• প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জেলা প্রশাসকদের ৩ ঘন্টার মধ্যে ত্রাণ সামগ্রীর পাঠানো হয়েছে : ত্রাণমন্ত্রী

      দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এ বছর প্রত্যেকটি দুর্যোগে জেলা প্রশাসকদের চাহিদার ১ থেকে ৩ ঘন্টার মধ্যে ত্রাণ সামগ্রীর বরাদ্দ পাঠানো হয়েছে।তিনি বলেন, ‘অনেক জায়গায় চাহিদাপত্রের আগেই বরাদ্দ পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সক্ষমতার বিচারে এ পদক্ষেপ নজিরবিহীন। এ ধারা অব্যহত থাকবে।’তিনি আজ মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে জেলা প্রশাসকদের সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন।বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক ই এলাহী চৌধুরী বীর বিক্রম, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ সফিউল আলম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. শাহ্ কামাল, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।ত্রাণমন্ত্রী বলেন, কোন মানুষ যাতে দুর্যোগে খাদ্য, বাসস্থান ও চিকিৎসায় কষ্ট না পায় তার জন্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ও প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে ত্রাণ সামগ্রি বিতরণে তৎপর হতে তিনি জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহবান জানান।টিআর, কাবিখার বরাদ্দ মার্চ মাসের মধ্যে ছাড়ের জন্য জেলা প্রশাসকদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, কিছু কিছু জেলায় প্রথম কিস্তির কাজ শেষ করতে বিলম্ব করায় দ্বিতীয় কিস্তি ছাড় করতে সময় লাগে। প্রথম কিস্তির প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন হলে দ্বিতীয় কিস্তির বরাদ্দ মার্চের আগেই দেয়া সম্ভব বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।হাওর এলাকায় জানুয়ারি মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ বরাদ্দ ছাড়ের অনুরোধে মন্ত্রী বলেন, প্রথম কিস্তির কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা গেলে জানুয়ারির মধ্যে সম্পূর্ণ বরাদ্দ দেয়া হবে। মন্ত্রী সময় মত প্রকল্প তালিকা পেতে সংসদ সদস্যদের সাথে যোগাযোগ আরও নিবিড় করতে জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহবান জানান।মন্ত্রী বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকা বেড়ি বাঁধ মেরামতের জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।

  • ভারতের নতুন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ মঙ্গলবার শপথ নিয়েছেন

      নয়াদিল্লী, ২৫ জুলাই, ২০১৭  ভারতের নতুন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ মঙ্গলবার শপথ নিয়েছেন।সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জেএস কেহর দেশটির চতুর্দশ রাষ্ট্রপতি হিসাবে তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান। তিনি পিছিয়ে পড়া দলিত সম্প্রদায় থেকে দেশটির দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হলেন।খবর পিটিআই’র।এরপর নিজের সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় কোবিন্দ প্রথমেই তাকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান।তিনি বলেন, যে পদে ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ, সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণান এবং প্রণব মুর্খার্জি কাজ করেছেন সেই একই পদে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি অন্তত গর্বিত।এরপর কোবিন্দ দেশের সংহতি রক্ষা, পিছিয়ে পড়া সমাজকে সঙ্গে নিয়ে সর্বাত্মক উন্নয়ন ও ডিজিটাল ব্যবস্থাকে হাতিয়ার করে এগিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেন।

