অর্থনীতি

পোশাকশিল্পের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের অনুরোধ

পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়ে এই আহ্বান জানায় জোটটি। প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে অ্যাকর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মজুরি বোর্ড গঠনের পাশাপাশি যদি নিয়মিত পর্যালোচনার একটি ব্যবস্থা করা হয়, তবে সেটি পোশাক খাতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে তা সাম্প্রতিক সময়ে পোশাক খাতে যে অনভিপ্রেত ও অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে, তা-ও এড়ানো যাবে। এ ধরনের পরিস্থিতি শিল্পের ভাবমূর্তি ও আস্থা ক্ষুণ্ন করে, যা সরকারসহ সবাই কঠোর পরিশ্রম করে অর্জন করেছে। ১২ জানুয়ারি অ্যাকর্ড প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই চিঠি দিয়েছে। অ্যাকর্ডের পক্ষে চিঠিতে স্বাক্ষর করেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রব ওয়েজ। বৃহস্পতিবার চিঠির অনুলিপি নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে অ্যাকর্ড। সেই চিঠির অনুলিপি শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, বিজিএমইএর সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, বিকেএমইএর সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমানকে দিয়েছে সংস্থাটি। মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে গত মাসে আশুলিয়ায় পোশা৬কশ্রমিকেরা কর্মবিরতি পালন করেন। আন্দোলন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে সেখানকার ৫৯ কারখানা চার দিন বন্ধ থাকে। এ সময় আন্দোলন করার অজুহাতে অনেক শ্রমিককে ছাঁটাই করে কয়েকটি কারখানার কর্তৃপক্ষ। কয়েক হাজার শ্রমিকের বিরুদ্ধে নয়টি মামলা হয়। পুলিশের হাতে বেশ কয়েকজন শ্রমিকনেতা গ্রেপ্তার হন। এই প্রেক্ষাপটেই অ্যাকর্ড প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসের পর দেশের পোশাক খাতের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে ইউরোপীয় ২২০ ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতা এবং দেশি-বিদেশি শ্রমিক সংগঠনের চুক্তির মাধ্যমে অ্যাকর্ড গঠিত হয়। পরিদর্শনের মাধ্যমে পোশাক কারখানার অগ্নি, ভবন ও বৈদ্যুতিক ত্রুটি চিহ্নিত করে অ্যাকর্ড। তারপর সংস্থার তত্ত্বাবধানে ত্রুটি সংশোধন করে কারখানাগুলো। অ্যাকর্ডের পাশাপাশি উত্তর আমেরিকার ক্রেতাদের জোট অ্যালায়েন্স একইভাবে কাজ করছে। চিঠিতে অ্যাকর্ড বলেছে, গত তিন বছরের বেশি সময়ে অ্যাকর্ডের অধীনে দেশের পোশাকশিল্প নিরাপত্তা ইস্যুতে অভূতপূর্ব উন্নতি করেছে। প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে গত মাসের আশুলিয়ার ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ জানিয়ে অ্যাকর্ড বলেছে, সম্প্রতি যাঁদের আটক ও ছাঁটাই করা হয়েছে, তাঁরা শ্রমিক অধিকারে সোচ্চার। বিশ্বস্ত তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে কমপক্ষে ১৪ জন আটক বা গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১১ জন পুলিশি হেফাজতে আছেন। দু-তিনজনকে মারধর করা হয়েছে। প্রায় দেড় হাজার শ্রমিক ছাঁটাইয়ের শিকার হয়েছেন। এ ছাড়া আশুলিয়ার শ্রমিক-অসন্তোষে সাত শতাধিক শ্রমিকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ আছে এবং তাঁরা সম্ভাব্য গ্রেপ্তারের হুমকির মধ্যে আছেন। দেশের শ্রম ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন অনুযায়ী দেশের শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় শিগগিরই ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছে অ্যাকর্ড। একই সঙ্গে শ্রমিকদের যদি অন্যায়ভাবে আটক ও ছাঁটাই এবং মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়, সে ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে সংস্থাটি। অ্যাকর্ডের পাশাপাশি সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত এইচঅ্যান্ডএমসহ ২০টির বেশি ব্র্যান্ড ও ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান পোশাকশিল্পের মজুরি পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মিলিতভাবে একটি চিঠি দিয়েছে। এতে আশুলিয়ার সাম্প্রতিক শ্রমিক-অসন্তোষের বিষয়টি উল্লেখ করে শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণের অনুরোধ করা হয়। পোশাক খাতে সর্বশেষ ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মজুরি বাড়ে। সে সময় খাতটির ন্যূনতম মজুরি ৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩০০ টাকা করা হয়। শ্রম আইন অনুযায়ী, মজুরি ঘোষণার এক বছর পর ও তিন বছরের মধ্যে মজুরি পুনর্নির্ধারণের সুযোগ আছে। পাঁচ বছর পরপর মজুরি বোর্ড গঠিত হবে। অ্যাকর্ডের চিঠির বিষয়ে জানতে চাইলে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ নাছির বলেন, ‘মজুরি বোর্ড গঠন করার আহ্বান জানানোর কোনো এখতিয়ার অ্যাকর্ডের নাই। কারণ, তাদের কার্যক্রম কেবলমাত্র পোশাক কারখানা পরিদর্শন ও তত্ত্বাবধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ।’ এইচঅ্যান্ডএমসহ অন্য ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের চিঠির বিষয়ে মোহাম্মদ নাছির বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত ক্রেতাদের পোশাকের দাম বাড়াতে অনুরোধ করছি। তারা পোশাকের দাম এক সেন্ট বাড়ায়নি, বরং কমিয়েছে। উল্টো গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। কারখানার মান উন্নয়নে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের চাপ আছে মালিকদের ওপর।

  • পোশাক রফতানি ৬০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে: বিজিএমইএ সভাপতি

    অবকাঠামো সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে ২০২১ সাল নাগাদ পোশাক রফতানি আয় ৬০ বিলিয়ন ডলার হতে পারে বলে মনে করেন বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। তিনি বলেন, ইউরোপ এবং আমেরিকার ক্রেতাদের তত্ত্বাবধানে পোশাক খাতের সংস্থার চলছে। ফলে চীন, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের উদ্যোক্তা এ দেশে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এ মুহূর্তে অবকাঠামো উন্নয়নে বিদ্যুত সরবরাহ লাইনের দুর্বলতা কাটানো এবং প্রস্তাবিত ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রামে পোশাক খাতের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দু’টি অর্থনৈতিক অঞ্চল বরাদ্দ দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। সিদ্দিকুর রহমান বলেন, দ্রুততম সময়ে এ ব্যবস্থা করা না হলে সংকট তৈরি হবে। কারণ, অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণে দশ বছর লেগে গেলে তখন আর বিনিয়োগকারী পাওয়া যাবেনা। ঢাকা অ্যাপারেল সামিট উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রোববার এসব কথা বলেন তিনি। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে প্রথম সামিট চট্রগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়। ওই সামিটের প্রতিপাদ্য ছিল দেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে পোশাক খাত থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি পথ নকশা করে বিজিএমইএ। গত দুই বছরে সেই নকশা অনুযায়ী, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের চার লেনে উন্নীত হওয়াসহ অনেক কাজ এগিয়েছে বলে দাবি করেন সিদ্দিকুর রহমান। সেই সুবাদেই ৫০ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন বিজিএমইএ সভাপতি।

