• পঞ্চগড়ে ইফতার কেনাকাটায় উপচেপড়া ভীড়

    সারাদেশের ন্যায় পঞ্চগড়ে জমে উঠেছে পহেলা রমজান শরীফের ইফতার কেনাকাটা। ইফতারী সময়ের প্রায় ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট পূর্বে দোকানগুলিতে ভীড়ের কাতারে দাড়িয়ে থাকছে রোযাদ্বার ব্যক্তিরা। ১ রমজান/১৪৩৯ শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, পঞ্চগড় বাজারের নিউ মৌচাক, রহমানিয়া, করতোয়া হোটেলের বিভিন্ন প্রকার আইটেমের ইফতারী পণ্যে শতাধিক মানুষের ভীড়। অন্যদিকে পঞ্চগড় সদর থানাধীন জগদল বাজারেও দোকান গুলিতে ভীড়ের আস্তানা। অত:পর পঞ্চগড় থানাধীন সাতমেড়া ইউপির দশমাইল বাজারে গাড়ী থেকে নেমেই দেখা পড়ে মাফিজার রহমানের ইফতারীর দোকান। পবিত্র রমজানে তার ইফতারী দোকান সম্পর্কে জানতে চাইলে, তিনি জানান, আমি প্রতি বছরের ন্যায় এবারও দোকান ধরেছি। আমার পেশা মূলত চায়ের দোকানদারী। আমি চা, নেমকি, জিলাপি ইত্যাদি বিক্রি করি। তবে, প্রতি বছর রমজানে ইফতারী দোকান করি। এতে আমার লাভের পাশাপাশি অনেক নেকিরও কাজ হয় জানান তিনি। কারণ আমি দোকান না দিলে রোযাদার ব্যক্তিরা ইফতারী নিতো কিভাবে মনে করেন মফিজার রহমান। অপরদিকে, পঞ্চগড় সদর জেলাধীন সাতমেড়া ইউপির শিতলী হাসনা গ্রামের মো: খায়রুল ইসলাম জানান, গত হয়ে যাওয়া বছরগুলোর চেয়ে এবছর মানুষ অনেক সুখে দিন কাটাচ্ছে। আগের তুলনায় এখন অভাব নেই বললেই চলে। পঞ্চগড়ে রয়েছে বিভিন্ন কলকারখানা, পাথরের খনি, চয়ের বাগান ইত্যাদি। তাই এখন মানুষের মুখে শুনা যায় বাপ দাদারা নামায রোযা ঠিক ভাবে না আদায় করে দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছেন আর আমরা এখন সুখি রোযা কেন দিব না? বারো মাসে একটি মাস মাত্র রোযা।

  • ফুলবাড়ীতে ভোক্তা অধিকারের বাজার তদারকি ও জরিমানা আদায় ॥

    দিনাজপুর ফুলবাড়ী উপজেলায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গতকাল ১৯ মে শনিবার দুপুরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দিনাজপুর কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মমতাজ বেগমের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ফুলবাড়ী পৌরশহরের পশ্চিম গৌরিপাড়া ও মধ্য গৌরিপাড়া এলাকার বিজলী লাচ্ছা সেমাই কারখানা, জলসা লাচ্ছা সেমাই কারখানা ও বাবা লাচ্ছা সেমাই কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেমাই তৈরী ও বিক্রি করার অভিযোগে জাতীয় ভোক্তা অধিকার আইনে অভিযান চালিয়ে ১৩ হাজার টাকা জরিমান আদায় করা হয়। এছাড়াও মদিনা মনোয়ারা ফাহমিদা মিলস্ এর সত্ত্বাধিকারী আল হাজ্ব শামসুল হক কে সংশ্লিষ্ট আইনে সর্তকতা ও পরার্মশ প্রদান করা হয়। অভিযান চলা কালিন সময়ে সঙ্গে ছিলেন, দিনাজপুর জেলা ক্যাবের নির্বাহী সদস্য মাসউদ রানা এবং স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানেটারি ইন্সপেক্টর জগদীশ চন্দ্র সহ দিনাজপুর জেলার পুলিশ ফোর্স।