  • প্রধানমন্ত্রীর জেলা প্রশাসকদের ২৩ দফা নির্দেশনা প্রদান

      প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ জেলা প্রশাসকদের সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের করণীয় হিসেবে ২৩ দফা নির্দেশনা প্রদান করেছেন। নির্দেশনাগুলো হচ্ছে- সরকারি সেবা গ্রহণে সাধারণ মানুষ যাতে কোনভাবেই হয়রানি বা বঞ্চনার শিকার না হন, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।তৃণমূল পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করতে হবে।গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। মানুষ যেন শহরমুখী না হয়। শহরের উপর জনসংখ্যার চাপ যাতে না বাড়ে সে ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সম্ভাবনাময় স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে আপনাদের ব্রতী হতে হবে। ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমাতে উন্নয়ন কর্মসূচি এমনভাবে গ্রহণ করতে হবে যাতে সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষ উপকৃত হয়। বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে।জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িকতা দূর করে সমাজ জীবনের সর্বক্ষেত্রে শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে আরও সতর্কতার সঙ্গে এবং কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস নির্মূলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, গ্রামের মুরুব্বি, নেতৃস্থানীয় ব্যবসায়ী, নারী সংগঠক, আনসার-ভিডিপি, গ্রাম পুলিশ, এনজিও কর্মীসহ সমাজের সবাইকে সম্পৃক্ত করতে হবে। প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক ও পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।সাধারণ মানুষকে সহজে সুবিচার প্রদান ও আদালতে মামলার জট কমাতে গ্রাম আদালতগুলোকে কার্যকর করতে হবে।জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন ও বিকাশে নেতৃত্ব প্রদান করতে হবে। শিক্ষার সর্বস্তরে নারী শিক্ষার হার বৃদ্ধি এবং ঝরেপড়া শিক্ষার্থীদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ নিতে হবে।ভূমি প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সরকারি ভূমি রক্ষায় আরও সচেষ্ট হতে হবে। কৃষি-উৎপাদন বৃদ্ধিতে সার, বীজ, বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ইত্যাদির সরবরাহ নির্বিঘœ করতে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নিতে হবে। পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থাপনাকে জনপ্রিয় করতে উদ্যোগী হতে হবে। ভেজাল খাদ্যদ্রব্য বাজারজাতকরণ প্রতিরোধে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি করে এসব অনৈতিক কর্মকা- কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও এসডিজির সফল বাস্তবায়নে মেধা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপর্যয় প্রশমনে সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। পরিবেশ রক্ষার জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এই সংক্রান্ত আইন ও বিধি বিধানের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।শিল্পাঞ্চলে শান্তি রক্ষা, পণ্য পরিবহন ও আমদানি-রপ্তানি নির্বিঘœ করা এবং পেশিশক্তি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও সন্ত্রাস নিমূর্ল করতে ব্যবস্থা নিতে হবে।ভোক্তা অধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে এবং বাজারে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টির যে কোন অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।নারী উন্নয়ন নীতি সুষ্ঠু বাস্তবায়ন করতে হবে। নারীর প্রতি সহিংসতা, নিপীড়ন ও বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধ এবং নারী ও শিশু পাচার রোধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে শিক্ষা, ক্রীড়া, বিনোদন ও সৃজনশীল সাংস্কৃতিক কর্মকা-ের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। শিশু-কিশোরদের মধ্যে ইতিহাস চেতনা, জ্ঞানস্পৃহা ও বিজ্ঞানমনষ্কতা জাগিয়ে তুলতে হবে।কঠোরভাবে মাদক ব্যবসা, মাদক চোরাচালান এবং এর অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে।ভূমি প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে সরকারি ভূমি রক্ষায় সজাগ থাকতে হবে। পার্বত্য জেলাসমূহের উন্নয়ন ত্বরান্বিতকরণের পাশাপাশি এ অঞ্চলের ভূ-প্রাকৃতিক সৌন্দয্য ও জীব বৈচিত্র সংরক্ষণ করতে হবে। পর্যটন শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং ঐতিহ্যবাহী কুটিরশিল্পের বিকাশে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে।এসবের বাইরে নিজস্ব জেলাভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিত করে এগুলো সমাধানের উদ্যোগ এবং নদী ভাঙ্গনের শিকার ও গৃহহীনদের ঘর-বাড়ি তৈরি করে দিয়ে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণেও প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা প্রদান করেন।এ সময় মঞ্চে জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক, মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

  • উত্তর বগুড়ার বিভিন্ন ফসলী মাঠের রোপা আমন পানির নীচে কৃষকের মাথায় হাত

    বগুড়া সদর উপজেলার লাহিড়ীপারা ইউনিয়নের কোয়ালিপাড়া, রায়মাঝিড়া, চাঁদপাড়া, মধুমাঝিড়া, বুজরুকমাঝিড়া, ধাওয়াকান্দি সহ বিভিন্ন ফসলীমাঠের রোপাআমন,বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়ায় এলাকার কৃষকের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। দুই এক দিনের মধ্যে পানি নেমে নাগেলে সদ্য রোপনকৃত ধানের চারা পচে নষ্ট হয়েযাবে। মধুমাঝিড়ার কৃষক,রুস্তমআলী,চাঁদপাড়ার আব্দুর রশিদ,সাইফুলসহ এলাকার অন্যান্ন কৃষক জানায়,বুজরুকমাঝিড়া (পাকুরতলা) মধুৃমাঝিড়া রাস্তার চাঁদপাড়া যানেরপার নামক স্থানের ছোট একটি কালভাট দিয়ে, উত্তর মধুমাঝিড়া,গোলাবাড়ী,বুজরুকমাঝিড়া,ধাওয়াকান্দি ও চাঁদপাড়ার শত শত একর ফসলী জমির মাঠের পানি নামতে অনেক সময় লাগে। তাছাড়া কালভাটের সামনে বাধ দিয়ে পানি অন্যদিক দিয়ে ছেরেদেওয়ায় পানি নামতে সময় আরও বেশি লাগে। তাছারা কালভাটের উভয় প্বার্শে যান ছিল, খনন নাকরায় এখন আর যানের কোন চিহ্ন নাই। এই সমস্যাগুলি সমাধান নাকরলে প্রতি বৎসর এই ভাবে ফসল নষ্ট হবে। অপর দিকে কোয়ালীপাড়া,রায়মাঝিড়া সহ অন্যান্ন মাঠের পানি নিস্কাষনের ভাল ব্যাবস্থা নাথাকায় প্রতি বৎসর ফসলের ক্ষতিসাধন হয়ে থাকে। তাছারা এলাকার রাস্তাঘাট দির্ঘদিন মেরামত নাকরায় বৃষ্টির পানি ও কাদায় একাকার হওয়ায় এলাকার মানুষ সাভাবিক ভাবে চলাফেরা করতে পারেনা। এলাকাবাসী সমস্যাগুলি দ্রুত সমাধানের জন্য সংসিলিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছে।

