেষ ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মজুরি বাড়ে। সে সময় খাতটির ন্যূনতম মজুরি ৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩০০ টাকা করা হয়। শ্রম আইন অনুযায়ী, মজুরি ঘোষণার এক বছর পর ও তিন বছরের মধ্যে মজুরি পুনর্নির্ধারণের সুযোগ আছে। পাঁচ বছর পরপর মজুরি বোর্ড গঠিত হবে। অ্যাকর্ডের চিঠির বিষয়ে জানতে চাইলে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ নাছির বলেন, ‘মজুরি বোর্ড গঠন করার আহ্বান জানানোর কোনো এখতিয়ার অ্যাকর্ডের নাই। কারণ, তাদের কার্যক্রম কেবলমাত্র পোশাক কারখানা পরিদর্শন ও তত্ত্বাবধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ।’ এইচঅ্যান্ডএমসহ অন্য ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের চিঠির বিষয়ে মোহাম্মদ নাছির বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত ক্রেতাদের পোশাকের দাম বাড়াতে অনুরোধ করছি। তারা পোশাকের দাম এক সেন্ট বাড়ায়নি, বরং কমিয়েছে। উল্টো গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। কারখানার মান উন্নয়নে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের চাপ আছে মালিকদের ওপর।

  • পোশাক রফতানি ৬০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে: বিজিএমইএ সভাপতি

    অবকাঠামো সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে ২০২১ সাল নাগাদ পোশাক রফতানি আয় ৬০ বিলিয়ন ডলার হতে পারে বলে মনে করেন বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। তিনি বলেন, ইউরোপ এবং আমেরিকার ক্রেতাদের তত্ত্বাবধানে পোশাক খাতের সংস্থার চলছে। ফলে চীন, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের উদ্যোক্তা এ দেশে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এ মুহূর্তে অবকাঠামো উন্নয়নে বিদ্যুত সরবরাহ লাইনের দুর্বলতা কাটানো এবং প্রস্তাবিত ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রামে পোশাক খাতের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দু’টি অর্থনৈতিক অঞ্চল বরাদ্দ দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। সিদ্দিকুর রহমান বলেন, দ্রুততম সময়ে এ ব্যবস্থা করা না হলে সংকট তৈরি হবে। কারণ, অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণে দশ বছর লেগে গেলে তখন আর বিনিয়োগকারী পাওয়া যাবেনা। ঢাকা অ্যাপারেল সামিট উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রোববার এসব কথা বলেন তিনি। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে প্রথম সামিট চট্রগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়। ওই সামিটের প্রতিপাদ্য ছিল দেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে পোশাক খাত থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি পথ নকশা করে বিজিএমইএ। গত দুই বছরে সেই নকশা অনুযায়ী, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের চার লেনে উন্নীত হওয়াসহ অনেক কাজ এগিয়েছে বলে দাবি করেন সিদ্দিকুর রহমান। সেই সুবাদেই ৫০ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন বিজিএমইএ সভাপতি।

আন্তর্জাতিক

ইরাকে সরকারি বাহিনীর অভিযানে ৩৫ আইএস জঙ্গি নিহত

  ইরাকে শনিবার নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) ৩৫ জঙ্গি নিহত ও আরো ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা তাদের সর্বশেষ শক্ত ঘাঁটি মসুলের পশ্চিমাঞ্চলীয় ওল্ড সিটি থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। ইরাকি সামরিক বাহিনী একথা জানায়। খবর সিনহুয়ার।এক বিবৃতিতে জয়েন্ট অপারেশন কমান্ড (জেওসি) বলেন, ওল্ড সিটি থেকে টাইগ্রিস নদী অতিক্রম করে অন্যত্র চলে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় আইএসের এসব সদস্য নিহত হয়।এছাড়া জেওসি মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া রাসুল সাংবাদিকদের বলেন, টাইগ্রিস নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক যুদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও ওল্ড সিটি সম্পূর্ণভাবে ইরাকি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।রাসুল বলেন, ওল্ড সিটির জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সর্বশেষ অঞ্চল মুক্ত করতে আমাদের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা তাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছেন।