  • রোটারী ক্লাবে রনজিৎ কুমার সিংহ ও শামীম কবিরকে সংবর্ধনা প্রদান

    রোটারী ক্লাব অব দিনাজপুর আয়োজিত নিমতলাস্থ রোটারী ক্লাব ভবন সভাকক্ষে ক্লাবের মাসিক সভায় দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী একমাত্র শিশু হাসপাতাল অরবিন্দ শিশু হাসপাতালের সদ্য নির্বাচিত সহ-সভাপতি পদে রোটাঃ রনজিৎ কুমার সিংহ ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত রোটাঃ শামীম কবিরকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।  রোটারী ক্লাব অব দিনাজপুরের ক্লাব মাসিক সভায় ক্লাব প্রেসিডেন্ট রোটাঃ মোঃ সহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন এর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডেন্ট ইলেক্টঃ রোটাঃ আব্দুস সাত্তার, পিপি রোটাঃ মোঃ মোমিনুল ইসলাম, রোটাঃ আব্দুল মান্নাফ ও পিপিঃ রোটাঃ আব্দুস সামাদ তুহিন। বক্তারা বলেন, রোটারী ক্লাবের সদস্যরা আর্ত-মানবতার কল্যাণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়া রোটারী ক্লাবের সদস্যরা আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তারা যথেষ্ট অবদান রাখছেন। রোটাঃ রনজিৎ কুমার সিংহ ও রোটাঃ শামীম কবির তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, অরবিন্দ শিশু হাসপাতালে শিশু ও মায়ের সেবা প্রদানে আমরা রোটারী’র আদর্শকে কাজে লাগাতে অঙ্গীকারবদ্ধ। সেবার মনোভাব নিয়ে শিশু হাসপাতালে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যেতে চাই।

  • দিনাজপুুরে হোটেল রেঁস্তোরা গুলোতে ইফতার সামগ্রী বিক্রয়ে উপচে পড়া ভীড়

    প্রতি বছরের মত এবারো পবিত্র মাহে রমজান মাসে দিনাজপুর হোটেল রেঁস্তোরাগুলো নানা ধরনের ইফতার সামগ্রী বিক্রি করাতে উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। রমজানের প্রথম দিনে দিনাজপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী হোটেল রেঁস্তোরা ও মিষ্টির দোকান দিলশাদ, পাবনা সুইটস্, সানন্দা, নিউ হোটেল, মাসুমের হোটেল খাওয়া দাওয়া, মিষ্টি মুখ, মা মিষ্টান্ন ভান্ডারসহ বিভিন্ন দোকানে ইফতার ক্রয় করতে গ্রাহক মুসল্লী ও রোজাদারদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। এদিকে দিনাজপুর শহরের হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন সবার সেরা স্বাদ ঐতিহ্যবাহী দিলশাদ ইফতার বিক্রিতে পবিত্র মদিনা শরীফ মসজিদে নববী’র আদলে দোকানের সম্মুখে সজ্জিত করেছে মসজিদের মিনার ও পবিত্র কোরআন শরীফ। তা মুসল্লীবৃন্দ ও রোজাদার ব্যক্তিদের মাঝে চমক সৃষ্টি করেছে। রমজানের ফজিলতে নিয়ম-নীতি রক্ষা করে দিনাজপুর শহরের হোটেল রেঁস্তোরাগুলো নানা ধরনের ইফতার সামগ্রী ঐতিহ্যের সাথে বিক্রি করে আসছে।

  • জাতীয় শ্রমিকলীগ ফার্মহাট সার গোডাউন কমিটির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

    জাতীয় শ্রমিক লীগ দিনাজপুর খোসালপুর ফার্মহাট বিএডিসি সার গোডাউন শাখা কমিটির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ জাতীয় শ্রমিক লীগ দিনাজপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলাউদ্দিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।  গতকাল দিনাজপুর শহরের সিএসডি খাদ্য গোডাউন সম্মুখ সড়কে জেলা শ্রমিক লীগের দলীয় কার্যালয়ে মতবিনিময় এবং জাতীয় শ্রমিক লীগ দিনাজপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলাউদ্দিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জাতীয় শ্রমিক লীগ দিনাজপুর খোসালপুর ফার্মহাট বিএডিসি সার গোডাউন শাখার নবনির্বাচিত সভাপতি মিজান ভুইয়া, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজাদ ভুইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শ্রমিক লীগ দিনাজপুর জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক মোঃ মঞ্জুরুল হাসান সানু, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোকারম হোসেন হিটলার, জেলা নির্মাণ শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম প্রমুখ।

  • কাহারোলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা

    দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ২নং রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সঞ্জয় কুমার মিত্রকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে রামপুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়। গতকাল কাহারোল উপজেলার রামপুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে কাহারোল উপজেলার ২নং রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সঞ্জয় কুমার মিত্রকে ফুলেল সংবর্ধনা প্রদান করেন রামপুর বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিস্টন রায়, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পরেশ চন্দ্র রায়সহ অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ।

  • দিনাজপুরে রোটারী ক্লাবে সংবর্ধনা

    রোটারী ক্লাব অব দিনাজপুর আয়োজিত নিমতলাস্থ রোটারী ক্লাব ভবন সভাকক্ষে ক্লাবের মাসিক সভায় দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী একমাত্র শিশু হাসপাতাল অরবিন্দ শিশু হাসপাতালের সদ্য নির্বাচিত সহ-সভাপতি পদে রোটাঃ রনজিৎ কুমার সিংহ ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত রোটাঃ শামীম কবিরকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। রোটারী ক্লাব অব দিনাজপুরের ক্লাব মাসিক সভায় ক্লাব প্রেসিডেন্ট রোটাঃ মোঃ সহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন এর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডেন্ট ইলেক্টঃ রোটাঃ আব্দুস সাত্তার, পিপি রোটাঃ মোঃ মোমিনুল ইসলাম, রোটাঃ আব্দুল মান্নাফ ও পিপিঃ রোটাঃ আব্দুস সামাদ তুহিন। বক্তারা বলেন, রোটারী ক্লাবের সদস্যরা আর্ত-মানবতার কল্যাণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়া রোটারী ক্লাবের সদস্যরা আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তারা যথেষ্ট অবদান রাখছেন। রোটাঃ রনজিৎ কুমার সিংহ ও রোটাঃ শামীম কবির তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, অরবিন্দ শিশু হাসপাতালে শিশু ও মায়ের সেবা প্রদানে আমরা রোটারী’র আদর্শকে কাজে লাগাতে অঙ্গীকারবদ্ধ। সেবার মনোভাব নিয়ে শিশু হাসপাতালে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যেতে চাই।

  • ঈঁশ্বরদীর সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদকে সজিয়ে তুলেছেন ইউপি চেয়ারম্যান

    সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মজিদ তাঁর পরিষদকে নান্দনিক পরিবেশে সাজিয়েছেন তুলেছেন। ২০১৬ সালে তিনি দায়িত্ব গ্রহন করার পর তাঁর পরিষদে একটি উন্মুক্ত মঞ্চ নির্মাণ , ভবন মেরামত, ও ফুলের বাগান তৈরি করেন।এছাড়াও পুরো ইউনিয়ন পরিষদ সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসেন।    তিনি জানান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যে পরিমান বরাদ্দ দিয়েছেন তাতে এ বছরেই সলিমপুর ইউনিয়নে শতেরো কিলোমিটার রাস্তার কাজ করা হয়েছে। বাকী রাস্তার কাজ আগামী বাজেটে শেষ করা হবে।   এছাড়াও তিনি রাস্তায়, হাট-বাজারে সর্বমোট বাহাত্তরটি সোলার স্ট্রীট লাইট স্থাপন করেন। তিনি তাঁর ইউনিয়নের আঠারো টি স্কুলে বিনামূল্যে ছাত্র-ছাত্রীদের ব্লাডগ্রুপ টেস্ট করান। ও চোখ পরিক্ষা করে চশমা প্রদান করেন।   বর্তমান সরকার যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তাতে খুব দ্রুত ঈঁশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে রুপান্তর করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