  • ফুলবাড়ী সেটেলমেন্ট অফিসে অনিয়ম দূর্নীতি

    দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সেটেলমেন্ট অফিসে দালাল ফড়–য়াদের তৎপরতা বৃদ্ধি, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি। অনিয়ম দূর্নীতি, দেখার কেউ নেই। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সেটেলমেন্ট অফিসে এক যুগ ধরে চলছে জমি জমার মাঠ পর্চার কাজ। ৩০ ধারা, শুনানিতে বাদি বিবাদির নিকট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। কাগজ বৈধ থাকলেও তাদেরকে মাসের পর মাস হয়রাণি করা হচ্ছে। দেওয়া হচ্ছে না মাঠ পর্চা। আবার অনেকে অবৈধ জাল দলিলের কাগজপত্র জমা দিয়েও পার পেয়ে যাচ্ছে উৎকোচের বিনিময়ে। দীর্ঘ ১ যুগ ধরে ফুলবাড়ী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার জরিপের কাজ শুরু হয়। শুরু থেকেই চলছে অনিয়ম দূর্নীতি। বর্তমান বেশকিছু ইউনিয়নে মাঠ পর্চার কাজ চলছে। মাঠ পর্চার কাজে বাদী বিবাদীরা কেউ ৩০ ধারায় আবেদন করেছে। যার কাগজপত্র ঠিক আছে তাকেও হয়রাণি করছে। অপরদিকে সেটেলমেন্ট অফিসের কতিপয় দালাল, অফিসের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বিবাদীকে মাঠ পর্চা দেওয়ায় দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে। অযথা সাধারণ মানুষকে হয়রাণি করা হচ্ছে বলে জানান ভুক্তভূগিরা। জানাযায়, ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউপির চককবির গ্রামের হরিপদ পালের স্ত্রী বুলবুলি রাণীর চককবির মৌজার ১৬৬ খতিয়ান ১.১৩ একর জমির ৩টি পর্চার আলাদা আলাদা খতিয়ান করে পর্চা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত ২৩/০১/২০১৭ ইং তারিখে ফুলবাড়ী সেটেলমেন্ট অফিসের মোঃ মোশররফ হোসেন ৩ হাজার টাকা নিয়ে আলাদা খতিয়ান খুলে পর্চা না দিয়ে পুরাতুন খতিয়ানে অংশ বসিয়ে দেন। এ ব্যাপারে গতকাল মঙ্গলবার বুলবুলি রাণি পালের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান, উক্ত অফিসের মোঃ মোশাররফ হোসেন পৃথক পৃথক পর্চা দেওয়ার কথা বলে  ৩ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেন। কিন্তু একই পর্চায় সবার নাম দেন। উক্ত সেটেলমেন্ট অফিসে এলাকার শত শত মানুষ দালাল খপ্পরদের পড়ে সর্বশান্ত হচ্ছে। বর্তমান উক্ত সেটেলমেন্ট অফিসে শিবনগর ইউপির সদস্য মজনু হক, মোঃ মোশাররফ হোসেন, বেতদিঘী ইউপির মোঃ আব্দুল আলিম, খয়েরবাড়ী ইউপির শ্রী লিটন কুমার সহ আরও বেশ কয়েকজন দালাল রিতিমত টাকার বিনিময়ে অবৈধকে বৈধ আর বৈধকে অবৈধ করে দিচ্ছেন। এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর রয়েছে। ফুলবাড়ী উপজেলার অনেকে কয়েক যুগ আগে এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতে বা পাকিস্থানে চলে গেছেন এবং অনেকে মারা গেছেন তাদের নামের জমির জাল দলিল সৃষ্টি করে প্রভাবশালীরা মাঠ পর্চা নিয়েছেন এমন অভিযোগ রয়েছে।     এছাড়া উক্ত অফিস থেকে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন জমি জমার মালিক কে ৩০ ধারা শুনানিতে নোটিশ প্রদান করে। তারা নোটিশ পাওয়া মাত্র সেটেলমেন্ট অফিসে এলে তাদের কে হাজিরা দিতে হয়। এ সময় প্রতি নোটিশের হাজিরায় ৫০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এমন অভিযোগ করেছেন সুলতানপুর গ্রামের প্রদীপ, সুনিল চন্দ্র, মধ্য সুলতান পুরের বুলবুল সহ অনেকে। এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী সহ কারী সেটেলমেন্ট অফিসার মোঃ আফসার আলীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, উক্ত অফিসে কর্মরত তারা কেউ এই অফিসের নিয়োগ প্রাপ্ত কর্মচারী নয়। তারা আমাদেরকে সহযোগীতা করেন। তবে তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম দূর্নীতির কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে অভিযোগ উঠেছে ফুলবাড়ী সেটেলমেন্ট অফিসে কর্মরত বেশ কয়েকজন দালাল অনিয়ম দূর্নীতির মাধ্যমে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন। তাদের কারণে সাধারণ মানুষ উক্ত অফিসে সুষ্ঠু ভাবে কাজ করতে পারছে না। তাদের মাধ্যমে উৎ কোচের টাকা চলে যায় কর্মকর্তাদের পকেটে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা দালাল ও দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভূমি মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের ফোন ট্যাপিংয়ের তদন্ত চায় হোয়াইট হাউস

আমেরিকায় বিগত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারাভিযানের সময় ওবামা প্রশাসন ক্ষমতার অপব্যবহার করেছিল কিনা, তা মার্কিন কংগ্রেসকে পরীক্ষা করে দেখতে আহ্বান জানিয়েছে হোয়াইট হাউস কর্তৃপক্ষ।এর আগে, গত শনিবার বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বিরুদ্ধে তার ফোন ট্যাপ বা ফোনে আঁড়ি পাতার অভিয়োগ তোলেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও এর পক্ষে তিনি কোন প্রমাণ দেননি।তবে সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামার একজন মুখপাত্র বলেছেন, অভিযোগ মিথ্যা। তিনি কখনো কোন মার্কিন নাগরিকের ওপর নজরদারির নির্দেশ দেননি।ইতিমধ্যে বিগত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার ভূমিকা নিয়ে কংগ্রেস একটি তদন্ত করছে। ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার বলেছেন, সেই তদন্তে এটাও দেখা উচিৎ যে সাবেক প্রেসিডেন্ট তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছিলেন কিনা।এদিকে, বেশ কজন রিপাবলিকান এবং ডেমোক্রেট রাজনীতিক প্রমাণ হাজির করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তিনি বা তার কোনও মুখপাত্র কোন প্রমাণ দেননি।  

