• আওয়ামী লীগকে দেশ সেবার সময় ও সুযোগ দিন : প্রধানমন্ত্রী

      প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগকে দেশসেবার জন্য আরো সময় ও সুযোগ প্রদানের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন।তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন এবং জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করার সক্ষমতা একমাত্র আওয়ামী লীগের রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই দেশবাসীর খাদ্য, মাথা গোঁজার ঠাঁই, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা এবং গ্রামীণ জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করে। পাশাপাশি ধনী-গরিবের বৈষম্যও কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়।তিনি বলেন, কেবলমাত্র আওয়ামী লীগই পারে এবং জনগণও এটা আগামীতে মনে রাখবে। তিনি আওয়ামী লীগকে বার বার দেশ সেবার সুযোগ প্রদান করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান।প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আজ রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভেনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে এ কথা বলেন।বাংলাদেশ এবং আওয়ামী লীগকে একে অপরের পরিপূরক আখ্যায়িত করে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। এ দলটির নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা এই মর্যাদাকে ধরে রেখে দেশকে আরো সমৃদ্ধশালী এবং উন্নত করে গড়ে তুলতে চাই।প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখার জন্য আওয়ামী লীগকে সুযোগ দিতে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান।আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল বরিম সেলিম, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহারা খাতুন, যুগ্ম-সম্পাদক ডা. দীপু মনি ও জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।প্রধানমন্ত্রী দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, আওয়ামী লীগই পারে এই কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যমে দেশকে আরো সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে।তিনি ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনসহ তাঁর সরকারের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রসংগ উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ বহুমুখী ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেই উদীয়মান সূর্যের মত বিশ্ব দরবারে এগিয়ে চলেছে।প্রধানমন্ত্রী দেশ বিরোধী যুদ্ধাপরাধী, দালাল চক্রের নানামুখী ষড়যন্ত্রের প্রসংগ উল্লেখ করে বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমানসহ দলের ২২ জন নেতা-কর্মী নিহত হন।এ ধরনের জঘন্যতম হামলার ঘটনা একটির পর একটি ঘটানো হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।প্রধানমন্ত্রী এ সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের জাতির জনক বন্ধবন্ধুর আদর্শে নিজেদের গড়ে তুলে জনগণ ও দেশের সেবায় আত্মনিয়োগের পরামর্শ দেন।তিনি বলেন, ‘কি পেলাম আর কি পেলাম না, সেটা বড়ো কথা নয়Ñ জনগণের জন্য কতটুকু কি করতে পারলাম সেটাই বিবেচ্য বিষয়।’কি পেলাম, আর পেলাম না- বঙ্গবন্ধু এসব নিয়ে কখনও ভাবতেন না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা তাঁর সারাটা জীবনই দুখী মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে, তাদের মুখে হাসি ফোটাবার জন্য, তাঁদের ন্যূনতম মৌলিক সুবিধাটুকু নিশ্চিত করার জন্যই সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি আমাদের একটি স্বাধীন দেশ দিয়েছেন, বিশ্বের দরবারে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় এনে দিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুই একমাত্র নেতা যিনি দলের জন্য মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং ঐতিহাসিক ৬-দফা ঘোষণা করেন। যা পরবর্তীতে স্বাধীনতার দাবিতে পরিণত হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু তাঁর সাড়ে ৩ বছরের শাসনামলে দেশের জন্য প্রয়োজনীয় সকল অবকাঠামো গড়ে তোলেন।অথচ জাতির পিতাকে হত্যার পর তাঁর নাম পর্যন্ত মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র হয়েছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর (বঙ্গবন্ধু) নাম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তুু ষড়যন্ত্রকারীরা সেটা করতে পারেনি। কারণ, সত্যের জয় হবেই। সত্য চির ভাস্বর। সত্য কখনো মুছে ফেলা যায় না। বিশ্বব্যাপী এটা প্রমাণিত।বঙ্গবন্ধুই একমাত্র নেতা, যিনি দেশ স্বাধীনের তিন মাসের মধ্যে মিত্রবাহিনী ভারতীয় সৈনিকদের দেশে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হন। দুর্ভাগ্য, তিনি আর ১০টি বছর বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হতে পারতো।বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জাতির পিতার প্রশাসনিক সক্ষমতা নিয়ে নিজস্ব লেখনিতে প্রশ্ন উত্থাপনকারীদের কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনকালেই অনেক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তিনি স্বল্পতম সময়ের মধ্যে স্বাধীন সর্বভৌম বাংলাদেশের জন্য বিশ্বের ১২৬টি দেশের স্বীকৃতি এবং ১১৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য পদ লাভে সক্ষম হন।শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা অবকাঠামো উন্নয়ন এবং স্বাধীন জাতি রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশবাসীকে একটি সংবিধান উপহার দেন এবং প্রয়োজনীয় সকল আইন প্রণয়ন করেন।প্রধানমন্ত্রী এ ধরনের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করে বলেন, ‘হয় তারা স্বাধীনতা বিরোধীদের দোসর ছিলেন, না হয় আদৌও তারা মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে মেনে নিতে পারেননি। অথবা স্বাধীনতা বিরোধীদের টাকা খেয়ে জাতির জনকের বিরুদ্ধে বদনাম দিয়ে তাঁকে হত্যা করার একটা গ্রাউন্ড তৈরি করেছিল বলে আমার ধারণা।’প্রধানমন্ত্রী সেদিনের সেই সমালোচকদেরকে উদ্দেশ্য করে আরো বলেন, ‘তাদের অনেকেই আজ হয়তো বেঁচে নেই, আবার কেউ কেউ বেঁচেও আছেন। যারা বেঁচে আছেন হয়তো তারা এখন চিন্তা করবেন, বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে ৩ বছরে দেশের জন্য কি কি করেছিলেন।’শেখ হাসিনা এ সময় আওয়ামী লীগ শাসনাধীন ১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত সময়কে স্বর্ণযুগ আখ্যায়িত করে বলেন, তখনই কেবল দেশের জনগণ প্রথমবারের মতো জানতে পারে যে, সরকার হচ্ছে জনগণের সেবক।প্রধানমন্ত্রী তাঁর ২০০৯ থেকে বর্তমানকালে, টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার পরিচালনায় দেশের অর্থনীতি,সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।উল্লেখ্য, নির্মাণাধীন আওয়ামী লীগ কার্যালয় ভবনটি ১০-তলা করা হবে। এতে আওয়ামী লীগ এবং এর সকল সহযোগী সংগঠনের কার্যালয়, কনফারেন্স হল, সেমিনার রুম, ডিজিটাল লাইব্রেরী, ভিআইপি লাউঞ্জ, ক্যান্টিন, সাংবাদিক লাউঞ্জ এবং একটি ডরমেটরি থাকবে। আর পুরো ভবনটিতে ওয়াই ফাই সুবিধা থাকবে।দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ভবন নির্মাণ কাজের মূল তদারকিতে রয়েছেন।