  • মধ্য আফ্রিকায় শান্তিচুক্তির একদিন পর সংঘর্ষ : ৪০ জন নিহত

      মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে অস্ত্রবিরতি চুক্তির পরদিন মঙ্গলবার সংঘর্ষ শুরু হয়ে গেছে। এতে অন্তত ৪০ জন নিহত ও আরো বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।সহায়তা ও নিরাপত্তা সূত্রে জানা গেছে, দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় ব্রিয়ার শহরে খ্রিষ্টান ‘এনটি-বালাকা’ বিদ্রোহী ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সমন্বয়ে গঠিত সেলেকার মধ্যে সহিংসতা শুরু হয়েছে।সিএআর সরকার ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো সোমবার অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হওয়ার একদিন পর ফের সংঘর্ষ শুরু হয়।খবর এএফপি’র।রোমে ক্যাথলিক কমিউনিটি সান্টা’এগিদিওর মধ্যস্থতায় পাঁচ দিন আলোচনার পর চুক্তিটি হয়েছিল।চুক্তির আওতায় অবরোধ ও হামলা বন্ধের বিনিময়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে রাজনীতিতে প্রতিনিধিত্ব করার ব্যাপারে সম্মতি জানানো হয়।ব্রিয়ার শহর থেকে কারডক্টর্স উইদআউট বর্ডার্স (এমএসএফ)র প্রকল্প সমন্বয়ক মুমুজা মুহিন্দো মুসুবাহো এক বিবৃতিতে জানান, মঙ্গলবার ভোরে ফের নতুন করে সংঘর্ষ ও সহিংসতা শুরু হয়েছে। এতে বেশ কয়েকজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।সংস্থাটি জানায়, এই ঘটনায় ৪৩ জন আহত হয়েছে।মুসলিম সেলেকা জোটের শরিক পপুলার ফ্রন্ট ফর দি রিপাবলিক (এফপিআরসি)’র মুখপাত্র জামিল বাবানানি বলেন, ‘আমাদের অন্তত ১ যোদ্ধা নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন।

  • কাতারের ওপর অবরোধ অনৈসলামিক : এরদোগান

      আঙ্কারা : তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান সৌদি আরবসহ কয়েকটি আরব দেশ কাতারকে যেভাবে একঘরে করার চেষ্টা করছে তাকে অমানবিক ও অনৈসলামিক অভিহিত করে এর কঠোর নিন্দা করেছেন।এরদোগান বলেন, ‘কাতারের ক্ষেত্রে এক গুরুতর ভুল করা হচ্ছে। তাদের বিচ্ছিন্ন করার এই চেষ্টা অমানবিক এবং ইসলামী মূল্যোধের বিরোধী। এটা এটা কাতারকে মৃত্যুদ- দেবার সামিল।’তুরস্কে এ অবরোধের প্রতিবাদ জানাতে বিক্ষোভও হয়েছে গত সপ্তাহে।অবরোধের কারণে সংকটাপন্ন কাতারকে সাহায্য দিতে শুরু করেছে বিভিন্ন দেশ। তুরস্ক ও ইরানের পর এখন মরক্কোও কাতারে বিমানে করে খাবার পাঠিয়েছে। তুরস্ক দুধজাত খাবার, মুরগির মাংস, এবং ফলের রস পাঠিয়েছে।মরক্কো বলছে, পবিত্র রমজান মাসে মুসলিমদের পারস্পরিক সাহায্যের চেতনা থেকে তারা বিমানে করে খাদ্যসামগ্রী পাঠাবে।উপসাগরীর দেশগুলোর মধ্যে কাতারের সঙ্গে তুরস্কের বেশ উষ্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং কাতারকে তারা ঐ অঞ্চলের প্রধান মিত্র বলে গণ্য করে। স্বভাবতই কাতারের বিরুদ্ধে অন্য উপসাগরীয় দেশগুলোর অবরোধ আরোপের ঘটনায় তুরস্ক বেশ ক্ষুব্ধ।কাতারের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেয়ার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটি প্রত্যাখ্যান করে প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন, তুরস্ক যেভাবে ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছে, কাতারের অবস্থানও তাই। কাজেই মানুষকে বোকা বানানো বন্ধ করা উচিত।কাতারকে ঘিরে এই সংকটে তুরস্ককে একটু নাজুক অবস্থায় ফেলেছে। সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের উন্নতি ঘটছে, কিন্তু একই সঙ্গে তারা ইরানের সঙ্গেও সম্পর্ক রাখতে চায়।সৌদি আরবকে সরাসরি সমালোচনা না করলেও প্রেসিডেন্ট এরদোগান এই সংকটের সমাধানে বাদশাহ সালমানকে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।তুরস্কের পার্লামেন্ট গত সপ্তাহে কাতারের একটি তুর্কি সামরিক ঘাঁটিতে সৈন্য মোতায়েনর প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে।

  • কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন সৌদি আরব, বাহ্রাইন, মিশর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের

    সৌদি আরব, বাহ্রাইন, মিশর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ‘সন্ত্রাসবাদে’ সহযোগিতার অভিযোগ এনে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি আরব সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থার ঝুঁকি থেকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন ও সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। এক সৌদি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এসপিএ আরো জানায়, সৌদি আরব ‘কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন এবং দেশটির সঙ্গে সব ধরনের সীমান্ত, নৌ ও বিমানবন্দরের যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।’ সৌদি আরবের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অতীতে কাতার কর্তৃপক্ষ তার অঙ্গীকার রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় ‘চূড়ান্ত’ এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।’ খবর এএফপি’র। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাত কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে।  এদিকে মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দোহার বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসবাদকে’ মদদ দেয়ার অভিযোগ এনে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে। বাহরাইনের সংবাদ সংস্থা থেকেও বলা হয়েছে, বাহরাইনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত, স্থিতিশীলতা নষ্ট ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের কারণে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করছে তারা। সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট ইয়েমেনে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে দুই বছর ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।  জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইয়েমেনে আল-কায়েদা ও আইএসসহ বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীকে মদদ দেয়ার জন্য তারা কাতারকে বয়কট করছে। দীর্ঘদিন ধরেই কাতারের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের অভিযোগ আনা হচ্ছে।