  • আমেরিকান চেতনা পুনরুজ্জীবিত’ করার অঙ্গীকার

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম কংগ্রেস বক্তৃতায় ‘আমেরিকান চেতনা পুনরুজ্জীবিত’ করার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘আমেরিকান চেতনার পুনরুজ্জীবন’ প্রত্যক্ষ করছে। ট্রাম্প সম্প্রতি ইহুদী সমাধিক্ষেত্রে তাণ্ডব ও কানসাসে ঘৃণাজনিত হামলায় এক ভারতীয়কে হত্যার তীব্র নিন্দা জানান।   মঙ্গলবার রাতে ঘণ্টাব্যাপী দীর্ঘ বক্তৃতায় ট্রাম্প সাম্প্রতিক ঘৃণাজনিত অপরাধের উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা এমন একটি দেশে বাস করি যেখানকার মানুষ একসঙ্গে সকল ঘৃণাজনিত অপরাধের নিন্দা জানায়। এদেশের মানুষ সব ধরনের অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। ’  অভিবাসীদের ব্যাপারে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ‘বাস্তবসম্মত ও ইতিবাচক’ সংস্কার সম্ভব। তিনি অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতা প্রদানে একটি উপায় বের করতে পারেন বলে উল্লেখ করেন। এই ইস্যুতে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেয়ার সময়ে ট্রাম্প ‘অভিবাসন আইন প্রয়োগের মাধ্যমে’ মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন। তিনি এর আগে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ব্যাপারে আত্মপক্ষ সমর্থন করেন। ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশিপ বাণিজ্য চুক্তি প্রত্যাহার ও মার্কিন-মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের ব্যাপারে যুক্তি তুলে ধরেন ট্রাম্প।

  • পশ্চিম মসুলে অবরুদ্ধ আইএস

    ইসলামিক স্টেটের (আইএস) শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ইরাকের মসুল শহরের পশ্চিমাঞ্চল থেকে বের হওয়ার শেষ প্রধান সড়কটিও বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত ইরাকি সেনাবাহিনী। এর ফলে ওই শহরটির একটি এলাকার মধ্যে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে আইএস জঙ্গিরা। বুধবার ইরাকি সেনাবাহিনীর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেনারেল এবং স্থানীয়রা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।   আইএসের দখলমুক্ত করতে পরিচালিত অভিযানের ১০০ দিন পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে মসুলের পূর্বাঞ্চল পুনরুদ্ধার করে ইরাকি বাহিনী। এরপর ১৯ ফেব্রুয়ারি টাইগ্রিস নদীর অপর পাড়ে পশ্চিম মসুলে অভিযান শুরু হয়। পশ্চিম মসুলে আইএসকে পরাজিত করতে পারলে ইরাকে জঙ্গিগোষ্ঠীটির দখলদারিত্ব কার্যত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

  • উত্তর কোরিয়ার কাছে ‘৫ হাজার টন’ রাসায়নিক অস্ত্র মজুদ

    উত্তর কোরিয়ার কাছে পাঁচ হাজার টন রাসায়নিক অস্ত্র মজুদ আছে। সম্প্রতি এমনটাই দাবি করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সেই সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের সৎ ভাই কিম জং ন্যামের হত্যাকাণ্ডে যে রাসায়নিক পদার্থ ভিএক্স ব্যবহৃত হয়েছে তাও উত্তর কোরিয়ার কাছে বলে দাবি করেছে তারা। স্থানীয় সময় শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে ওই দাবি তোলা হয়। খবর এএফপির।   দক্ষিণ কোরিয়ার এক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক জানান, উত্তরের কাছে বিপুল পরিমাণ ভিএক্স রয়েছে। এই ভিএক্স অনেক কম খরচে তৈরি করা যায়। একজন মানুষের স্নায়ু ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে বিষাক্ত এই রাসায়নিকের এক ফোঁটাই যথেষ্ঠ। এদিকে মালয়েশিয়ার পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছেউত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের ভাই কিম জং ন্যামকে এই পদার্থ ব্যবহার করে হত্যা করা হয়। মালয়েশিয়ার পুলিশ জানায়, কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে কিম জং ন্যামের মুখমণ্ডলে ভিএক্স মেখে দেওয়া হয়েছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। ওই সময় তিনি কুয়ালালামপুর থেকে ম্যাকাও যাচ্ছিলেন।