  • উত্তর বগুড়ার বিভিন্ন ফসলী মাঠের রোপা আমন পানির নীচে কৃষকের মাথায় হাত

    বগুড়া সদর উপজেলার লাহিড়ীপারা ইউনিয়নের কোয়ালিপাড়া, রায়মাঝিড়া, চাঁদপাড়া, মধুমাঝিড়া, বুজরুকমাঝিড়া, ধাওয়াকান্দি সহ বিভিন্ন ফসলীমাঠের রোপাআমন,বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়ায় এলাকার কৃষকের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। দুই এক দিনের মধ্যে পানি নেমে নাগেলে সদ্য রোপনকৃত ধানের চারা পচে নষ্ট হয়েযাবে। মধুমাঝিড়ার কৃষক,রুস্তমআলী,চাঁদপাড়ার আব্দুর রশিদ,সাইফুলসহ এলাকার অন্যান্ন কৃষক জানায়,বুজরুকমাঝিড়া (পাকুরতলা) মধুৃমাঝিড়া রাস্তার চাঁদপাড়া যানেরপার নামক স্থানের ছোট একটি কালভাট দিয়ে, উত্তর মধুমাঝিড়া,গোলাবাড়ী,বুজরুকমাঝিড়া,ধাওয়াকান্দি ও চাঁদপাড়ার শত শত একর ফসলী জমির মাঠের পানি নামতে অনেক সময় লাগে। তাছাড়া কালভাটের সামনে বাধ দিয়ে পানি অন্যদিক দিয়ে ছেরেদেওয়ায় পানি নামতে সময় আরও বেশি লাগে। তাছারা কালভাটের উভয় প্বার্শে যান ছিল, খনন নাকরায় এখন আর যানের কোন চিহ্ন নাই। এই সমস্যাগুলি সমাধান নাকরলে প্রতি বৎসর এই ভাবে ফসল নষ্ট হবে। অপর দিকে কোয়ালীপাড়া,রায়মাঝিড়া সহ অন্যান্ন মাঠের পানি নিস্কাষনের ভাল ব্যাবস্থা নাথাকায় প্রতি বৎসর ফসলের ক্ষতিসাধন হয়ে থাকে। তাছারা এলাকার রাস্তাঘাট দির্ঘদিন মেরামত নাকরায় বৃষ্টির পানি ও কাদায় একাকার হওয়ায় এলাকার মানুষ সাভাবিক ভাবে চলাফেরা করতে পারেনা। এলাকাবাসী সমস্যাগুলি দ্রুত সমাধানের জন্য সংসিলিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছে।

  • বায়তুল হামদ জামে মসজিদ পরিদর্শন করেন আলী আজগর তালুকদার হেনা

    মঙ্গলবার বাদ আছর বগুড়া সদরের নিশিন্দারা ইউনিয়নের লেংড়া বাজারে নির্মানাধীন বায়তুল হামদ জামে মসজিদ পরিদর্শন করেন বগুড়া সদর উপজেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আলী আজগর তালুকদার হেনা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অত্র মসজিদ কমিটির সভাপতি ও নিশিন্দারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম সরকার সহ মসজিদ কমিটির সদস্য ও মুসল-ীবৃন্দ।

  • মধুখালীতে মরিচ চাষীদের মাথায় হাত

    মধুখালীতে রোবি ও সোমবার একটানা বৃষ্টি পাত হওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মচিরসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে । সরোজমিনে বিভিন্ন স্থান ঘরে দেখা গেছে মৌসুমী অর্থকরি ফসল মরিচের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বৃষ্টির পানিতে ডুবে। চাষীরা যে পরিমান টাকা ব্যায় করে মরিচের চাষ করা হয়েছিল তার একচতুর্থাংশও চাষীর ঘরে তোলা সম্ভর হয় নাই এরই মাঝে প্রাকৃতিক দুর্যোগে গ্রাস করে নিয়েছে চাষীর কষ্টের ফসল । মরিচ চাষে ব্যায় করা অর্থ ফেরত না আসায় মরিচ চাষীদের মাথায় হাত। উপজেলার ব্যাসদী রাশিদা নবী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও লক্ষীনারায়নপুর গ্রামের মরিচ চাষী তারিকুল ইসলাম জানান দুই একর জমিতে ৬০ হাজার টাকা খরচে মরিচ চাষ করে ছিলেন। আশা করেছিলেন ২ লক্ষ টাকা বিক্রয় হবে সবে মাত্র ২০হাজার টাকা বিক্রয় করেছিনে। প্রায় মরিচ ক্ষেত পানির নীচে অল্প বেচে আছে যাতে খরচও ঘরে আসবে না ।গাজনা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বেলেশ্বর গ্রামের মরিচ চাষী মো. মঞ্জুর রহমান মোল্যা জানান ৩৫ শতক জমিতে মরিচ চাষ করেছেন প্রায় ২০হাজার টাকা খরচ করে । সব মিলিয়ে প্রায় ১৫/১৬হাজার টাকা বিক্রয় করেছেন, আশা ছিল ৫০/৬০ হাজার টাকা বিক্রয় হবে কিন্ত প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারনে সব শেষ। অপর দিকে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ব্যাসদী গ্রামের মরিচ চাষী বশির শেখ জানান প্রায় ১একর জমি লীজ নিয়ে মরিচ চাষ করেছিলেন। যে টাকা খরচ হয়ে ছিল তার কিছু অংশও ঘরে উঠে নাই বৃষ্টির পানি মচির ক্ষেতে উঠায় সব শেষ । প্রতিদিন প্রায় ৩/৪হাজার মন মরিচ মধুখালী থেকে ঢাকা-খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি করা হয় । উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খালেদা পারভীন জানান এ বছর মধুখালী উপজেলায় প্রায় ২হাজার ৭শত হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে।উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের মরিচ,আখ,ধানসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে টানা দুদিনের বৃষ্টিতে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল।