শিক্ষাঙ্গন

বাংলাদেশে আসছেন বিশিষ্ট সামাজিক উদ্যোক্তা প্রফেসর ড. অচ্ছুত সামন্ত

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এন্ট্রাপ্রিনিয়রশীপ ডিপার্টমেন্ট আয়োজিত “সামাজিক উদ্যোক্তা” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে যোগ দিতে বাংলাদেশে আসছেন ভারতের বিখ্যাত কেআইআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব ইন্ডাসট্রিয়াল টেকনোলজি-কওওঞ) ও কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্স (কওঝঝ) এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. অচ্ছুত সামন্ত। আগামী ২৭ জুলাই ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মিলনায়তন ৭১-এ সকাল ৯-৩০ মিনিটে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এ পর্বে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, দেশ বরেণ্য মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সরকারি ও বেসরকরি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। সেমিনার শেষে কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্স (কওঝঝ) ও ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্স এর সাথে বিভিন্ন অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ছিন্নমূল শিশুদের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও উন্নত জীবনমান নিশ্চিতকল্পে একটি পারস্পরিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান। ড. অচ্ছুত সামন্তকে বলা হয় ওড়িষ্যার বিস্ময় ব্যক্তিত্ব। তিনি অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে একক প্রচেষ্টায় ভারতের ওডিষ্যার রাজধানী ভুবনেশ্বরে গড়ে তুলেছেন অসাধারণ দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা কেআইআইটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্স (কওঝঝ) । অচ্ছুত সামন্তকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে মূলত কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্স এবং এর ২৫ হাজার আদিবাসী ছাত্রছাত্রী। এখানে পড়ার সুযোগ রয়েছে প্রথম শ্রেণি থেকে একদম স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে বিনামূল্যে থাকা, খাওয়া, বিনোদন, খেলাধুলা, স্বাস্থ্যসেবা, কম্পিউটার ল্যাব, কনফারেন্স ল্যাব ও ওয়াই-ফাই সিস্টেমের ব্যবস্থা। এছাড়া এখানে প্রত্যেক শিক্ষার্থী পড়ালেখার সঙ্গে সঙ্গে পায় কারিগরি প্রশিক্ষণ।ড. অচ্ছুত সামন্তের জন্ম ১৯৬৫ সালে ভারতের ওডিষ্যায়। ছোটকালে বাবাকে হারিয়ে নিদারুণ দুঃখ-কষ্টের মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন অচ্ছুত। রসায়ন শাস্ত্রে এমএসসি ডিগ্রি নিয়েছেন উৎকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এরপর পেশাজীবন শুরু করেন কলেজে শিক্ষকতা দিয়ে। দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করার পর ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন কিট (কওওঞ) । এর ঠিক এক বছর পর প্রতিষ্ঠা করেন কিস (কওঝঝ)। অচ্ছুত সামন্ত এ পর্যন্ত ২৫টি উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি ২০০০ সাল থেকে ‘খুদে মিস ইন্ডিয়া’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছেন। এছাড়া মহাত্মা গান্ধীর স্মরণে একটি আদিবাসী জাদুঘর নির্মাণ করছেন যার নাম ‘গান্ধী গ্রাম’। তিনি তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ দক্ষিণ কোরিয়ার হানসিওসহ ভারতের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা, কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর প্রভৃতি দেশ থেকে পেয়েছেন নানা পুরস্কার।

  • ড.ই.ইউ. তে ‘স্মার্ট সিটি-গুড সিটি-আওয়ার সিটি’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ফ্রেডরিক ন্যুম্যান ফাউন্ডেশন ফর ফ্রিডম, বাংলাদেশ (এফএনএফ)-এর যৌথ আয়োজনে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মিলনায়তন-৭১ এ ‘স্মার্ট সিটি-গুড সিটি-আওয়ার সিটি’ শীর্ষক এক কর্মশালা আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিশিষ্ট স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ মোঃ মাসুদুল ইসলাম। সকাল ১০টায় কর্মশালার উদ্বোধন করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কোষাধ্যক্ষ হামিদুল হক খান। কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন ফ্রেডরিক ন্যুম্যান ফাউন্ডেশন ফর ফ্রিডম, বাংলাদেশ (এফএনএফ)-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর প্রফেসর ড. নাজমুল হোসেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পরিচালক (স্টুডেন্ট এফেয়ার্স) সৈয়দ মিজানুর রহমান রাজু ও স্থাপত্য বিভাগের সিনিয়র লেকচারার শেখ মোহাম্মদ রিজওয়ান। কর্মশালায় বিভন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।  কর্মশালায় স্মার্ট সিটি সম্পর্কে নানা বিষয় তুলে ধরেন স্থপতি মোঃ মাসুদুল ইসলাম। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানুষের বসবাসযোগ্য শহর নির্মাণের ধারনাকেই বলা হচ্ছে স্মার্ট সিটি। এসময় তিনি সিঙ্গাপুর, হংকং, দুবাই, কোরিয়া সহ বিভিন্ স্মার্ট সিটির উদাহরণ দেন।বাংলাদেশের উদাহরণ টেনে মোঃ মাসুদুল ইসলাম বলেন, আমাদের শহরগুলোকে স্মার্ট সিটিতে পরিণত করতে হলে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। সবার আগে দরকার অবকাঠামোগত পরিকল্পনা। স্মার্ট সিটির অন্যতম শর্ত হচ্ছে উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, প্রশস্ত ফুটপাত, পর্যাপ্ত গাছপালা ইত্যাদি। এ সময় মো. মাসুদুল ইসলাম আরও বলেন, স্মার্ট সিটি ডিজাইনের সময় ভৌগলিক বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। বাংলাদেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ ইউরোপ, আমেরিকা বা মধ্যপ্রাচ্যের মতো নয়। ফলে দুবাইয়ের মতো স্মার্ট সিটি তৈরি করতে চাইলেই হবে না। নিজ দেশের ভৌগলিক অবস্থান বিবেচনায় রেখে নগর পরিকল্পনা করা উচিত।ক্যাপশনঃ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ফ্রেডরিক ন্যুম্যান ফাউন্ডেশন ফর ফ্রিডম, বাংলাদেশ (এফএনএফ)-এর যৌথ আয়োজনে ‘স্মার্ট সিটি-গুড সিটি-আওয়ার সিটি’ শীর্ষক এক কর্মশালায় মূখ্য আলোচকের বক্তব্য রাখছেন দেশের বিশিষ্ট স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ মোঃ মাসুদুল ইসলাম।