শিক্ষাঙ্গন

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ই-কমার্সের ওপর কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ড্যাফোডিল স্টুডেন্টস অ্যাফেয়ার্স (ডিএসএ) এবং জার্মান সংগঠন ফ্রেডরিক ন্যুম্যান ফাউন্ডেশন (এফএনএফ) এর যৌথ উদ্যোগে ‘ই-কমার্স : ইস্যু রিলেটিং টু একসেস’ শীর্ষক এক কর্মশালা বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম-৫২তে আজ বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় প্রধান বক্তা ছিলেন ই-কমার্স বিশেষজ্ঞ ও বিল্ডিং টেকনোলজি অ্যান্ড আইডিয়া লিমিটেডের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ শাহ সাইফুল্লাহ আল জাকেরিন; একই সঙ্গে তিনি আমিকিনি ডট কম নামের একটি ই-কমার্স সাইটের ডিজিটাল মার্কেটিং কর্মকর্তা। কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার হামিদুল হক খান, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, স্টুডেন্টস অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান রাজু ও ফ্রেডরিক ন্যুম্যান ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ মো. ওমর মোস্তাফিজ।কর্মশালার প্রধান বক্তা শাহ সাইফুল্লাহ আল জাকেরিন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ই-কর্মাস ব্যবসা বাংলাদেশে নতুন। তবে খুব দ্রুত এর বিস্তার ঘটছে। তরুণ উদ্যোক্তারা ই-কমার্সের দিকে ঝুঁকছেন। বাংলাদেশের ক্রেতারাও দিন দিন ই-কমার্সে অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন। ই-কমার্সের এই বিকাশমান সময়ে যদি সঠিক লক্ষ্য ও পরিকল্পনা ঠিক রেখে অগ্রসর হওয়া যায় তবে তরুণ উদ্যোক্তারা খুব সহজেই ই-কমার্স ব্যবসায় সফল হতে পারবেন। এ সময় তিনি ই-কমার্স ও এফ কমার্সের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেন। শাহ সাইফুল্লাহ আল জাকেরিন বলেন, এফ কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করা ভালো, তবে দীর্ঘ মেয়াদে ব্যবসা করতে চাইলে ই-কমার্সের মাধ্যমেই করা উচিত। তিনি আরো বলেন, অফ লাইনে ব্যবসা করতে চাইলে পণ্য মজুদ রাখার জন্য অনেক বড় গুদাম ঘরের (স্টোর রুম) প্রয়োজন হয়। কিন্তু অনলাইনে পণ্য মজুদ করতে ইট-কাঠের গুদাম ঘরের প্রয়োজন পড়ে না। শুধু ই-কমার্স সাইটের সার্ভারের জায়গা বাড়ালেই চলে। এটাই ই-কমার্স ব্যবসার সবচেয়ে বড় শক্তি ও সুবিধা। এ সময় তিনি দারাজ ডটকমের উদাহরণ টেনে বলেন, দারাজে আড়াই লাখ পণ্য রয়েছে।অনুষ্ঠানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার হামিদুল হক খান বলেন, দিন যত যাচ্ছে মানুষ তত প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে। অনেক মানুষ এখন ঘরে বসে কেনাকাটা করেন। মার্কেটে গিয়ে ভীড়ের মধ্যে ঠেলাঠেলি করে পণ্য কেনার ঝক্কি এবং সময়ের অপব্যবহার এখন আর কেউ করতে চান না। ফলে দিন দিন ই-কমার্স জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এসময় তিনি ফ্রেডরিক ন্যুমান ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান এমন একটি কর্মশালার সহযোগী হওয়ার জন্য।

  • পোষ্ট-গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা কোর্স চালু

    বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এর অনুমোদনের ভিত্তিতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধীনে পোষ্ট-গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা কোর্স চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ডিপ্লোমা প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে যে শুন্যতা বিরাজ করেছিল তা কিছুটা হলেও লাঘব হবে। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি তাদের পরিচালিত অন্যান্য প্রোগ্রামের মতোই এ প্রোগ্রামেও শিক্ষার যথাযথ মান বজায় রেখে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলীর পাশাপাশি তারুণ্যের সমন্বয় ঘটিয়েছে। যারা এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পোষ্ট-গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করবে তারা তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনার সাথে যুক্ত আধুনিক প্রযুক্তিগুলোর বিষয়ে হাতে কলমে শিক্ষা অর্জন করতে পারবে। আগামী ৩০ এপ্রলি ২০১৭ থেকে গ্রীষ্মকালীন সেমিষ্টারে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে। ভর্তি সম্পর্কিত তথ্যের জন্য ০১৭১৩৪৯৩০৫০, ০১৮১২২৮৩৭৫২ এই নাম্বারে যোগাযোগ অথবা সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি অফিস ১০২, শুক্রাবাদ, মিরপুর রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা এই ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে। 

  • ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক এই ত্রিমাত্রিক সম্পর্কের বন্ধনে ঊজ্জ্বল ভবিষ্যত গড়ে তোলা সম্ভব

    ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক এই ত্রিমাত্রিক সম্পর্কের দৃঢ় বন্ধনের মাধ্যমেই প্রতিটি শিক্ষার্থীর ঊজ্জ্বল ভবিষ্যত গড়ে তোলা সম্ভব - ডিআইইউ চেয়ারম্যান মোঃ সবুর খান ...একমাত্র ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক এই ত্রি-মাত্রিক সম্পর্কের শক্তিশালী ও দৃঢ় বন্ধনের মাধ্যমেই উন্নত জীবন ও ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব এবং সে কারণেই শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ উন্নয়নে এ ত্রি-মাত্রিক সম্পর্ককে আরো দৃঢ় করার আহ্বান জানিয়েছেন ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ সবুর খান। তিনি আরো বলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আধূনিক শিক্ষায় শিক্ষিত, তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানে দক্ষ এবং মানব সম্পদ তৈরী করা এবং সে লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। তিনি আজ ড্যাফোডিল টাওয়ারে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ আয়োজিত ‘হাই স্কুল থেকে কলেজে পদার্পণ: চ্যালেঞ্জ ও করণীয়সমূহ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের মত বিষয়গুলো জাগ্রত করতে এবং কো- কারিকুলার ও এক্সট্রা কারিকুলার কর্মসূচীর আয়োজন বাড়াতে এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি আজ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজে আয়োজিত ‘হাই স্কুল থেকে কলেজে পদার্পণ: চ্যালেঞ্জ ও করণীয়সমূহ’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন। ধানমন্ডির ড্যাফোডিল টাওয়ারে আয়োজিত এ সেমিনারে বিশেষ অতিথি ও মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. খালেদ হোসাইন। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজের অধ্যক্ষ জামশেদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পরিচালক স্টুডেন্ট এফেয়ার্সের সঞ্চালনায় সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ মোহাম্মদ এনামুল হক, সিনিয়র শিক্ষক মমিনুল হক। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ও মূখ্য আলোচক প্রফেসর ড. খালেদ হোসাইন বলেন, কোন শিশুকেই অবহেলা করা উচিত নয়, কারন সময়ের আবর্তে সেও হয়ে উঠতে পারে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ। তিনি বলেন, পারিবারিক শিক্ষাই একটি মানুষের জন্য সেরা শিক্ষা।তিনি বলেন, পারিবারিকভাবে একজন সন্তানকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে বাবা পাইলটের ভূমিকা এবং মা নেভিগেটরের ভূমিকা পালন করে থাকেন। তাই অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে যেন তাদের সন্তানরা বিপথে চলে না যায়। অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তিনি শিক্ষক ও অভিভাবকদের শিক্ষার্থীদের আরও বেশী সচেতন ও বন্ধুসুলভ হওয়ার পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্কুলের বিপুল সংখ্যক প্রধান শিক্ষক, সহকারি প্রধান শিক্ষক ও সিনিয়র শিক্ষকগন অংশগ্রহণ করে।