  • রাজধানীসহ সারাদেশে আওয়ামী লীগের ৬৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত

      বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, বেলুন ও পায়রা উড়ানো এবং জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্যদিয়ে দেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ শুক্রবার রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে উদযাপিত হয়েছে।দিবসটি উপলক্ষে সকালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কর্মসুচি শুরু হয়।সকাল নয়টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির সামনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।১৯৪৯ সালের এদিনে পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে এই দলের আত্মপ্রকাশ ঘটলেও পরে আওয়ামী লীগ নাম নিয়ে অসাম্প্রদায়িক সংগঠন হিসেবে বিকাশ লাভ করে।আওয়ামী লীগের ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ধানমন্ডিস্থ ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।সকাল নয়টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময়ে তিনি কিছু সময় নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।পরে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলীয় নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে দলের পক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।এ সময়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে ছিলেন আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, ও তোফায়েল আহমেদ, এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, ড. আব্দুর রাজ্জাক, মোহাম্মদ ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন ও মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বঙ্গবন্ধু ভবন এলাকা ত্যাগ করার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।সভাপতি আবুল হাসনাত ও সাধারণ সম্পাদক শাহে আলমের নেতৃত্বে মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণ, সভাপতি একে এম রহমত উল্লা ও সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানের নেতৃত্বে মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর, সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে আওয়ামী যুবলীগ, সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে জাতীয় শ্রমিক লীগ, সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, মোতাহার হোসেন মোল্লা ও এডভোকেট শামসুল হক রেজার নেতৃত্বে কৃষক লীগ, সভাপতি মোল্লা আবু কাওসার ও সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবক লীগ, সভাপতি নাজমা আক্তার ও সাধারণ সম্পাদক অপু উকিলের নেতৃত্বে যুব মহিলা লীগ বঙ্গববন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।এ ছাড়াও মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, ছাত্রলীগ মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ, ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রলীগ, তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রলীগ, ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা জানান, আওয়ামী লীগের ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলার টুঙ্গিপাড়ায় চির নিন্দ্রায় শায়িত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে আওয়ামী লীগ।আজ সকালে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গবন্ধুর মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।প্রতিনিধি দলে ছিলেন আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন ও এডভোকেট আমিনুল ইসলাম।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদদের রুহের শান্তি কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।এছাড়াও শরীয়তপুর, ভোলা ও জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা, মহানগর ও উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করার কথা জানা গেছে।

  • নিরাপদ নিশ্চিদ্র ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করে সরকারের সুনাম রক্ষার জোরালো দাবী