  • বোয়ালখালীতে রাস্তা ঘাটের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

    চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে গত ৩ দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও কর্ণফুলী নদীর জোয়ারের ফলে উপজেলার পৌরসদর, আমুচিয়া, কড়লডেঙ্গা, কধুরখীল, পশ্চিম গোমদন্ডী, চরণদ্বীপ, খরণদ্বীপ, সারোয়াতলী, শাকপুরাসহ উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হাজার হাজার পরিবার পানি বন্দি হয়ে মানবেত জীবন যাপন করার খবর পাওয়া গেছে। রাস্তাঘাট সহ নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় যান ও জনচলাচল বিঘিœত হচ্ছে। জোয়ারের ধাক্কায় কালুরঘাট-ভান্ডালজুড়ি সড়কসহ উপজেলা বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  এ দিকে কড়লডেঙ্গা ইউনিয়নে পাহাড়ি ঢলে নিখোঁজ লেবু চাষি মতিউরের ৩ দিনেও কোন খোঁজ মেলেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় মাওলানা জয়নুল আবেদীন। তিনি বলেন, নিখোঁজের পর স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে সন্ধান চালালেও প্রশাসনিক ভাবে কোন তৎপরতা দেখা যায়নি। ৩ দিনেও তার খোঁজ না মেলায় মতিউরের পরিবারে চলছে আহাজারি।সরজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভারী বর্ষণ ও কর্ণফুলী নদীর জোয়ারের ফলে রাস্তা ঘাটসহ ঘর-বাড়ি ও ব্যাবসা প্রতিষ্টান পানিতে প্লাবিত হয়ে জনজীবনে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দেখা দিয়েছে বিভিন্ন ধরণের রোগ-ব্যাধী। এসব এলাকায় জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীদের নৌকায় চলাচল করতে দেখা গেছে। এ ছাড়া নিম্মাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় বিদ্যালয় গুলো বন্ধ ঘোষণা করেছে কতৃপক্ষ।চরণদ্বীপ এলাকার বাসিন্দা মো. জাবেদ হোসেন বলেন, গত তিনদিন ধরে এখানকার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। রাস্তাঘাট, ক্ষেতের ফসল ও পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। পানি আরো বাড়ার আশঙ্কায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। এখানকার অনেক পরিবারে রান্না-বান্না সহ নিত্য নৈমিত্তিক খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে রয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন বা সরকারি কোন সহযোগীতা এলাকায় পৌছেঁনি।

  • আশ্রয় নিল শঙ্খিনী সাপ

    চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বিষধর শঙ্খিনী সাপ আশ্রয় নিয়েছে বসত ঘরের রান্নার মাটির চুলায়। গত ৩ দিনের টানা বর্ষণ আর কর্ণফুলীর জোয়ারের ফলে প্লাবিত হওয়ায় এ সর্পকুল আশ্রয়হীন হয়ে উপজেলার পশ্চিম গোমদন্ডীর বড়–য়া পাড়ার মিলু বড়–য়ার ঘরে গত (২৪ জুলাই) রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষধর সাপটি এলাকায় সানাই (হানি) বা শঙ্খচুর নামেও পরিচিত।  মিলু বড়–য়া জানান, সোমবার রাতে রান্নার জন্য চুলায় আগুন জ্বালতে গেলে এ সময় ফোঁস করে আওয়াজ দিয়ে উঠে সানাই সাপটি। এরপর তাঁর স্ত্রী চিৎকার দিলে সবাই মিলে রান্না ঘরে ছুটে যান। তবে কৌশলে চুলার এক পাশে আগুন দিলে জ্যান্ত সাপটি ধীরে ধীরে চুলা থেকে বের হয়ে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে চলে যায়। বোয়ালখালীতে গত দু’সপ্তাহে প্রায় ৫টি অজগর সহ বিভিন্ন স্থানে বিষধর সাপ ধরা পড়ে। পরে এগুলোকে বনকর্মীর সহযোগীতায় পাহাড়ে অবমুক্ত করা হয়। এছাড়া গত সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের খলিলের মেয়ে আয়েশা (১২), পূর্ব গোমদন্ডীর আনু মিয়ার স্ত্রী ফাতেমা (৫০) ও উত্তর গোমদন্ডীর ইকবালের স্ত্রী আকতার (৩০)কে সাপে কাটে আহত করে। তারা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রযেছে।

  • বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে নিয়নতান্ত্রিক ভাবে কয়লা বিক্রি

    দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি মজুদ থেকে নিয়নতান্ত্রিক ভাবে কয়লা বিক্রি করেছেন খনি কতৃপক্ষ । উত্তর অঞ্চলের তথা বাংলাদেশের প্রথম দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি প্রকল্পটি উৎপাদনের শুরু থেকে কয়লা খনি কতৃপক্ষ কয়লা বিক্রি শুরু করে। খনি কতৃপক্ষ বিধি মোতাবেক বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দামে কয়লা বিক্রি করেন।গত ১৬ এপ্রিল ২০১৭ইং তারিখে দরপত্র এর মাধ্যমে ১৫হাজার ৯শত ২১টাকা দামে কয়লা বিক্রি শুরু করেন। গত ১৭জুলাই খনির মজুদ থেকে ৪২টি প্রতিষ্ঠানের কাছে কয়লা বিক্রি করেন। বর্ষাকালীন সময়ে খনি কতৃপক্ষ বিশেষ কারনে কিছুটা ছাড় দিয়ে সরকারের রাজস্ব বাড়ানোর জন্য ১২ হাজার ৫শত ১১টাকা দামে কয়লা বিক্রি শুরু করেন। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি প্রকল্পে মজুদ কয়লা রয়েছে প্রায় ১লাখ মেট্রিকটন। বড়পুকুরিয়া খনি কতৃপক্ষ ২শত ৫০ মেগওয়ার্ড কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে সচল রাখতে যে পরিমান কয়লার প্রয়োজন হয় সেই পরিমান কয়লা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড(পিডিবি) কে দেয়ারপর বাঁকী কয়লা বিক্রি করেন। এখানে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি লাভ জনক প্রতিষ্ঠানে এগিয়ে নেয়ার জন্য কর্মকর্তা কর্মচারীরা দিনরাত কাজ করছেন। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির মজুদ থেকে বেশী দামে কোন কয়লা বিক্রি করা হচ্ছে না। ১শত টন থেকে ৫হাজার মেট্ট্রিক টন কয়লা বিক্রি করার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিকরা ১শত টন থেকে ২হাজার ৫শত টন পর্যন্ত কয়লা ক্রয় করেন। নিয়ম নীতি মেনেই প্রতিষ্ঠানের মালিকরা কয়লা ক্রয় করেছেন। এতে সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব আয় করেন।বড়পুকুরিয়া কয়লার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. মজিবর রহমান,সাধারন সম্পাদক মো. রায়হান আলী,সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক,ব্যবস্থাপনা পরিচালক বড়পুকুরিয়া কোলমাইনিং কোম্পানী লিমিটেড এর বরাবরে ২০ জুলাই ২০১৭ইং তারিখে কয়লা পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। গত ২২জুলাই বড়পুকুরিয়া কয়লা ব্যবসায়ী সমিতি সেখানে কোন প্রতিবাদ সভা করেন নাই বলে জানান। এখানে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি লুটপাতের প্রশ্নই আসেনা এবং দুর্নীতির কোন সুযোগ নেই।উল্লেখ্য যে ইতিপূর্বে ১দিনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে ৭০হাজার মেট্রিকটন কয়লা বিক্রি হয়। যা বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির রেকর্ড। এ ব্যাপারে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উপ মহাব্যবস্থাপক(সেলস এন্ড মার্কেটিং) খান মোহাম্মাদ জাফর সাদিক এর সাথে গতকাল মঙ্গলবার কয়লা বিক্রয়ের বিষয়ে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান, যারা কয়লা বিক্রি সিন্ডিকেটের কথা বলছে এবং কোম্পানীর কয়েকজন অসাধু ঠিকাদার জড়িত হওয়ার কথা বলছে তা ঠিক নয়। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কর্মকর্তারা বিধি মোতাবেক নিয়নতান্ত্রিক ভাবে কতৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৪২টি প্রতিষ্ঠানের নিকট ডিও বিক্রি করা হয়। এখানে অনিয়ম করার কোন জায়গা নেই। এদিকে কোম্পানীর সচিব আবুল কাশেম প্রধানীয়ার সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। কয়লা বিক্রয়ের বিষয়ে খনির কর্মকর্তা রয়েছে। তারাই কয়লা বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। এই প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি করার কোন অবস্থান নেই। কয়লা ক্রয় কারী প্রতিষ্ঠান গুলি অত্যান্ত স্বচ্ছল। তারা অর্থ দিয়ে কয়লা ক্রয় করছে। তাদেরকে বা কোম্পানীর লোকজনদেরকে দুসারুপ করা ঠিক হবে না। যারা এসব রটাচ্ছে তারা নিজের স্বার্থ হাছিল করার জন্য।

  • বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে নিয়নতান্ত্রিক ভাবে কয়লা বিক্রি

    দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি মজুদ থেকে নিয়নতান্ত্রিক ভাবে কয়লা বিক্রি করেছেন খনি কতৃপক্ষ । উত্তর অঞ্চলের তথা বাংলাদেশের প্রথম দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি প্রকল্পটি উৎপাদনের শুরু থেকে কয়লা খনি কতৃপক্ষ কয়লা বিক্রি শুরু করে। খনি কতৃপক্ষ বিধি মোতাবেক বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দামে কয়লা বিক্রি করেন।গত ১৬ এপ্রিল ২০১৭ইং তারিখে দরপত্র এর মাধ্যমে ১৫হাজার ৯শত ২১টাকা দামে কয়লা বিক্রি শুরু করেন। গত ১৭জুলাই খনির মজুদ থেকে ৪২টি প্রতিষ্ঠানের কাছে কয়লা বিক্রি করেন। বর্ষাকালীন সময়ে খনি কতৃপক্ষ বিশেষ কারনে কিছুটা ছাড় দিয়ে সরকারের রাজস্ব বাড়ানোর জন্য ১২ হাজার ৫শত ১১টাকা দামে কয়লা বিক্রি শুরু করেন। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি প্রকল্পে মজুদ কয়লা রয়েছে প্রায় ১লাখ মেট্রিকটন। বড়পুকুরিয়া খনি কতৃপক্ষ ২শত ৫০ মেগওয়ার্ড কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে সচল রাখতে যে পরিমান কয়লার প্রয়োজন হয় সেই পরিমান কয়লা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড(পিডিবি) কে দেয়ারপর বাঁকী কয়লা বিক্রি করেন। এখানে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি লাভ জনক প্রতিষ্ঠানে এগিয়ে নেয়ার জন্য কর্মকর্তা কর্মচারীরা দিনরাত কাজ করছেন। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির মজুদ থেকে বেশী দামে কোন কয়লা বিক্রি করা হচ্ছে না। ১শত টন থেকে ৫হাজার মেট্ট্রিক টন কয়লা বিক্রি করার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিকরা ১শত টন থেকে ২হাজার ৫শত টন পর্যন্ত কয়লা ক্রয় করেন। নিয়ম নীতি মেনেই প্রতিষ্ঠানের মালিকরা কয়লা ক্রয় করেছেন। এতে সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব আয় করেন।বড়পুকুরিয়া কয়লার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. মজিবর রহমান,সাধারন সম্পাদক মো. রায়হান আলী,সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক,ব্যবস্থাপনা পরিচালক বড়পুকুরিয়া কোলমাইনিং কোম্পানী লিমিটেড এর বরাবরে ২০ জুলাই ২০১৭ইং তারিখে কয়লা পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। গত ২২জুলাই বড়পুকুরিয়া কয়লা ব্যবসায়ী সমিতি সেখানে কোন প্রতিবাদ সভা করেন নাই বলে জানান। এখানে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি লুটপাতের প্রশ্নই আসেনা এবং দুর্নীতির কোন সুযোগ নেই।উল্লেখ্য যে ইতিপূর্বে ১দিনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে ৭০হাজার মেট্রিকটন কয়লা বিক্রি হয়। যা বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির রেকর্ড। এ ব্যাপারে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উপ মহাব্যবস্থাপক(সেলস এন্ড মার্কেটিং) খান মোহাম্মাদ জাফর সাদিক এর সাথে গতকাল মঙ্গলবার কয়লা বিক্রয়ের বিষয়ে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান, যারা কয়লা বিক্রি সিন্ডিকেটের কথা বলছে এবং কোম্পানীর কয়েকজন অসাধু ঠিকাদার জড়িত হওয়ার কথা বলছে তা ঠিক নয়। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কর্মকর্তারা বিধি মোতাবেক নিয়নতান্ত্রিক ভাবে কতৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৪২টি প্রতিষ্ঠানের নিকট ডিও বিক্রি করা হয়। এখানে অনিয়ম করার কোন জায়গা নেই। এদিকে কোম্পানীর সচিব আবুল কাশেম প্রধানীয়ার সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। কয়লা বিক্রয়ের বিষয়ে খনির কর্মকর্তা রয়েছে। তারাই কয়লা বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। এই প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি করার কোন অবস্থান নেই। কয়লা ক্রয় কারী প্রতিষ্ঠান গুলি অত্যান্ত স্বচ্ছল। তারা অর্থ দিয়ে কয়লা ক্রয় করছে। তাদেরকে বা কোম্পানীর লোকজনদেরকে দুসারুপ করা ঠিক হবে না। যারা এসব রটাচ্ছে তারা নিজের স্বার্থ হাছিল করার জন্য।

  • কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজম উন্নয়ন কর্মসূচী’১৭ উদ্বোধন

    দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় ৪দিন ব্যাপী কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজম উন্নয়ন কর্মসূচী’১৭ উদ্বোধন। ২৪ জুলাই’১৭ রোজ সোমবার কান্তজিউ মন্দির পর্যটন করপোরেশন রেস্তোরা কমপ্লেক্স-এ এই কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি কাহারোল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মামুনুর রশিদ চৌধুরী। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কাহারোল থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোঃ মফিজুল ইসলাম, দিনাজপুর পর্যটন জোন ব্যবস্থাপক মোঃ আলী আজম, ৫নং সুন্দরপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শরীফ উদ্দীন আহম্মেদ। স্বাগত বক্তব্য পর্যটন বিচিত্রার ইডিটর মোঃ মহিউদ্দীন হেলাল, পর্যটন বিচিত্রার মার্কেটিং ম্যানেজার জাহেদ খান খালেদ প্রমুখ। এই প্রশিক্ষণ কর্মসুচীতে পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্য গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য সাংস্কৃতিক বিষয়ক, খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশন এবং হস্ত শিল্প বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রশিক্ষনার্থীদের মধ্যে দেওয়া হবে। এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ৪দিন ব্যাপী ৪৩জন প্রশিক্ষনার্থী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন।

  • আটোয়ারীতে মৎস্য সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠান

    “মাছ চাষে গড়বো দেশ-বদলে দেব বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে সপ্তাহব্যাপি বিভিন্ন কর্মসুচির মধ্যদিয়ে গতকাল সোমবার (২৪ জুলাই)জাতীয মৎস্য সপ্তাহের সমাপ্তি ঘটেছে। উপজেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে মৎস্য সপ্তাহের সমাপনি দিনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন সুলতানার সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে সমাপনী অনুষ্ঠান অনষ্ঠিত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব মোঃ আব্দুর রহমান উপস্থিত থেকে মৎস্য চাষী ও মৎস্য জীবিদের মুল্যায়ন সনদ সহ পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে মৎস্য সপ্তাহ সমাপ্ত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ তৌহিদুল ইসলাম উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন। সপ্তাহব্যাপি কর্মসুচির সফলতা উল্লেখ করে স্বাগত বক্ব্য রাখেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ওবায়দুল হক।