  • ১৮ বছরেও এমপিও ভুক্ত হয়নি পার্বতীপুরের মধ্যপাড়া কলেজ

    দিনাজপুরের খনিজ শিল্পঞ্চল এলাকায় অবস্থিত মধ্যপাড়া কলেজটি শুধু মাত্র একাডেমিক স্বীকৃতিকে সম্বল করে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে এমপিও ভুক্তির জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনছে কলেজের শিক্ষক কর্মচারী সহ ২৫ জন স্টাফ। কলেজ স্টাফের সকলেই ১৮ বছর ধরে বেতন ভাতা ছাড়াই মানবেতর জীবন যাপন করছে। ১৯৯৯ইং সালে পার্বতীপুর উপজেলার ১০নং হরিরামপুর ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট এলাকায় মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি প্রকল্প সংলগ্ন কাল নদীর পাড়ে রংপুর-ফুলবাড়ি মহাসড়কের পার্শ্বে মনোরম পরিবেশে কলেজটি প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসেন কয়েকজন শিক্ষানুরাগি মরহুম আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ মন্ডল ও আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ গং। মধ্যপাড়া কলেজের অনুকুলে ২একর ৪২ শতক জমি দান করে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করে পরবর্তীতে এলাকাবাসী এবং শিক্ষক কর্মচারীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় প্রতিষ্ঠানটি স্ব-গৌরবে শিক্ষা বিস্তারে এগিয়ে চলে। ০১/০৭/২০০২ইং সালে পাঠ দানের অনুমতি মিলেছে এবং কলেজটির স্বীকৃতি মিলেছে ০১/০৭/২০০৬ইং সালে। কলেজের ২৫জন স্টাফ স্বেচ্ছা শ্রমের মাধ্যমে অদ্যবধী কার্যক্রম চালিয়ে আসলেও নেই তাদের বেতন ভাতার ব্যবস্থা। অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান এই প্রতিবেদককে জানায় পাঠ দানের অনুমতি ও স্বীকৃতিকে সম্বল করে আমরা আশাবাদি হয়ে প্রতিক্ষার প্রহর গুনছি এমপিও ভুক্তির। কিন্তু বিভিন্ন প্রক্রিয়াগত জটিলতার নিরসন হওয়ার পরেও দীর্ঘ ১৮ বছর থেকে বেতন ভাতা প্রাপ্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকার কারণে আর্থিক দৈন্যতার নির্মম কষাঘাতে আমাদেরকে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। ২০০৪ সাল হতে এই কলেজের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দানের অনুমতি পাওয়ার পর হতে পরীক্ষার রেজাল্ট অত্যান্ত সন্তোষ জনক। স্থানীয় সংসদ সদস্য মাননীয় প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রী মহোদয় কলেজটিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এমপিও ভুক্তির প্রতি¯্রুতি দিয়েছিল কিন্তু তা আজো বাস্তবায়িত হয়নি। এলাকার শিক্ষানুরাগী প্রধান শিক্ষক খন্দকার হাবিবুর রহমান আক্ষেপ করে বলেন, কলেজ পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি পর্যায়ক্রমে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা থাকার পরেও মাননীয় মন্ত্রী এলাকার কলেজ এমপিও ভুক্ত না হওয়া অত্যান্ত লজ্জাকর ও দুঃখ জনক। মধ্যপাড়া কলেজ হতে নূন্যতম ১০ কিঃ মিঃ এর মধ্যে অন্যকোন কলেজ না থাকায় এই কলেজের শিক্ষার্থী সংখ্যা ব্যপক। প্রবীন শিক্ষক আবেদ আলী বলেন, দল মত নির্বিশেষে এলাকার স্বার্থে সমন্বিত ভাবে কলেজটিকে এমপিও ভুক্তির জন্য প্রয়োজনে গণ আন্দোলন প্রয়োজন। মধ্যপাড়া বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নুরনবী মন্ডল সহ  সচেতন মহলের জোর দাবি শিক্ষার অনুকুল পরিবেশ তৈরীতে সহায়ক মধ্যপাড়া কলেজকে দ্রুত এমপিও ভুক্তি করা হোক। এডিপিইও’র কারিশমায় সর্বমহলে সমলোচনার ঝড়পার্বতীপুরে দু’শিক্ষকের তৃতীয় দফা তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত প্রশাসনিক বদলী নিকটতম বিদ্যালয়ে মোঃ আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি॥ দীর্ঘ ৮মাস ধরে ৩ দফায় বিভাগীয় তদন্তে পার্বতীপুর উপজেলার মৌলভীর ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আলোচিত অভিযুক্ত দু’সহকারী শিক্ষকের  বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সমূহ প্রমাণিত হওয়ার পরেও অবশেষে তাদেরকে নিকটবর্তী বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক বদলী করায় সর্বমহলে সমলোচনার ঝড় উঠেছে। তদন্ত কমিটি ৩ দফায় একাধিক তদন্তে ওই বিদ্যালয় সহকারী কে দোষি চিহ্নিত করে আইনানুগ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ সহ প্রতিবেদন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দিনাজপুরের নিকট দাখিল করার পর গত ১৬ মার্চ/১৭ইং স্মারক নং- জেপ্রাশিঅ/দিনাজ/শিঃবদলি/৮০৩ ও স্মারক নং- উশিঅ/পার্বতী/দিনাজ/বদলী২০১৭/৬৫/১০ তাং ১৯/৩/১৭ইং আদেশ মূলে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ রেবেকা খানমকে একই ওয়াডের আনন্দ বাজার সপ্রাবি এবং সহ শিক্ষক হাফিজুর রহমান কে নিকটবর্তী দলাইকোঠা সবুজ সপ্রা বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক বদলির নির্দেশ প্রদান করা হয়। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনায়ন কারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ না করা এমন কি তিরিষ্কার পত্র না দেওয়ায় সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিভাগীয় মামলায় দোষি চিহ্নিত হওয়ার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে কেবল মাত্র প্রশাসনিক বদলির সুযোগ থাকে। প্রশাসনিক বদলির অন্যতম শর্ত কর্মরত ইউনিয়নের বাইরে আন্তঃ উপজেলার দূরবর্তী বিদ্যালয়ে বদলি তৎ সঙ্গে শাস্তি হিসাবে সাময়িক বরখাস্ত সহ ইনক্রিমেন্ট কর্তন, সেলেক শন গ্রেড ডিমোশন। অভিযোগ উঠেছে এডিপিও সমেশ চন্দ্র মজুমদার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রাথমিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন কালিন সময় ওই শিক্ষক দু’জনকে বাঁচাতে মোটা অর্থ বাণিজ্যের ইঙ্গিত নিয়ে বেশকিছু আঞ্চলিক ও জাতিয় দৈনিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় সমস্ত তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদনের সুষ্পষ্ট সুপারিশ সমূহকে পাশ কাটিয়ে নবাগত ডিপিও এস এম তৌফিকুজ্জামান এর নিকট বিষয়টি ভিন্ন ভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে চিহ্নিত দোষি শিক্ষকদের শাস্তির