  • আগামীকাল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ২য় বর্ষের পরীক্ষার ফল প্রকাশ

      জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৬ সালের অনার্স ২য় বর্ষের পরীক্ষার ফল আগামীকাল প্রকাশ করা হবে।এ পরীক্ষায় ৩০ টি বিষয়ে সারাদেশে ৬২১ টি কলেজের মোট পরীক্ষার্থী ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী মোট ২১৯ টি কেন্দ্রে থেকে অংশগ্রহণ করে।প্রকাশিত ফল SMS এর মাধ্যমে বিকেল ৪.০০ টা থেকে যেকোন মোবাইল মেসেজ অপশনে গিয়ে NUH2 Roll লিখে 16222 নম্বরে Send করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.edu.bd এবং www.nubd.info থেকে ফল জানা যাবে।

  • পরিবেশ সচেতনতামূলক র‌্যালি ও প্রকল্প প্রদর্শনীর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

    পরিবেশ সচেতনতামূলক র‌্যালি ও প্রকল্প প্রদর্শনীর মাধ্যমে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পরিবেশ দিবস পালিত বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০১৭ উপলক্ষে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পরিবেশ বিজ্ঞান ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের (ইএসডিএম) উদ্যোগে পরিবেশ সচেতনতামূলক র‌্যালি ও দিনব্যাপী প্রকল্প প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। “প্রাণের স্পন্দনে, প্রকৃতির বন্ধনে” শীর্ষক দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে আজ সোমবার (৫ জুন) সকালে ধানমন্ডির সোবহানবাগে অবস্থিত প্রধান ক্যাম্পাস থেকে বর্ন্যাঢ্য র‌্যালিটি শুরু হয়ে রাসেল স্কয়ার ঘুরে প্রধান ক্যাম্পাসে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে প্রধান ক্যাম্পসের ড্যাফোডিল টাওয়ারের নিচতলায় পরিবেশ সচেতনতামূলক প্রকল্প প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড.এস.এম মাহবুব-উল হক মজুমদার, পরিবেশ বিজ্ঞান ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান ড. এ.বি.এম কামাল পাশা, প্রভাষক মো. আজহারুল হক চৌধুরী ও জান্নাতুল ফেরদৌস সহ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ।প্রকল্প প্রদর্শনীর উদ্বোধনকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে সারা বিশ্ব আজ পরিবেশ নিয়ে উদ্বিগ্ন। এরকম পরিস্থিতিতে পরিবেশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের করা প্রকল্পগুলো বেশ সময়পোযোগী। আশা করি পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে এসব প্রকল্পের সঠিক বাস্তবায়ন করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে আসবে।এরপর উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও শিক্ষকবৃন্দ প্রদর্শনীতে উপস্থাপিত প্রকল্পগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন। প্রদর্শনীতে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট, সয়েল ইরোসন, ল্যান্ড স্লাইডার, ট্রান্সপোর্ট নেটওয়ার্কিং মডেল ইত্যাদি নামে ১০টি প্রকল্প স্থান পেয়েছে। প্রকল্পগুলো পরিবেশ বিজ্ঞান ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভিন্ন সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা তৈরি করেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল ।