  • সালথার সাধারন জনগন দলিল লেখকদের কাছে জিন্মি

    ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার সাধারন জনগন দলিল লেখকদের কাছে প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছে। জমি ক্রেতাদের নিকট থেকে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে দলিল সম্পাদন বাবত লেখক সমিতি আদায় করছে অতিরিক্ত টাকা। দলিল লেখকরা একদিকে ক্রেতা-বিক্রেতা দের ধোঁকাদিয়ে বোকা বানিয়ে বেশী অর্থ আদায় করছে অন্যদিকে কারসাজি করে দলিল সম্পাদন করছে। একদিকে সমিতির মাধ্যমে নিদ্ধারিত আয় অন্যদিকে ক্লায়েন্টদের নিকট থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়-এ দুয়ের মাঝে দলিল লেখকরা হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। জানা গেছে দলিল লেখক সমিতি , নিজেদের তৈরীকরা নিয়মে নাল, খাল, বিল , বাড়ি ইত্যাদি জমির শ্রেনী বিভাজন তৈরী না করে সকল ক্ষেত্রে আড়াই পার্সেন্ট ও অফিস এক পার্সেন্ট করে টাকা আদায় করছে। সমিতির মূল নীতি হলো একতাই শক্তি সূতারাং অতিরিক্ত বলে কিছু নেই-বাধ্যতামূলক এ টাকাই দিতে হবে যদি দলিল রেজিষ্ট্রি করতে হয়। বিশ^স্ত সূত্রে জানাযায় বর্তমানে যে অতিরিক্ত রেট আদায় করা হচ্ছে তারথেকে আরো বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। হেবা দলিলের ক্ষেত্রে ৫ থেকে ৬% টাকা-বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সর্বনি¤œ ৪ লাখ টাকার দলিল হলে ৬% দিতে হবে আর এর বেশী টাকার দলিলের ক্ষেত্রে ৫% পর্যন্ত বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা যায়। সাফ কবলা ও দানপত্র দলিলে সরকারী খরচ-৮০০০ (আট হাজার) টাকা স্টাম্প ফিস সহ এবং হেবা দলিল প্রতি খরচ-৭০০ (সাত শত) টাকা - স্ট্যাম্প ফিসহ নিদ্ধারিত হলেও একই রেট প্রদান করতে হবে। শ্রেনীভিত্তিক সরকার নির্দ্ধারিত রেইটের তোয়াক্কা না করে নাল, বাড়ি খাল যাই থাকুকনা কেন দলিল লেখক সমিতি নিদ্ধারিত ৬% টাকা পরিশোধ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে জমি ক্রেতা-বিক্রেতাদের। দলিল লেখক সমিতিকে প্রতি লাখে কবলা ও দানপত্রের ক্ষেত্রে জমাদিতে হয় ২০০ (দুই শত টাকা) ও হেবা দলিলে সমিতিতে প্রতি লাখে আদায় ১০০০ (এক হাজার) টাকা। মাস শেষে এই টাকা দলিল লেখকদের মধ্যে পয়েন্ট অনুযায়ী ভাগাভাগি করা হয়। প্রতি মাসে সমিতি থেকে কিছু সংখ্যক দলিল লেখকের আয় ১ লক্ষ টাকারও বেশী এবং অন্যান্য দলিল লেখক এর নূন্যতম আয় ৫০ হাজার টাকা। পয়েন্ট হিসেবে ২/৩ লক্ষ টাকাও আয় আছে কারো কারো সালথা সাব রেজিষ্ট্রি অফিস থেকে। সরকার কতৃক নিদ্ধারিত ফি থাকা সত্বেও দলিল লেখকরা সমিতির ইচ্ছামাফিক রেইটের ধূয়া দিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে উঠেছে ,আর কারসাজি করে মিথ্যা তথ্যদিয়ে অত্যাচারের খড়গ ক্রেতা-বিক্রেতাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে বসে আছে বলার , দেখার কেউ নেই- নেই কোন জবাবদিহীতা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাব রেজিষ্ট্রি অফিস সংশ্লিষ্ট একজন এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, এখানে দলিল করতে হলে সমিতি নির্দ্ধারিত রেট এর ক্ষেত্রে কোন ছাড় হবেনা। অন্য আর এক প্রশ্নের জবাবে জনৈক ব্যক্তি বলেন, ইউএনও, ডিসি, সচিব সাহেব সবাইকে আমরা চিনি-কাউকেই আমরা পথ দেখাইনা-পথ দেখাইলে সবার চোখ খুলে যাবে। সাধারন জনগনের প্রশ্ন দলিল লেখকদের হরিলুট কারবার , সীমাহীন প্রতারনা আর স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে যথাযথ কতৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন কি ? 