  • বোয়ালখালীর নিন্মাঞ্চল প্লাবিত, পাহাড়ি ঢলে নিখোঁজ-১

    দু’দিনের ভারী বষর্ণ ও কর্ণফুলী নদীর জোয়ারের তোড়ে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভাসহ উপজেলার নিন্মাঞ্চল এলাকা প্লাবিত হয়েছে। জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে এখান শত শত ঘর-বাড়ী ও রাস্তা-ঘাট ও ব্যবসা প্রতিষ্টান নিয়ে বেকায়দায় পড়েছে স্থানীয়রা। বসত ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে যাওয়ায় অনেকের রান্না-বান্না, খাবার পানীর সংকটে পড়ে দূর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে হাজার শত শত পরিবারে। এ ছাড়া জলাবদ্ধতার কারণে দেখা দিয়েছে বিভিন্ন ধরনের রোগ ব্যাধী। আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে এখানকান হাজার হাজার মানুষ। তবে প্রশাসনের কেউই ক্ষতিগ্রস্থদের সহযোগীতাই এগিয়ে আসেননি বলে জানান এলাকাবাসী। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঝড়-তুপান যাই হোক প্রশাসনের কিছুই আসে যায়না। তারা তো বোয়ালখালীতে থাকেনই না। রাত যাপন হয় তাদের শহরে, তাই ক্ষতিগ্রস্থদের দেখার সময়ই বুঝি পাননা তারা।  এ দিকে পাহাড়ি ঢলে মো. মতিউর রহমান (৩২) নামের এক লেবু চাষী নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে। মতিউর উপজেলার কড়লডেঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ কড়লডেঙ্গা চম্পা তালুকদার পাড়ার ইউছুপ নবীর ছেলে। তাঁর দেড় বছর বয়সী এক ছেলে সন্তান রয়েছে। তিনি রবিবার কড়লডেঙ্গা পাহাড়ের বাগান থেকে লেবু আনতে গিয়ে তিনি পাহাড়ি ঢলে পড়ে যান বলে জানান তাঁর সহকর্মীরা। নিখোঁজ মতিউর রহমানের চাচাত ভাই মাওলানা নুরুল ইসলাম রহিমী জানান, ‘আমার চাচাত ভাই পাহাড়ে রোববার সকালে পাহাড়ে লেবু আনতে যায়। বাগানের কাজ সেড়ে সন্ধ্যায় বাড়ী ফেরার পথে পাহাড়ি ঢলে ভেসে যায় বলে সঙ্গীয়রা জানান। এ পর্যন্ত তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রাসহ তার স্বজনরা খোঁজ করছেন বলে জানান স্থানীয় ইউপি চেয়াম্যান হামিদুল হক মান্নান।প্লাবিত বিভিন্ন স্থানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গত ২দিনের লাগাতার ভাড়ী বর্ষনে উপজেলার নিম্মাঞ্চল গুলো প্লাবিত হয়ে পড়ে। কিন্তু হঠাৎ ২৪ জুলাই সোমবার দুপুর থেকে বর্ষণের সাথে সাথে কর্ণফুলির জোয়ারের তোড়ে প্লাবিত নিম্মাঞ্চলগুলো অবস্থার অবনতি ঘটে। সেই সাথে উপজেলার পৌরসদরের শত শত ঘর-বাড়ী, দোকান, রাস্তা ঘাট সহ বাসা বাড়ীতে পানি ঢুকে পড়ে। ফলে এলাকায় দূর্ভোগ মহামারী আকারে দেখা দিয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে ছেলে মেয়েদের লেখা-পড়া, কষ্টে দিনাতিপাত করছে শিশু, মহিলা ও বৃদ্ধ রোগীরা। এছাড়া উপজেলার চরণদ্বীপ, শ্রীপুর-খরণদ্বীপ, পশ্চিম গোমদন্ডী, পূর্ব গোমদন্ডী ও কধুরখীল এলাকায় প্লাবিত হয়ে ঘর-বাড়ী ও রাস্তা-ঘাটে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী। অনেক স্থানে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।এদিকে উপজেলার চরণদ্বীপ ইউনিয়নের বড়ুয়া পাড়া ও ঘাটিয়ালপাড়া এলাকায় কর্ণফুলী নদীর জোয়ারের তোড়ে বসত বাড়ীতে ঢুকে পড়ায় এসব এলাকার লোকজন ঘর-বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন চরণদ্বীপ ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল আলম।তিনি বলেন, ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের তোড়ে রাস্তা-ঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জোয়ারে কয়েক’শ বাড়ি-ঘর পানিবন্দী হয়ে পড়ায় এসব এলাকার প্রায় কয়েকশ জনসাধারণ চরণদ্বীপ মডেল স্কুলে আশ্রয় নিয়েছে। এতে আরো অনেক মানুষ পানি বন্ধী হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে বলেও জানান এলাকাবাসী।পৌর কাউন্সিলর শাহজাদা এসএম মিজানুর রহমান বলেন, নদী তীরবর্তী কধুরখীলের গুইলদ্যাখালী, নাজিরখালী, জামতল ও রিভার ভিউ এলাকার বসত বাড়ী ও রাস্তা-ঘাট প্লাবিত হওয়ায় এখানকার মানুষ গুলো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। এসব বিষয়ে উধ্র্তন কর্তৃপক্ষকে জানালেও এসব সমাধানে কেউ এখনো এগিয়ে আসেনি।এ বিষয়ে পৌর মেয়র হাজী আবুল কালাম আবু বলেন, দূর্গত মানুষের পাশে থেকে এসব সমস্যা নিরষনের চেষ্টা করছি এবং প্রয়োজনীয় সাহায্য সহযোগীতা প্রদান করে যাচ্ছি। এছাড়া এলাকার কিছু চিহ্নিত দখলবাজদের দৌরাত্মে সরকারি জায়গা অবৈধ দখলে নিয়ে যত্রতত্র নির্মানের ফলে পানি নিষ্কাসনের পথ বন্ধ করে দেয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। তবে আশা করছি এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করা হবে। তবে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগী পেলে এসব কাজ আরো সহজ হবে।