    প্রতিবারের মতো এবারও নানা সড়ক পথ, রেল পথ ও নৌ পথে ঘরমুখী ঈদে যাত্রীদের নানা ভাবে হয়রানী করা হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলার আন্ত পরিবহন গুলোর মত চট্রগ্রামেও নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে চলছে অবাধে পরিবাহন নৈরাজ্য। যাত্রী সাধারণ নানা হয়রানী ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এতে ক্ষুন্ন হচ্ছে সরকারের নানা গনমুখী সাফল্যের। নানা অনিয়ম ও নৈরাজ্যের কারণে ঘরমুখী যাত্রীদের আনন্দ মাটি হয়ে হয়ে যাচ্ছে। অনতিবিলম্বে চট্রগ্রামের সকল রুটে নিরাপদ নিশ্চিদ্র ঈদ যাত্রা নিশ্চিত করে সরকারের সুনাম রক্ষার জোরালো দাবী জানান। চট্রগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এ দাবী জানান। চট্রগ্রাম নাগরিক অধিকার সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে ঈদ যাত্রায় যাত্রীদের হয়রানী ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় পরিবহন নৈরাজ্য বন্ধের দাবীতে আজ ২৩ জুন বিকাল ৪ টায় নগরির চট্রগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে সংগঠনের সহসভাপতি সালাউদ্দিন লিটনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন সরকার সারা দেশে সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করে যাত্রী সাধারণের ভোগান্তি লাঘব করলেও পরিবহন নৈরাজ্য বানিজ্য সিন্ডিকেট সাধারন যাত্রীদের জিম্মি করে রেখেছে। প্রশাসনের কতিপয় কুচক্রী মহল সরকারের সুনাম নষ্ট করে পরিবহন সেক্টরে নৈরাজ্য চালাচ্ছে। সভায় বক্তারা অবিলম্বে সারা দেশে এবং চট্রগ্রামের বিভিন্ন সড়কে ঈদ যাত্রায় ঘরমুখী মানুষের ভোগান্তি ও পরিবহন নৈরাজ্য বন্ধের দাবী জানান। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা স.ম জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন চট্রগ্রাম নাগরিক ফোরামের মহাসচিব মোঃ কামাল উদ্দিন, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদের সাধারন সম্পাদক মোঃ আবদুর রহিম, বিজয় ৭১ এর সাধারন সম্পাদক ডা. আর কে রুবেল, বৃহত্তর চট্রগ্রাম ডেন্টাল এসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ জামাল উদ্দিন, চট্রগ্রাম মহানগর যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবির মাসুদ, আসিফ ইকবাল, চট্রগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য বোরহান উদ্দিন গিফারি, সংগঠক সুভাষ চৌধুরী টাংকু, তারেকুল ইসলাম হিরু, আবু তৈয়ব মিজান, কবি সজল দাশ, আনন্দ মজুমদার,রুবেল দত্ত, সুজন পালিত, বাপ্পি দত্ত, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ

  • যাকাতের সুষম ব্যবস্থাপনা ও বন্টন দারিদ্রতা নির্মূলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে

    ইসলাম শান্তি, সাম্য ও মৈত্রীর ধর্ম। ধনী - গরীব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য ও মৈত্রীর বন্ধনে এক হওয়ার নির্দশন ইসলামেই রয়েছে। মানবতাবোধ,সম্প্রীতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলাম যুগে যুগে সভ্যতায় প্রেরণা যুগিয়েছেন। ইসলামের মূল স্তম্ভের গুরুত্বপূর্ণ সোপান যাকাত প্রথা। যাকাত মুসলিম সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান। যাকাত প্রদান করলে সম্পদের ঘাটতি হয়না বরং সম্পদ পবিত্র হয়। আর এই পবিত্রতার মাধ্যমে মানবজাতি পরিশুদ্ব হয় এবং দারিদ্রতার হ্রাস পায়। যাকাতের সুষম ব্যবস্থাপনা ও বন্টন সমাজের দারিদ্রতা নির্মূলে গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা রাখে। ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিলের যাকাত শীর্ষক সেমিনার ও ইফতার মাহফিলে বক্তারা উপরোক্ত মন্তব্য করেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিলের উদ্যোগে যাকাতের সুষম ব্যবস্থাপনা ও বন্টনঃদারিদ্রতা বিমোচনে সহায়ক শীর্ষক সেমিনার গতকাল ২০ জুন বিকাল ৪ টায় নগরীর প্রিয়া কমিউনিটি সেন্টার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপাস্থাপন করেন সংগঠনের প্রাক্তন সহসভাপতি, বিশিষ্ট প্রবন্ধিক, অবসরপ্রাপÍ পুলিশ কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সভায় বক্তারা আরো বলেন, ইসলাম মানবতা, মৈত্রী ও সাম্যের কথা বলে। যুগে যুগে ইসলাম শান্তির বাণী ও আদর্শ এবং প্রেরনা যুগিয়েছেন। যাকাত প্রদান ইসলামের মূল স্তম্বের অন্যতম স্তম্ভ। ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিলের আহবায়ক মোঃ জসিম উদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনার ও ইফতার মাহফিলে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি প্রকৌশলী গোলাম নওশের আলী চৌধুরী। ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক স.ম. জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার এম.এ সবুর, হৃদয়ে বিজয় ৭১ এর সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আর, কে. রুবেল। অন্যন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন ডাঃ সুভাষ চন্দ্র সেন, মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত হোসেন, মাওলানা মাহবুবুর রহমান, উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামীলীগনেত্রী সেলিনা শফি, সাবেক ছাত্রনেতা চন্দন পালিত, অধ্যাপক মেজবাহ উদ্দীন, এস.এম. আকতারুল আলম, কবি স্বপন কুমার দাশ, ডাঃ মোঃ জামাল উদ্দীন, ডাক দিয়ে যাই চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি সৈয়দা শাহানা আরা বেগম, অধ্যক্ষ রতন দাশগুপ্ত, সুভাষ চৌধুরী টাংকু, এস. এম. গিয়াস উদ্দীন, সোমিয়া সালাম, সালাউদ্দীন লিটন, অধ্যাপক সুমন দত্ত, কালিম শেখ, আসিফ ইকবাল, কামাল হোসেন,জান্নাতুল ফেরদৌস সোনিয়া, রিংকু ভট্টাচার্য, মোঃ দস্তগীর, নুরুল ইসলাম, কাজী সাইফুল ইসলাম, শেখ আব্দুল্লাহ শেখাব, শিল্পী পুর্ণিমা দাশ, মোঃ রাসেল, মুহাম্মদ কাসেম,এ. টি. এম. জসিম উদ্দীন, অধ্যক্ষ ভুপাল দাশ প্রমুখ। সেমিনারের আলোচনা সভা শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম সম্প্রদায়ের উন্নতি ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন সংগঠনের ধর্মীয় সম্পাদক মাওলানা মাহবুবুর রহমান। মোনাজাত শেষে কদমমোবারক মুসলিম এতিমখানার ছাত্রদের নিয়ে ইফতারে অংশ নেওয়া হয়।

  • পঞ্চগড় জেলা পরিষদের আয়োজনে আটোয়ারীতে ইফতার মাহফিল

    পঞ্চগড় জেলা পরিষদের আয়োজনে আটোয়ারীতে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আমানুল্লাহ্ বাচ্চু’র সভাপতিত্বে জেলা পরিষদ ডাক বাংলোতে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অন্যান্যদের মধ্যে অংশ নেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রহমান, ইউএনও শারমিন সুলতানা, ওসি মোঃ আমিনুল ইসলাম,জেলা পরিষদ সদস্য মাজেদুর রহমান বকুল, মাসুদ করিম, মহিলা সদস্য লুৎফা বেগম, রাধানগর ইউপি চেয়ারম্যান আবু জাহেদ প্রমুখ। ইফতার মাহফিলে মিলাদ,কিয়াম সহ দেশ ও জাতির সুখ সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব ক্কারী মোঃ তাহেরুল ইসলাম। ইফতার মাহফিলে জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি সহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • ঈদ-উল-ফিতর উদযাপনের প্রস্তুতিমুলক সভা অনুষ্ঠিত

    পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উদযাপনের প্রস্তুতিমুলক সভা গতকাল শুক্রবার(২৩ জুন) উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন সুলতানার সভাপতিত্বে প্রস্তুতিমুলক সভায় বক্তব্য রাখেন অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নজরুল ইসলাম,ইউপি চেয়ারম্যান প্রদীপ কুমার রায়, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ইউসুফ আলী, আটোয়ারী প্রেস ক্লাবের সা: সম্পাদক জিল্লুর হোসেন সরকার প্রমুখ। সভায় বিভিন্ন ঈদগাঁহ জামাত কমিটির সভাপতি/সম্পাদকগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় ঈদের দিন ও ঈদের পরে এলাকার আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকার আহবান জানানো হয়।

  • পথশিশু ও দরিদ্রদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ

    আজ বেলা ১২টায় বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ যশোর জেলা কমিটির উদ্যোগে ঈদবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ যশোর জেলা কমিটির সভাপতি হাসিবুর রহমান হাসিবের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ময়নার সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় যশোরের পূর্ববারান্দীপাড়া মাঠপাড়ায়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কামাল শাহরিয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বারান্দীপাড়া মাঠপাড়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম মো: লোকমান হোসাইন। আগামীদিনে গরীব ও দু:খি মানুষের পাশে লেখক পরিষদ আরও শক্ত অবস্থান থাকবে বলে বক্তারা তাদের মত ব্যক্ত করেন। বক্তারা আরও বলেন, সৃজনশীল সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের কোন জুড়ি নেই। সেইসাথে দেশের বিত্তবান ব্যক্তিদের লেখক পরিষদের কাজের স্বার্থে ও গরীব দুঃখি মানুষের স্বার্থে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