  • কাহারোলে ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    কাহারোলে ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। গত ১৮ মে রাতে কাহারোল থানার এস,আই প্রদীপ কুমার, এস,আই মোবারক আলী, এস,আই হারুন, এ,এস,আই কাদের, এএস,আই জালাল এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স সহ ২নং রসুলপুর ইউনিয়নের কুশোট ও ভেলোয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ১১ লিটার দেশীয় চোলাই মদ সহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হল, রতন কুমার রায় (৪২), পিতা- বানু রাম রায়, সাংÑ কুশোট ও মহেশ চন্দ্র রায় (৫০), পিতা- খগেশ্বর রায়, সাং- ভেলোয়া, উভয়ের উপজেলা- কাহারোল, জেলা- দিনাজপুর। তাদের বিরুদ্ধে ১৯৯০ সালের ২২ (গ) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে পৃথক ২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং- ১০/১৮ ও ১১/১৮ তারিখ- ১৮-০৫-২০১৮ইং।

  • ময়লা ও অসাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনের অপরাধে ফরিদপুর শহরে আটক ৩

    ফরিদপুর শহরের বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে অভিযান চালিয়ে ময়লা ও অসাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনের অপরাধে র‌্যাবের হাতে আটক-৩। র‌্যাব-৮, সিপিসি-২ ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল সহকারী পরিচালক মোঃ হাছান আলী এর নেতৃত্বে আসন্ন পবিত্র রমজান উপলক্ষে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১৭ মে বৃহস্পতিবার বিকেলে টেপাখোলা এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন মিষ্টি তৈরীর কারখানা তল্লাশীকালে রনি সুইট নামক মিষ্টি তৈরীর কারখানা, জলিল মিষ্টান্ন ভান্ডার ও জগদীশ মিষ্টান্ন ভান্ডার সমূহে অসাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি ও বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনের অপরাধে মোঃ শফিকুল ইসলাম@রনি(২৫), পিতা-মোঃ জাবেদ প্রামনিক, টেপাখোলা, শেখ জলিল(৪৫), পিতাঃ মৃতঃ শেখ চান্দা,দক্ষিণ টেপাখোলা, জগদীশ দাশ(৬০), পিতাঃ মৃত নারায়নর চন্দ্র দাশ, টেপাখোলা, কাতয়ালী,ফরিদপুর-দেরকে আটক করে। ফরিদপুর সদর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার(ভূমি) মোঃ পারভেজ মল্লিকের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ভাক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৫১ ধারা মোতাবেক মোঃ শফিকুল ইসলাম@রনিকে ১০ হাজার,শেখ জলিলকে ৫ হাজার ও জগদীশ দাশকে ৫ হাজার টাকা অর্থ দন্ড প্রদান করেন।