তথ্যপ্রযুক্তি

post-10

বেসিস সদস্যদের ঋণ সহায়তা দেবে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সদস্যদের ঋণ সহায়তা দেবে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড। এ উপলক্ষে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই ২০১৭) রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বেসিসের পক্ষে সদস্য কল্যাণ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন ফারুক ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির এসইভিপি ও হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং মোস্তাক আহমেদ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। সমঝোতা অনুযায়ী, এখন থেকে বেসিস সদস্যদের জন্য শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড বিভিন্ন খাতে ঋণ দেবে। যারা বেসিস সদস্যদের কাছ থেকে সফটওয়্যার পণ্য বা সেবা নিতে চান তারাও ঋণ পাবে। এক্ষেত্রে ব্যাংকটির গ্রাহকরা যারা বেসিস সদস্যদের কাছ থেকে পণ্য বা সেবা কিনবেন তারা বিশেষ ছাড় পাবেন। পাশাপাশি শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড দেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতের সম্প্রসারণ এবং বহুল প্রচারে ¯পন্সর সংগ্রহসহ আর্থিক সহায়তা দেবে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বেসিস পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, সদস্য কল্যাণ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির কো-চেয়ারম্যান উৎপল কুমার সরকার, মোহাম্মদ সামিউল ইসলাম, আরিফ আহমেদ চৌধুরী, সদস্য একেএম রাশেদুল ইসলাম, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরমান আর চৌধুরী, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সদস্য এম শহিদুল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সদস্য মোঃ আখতার হোসেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সদস্য মোঃ জাফর সাদেক, ভিপি অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগ আমীর উদ্দিন চৌধুরি, বিনিয়োগের বিভাগের এসইভিপি মাহমুদুল হক, কর্পোরেট বিভাগের এসভিপি বাহার মাহমুদ, কর্পোরেট বিভাগের ইভিপি মনজুরুল আলম চৌধুরি, জনসংযোগ বিভাগের ভিপি মোঃ সামসুদ্দোহা (ভিপি) ও ব্যাংকিং অপারেশন বিভাগের ভিপি নাকিবুল ইসলাম।

  • শেষ হলো এনটিএফ-৩ বাংলাদেশ প্রকল্প

    উন্নয়নশীল দেশগুলোর রফতানি বাড়াতে নেদারল্যান্ড সরকারের সিবিআই ও ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টার যৌথভাবে ৪ বছরের চুক্তির মাধ্যমে নেদারল্যান্ড ট্রাস্ট ফান্ড (এনটিএফ) প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। নেদারল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এই প্রকল্প বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) ও ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এর সহযোগিতায় বাংলাদেশেও বাস্তবায়িত করা হয়। সোমবার (১২ জুন ২০১৭) আনুষ্ঠানিকভাবে নেদারল্যান্ড ট্রাস্ট ফান্ড-৩ বাংলাদেশ প্রকল্পের সমাপ্তি ঘটে। বেসিস মিলনায়নে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্পের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

    এনটিএফ-৩ বাংলাদেশ প্রকল্পের আওতায় ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশি সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবার রফতানি বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়। ব্যবসায় সম্পর্ক তৈরির পাশাপাশি কোম্পানিগুলোর সক্ষমতা তৈরি ও ব্র্যান্ডিং বাড়ানো হয়। প্রায় ৬০টি বেসিস সদস্য কোম্পানি আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের পণ্য ও সেবা পৌঁছে দেয়ার সুযোগ পায়। ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কোম্পানি সফলতাও পেয়েছে। এর আগে একইভাবে বাংলাদেশে এনটিএফ-২ প্রকল্পও বাস্তবায়িত হয়।