পরিবর্তে নিজ এলাকায় বদলি করা হয়েছে। জানাগেছে উপজেলার মৌলভীর ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী ওই দু’শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষক দায়িত্বহীনতা, সেচ্ছাচারিতা ও উৎশৃংখলা সহ এসেম্বিলি চলাকালীন ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন কালে অফিসে বসে খোশ গল্পে মেতে থাকার অভিযোগে শিক্ষা অফিসে দাখিল করেন। প্রেক্ষিতে ৩০/৮/১৬ইং পার্বতীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার আখতারুল ইসলাম দু’জন সহকারী শিক্ষা অফিসারকে নিয়ে বিদ্যালয়ে এসে দিন ব্যাপি তদন্তকালে অভিযোগ সমূহের যথার্থতা প্রমাণিত হয়। এর মাত্র ১ সপ্তাহের ব্যবধানে আবারো ডিপিইও দিনাজপুরের নির্দেশে ৭ সেপ্টেম্বর/১৬ পার্বতীপুর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান দু’শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তদন্ত করেন এবং সত্যতা পান। তদন্ত কর্মকর্তা দ্বয় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিভাগীয় মামলা দায়ের এর যৌথ সুপারিশ সহ স্মারক নং- ৯৯৭ তাং- ২১/৯/১৬ইং দিনাজপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট দাখিল করেন। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে  ডিপিও জেপ্রাশিঅ/দিনাজ/বিমা/২০১৬ তাং- ৩/১০/১৬ইং অভিযুক্ত শিক্ষক দ্বয়ের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃংখলা ও আপিল) বিধিমালা ১৯৮৫ মোতাবেক বিভাগীয় মামলার অভিযোগ নামায় স্পষ্ট বলা হয় অভিযুক্ত শিক্ষক গণ নিয়োমিত যথা সময়ে বিদ্যালয়ে আগমন ও প্রস্থান না করায় শিক্ষার্থীদের শিখনে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। তাই সরকারি কর্মচারী (শৃংখলা ও আপিল) বিধিমালা ১৯৮৫ এর বিধি ৩ (বি) মতে অসাদাচরনের সামিল ও শাস্তি যোগ্য অপরাধ করিয়াছেন মর্মে একই ধারার ৪ (৩) (ডি) মোতাবেক চাকুরী হতে বরখাস্ত প্রদান সহ মামলা রজু করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এ ছাড়া মোছাঃ রেবেকা খানম সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষক বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন উদ্দেশ্য প্রনিত স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ সাময়িত তদন্তে প্রমানিত হয়। আতœপক্ষ শুনানিতে অভিযুক্তদের বক্তব্য খারিজ হয়েগেলে ৭/১২/১৬ইং  তারিখে স্মারক নং জেপ্রাশি/দিনাজ/বিঃমাঃ/৩৫৬৩/১২ বিরামপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান কে প্রধান করে হাকিমপুর ও দিনাজপুর সদর সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে সদস্য করে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটি ১০ জানুয়ারী/১৭ সরেজমিন তদন্ত করে পূর্বের তদন্তের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে অভিযুক্ত শিক্ষক দু’জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুরারিশ করেন। ৩ দফায় অভিযোগ প্রমানিত হওয়ার পরেও তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি যা সকলের নিকট প্রশ্ন বিদ্ধ। এ ব্যাপারে নবাগত জেলা প্রথমিক শিক্ষা অফিসার এস এম তৌফিকুজ্জামান জানান, ভারপ্রাপ্ত ডিপিও থাকাকালীন সমেশ চন্দ্র মজুমদার বিষয়টি দেখভাল করেছে। কোন বিদ্যালয়ের অবস্থান কোথায় তা আমার জানা নেই এ কারণেই হয়তোবা প্রশাসনিক বদলি তাদের নিজস্ব ওয়াডেই হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত ডিপিও থাকা কালীন সমেশ চন্দ্রের সঙ্গে তাদের কোন দফারফা হয়েছিল কি না তা আমার জানা নেই। প্রাথমিক শিক্ষা রংপুর বিভাগ রংপুর এর উপ-পরিচালক মাহবুব এলাহি জানান প্রশাসনিক বদলি অভিযুক্ত শিক্ষকদের চাহিদা মত বিদ্যালয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই আমার লিখিত নির্দেশনা কপিটি সংগ্রহ করলেই বিষয়টি বুঝতে পারবেন এ ব্যাপারে অনিয়ম হয়ে থাকলে আবারো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মোটা আর্থিক লেনদের মাধ্যমে অভিযুক্ত শিক্ষকদের সুবিধা দেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে বর্তমান এডিপিও সমেশ চন্দ্র মজুমদার (তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত ডিপিও) অভিযোগ নিয়ে মন্তব্য না করে বলেন বিষয়টি বর্তমান ডিপিও স্যার ভাল জানেন। বিদ্যালয়ের সাবেক পিটিএ সভাপতি আতাউর রহমান ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, অভিযুক্ত দু’শিক্ষককে প্রশাসনিক বদলির নামে পুরুষ্কৃত করা হয়েছে, দুঃচরিত্রবান ঐ শিক্ষকদের যথাযথ শাস্তি প্রদান না করায় এলাকাবাসি হতবাক। সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক খন্দকার হাবিবুর রহমান জানান শিক্ষিকা মুচলেকা দিয়ে ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমেই যদি শাস্তি শেষ হয়ে যায় বলার কিছু নেই তবে ঐ শিক্ষিকা উত্তোক্তকরণ অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম হলে শিক্ষা বিভাগ এতদিন আমার জন্য কি করত? সচেতন এলাকাবাসির অভিমত দাখিলকৃত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সমূহ পূনরায় বিশ্লেষন করে অপরাধীদের শাস্তি প্রদান করলেই তৃণমূল পর্যায় এমন অসস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে না। পার্বতীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার আখতারুল ইসলাম এবং সহকারী শিক্ষা অফিসার ও তদন্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর জানান চাকুরী বিধি পরিপন্থি স্বেচ্ছা চারীতা মূলক কাজে লিপ্ত থাকায় এবং প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন অভিযোগকারী দোষি শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধোতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুপারিশ দাখিল করা হয়েছিল সেখানে আমাদের করার কিছু নেই। সর্বশেষ তদন্ত কমিটির প্রধান ও বিরামপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান জানান তৃতীয় দফা তদন্তেও ওই দু’শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের যথার্থতা পাওয়া গিয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি

post-10

বাংলা থকেে ফ্রঞ্চে শখোর ফ্রি মোবাইল অ্যাপ!

ইউরোপের অন্যতম সমৃদ্ধ দেশ ফ্রান্সের সঙ্গে নানান কারণে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বেশ ভালো। অভিভাসন, পড়াশোনা, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি কারণে বাংলাদেশের অনেকেই ফ্রান্সমুখী। কিন্তু ফ্রান্সে যেতে চাইলে, সেখানে ভালোভাবে থাকতে চাইলে সবচেয়ে বেশি দরকার ফরাসি ভাষা ভালোভাবে জানা। তাই মাতৃভাষা বাংলা থেকে ফরাসি ভাষা শেখার জন্য ডিগবাজার লিমিটেড নিয়ে এসেছে ফ্রি মোবাইল অ্যাপ। আপনার প্রিয় অ্যান্ড্রয়েড কিংবা আইফোন/আইপ্যাডে বিনামূল্যেই পাবেন এই অ্যাপটি। তা হলে আর দেরি কেন! এখনই ডাউনলোড করে নিন বাংলা-ফ্রেঞ্চ মোবাইল (Bangla-French Learning App) অ্যাপটি। অ্যান্ড্রয়েডের জন্য গুগল প্লে স্টোরের লিঙ্ক হলো : https://goo.gl/GfbZfm আর অ্যাপস্টোরে পাবেন এই লিঙ্কে : http://apple.co/2oY0kDp নিউইয়র্কভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিগবাজার লিমিটেডের ম্যানেজিং পার্টনার ডেইজি হ্যামিলটন এ প্রসঙ্গে বলেন, এই অ্যাপটিতে গুরুত্বপূর্ণ অভিধানের পাশাপাশি উচ্চারণসহ বর্ণমালা, সংখ্যা গণনা, প্রশ্নবোধক শব্দের ভাণ্ডার, আর্টিকেল ইত্যাদি রয়েছে। সেই সঙ্গে ফরাসি ভাষায় কীভাবে জরুরি কথাবার্তা বলতে হয় সে বিষয়গুলিও পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। উদ্যোক্তারা জানান, মাত্র কয়েক মেগাবাইট আকারের Bangla-French Learning App-এর সবগুলো পেজই চলবে কোনো ধরনের ইন্টারনেট ছাড়াই, অর্থাৎ এটি অফলাইন একটি অ্যাপ। তাই কেবল ফ্রান্সে যাবার জন্য নয়, বরং শখের বশেও আপনি ফ্রেঞ্চ শিখতে পারেন। কারণ ফরাসি ভাষা পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাষা। জাতিসংঘের ৫টি দাপ্তরিক ভাষার মধ্যে ফ্রেঞ্চ একটি!

  • ইন্টারনেট সহ সকল প্রকার ইন্টারনেটের মূল্য কমানোর দাবিতে মানববন্ধন

    বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ২২ এপ্রিল ২০১৭ইং শনিবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মুঠোফোন ভিত্তিক ইন্টারনেট সহ সকল প্রকার ইন্টারনেটের মূল্য কমানোর দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে।

    মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করবেন সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ। উপস্থিত থাকবেন, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা রাজেকুজ্জামান রতন, প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ঈমাম ফিরোজ, প্রকৌশলী সাইফ উদ্দিন, জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ বাহারানে সুলতান বাহার, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি হারুন অর রশিদ খান, বাংলাদেশ অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের সভাপতি কবির চৌধুরী তন্ময়, সংগঠনের মহাসচিব এড. আবু বকর সিদ্দিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. ইসরাত হাসান, প্রচার সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সদস্য এড. বেহেশতী মারজান, আফজাল হোসেন, মোঃ রেজাউল করিম প্রমুখ।

  • জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৭

    বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও অপরিহার্য যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে ‘মোবাইল ফোন’। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট মোবাইল নিবন্ধনকারীর সংখ্যা ১২৯.৫৮ মিলিয়ন। মোবাইল ফোনকে যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার পাশাপাশি এর বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের ব্যবহারও বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে প্রায় ২ বিলিয়ন মানুষ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করছে। সারা বিশ্বে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে বাংলাদেশেও এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়েছে। তার প্রধান কারণ মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের জনপ্রিয়তা। বাংলাদেশে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬৩ মিলিয়ন এর বেশি। (সূত্র: বিটিআরসি)

     

    ‘জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৭’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানানো হয়। বুধবার (১২ এপ্রিল ২০১৭) আইসিটি বিভাগের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি। বক্তব্য রাখেন আইসিটি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী, বেসিসের সভাপতি মোস্তাফা জব্বার ও বিডিওএসএনের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান।

     

    বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের সাথে সম্পৃক্ত করে সারা বিশ্বের বিলিয়ন ডলারের মোবাইল অ্যাপ এর বাজারে প্রবেশের জন্য মোবাইলভিত্তিক বিভিন্ন উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত করে উৎসাহ ও সহায়তা দিতে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৭’। আইসিটি বিভাগ ও ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড এর যৌথ উদ্যোগে জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৭ আয়োজিত হচ্ছে। এতে জাতীয় পুরস্কার বিজয়ীরা ওয়ার্ল্ড সামিট মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কারের গ্লোবাল প্রতিযোগিতার জন্য সরাসরি মনোনীত হবেন। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার সহযোগী গুগল ডেভেলপার গ্রুপ সোনারগাঁও এবং গুগল ডেভেলপার গ্রুপ বাংলা। দেশীয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্মিত সেরা মোবাইল কনটেন্ট ও উদ্ভাবনী মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের প্রাপ্য স্বীকৃতি প্রদানই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

     

    প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীদের মেধা ও মননকে পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতা করার মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। তাই, দেশ সেরা মোবাইলভিত্তিক উদ্যোগগুলোকে এগিয়ে দিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ দ্বিতীয়বারের মত আয়োজন করছে জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৭। আগামী ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতার জন্য আবেদন করা যাবে। নিবন্ধন ও মনোনয়ন জমা দেয়ার জন্য http://appaward.ictd.gov.bd/ এই লিংকে প্রবেশ করতে হবে।

     

    গত ৩ মার্চ ২০১৭ তারিখ হতে এই পুরস্কারে অংশগ্রহণের জন্য আহবান জনানো হয়। মূলত নতুন অ্যাপ বিশেষ করে তরুণদের করা ইনোভেটিভ প্রকল্প এতে আশা করা হচ্ছে। যেখান থেকে অন্তত কয়েকটি অ্যাপ যেন বড় পরিসরে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ পায়। এ পর্যন্ত (১১.০৪.২০১৭) ৮টি ক্যাটাগরিতে সর্বমোট ২৯৩ টি অ্যাপ জমা পড়েছে।  ক্যাটাগরিগুলো হচ্ছে Entertainment & Life Style, Business & Commerce, Media & News, Tourism & Culture, Environment &Health, Inclusion & Empowerment, Learning & Education, Government & Participation।  প্রতিটি ক্যাটাগরি হতে ৩ জন করে মোট ২৪ জন অ্যাপ নির্মাতাকে পুরস্কৃত করা হবে। এসব ক্যাটাগরিতে মোবাইল ও ডিজিটাল কনটেন্ট প্রস্তুতকারী কোম্পানি, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে।