  • লাইলাতুল কদর রমজানের এক মহিমান্বিত রজনি : প্রধানমন্ত্রী

      প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, লাইলাতুল কদর পবিত্র রমজানের এক মহিমান্বিত রজনি। পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে তিনি আজ এক বাণীতে এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই রাতে মানবজাতির পথ নির্দেশক পবিত্র আল-কোরআন পৃথিবীতে নাযিল হয়। পবিত্র কোরআনের শিক্ষা আমাদের পার্থিব সুখ-শান্তির পাশাপাশি আখিরাতের মুক্তির পথ দেখায়।কোরআনের বর্ণনা অনুসারে মহান আল্লাহ্ এই রাতকে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন। এই রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। এই রাতে আল্লাহ্র অশেষ রহমত ও নিয়ামত বর্ষিত হয়। পবিত্র এই রাতে ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহ্র নৈকট্য লাভ করতে পারি। অর্জন করতে পারি তাঁর অসীম রহমত, বরকত ও মাগফিরাত।পবিত্র এই রজনিতে তিনি মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও মুসলিম জাহানের উত্তরোত্তর উন্নতি, অব্যাহত শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন।পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসী এবং বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানান।

  • বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, কবি ও শিল্পীদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার

      প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, কবি ও শিল্পীদের এবং তার পরিবার ও আত্মীয়স্বজনদের সম্মানে আজ তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন লনে ইফতারের আয়োজন করেন।প্রধানমন্ত্রী বিকেল ৬টা ১০ মিনিটে ইফতার অনুষ্ঠান স্থলে আসেন এবং অতিথিদের বিভিন্ন টেবিল ঘুরে ঘুরে তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। ইফতারের আগে জাতির শান্তি,অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৫ আগস্টে শাহাদৎ বরণকারী অন্যান্যদের আত্মার শান্তি কামনা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীঘার্য়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মহিউদ্দিন কাশেমি মুনাজাত পরিচালনা করেন।ইফতারে অন্যান্যের মধ্যে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ, এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, ড. হাসান মাহমুদ এমপি, শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, হাবিব-ই-মিল্লাত এমপি, নুর-ই-আলম লিটন চৌধুরী এমপি, কাজী রোজী এমপি, শেখ কবির হোসেন যোগ দেন।এ ছাড়াও এ্যাটর্নী জেনারেল এডভোকেট মাহবুবে আলম, অধ্যাপক ইমেরিটাস ড. আনিসুজ্জামান এবং ড. রফিকুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্বদ্যিালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন অর রশীদ, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, বিশিষ্ট অভিনেতা আব্দুর রাজ্জাক, হাসান ইমাম, রিয়াজ এবং শমি কায়সার, বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী হাশেম খান, সঙ্গীত শিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ,সামিনা চৌধুরী এবং ফাহিমা চৌধুরী, কবি রুবি রহমান, ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহ্সানুল করিম, ফরিদুর রেজা সাগর, শাইখ সিরাজ, নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট আফজাল হুসাইনও ইফতারে যোগ দেন।

  • ফুলবাড়ীতে টলির চাপাঁয় ১ বিজিবি সদস্যসহ আহত ২ ॥

    দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সড়কে টলির চাপায় এক বিজিবি সদস্যসহ ২ জন গুরুতর আহত হয়েছে। আলৌকিক ভাবে বেঁেচ গেছে বিজিবি সদস্যর স্ত্রী ও তার সন্তান।২১ জুন বুধবার বেলা দুই টায় দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়কের রাজারামপুর ফকির পাড়া মোড়ে এই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।টলির চাপায় আহতরা হলেন ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি এর ল্যান্স নায়েক চাঁন মিয়া (৩২) ভ্যান চালক গৌরীপাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফ বক্সির পুত্র মাহাবুব বক্সি মন্টু (২৮) ।ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ খায়রুন নেছা জানান, ভ্যান চালক মাহাবুব এর মাথায় চরম আঘাত পেয়েছে তার অবস্থা আশঙ্কা জনক। এছাড়া বিজিবি সদস্য চাঁন মিয়ার বা পাঁ ভেঙ্গে গেছে এই কারনে তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।প্রত্যক্ষ দর্শী ও ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাসিম হাবিব জানান, বিজিবি সদস্য চাঁন মিয়া ফুলবাড়ী বাজারে ঈদের মার্কেট করে মন্টু মিয়ার রিক্সা ভ্যানে করে তার ভাড়াটিয়া বাসা বিজিবি ক্যাম্পে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরিত দিক থেকে আসা একটি টলি তাদেরকে সজরে ধাক্কা দেয়্, টলির চাপায় গুরুতর আহত হয় ভ্যান চালক মন্টু মিয়া ও ভ্যানের যাত্রী বিজিবি সদস্য চাঁন মিয়া। এছাড়া টলির ধাক্কায় ওই টলির নিচে ছিটকে পড়ে যায়, ভ্যানের অপর যাত্রী বিজিবি সদস্য চাঁন মিয়ার স্ত্রী বিথি বেগম ও তিন বছরের শিশু সন্তান নওশিন, কিন্তু টলির চাকা দুই দিক দিয়ে পেরিয়ে গেলেও আলৌকিক ভাবে অক্ষত অবস্থায় বেচেঁ যায় বিজিবি সদস্যর স্ত্রী ও সন্তান। ফুলবাড়ীতে ২ শতাধিক ট্রলি বেপরয়া ভাবে চালানোর কারনে সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটছে বলে জানান ফুলবাড়ীর সচেতনমহল ও থান্ প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক।

  • বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ চলবে না ও জঙ্গীবাদের কোন স্থান নেই... বীরমুক্তিযোদ্ধা ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ

    বীরমুক্তিযোদ্ধা ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ বলেছেন, যারা ইসলামের শত্রু, স্বাধীনতা বিরোধী শত্রু, যারা বাংলাদেশকে আফগানিস্তান বানাতে চায়, যারা বাংলাদেশকে ইরাক বানাতে চায়, লিবিয়া বানাতে চায়, বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদ বানাতে চায় তাদের ঠাই এ বাংলাদেশে হবে না। বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ চলবে না । তাদের কোন স্থান নেই। সামাজিক ভাবে সমাজে তাদের ঠাই নেই। দেশ এখন এগিয়ে যাচ্ছে। আগামীতে এ দেশে কেউ বেকার থাকবে না। সকলেই কর্মসংস্থান হবে। গতকাল রবিবার ঈশরদী লোকোসেড-এ বাংলাদেশ রেলওয়ে ঈশরদী কর্তৃক আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রী এ কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, এদেশ স্বাধীন। এখানকার প্রতিটি মানুষ অন্য, বস্ত্র, বাসস্থান, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ভোগ করবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানোর সংগ্রামে লিপ্ত আছেন। তিনি সরকারের উন্নয়ন কাজে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। এ সময় ঈশরদী লোকোসেড-এ বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্মকর্তা কর্মচারী দলীয় নেতা কর্মী সাংবাদিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

  • বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ চলবে না ও জঙ্গীবাদের কোন স্থান নেই : ------বীরমুক্তিযোদ্ধা ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ

    বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ চলবে না ও জঙ্গীবাদের কোন স্থান নেই : ------বীরমুক্তিযোদ্ধা ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ মো. আফজাল হোসেন দিনাজপুর প্রতিনিধি বীরমুক্তিযোদ্ধা ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ বলেছেন, যারা ইসলামের শত্রু, স্বাধীনতা বিরোধী শত্রু, যারা বাংলাদেশকে আফগানিস্তান বানাতে চায়, যারা বাংলাদেশকে ইরাক বানাতে চায়, লিবিয়া বানাতে চায়, বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদ বানাতে চায় তাদের ঠাই এ বাংলাদেশে হবে না। বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ চলবে না । তাদের কোন স্থান নেই। সামাজিক ভাবে সমাজে তাদের ঠাই নেই। দেশ এখন এগিয়ে যাচ্ছে। আগামীতে এ দেশে কেউ বেকার থাকবে না। সকলেই কর্মসংস্থান হবে। গতকাল রবিবার ঈশ^রদী লোকোসেড-এ বাংলাদেশ রেলওয়ে ঈশ^রদী কর্তৃক আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রী এ কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, এদেশ স্বাধীন। এখানকার প্রতিটি মানুষ অন্য, বস্ত্র, বাসস্থান, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ভোগ করবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানোর সংগ্রামে লিপ্ত আছেন। তিনি সরকারের উন্নয়ন কাজে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। এ সময় ঈশ^রদী লোকোসেড-এ বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্মকর্তা কর্মচারী দলীয় নেতা কর্মী সাংবাদিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

