Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /home/dpcnews/public_html/dbconnection.php on line 9
রাজনীতি
  • সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে ওয়ার্কার্স পার্টির মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রংপুরে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে এক মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর সভাপতি কমরেড আবুল হোসাইন। বক্তব্য রাখেন পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য কামরূল আহসান, ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক কিশোর রায়, মহানগর নেতা জাহাঙ্গীর আলম ফজলু, কৃষক নেতা মোস্তফা আলমগীর রতন, খেতমজুর নেতা জাকির হোসেন রাজু, নারী নেত্রী শিউলী শিকদার, শ্রমিকনেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন, গৃহ শ্রমিকনেতা মুর্শিদা আখতার, যুবনেতা সাদাকাত হোসেন বাবুল, ছাত্রনেতা এমরান প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ বলেন, রংপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ী ঘরে পরিকল্পিতভাবে আগ্নিসংযোগ ও ভাঙ্গচুর ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, “ফেসবুকে” কথিত পোস্ট দেয়ার নাম করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর এই আক্রমণ সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি তৈরির চক্রান্ত। ইতোপূর্বেও কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ মন্দির ধ্বংস, নাসির নগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ী ঘরে তান্ডব চালানোসহ বিভিন্ন জায়গায় সাম্প্রদায়িক হামলা চালানোর জন্য পরিকল্পিতবাবে “ফেসবুক গল্প” সৃষ্টি করা হয়েছে। হামলার সাথে যুক্ত হোতাদের চিহ্নিত করে তাদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার শাস্তি প্রদানের আহ্বান জানানো হয়। রংপুরের সলেয়াস বাজারের ব্রাহ্মণ পাড়া হিন্দুদের বাড়ী-ঘরে আক্রমণ ও জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনাটিও একই ষড়যন্ত্রের কেন্দ্র থেকে উৎসারিত। এই ঘটনায় জামাত-শিবিরের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি সামনে এসেছে। দেশে একটি সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি তৈরি করে রাজনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে যারা তৎপর তারাই এই ঘটনার সাথে জড়িত। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘর-বাড়ীতে সন্ত্রাসী হামলা ও অগ্নিসংযোগকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের আহ্বান জানান। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জানমালের নিরাপত্তা প্রদান ও এলাকায় সৃষ্ট ভয়ার্ত অবস্থা দূর করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনে সহায়তাদানে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

  • বিএনপি ই প্রথম প্রতিহিংসার রাজনীতি চালু করে : হানিফ

    বিএনপিই এ দেশে প্রথম প্রতিহিংসার রাজনীতি চালু করেছিল। ২০০১ সালে তারা ক্ষমতায় আসর পর জার করে সরকারী কর্মকর্তাদের অবসরে এবং চাকরী থেকে বরখাস্ত করেছিল। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদাক মাহবুব উল আলম হানিফ আজ কুষ্টিয়া সরকারী কলেজে নব-নির্মিত শেখ হাসিনা হলের উদ্ধোধনকালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।   রবিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আওয়ামীলীগকে প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা সংক্রান্ত বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ দেশের জনগণ জানে ২০০১ সালে তারা ক্ষমতায় আসার পর কিভাবে জোর করে সরকারি কর্মকর্তাদের অবসরে দিয়েছিল, আওয়ামীমনা সরকারি কর্মকর্তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছিল। তিনিই প্রথম এ দেশে প্রতিহিংসার রাজনীতি চালু করেছিলেন আর এখন আওয়ামী লীগকে বলছেন প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে। ’ এদিনের সমাবেশে বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্য সত্যের অপলাপ এবং মিথ্যাচার করে জাতিকে বিভ্রান্ত করেছে উল্লেখ করে হানিফ বলেন, এই সরকারের অধীনেই এবং সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইভিএম পদ্ধতি বাতিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ১ কোটি ৩০ লাখ ভুয়া ভোটার বানিয়েছিলেন, সেই জন্য তারা ইভিএম পদ্ধতি চায় না। নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার বিধান অতীতে কখনও ছিল না। তাদেরকে নিয়োগ করা না করা এটা কমিশনের বিষয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।   উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ কাজি মনজুর কাদির, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি কলেজের ২০১৭ সালের শিক্ষাবর্ষে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

  • খালেদা জিয়ার বক্তব্ যঅন্ধ আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ : কাদের

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অন্ধ আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জুলুম করছে বলে বিএনপি চেয়ারপার্সন যে মন্তব্য করেছেন তা সঠিক নয়, দেশের মানুষও তা মনে করে না। বরং জুলুম করেছে বিএনপি। এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের উল্লেখ করেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে সাবেক অর্থমন্ত্রী এ এস এম কিবরিয়া, আহসান উল্লাহ মাস্টার, মমতাজ উদ্দিন, মঞ্জুরুল ইমামের মতো অনেক নেতাকেই হত্যা করা হয়েছে, এ কথাও দেশের মানুষ জানে। ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে, কোন দলীয় সরকারের অধীনে হয় না। তিনি বলেন, পৃথিবীর সংসদীয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতির দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও ক্ষমতাসীন সরকার নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সব ধরনের সহায়তা করবে। সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশে প্রদত্ত বক্তৃতার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সেনা মোতায়েন চায় না- এ কথা সত্য নয় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন কমিশন চাইলে প্রয়োজনে সেনা মোতায়েন করতে পারে, এতে আওয়ামী লীগের আপত্তির প্রশ্নই ওঠে না। ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনাকে বিএনপি নেত্রীর ক্ষমা করে দেয়া প্রসঙ্গে বলেন, মামলার সাজা থেকে বাঁচার জন্যই তিনি (খালেদা) এ নাটক করেছেন। কারণ, এ মামলা বর্তমান সরকার করেনি, করেছে তার নিয়োগকৃত ফখরুউদ্দীন-মইনউদ্দীনের নেতৃত্বাধীন সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।   তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষ বরং মনে করে, বেগম জিয়ার ক্ষমা চাওয়া উচিত। কারণ, দেশে নিষ্ঠুর রাজনীতির জন্মদাত্রী হচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা হয়েছিল তার আমলেই। দেশের মানুষ এ কথা জানে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতা-কর্মীর রক্তের দাগ বেগম জিয়ার হাতে, দেশের মানুষ একথা ভুলে যায়নি, জুলুম করেছেন তিনি। কিন্তু আজো ক্ষমা চাননি। হাওয়া ভবনে লুঠপাট, জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা এসবই হয়েছে তার (বেগম জিয়া) আমলে। ২০১৩, ’১৪, ’১৫ সালে দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের তাণ্ডব, আগুনে মানুষ পোড়ানো, পেট্রোল বোমা হামলায় মানুষ খুন- এসব এখনো জনগণ ভোলেনি। আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, কেন্দ্রীয় নেতা ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এবং এনামুল হক শামীম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top