     

    জমাকৃত উদ্ভাবনী অ্যাপগুলোর মধ্যে যথেষ্ট বৈচিত্র রয়েছে। এর মধ্যে একটা বড় অংশ আমাদের চারপাশের সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করছে যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মোবাইলভিত্তিক উদ্যোগ, যেমন: এসএমএস ভিত্তিক সেবা, আইভিআর, অ্যাপ্লিকেশন, গেইম ইত্যাদি। এখন শুরু হচ্ছে বাছাই প্রক্রিয়া। আগামী ২২ এপ্রিল বাছাই প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত করা হবে।

     

    পুরস্কার বিতরণের মূল আয়োজন Grand Award Evening আয়োজন করা হবে আগামী ৪ মে, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে। দিনব্যাপী আয়োজনে এক হাজার তরুণ অ্যাপ ডেভেলপার অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

     

    সেরা অ্যাপকে স্বীকৃতি জানানোর পাশাপাশি বেশ কিছু নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এই প্ল্যাটফরম থেকে। এর মধ্যে অনুষ্ঠানের দিন দিনব্যাপী থাকবে ন্যাশনাল মোবাইল অ্যাপের সম্ভাবনা নিয়ে সেমিনার। এতে বেশ কিছু আলাদা সেশন থাকবে। টেকনিক্যাল সেশনের পাশাপাশি সফলদের গল্প শোনা, অ্যাপ তৈরিতে বাংলাদেশের অবস্থান ও সম্ভাবনার জায়গাগুলোও তুলে ধরা হবে। এছাড়া থাকবে মোবাইল অ্যাপ প্রদর্শনী। দেশের সেরা ২০টি অ্যাপ তাদের সেবা নিয়ে উপস্থিত থাকবে। অ্যাপগুলো নতুনদের জন্য তাদের অভিজ্ঞতা যেমন শেয়ার করবে একই সাথে ব্যবহারকারীরাও এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

     

    উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত ১ম জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার বিজয়ী ৮টি দল বিশ্বের ডিজিটাল কনন্টেটের সব থেকে সন্মানজনক স্বীকৃতি ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড মোবাইল পুরস্কারের গ্লোবাল প্রতিযোগিতার জন্য সরাসরি মনোনীত হয়। আন্তর্জাতিক ওই প্রতিযোগিতায় জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রিটিকালিংক মোবাইল অ্যাপ স্বাস্থ্য বিভাগে বিজয়ী হয়। এ বছরও বাংলাদেশ থেকে প্রাপ্ত মনোনায়ন যাচাই-বাছাই করবে জুরি বোর্ড। আগামী অক্টোবরে আটটি ক্যাটেগরি থেকে আটজন বিজয়ী নির্বাচন করা হবে এবং মনোনীত করা হবে ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড মোবাইল পুরস্কারের গ্লোবাল প্রতিযোগিতার জন্য । 

     

    ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড মোবাইল পুরস্কারঃ 

    তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সমাজের উন্নয়নে অবদানের জন্য ২০০৩ সাল থেকে অস্ট্রিয়াভিত্তিক এই সংস্থা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সন্মানসূচক এই অ্যাওয়ার্ড দিয়ে আসছে। সন্মানজনক এই অ্যাওয়ার্ডের জুরি বোর্ডে ইতালি, ব্রাজিল, তুরস্ক, ভারত, অস্ট্রিয়া, বাহারাইন, বুলগেরিয়া, ডেনমার্ক, ইজিপ্ট, জার্মানি, বাংলাদেশ, গুয়েতেমালা, কেনিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, কুয়েতসহ বিশ্বের ৫০ দেশের শীর্ষ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যক্তিত্ব জুরিবোর্ডে রয়েছেন।

  • সময় বাড়লো নাসা স্পেস অ্যাপস

    যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আয়োজিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা ‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৭’-এ অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধনের সময় বেড়েছে। গত ৫ এপ্রিল পর্যন্ত নিবন্ধনের সময় থাকলেও সেটি বাড়িয়ে আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে। অংশগ্রহণ প্রত্যাশীদের অনুরোধে এই সময় বাড়ানো হয়েছে।

    তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশে আয়োজিত হতে যাচ্ছে নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৭। বিশ্বের তিন শতাধিক নগরীর মতো বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, রংপুর, খুলনা ও বরিশালে বড় পরিসরে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা আগামী ২৯ ও ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্যায়ের বিজয়ীরা চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। গতবারের মতো বাংলাদেশে এই প্রতিযোগিতার আয়োজক হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি সমস্যা সমাধানে উল্লেখযোগ্য আইডিয়া বের হয়ে আসবে। নাসার মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশিদের চাকরি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ঠতা বাড়বে। অনেকেই এখনও পর্যন্ত নিবন্ধন করতে না পারার কারণে সময় বাড়ানোর অনুরোধ করেছেন। তাই আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হয়েছে।

    এবার শতাধিক ইউনিভার্সিটিতে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ডেটা বুটক্যাম্প আয়োজন করা হবে। সেখান থেকে ৫০টি দল বাছাই করা হবে। এরপর ঢাকায় ফাইনাল ডেটা বুটক্যাম্পের মাধ্যমে ৫টি ক্যাটাগরিতে ৫টি করে দল নির্বাচন করা হবে। তারা নাসার ফাইনাল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

    এবারের প্রতিযোগিতায় প্রতিটি টিমে ৪ থেকে ৭ জন থাকতে হবে। মেয়েদেরকে উৎসাহিত করতে এবার টিমে একজন মেয়ে থাকলে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ নাম্বার দেওয়া হবে। একক বা দলবদ্ধভাবে নিবন্ধনের মাধ্যমে যে কেউ নাসার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। আগ্রহীরা http://studentsforum.basis.org.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করতে পারবে। আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে নিবন্ধন করতে হবে। প্রতিযোগিতা http://spaceappschallenge.org ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত জানা যাবে।

    এবারের প্রতিযোগিতার সহযোগিতায় রয়েছে বেসিস স্টুডেন্টস ফোরাম, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম ও ক্লাউড ক্যাম্প বাংলাদেশ। এছাড়া প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও গোল্ড স্পন্সর হিসেবে রয়েছে প্রিজম ইআরপি। অ্যাকাডেমিক পার্টনার হিসেবে আছে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশ।

বিনোদন

Back to Top

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top