  • ফুলবাড়ী পৌর শহরের বেহাল অবস্থা অপরিস্কার অপরিছন্নে ভরপুর

    দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভার বেহাল অবস্থা অপরিস্কার অপরিছন্নে ভরপুর । ট্যাক্স,ভ্যাট পরিশোধ করার পরেও প্রথম শ্রেনীর পৌর সভার নাগরিকরা কোন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেনা। পৌর সভার নাগরিকরা পৌর সভায় নানান বিষয়ে অভিযোগ করেও কোন সুবিধা পাচ্ছেন না। ফুলবাড়ী পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় পানি নিঃস্কাশনের ড্রেন না থাকার কারনে বর্ষা মৌসুমে পানি জমে গিয়ে অনেকের বাসা বাড়িতে ঢুকছে। ড্রেন গুলি সময় মত পরিস্কার না করার কারনে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। আবার বিভিন্ন এলাকায় ময়লা আবর্জনা রাখার জন্য ডাসবিন তৈরী করা হয়েছে । সেখানে আবর্জনা জমে ইস্তুব হয়ে পড়ে আছে । পরিস্কারের জন্য কোন তদারক নেই পৌর কতৃ পক্ষের । ফুলবাড়ী পৌর সভার ৪ নং ওয়ার্ডের ধান বিক্রয় এলাকায়, আইয়ুব চেয়ারম্যানের বাড়ি সংলঙ্গন্ন এলাকায় আবর্জনা পড়ে রয়েছে। পচা দুগন্ধে এলাকা বাসী পথ চলতে পাচ্ছেনা। অপরদিকে পৌর এলাকায় লাইটিং এর বেহাল অবস্থা টিপ টিপ করে বাতি জলে প্রায় এলাকায়। নি¤œ মানের বাল্প লাগানো হয়েছে। কয়েকদিন গেলেই এ সব বাল্প আর জ¦লেনা। ফুলবাড়ী পৌর সভা ২০১৫ সালে প্রথম শ্রেনী হওয়ার পর পৌর বাসী সুযোগ সুবিধা না পেয়েও রিতি মত ট্যাক্স, ভ্যাট প্রদান করে আসছে। কিনÍু নাগরিকদের কোন সুযোগ সুবিধা নেই । ফুলবাড়ী পৌর সভা কতৃপক্ষ তার ইচ্ছে মত চলছে । ফুলবাড়ী পৌর সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের দপ্তর থেকে সরকারী কত টাকা বরাদ্ধ্য আসে এবং দাতা সংস্থার কত টাকা দেয় তা সঠিক ভাবে ব্যায় করা হচ্ছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে। জানাযায় বিভিন্ন ভাউচার জমা দিয়ে টাকা উত্তোলন করা হয়। এ ছাড়া গত কয়েক বছর আগের হাট ইজাদারের নিকট সরকারী টাকা পড়ে রয়েছে। তা আদায় করার ব্যাপারে পৌর কতৃপক্ষ কোন ব্যাবস্থা নিচ্ছেন না। সব মিলে পৌর সভা প্রশাসনটি হযবর অবস্থায় চলছে। দেখে মনে হচ্ছে প্রশাসক বিহীন পৌর সভা।