  • আওয়ামীলীগের উপদেষ্ঠা, গণ পরিষদ ও সাবেক এমপি ইসহাক মিয়ার জানাযা সম্পন্ন

    বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্ঠা, দেশের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, গণ পরিষদ ও সাবেক এমপি জননেতা ইসহাক মিয়ার ১ম নামাযে জানাযা গতকাল ২৫ জুলাই জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ, ২য় নামাযে জানাযা আগ্রাবাদ লাকী প্লাজার সামনে, ৩য় নামাযে হাজী পাড়া সুন্নীয়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নামাযে জানাযায় অংশগ্রহণ করেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এ.বি.এম. মহিউদ্দীন চৌধুরী, প্রবাসী ও বৈদিশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম বি.এস.সি, সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, ব্যারিষ্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক মন্ত্রী ডাঃ আফসারুল আমিন এমপি, আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম এমপি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাবেক এমপি আলহাজ্ব নুরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম.এ. সালাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, আলহাজ্ব এম. এ. লতিফ এমপি, দিদারুল আলম এমপি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক মাকসুদুর রহমান, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের উপদেষ্ঠা আলহাজ্ব শফর আলী, শেখ মাহমুদ ইসহাক, বি.এন.পি’র কেন্দ্রীয় নেতা এস.এম. ফজলুল হক, মহানগর বি.এন.পির সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী, আলহাজ্ব নঈম উদ্দীন চৌধুরী, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, এড. ইফতেখার হোসেন চৌধুরী বাবুল, জহিরুল আলম দোভাষ, আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন বাচ্চু, দক্ষিণজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব মাঈন উদ্দীন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শাহাবুদ্দীন, মহানগর কমান্ডর মোজাফফর আহমদ, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম চৌধুরী, বদিউল আলম, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও রুপালী ব্যাংকের পরিচালক আবু সুফিয়ান, সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাস, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক সদস্য এড. আনোয়ারুল কবির চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুল হক মিয়া, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. ইফতেখার সাইমুম চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, সাবেক জেলা লায়ন্স গর্ভনর লায়ন শামসুল হক, মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম সি.এন.সি, জাসদ মহানগরের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দীন বাবুল ন্যাপনেতা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হহক চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য আবুল মনসুর, প্রফেসর সৈয়দ নিছার উদ্দীন মঞ্জু, বেলাল আহমদ, সাইফুদ্দীন খালেদ বাহার, আব্দুল লতিফ টিপু, চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সভাপতি বখতিয়ার উদ্দীন খান, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক এটলি,দক্ষিণজেলা আওয়ামীলীগনেতা নুরুল কাইয়ুম খান, নাজিম উদ্দীন, আনোয়ারা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব তৌহিদুল হক চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামীলীগনেতা মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, কাউন্সিলর জয়নাল আবেদীন, ছালে আহমদ, মাজহারুল ইসলাম, নাজমুল হক ডিউক, হাসান মুরাদ বিপ্লব, আলহাজ্ব এইচ.এম. সোহেল, সেলিম উল্লাহ বাচ্চু, গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, সাবেক কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম বাহাদুর, সমাজসেবক হাজী শাহাবুদ্দীন, মোঃ ছালেহ জহুর বাবুল, আব্দুল বারেক, আব্দুল হক, মরহুমের পুত্র মোঃ রিদোয়ান, মোঃ মহসিন, মোঃ আব্দুর রহিম, মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক, সৈয়দুল হক, এস.এম. লিয়াকত হোসেন, এস.এম. শফিউল আযম, পটিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব রাশেদ মনোয়ার, সাবেক সভাপতি আ.ক.ম. শামসুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাছির উদ্দীন, এম. এ. হান্নান, শরফউদ্দীন রাজু, দিদারুল আলম, হেলাল উদ্দীন, আব্দুল খালেক, জমিম উদ্দীন চৌধুরী, আশেক রসুল টিপু, এম.আর. আজিম, স. ম. জিয়াউর রহমান, আব্দুর রশিদ লোকমান, সোহেল মো. ফখরুদ্দীন, সালাউদ্দীন লিটন, জাহাঙ্গীর আলম, আসিফ ইকবাল, মোস্তাফিজুর রহমান, বোরহান উদ্দীন গিফারী, সাফায়েত মারুফ প্রমুখ। ১ম নামাযে জানাযার ইমামতি করেন জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের খতিব আল্লামা সৈয়্যদ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দিন। ২য় নামাযে জানাযার ইমামতি করেন নেছারিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জয়নুল আবেদীন জুবাইর, ৩য় নামাযে জানাযায় ইমামতি করেন হাজী পাড়া সুন্নিয়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবু তাহের। ১ম নামাযে জানাযা শেষে মরহুম জননেতা ইসহাক মিয়াকে রাষ্ট্রীয় গার্ড অব প্রদান করা হয়। শেষে মরহুম জননেতা ইসহাক মিয়াকে আগ্রাবাদস্থ হাজী পাড়া সুন্নিয়া জামে মসজিদের পার্শ্বে পারিবারিক কবরস্থানে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top