  • খনির কর্মকর্তা কর্মচারী বিদেশী ও পরিবারসহ ৩ শতাধিক ৭ দিন ধরে অবরুদ্ধ

    শ্রমিক ও গ্রামবাসীদের অবরোধে ৩শতাধিক খনির কর্মকর্তা কর্মচারী বিদেশীসহ ৭ দিন ধরে অবরুদ্ধ ॥ দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়ায় শ্রমিক ও গ্রামবাসীদের অবরোধে খনির কর্মকর্তা কর্মচারী বিদেশীসহ ৩শতাধিক ৭ দিন ধরে অবরুদ্ধ। গত ১৭ মে সকাল সাড়ে ১১ টায় মনমালা হল রুমে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির স্থানীয় শ্রমিক ও বহিরাগত লোকজন কর্তৃক খনির কর্মকর্তাদেরকে মারপিটের ঘটনায় কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ সংবাদ সম্মেলনে তাদের মারপিটে অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীরা আহত হওয়ার ঘটনা তুলে ধরেন। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির স্থানীয় শ্রমিক ও বহিরাগত লোকজন কর্তৃক খনির কর্মকর্তাদের মারপিটের ঘটনায় কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আলহাজ্ব হাবিব উদ্দিন আহাম্মদ আন্দোলনকারীদের অমানবিক আচরণ ও মারপিটের ঘটনায় গত ১৭ মে সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, গত ১২ মে থেকে ১৫ তারিখ পর্যন্ত তাদের অযৌক্তিক আন্দোলনের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, চাইনীজ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় শ্রমিক বৈদেশিক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান, এক্সএমসি-সিএমসি কনসোর্টিয়াম কর্তৃক নিয়োজিত এবং তাদের বেতনভুক্ত শ্রমিক তারা, বিসিএমসিএল এর কোনো পর্যায়ের শ্রমিক কর্মচারী নয় বলে জানান। তাদের কিছু অযৌক্তিক দাবী দাওয়া যেমন, চাকরী স্থায়ীকরণ, রেশন সুবিধা প্রদান, বৈশাখি ভাতা প্রদান সহ নানা বিষয়ে গত ১৩মে থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করে ধর্মঘট করেন। এতে খনির অপুরন্ত ক্ষতি সাধন হচ্ছে। তিনি বলেন,গত ১৫মে সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে বিসিএমসিএল এর কর্মরত কয়েকজন কর্মকর্তা মেইন গেইট দিয়ে অফিসে আসার সময় আন্দোলনরত শ্রমিকেরা জীবননাশের জন্য মারধর করতে উক্ত গেইট থেকে বেশ কয়েজন কর্মচারীকে বাহিরে নিয়ে যায়। খনির কতিপয় কর্মকর্তা অফিসে যাওয়ার সময় তাদের আর্ত-চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করতে গেলে ঐ এলাকার স্থানীয় মো. মিজানুর রহমান মিজান গংরা বাড়ী থেকে লাঠিসোটা, ইটের টুকরা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার সহযোগী অন্যন্যরাসহ বহিরাগত লোকজনকে নিয়ে খনির কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং কর্মকর্তা কর্মচারী গণকে উপর্যুপরি ও এলোপাথাড়ি মারপিট করতে থাকে। পুলিশ ও আনসারদের সহযোগীতায় আহত কর্মকর্তা কর্মচারীদেরকে উদ্ধার করে খনির ভিতরে আনা হয় এবং চিকিৎসার জন্য আমরা ফুলবাড়ী ও দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেই। তাদের হামলায় কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক (প্লানিং এন্ড এক্সপ্লোরেশন) ও প্রকল্প পরিচালক এ. বি. এম কামরুজ্জামানসহ ২০ জন কর্মকর্তা আহত হয়। তাদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা খুবই গুরুতর। বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহাম্মেদ বলেন, খনিতে কর্মকর্তা কর্মচারী ও তাদের পরিবার পরিজনসহ বিদেশী প্রায় ৩০০ জন নাগরিক অবস্থান করছে। তারা ১৩ মে থেকে খনির ভিতরে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। কর্মকর্তা কর্মচারীদের কোন ছেলে মেয়ে স্কুল কলেজে অবরোধের কারনে যেতে পারছেনা। খনি কর্মকর্তা কর্মচারীদের অবরুদ্ধকারীরা খনি এলাকার ভিতরে কোন প্রকার খাদ্য, ঔষধসহ কোন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ঢুকতে দিচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেন। যারা আন্দোলন করছে তারা খনিটিকে ধ্বংস করার জন্য পায়তারা করছে। আমি আন্দোলনকারীদেরকে আহবান জানাচ্ছি তারা আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়ে কাজে যোগদান করুক। দুষ্ট প্রকৃতির কিছু লোকজন বাধা প্রদান করছে। সংবাদ সম্মেলনে খনিতে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারী ও তাদের পরিবার পরিজনসহ বিদেশী নাগরীকদের অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তির দাবি করে প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহাম্মেদ, কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক (প্লানিং এন্ড এক্সপ্লোরেশন) ও প্রকল্প পরিচালক এ. বি. এম কামরুজ্জামান, আবুল কাসেম প্রধানিয়া মহাব্যবস্থাপক প্রশাসন, এটিএম নুরজ্জামান চৌধুরী মহাব্যবস্থাপক মাইন অপারেশন, খান মোহাম্মদ জাফর সাদিক উপমহাব্যবস্থাপক, মো: ছাইফুল ইসলাম সরকার মহাব্যবস্থাপক ( সারফেস) অপারেশন, মো: জোবায়েদ আলী উপমহাব্যবস্থাপক, গোপাল চন্দ্র সাহা উপমহাব্যবস্থাপক, আনিসুরজ্জামান উপমহাব্যবস্থাপক মার্কেটিং, মো: আনিসুর রহমান ব্যবস্থাপক, মো: নজমুল হক উপমহাব্যবস্থাপক, মাসুদুর রহমান ব্যবস্থাপক প্রাশাসন। এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ভাবে বিচারের দাবী জানান। খনির আন্দোলনরত নেতৃবৃন্দরা বলেন, আমাদের ১৩ দফা দাবী মেনে নিলেই অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে।