  • ফুলবাড়ী উপজেলার ইসমাইলপুর গ্রামে ৪৫বছরেও বিদ্যুৎ পৌছেনি

    দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার আলাদীপুর ইউনিয়নের ইসমাইলপুর(ঠনঠনিয়াপাড়া) গ্রামে ৪৫ বছর পেরিয়ে গেলেও ঐ গ্রামে এখনো বিদ্যুৎ পৌছেনি । ঐ গ্রামের ৪ শত পরিবার ৪৫ বছর ধরে বিদ্যুৎ বিহিন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -২ এ বিদ্যুৎ নেয়ার আবেদন করেও বিদ্যুৎ পায়নি ভুক্ত ভুগি ঐ গ্রামের ৪ শত পরিবার। অবশেষে গত ২০১৫ সালে আলাদীপুর ইউনিয়নের ইসমাইলপুর(ঠনঠনিয়াপাড়া) গ্রামের মো. বুলবুল আহম্মেদ, মো. বেলাল হোসেন গ্রাম বাসীর পক্ষ হয়ে ফুলবাড়ীর আবাসিক বিদ্যুৎ প্রকৌশলী দপ্তরে বিদ্যুৎ পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। এলাকা বাসীর সেই আবেদনটি ফুলবাড়ী আবাসিক প্রকৌশলী দিনাজপুরের বিউবো নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবরে পাঠিয়ে দেন। এর পর দিনাজপুরের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী, প্রধান প্রকৌশলী বিতরন জোন, বিউবো রংপুর পাঠিয়ে দেন। তারা এলাকায় সরজমিনে তদন্ত করে একটি প্রতিবেদন চেয়ারম্যান বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড দপ্তরে পাঠিয়ে দেন। এরপর স্বারক নং -প্রাগম /মন্ত্রী / ডিও /২০১৩-১৬ অর্থবছরে কাজের জন্য গত ৫ অক্টোবর ২০১৬ইং তারিখে প্রাথমিক ও গন শিক্ষা মন্ত্রী এ্যাড ভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (এমপি) চেয়ারম্যান বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বরাবর এলাকার জনসাধারনের দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় এবং উন্নয়ন কল্পে বর্নিত কাজ গুলো চলতি অর্থবছরে বাস্তবায়নের লক্ষে ডিও লেটার কপি দেন। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান কাজ গুলি দ্রুত করার জন্য পরিচালক জিতেন্দ্র চন্দ্র আচার্য্য বিদ্যুতিক সরঞ্জাম পরিদপ্তর বিউবো ঢাকা কে চিঠি দেন। চিঠি অনুপাতে মালামালগুলি সরবরাহ করেন। এই মর্মে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন দপ্তরে সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনু লিপি প্রেরন করেন।এ দিকে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী এলাকায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাজগুলি করার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী বিক্রয় ও বিতরন বিভাগ ২ বিউবো দিনাজপুর, মেসার্স গোল্ডেন ইলেকট্রিক ওয়াকর্স পাহাড়পুর দিনাজপুর ও দীপা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস পুলহাট দিনাজপুর এর সাথে ১৫/০৬/২০১৬চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তি স্বাক্ষরের পর অনুলিপি বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরন করেন ও কাজ গুলো শুরু করেন। বর্তমান ঐ এলাকায় পিলার পোতার কাজশেষ । এলাকায় বিদ্যুৎ পাওয়ার জন্য ও কাজ করার জন্য আলাদীপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোজাফ্ফর সরকার চৌধূরী গত ১৯ জুন ২০১৭ ইং তারিখে প্রত্যায়ন পত্র দিয়েছেন । যেহেতু পল্লী বিদ্যুৎ সময়মত এলাকায় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ লাইন স্থাপন করতে পাচ্ছেনা।গত ১৮ জুন দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২ এর প্রকৌশলী সন্তোশ কুমার শাহ এর সাথে এ বিষয়ে কথা বললে তিনি জানান, আমাদের কমান্ডিং এরিয়ার মধ্যে ফুলবাড়ী আবাসিক প্রকৌশলী (পিডিবি) বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কোন ভাবে এই এলাকায় নতুন বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন করতে পারেনা। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি নিজ খরচে এলাকার মানুষকে বিদ্যুৎ দেয়া হবে। আমরা কাজ বন্ধ করার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে পত্র দ্বারা অবগত করেছি। ফুলবাড়ী আবাসিক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) এর প্রকৌশলী মো. মাহাবুবুর রহমান এর সাথে পল্লী বিদ্যুৎ কতৃক কাজ বন্ধ করার বিষয়ে কথা বললে তিনি জানান, আলাদীপুর ইউনিয়নের ইসমাইলপুর(ঠনঠনিয়াপাড়া) গ্রামের ৪ শত পরিবার বিদ্যুৎ পাওয়ার জন্য ইতিপুর্বে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে আবেদন করেও বিদ্যুৎ পাননি।অবশেষে আমাদের এখানে ২০১৫ সালে আবেদন করলে ও মন্ত্রীর সুপারিশ ক্রমে চিঠি পত্র চালাচালির মাধ্যমে ঐ এলাকায় বিদ্যুৎ দেয়ার জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান অফিস থেকে অনুমোদন হয়। এর পর ঠিকাদার নিয়োগ করে কাজ শুরু করা হয়। বিধি মোতাবেক কাজ করা হচ্ছে। এই কাজ বন্ধ করা তাদের কোন অধিকার নেই। আমরা এতোদিন ধরে কাজ করছি তখন তারা কথায় ছিলো? কাজ গুছিয়ে আনার পর কাজ যখন শুরু করা হলো তখন তারা আমাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করছে । প্রয়োজনে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিব। অপরদিকে এলাকাবাসী কাজ সমাপ্ত করার জন্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের উর্ধতন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • ফুলবাড়ী থানা পুলিশের হাতে ৩৪৩ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক ১

    দিনাজপুরের ফুলবাড়ী থানার পুলিশ এর হাতে ৩৪৩ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক ১। গতকাল ১৯ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৮টায় ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাসিম হাবিব গোপন সুত্রে সংবাদ পেয়ে থানা থেকে এ এস আই ফারুক ও এস আই আক্কেল আলীকে দ্রুত ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়াড়ী ইউপির বেজাই মোড়ে উৎ পেতে থাকে।এ সময় এলুয়াড়ী থেকে বেজাই মোড়ে একটি ভ্যান গাড়ি আসা মাত্র আটক করেন। গাড়িটি আটক করে ফুলবাড়ী থানায় এনে চাউলের ড্রামে থাকা ৩৪৩ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় এলুয়াড়ী ইউপির গনিপুর গ্রামের মো. আবু বক্কর এর পুত্র মো. মকছেদুল ইসলাম (৩০)ভ্যান চালক কে আটক করেন। এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী থানার এ এস আই মো. ফারুক বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে (২৫) এর বি ধারায় মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ২২, তারিখ ১৯/০৬/২০১৭ইং। আটক কৃত মাদক এর মুল্য ২লাখ ৫হাজার ৮ শত টাকা।এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাসিম হাবিব গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঐ মাদক চোরা কারবারীর ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। তবে এই ব্যবসার সাথে আর কারা জড়িত আছে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।অপর দিকে ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাসিম হাবিব জানান,আমি গত ০৫/০২/২০১৭ইং তারিখে যোগদান করার পর প্রায় শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবন কারীদেরকে আটক করি। এবং মামলা দায়ের করি। আমি মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে যে অভিযান চালাচ্ছি তা অব্যাহত থাকবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top