    সমাপনী অনুষ্ঠানে এনটিএফ-৩ প্রকল্পের সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন বাংলাদেশ প্রকল্পের ব্যবস্থাপক জনাব মার্টিন ল্যাবে এবং বাংলাদেশি সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বাজার সম্পর্কে গবেষণাপত্র তুলে ধরেন ওজেনিনজেন ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের পোস্ট-ডক রিসার্চার জনাব হাকি পামুক।

    এছাড়া বক্তব্য রাখেন বেসিস সভাপতি জনাব মোস্তাফা জব্বার, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি জনাব রাসেল টি আহমেদ, সহ-সভাপতি জনাব এম রাশিদুল হাসান প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন বেসিস পরিচালক জনাব উত্তম কুমার পালসহ এনটিএফ-৩ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সদস্য কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা। অংশগ্রহণকারীরা এই প্রকল্পের বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

  • জাতীয় ইন্টারনেট সপ্তাহ’ শুরু

    দেশের সরকারি বিভিন্ন সেবা, ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যবসায়ের প্রচার-প্রসার ও ইন্টারনেট গ্রাহক বাড়াতে বাংলাদেশে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘জাতীয় ইন্টারনেট সপ্তাহ ২০১৬’। মঙ্গলবার (২৩ মে ২০১৭) সকাল ১০টায় রাজধানীর ঢাকা কলেজ প্রাঙ্গনে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় দুইদিনব্যাপী এই মেলার।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এই মেলার আয়োজন করেছে। ঢাকায় বৃহৎ এই মেলার পাশাপাশি বাংলাদেশের সবকটি উপজেলায়ও পালিত হবে দেশের সর্ববৃহৎ এই ইন্টারনেট উৎসব।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এবারের জাতীয় ইন্টারনেট সপ্তাহের উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার, বিসিসির নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকার এবং ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মোয়াজ্জম হোসেন মোল্লাহ্। সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বনমালী ভৌমিক। আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মালিহা নার্গিস, জাতীয় ইন্টারনেট সপ্তাহের আহ্বায়ক ও বেসিস পরিচালক সৈয়দ আলমাস কবীর প্রমুখ।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী বলেন, সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে কাজ করছে। আর এক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করছে। ইন্টারনেট হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের প্রধান নিয়ামক। প্রান্তিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় এই ইন্টারনেট পৌছে দিতে আমরা দেশের সবগুলো ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত ফাইবার অপটিক ক্যাবল সংযোগ প্রদানের কাজ করছি। এছাড়া মানবসম্পদ উন্নয়ন, অবকাঠামো সুবিধাসহ প্রয়োজনীয় নানা প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। ইন্টারনেট সপ্তাহ সেই কার্যক্রমকে তুলে ধরা ও জনগনকে ইন্টারনেটমুখী করতে সহায়তা করবে।

    বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার বলেন, ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সংগ্রামে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রের। আর ইন্টারনেট হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ রুপান্তরের সেই প্রধান ধাপ। আমরা কথিত তলাবিহীন ঝুঁড়ির দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী ২০৪১ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েছেন। আশাকরি তার আগেই আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। আর এক্ষেত্রে আমাদের তরুণরাই অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। ইতিমধ্যেই আমাদের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আমাদের উন্নয়ন বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে পেরেছি। আমরা নেপাল, ভুটানের ডিজিটাল রুপান্তরে কাজ করছি। বাংলাদেশের ঘোষনার পরেই বিশ্বের অন্যান্য দেশে ডিজিটাল রুপান্তরের ঘোষনা দিয়েছে। আমাদের তরুণদের মনোবল থাকলেই আমরা আমাদের লক্ষ্যমাত্রায় পৌছাতে পারবো।

     ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মোয়াজ্জম হোসেন মোল্লাহ্ বলেন, ঢাকা কলেজ ঐতিহ্য ও সাফল্যম-িত একটি প্রতিষ্ঠান। যুগের চাহিদায় তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে ইন্টারনেট সপ্তাহের আয়োজনে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। আগামীতে এ ধরণের আয়োজনে সম্পৃক্ত থাকার কথাও জানান তিনি।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বনমালী ভৌমিক বলেন, সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে একটি প্রধান বিষয় হলো ইন্টারনেট। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ কতোটা এগিয়েছে এবং ইন্টারনেটের প্রসারে সচেতনতা বাড়াতে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত হচ্ছে জাতীয় ইন্টারনেট সপ্তাহ।

    এবারের জাতীয় ইন্টারনেট সপ্তাহে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রায় ২৫টি ই-কমার্স কোম্পানি, মোবাইল অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান, ওয়েব পোর্টাল, ডিভাইস কোম্পানিসহ ইন্টারনেটভিত্তিক পণ্য ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। নিজস্ব স্টলে তারা তাদের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সেবা তুলে ধরছেন। এছাড়া দুইদিনে মোট ৪টি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

  • নাসার প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে ভোট দিন!

    যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আয়োজিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা ‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৭’ এর চূড়ান্ত পর্বে পিপলস চয়েজ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে বাংলাদেশের তিনটি প্রকল্প। যা গোটা জাতির জন্যই আনন্দের এবং গর্বের। অনলাইন ভোটের মাধ্যমে প্রকল্পগুলো চূড়ান্ত বিজয়ী নির্বাচন করা হবে। তাই বাংলাদেশকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে বাংলাদেশি এই তিন প্রকল্পকে ভোট দিতে হবে।

    সম্প্রতি বেসিসের উদ্যোগে বাংলাদেশে আয়োজিত নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৭ প্রতিযোগিতায় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য ১১টি প্রকল্প মনোনীত করা হয়। এর মধ্যে তিনটি প্রকল্প পিপলস চয়েজ ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছে। এগুলো হলো- আত্ম উন্মেষ (ATTO-UNMESH), জোয়াপ্থ২৫ (JOAPTH25) ও টিম ইংলাইটাস (TEAM ENGLITAS)।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, পিপলস চয়েজ ক্যাটাগরিতে উঠে আসা তিনটি প্রকল্প বাংলাদেশের জন্য খুবই আনন্দ এবং গর্বের। অনলাইনে ভোট প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশি এ প্রকল্পগুলোকে বিজয়ী করার মোক্ষম সময় এখন। তাই সবার প্রতি প্রকল্পটি ভোট প্রদানের আহ্বান করছি। আমাদের আরও ৮টি প্রকল্প নাসার চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার তালিকায় রয়েছে। যেগুলো ভোটিং ছাড়াই নাসা সরাসরি বিচার-বিশ্লেষন করবে। আশাকরি সেখান থেকেও আমাদের একাধিক প্রকল্প বিজয়ী হবে।

    পিপলস চয়েজ ক্যাটাগরিতে থাকা প্রকল্পগুলোকে ভোট দিকে প্রথমে https://2017.spaceappschallenge.org/auth/signup সাইটে গিয়ে বিনামূল্যে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর সাইটটিতে লগ-ইন করে https://2017.spaceappschallenge.org/vote লিংকে যেতে হবে। সেখান থেকে বাংলাদেশি তিনটি প্রকল্প সার্চ করে প্রত্যোকটিতে ভোট দিতে হবে। একটি অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে একবার ভোট দেয়া যাবে। এভাবে আগামী ২১ মে পর্যন্ত প্রতিদিন একবার করে ভোট দেয়া যাবে।

    এবারের প্রতিযোগিতার সহযোগিতায় রয়েছে বেসিস স্টুডেন্টস ফোরাম, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম ও ক্লাউড ক্যাম্প বাংলাদেশ। এছাড়া প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও গোল্ড স্পন্সর হিসেবে রয়েছে প্রিজম ইআরপি। অ্যাকাডেমিক পার্টনার হিসেবে আছে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশ।

বিনোদন

Back to Top

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top