  • উন্নয়নের দিক এগিয়ে আসছে আটঘরিয়া উপজেলা, পাবনা

    উন্নয়ন এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে পাবনা জেলার আটঘরিয়া উপজেলা, এমনটাই বক্তব্যে জানান  উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ আকরাম আলী। সে আটঘরিয়া  উপজেলায় আসার পর এলাকায় রত্নাই নদীর তিরে একটি ব্রিজ স্থাপন করেন, ব্রিজ  টির আয়তন ৯৬.২০মি. আটঘরিয়া উপজেলায় ৫ টি ভূমি অফিস রয়েছে বলে জানান তিনি।তার ভিতর ১টি  ভূমি অফিস গনপূর্ত থেকে  বাস্তবায়ন করা হয়েছে আর বাকী ৪ টি এল জি ই ডি এর মাধ্যমে বাস্তবায়ন  করা হয়। এই বছরে আটঘরিয়া  উপজেলায় ৯ টি প্রাইমেরী স্কুল  এর কাজ শুরু করা হয়েছে। প্রতিটি ভবন ২ তলা করে প্রতিষ্ঠ   করা হবে বলে জানা যায়। আটঘরিয়া এলাকায়  সিভিল ডিফেন্স ও সবজির জন্য কোল্ডস্টোরেজ প্রয়োজন বলে জানান উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ আকরাম আলি।

  • পিছিয়ে পরা আটঘরিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান

    আটঘরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ জহুরুল ইসলাম খান নির্বাচিত হওয়ার পর পাবনা জেলার অন্য সকল উপজেলা থেকে পিছিয়ে পরা আটঘরিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার  জন্য কাজ শুরু করেন । তিনি বলেন যে একই স্হানে অবস্থিত উপজেলা পরিষদ এর।ভূমি অফিস,  উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়,  সহ বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠান গুুলু নিয়ে চারপাশে এক কোটি টাকা ব্যায়ে দেয়াল নির্মাণ করেন। যা উপজেলার  নিজস্ব রাজস্ব আয় হতে নির্মিত হয়। এরপর তিনি তার উপজেলার রাস্তাঘাট নির্মান এর কাজ শুুরু করেন। তিনি মনে করেন যে যোগাযোগ ব্যাবস্তা উন্নত হলে সার্বিক উন্নয়ন করা সম্ভব। তিনি তার ইউ পি চেয়ারম্যানগন ও সরকারী সতেরটি ডিপার্টমেন্ট এর কর্মকর্তাদের  সমন্বয়ে বৈঠক করে চেয়ারম্যানগনকে এ ডিপি কাজ বুযিয়ে দেন। তিনি বলেন যে পরিমাণে বাজেট দেয়া হয় তা খুবই অপ্রতুল দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিনত করতে হলে জাতির জনক বঙ্গবন্দুর কন্যা জননেএি শেখ হাসিনার হাতকে সকলে মিলে আরও সক্তিশালি করতে হবে।

  • কাহারোলে উপ-নির্বাচনে আ’লীগ প্রার্থীর বিজয়

    ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার রসুলপুর ইউপির চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন। নির্বাচনে বেসরকারী প্রাপ্ত ফলাফলে আ’লীগ প্রার্থী সঞ্জয় কুমার মিত্র চেয়ারম্যান নির্বাচিত। গতকাল ১৫মে ১৮ মঙ্গলবার রসুলপুর ইউপির চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীন ভাবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও উপজেলা রিটার্নিং অফিসার মোঃ আব্দুল আজিজ মন্ডল বেসরকারী ফলাফলে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী (নৌকা) মার্কা ৬৫৪৫ ভোট পাওয়ায় তাকে চেয়াম্যান পদে নির্বাচিত ঘোষণা করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী ছিলেন উপজেলা শাখা বিএনপির সাধারন সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বাদশা (ধানের শীষ) মার্কা ৪৮২০ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ সিরাজূল ইসলাম (আনারস) মার্কা ২৭২১ ভোট ও মোঃ রিপন ইসলাম (চশমা) মার্কা ২৪ ভোট পেয়েছেন। উপ-নির্বাচনে আ’লীগের মনোনীত প্রার্থী সঞ্জয় কুমার মিত্র চেয়াম্যান পদে নির্বাচিত হওয়ায় দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল, উপজেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দ ও কাহারোল প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক বৃন্দ পৃথকভাবে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top