• গণতন্ত্রের মুক্তিতেই নারীমুক্তি: মির্জা ফখরুল

    গণতন্ত্রের মুক্তির উপর নারীমুক্তি ও নারী অধিকারসহ সবকিছুই নির্ভর বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় র‌্যালির উদ্ভোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‌্যালির আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী মহিলাদল। মির্জা ফখরুল বলেন, আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বিশ্বের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। মানব সভ্যতার ইতিহাসে নারীদের অবদান পুরুষদের সমান। আমাদের একটি জিনিস মনে রাখতে হবে, গণতন্ত্রের মুক্তির উপর নারীমুক্তি, নারীদের স্বাধীনতা, অধিকার এই সবকিছুই নির্ভর করবে। তাই যদি দেশে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা থাকে, যদি আমরা আমাদের অধিকারগুলো প্রয়োগ করা নিশ্চিত করতে পারি তাহলেই কেবল নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবো। তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি- বাংলাদেশে নারীমুক্তি আন্দোলন সূচনা করেছিলেন একজন পুরুষ, তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন নারীদের পিছনে ফেলে রাখলে রাষ্ট্র নির্মাণ সম্ভব হবে না। সেজন্য তিনি মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয় তৈরি করেছিলেন এবং নারীদের সর্বক্ষেত্রে অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। যার ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারীদের সেই উদ্যোগকে আরও বেগবান করেছেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে দেশে যে সংকট তা হচ্ছে গণতন্ত্রের সংকট, অধিকারের সংকট। তাই আসুন আন্তর্জাতিক নারী দিবসে শপথ গ্রহণ করি- আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্রকে পুন:রুদ্ধার করবো, আমাদের অধিকার রক্ষা করবো এবং নারীদের প্রতি যাতে করে কোনো প্রকার অত্যাচার নির্যাতন না হয় সে ব্যাপারে সোচ্চার হবো। এবং সামনের দিনে রাষ্ট্র নির্মাণে এগিয়ে যাবো। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, নারীর অগ্রগতির পক্ষে বিএনপির যে অবদান তা শেখ হাসিনার তুললা করলে এক ইঞ্চিও হবে না। শেখ হাসিনার অধীনে এত বেশী নারী নির্যাতন যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। সরকার নিজেদেরকে প্রগতিশীল ভাবেন অথচ শেখ হাসিনার অধীনে এত বেশী নারী শিশু নির্যাতন হয়েছে যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তিনি বলেন, আজ গুরুত্বপূর্ণ দিন। আগে এই দিবসটিতে আন্তর্জাতিক শ্রমিক নারী দিবস পালন হতো এখন পূর্ণাঙ্গ নারী দিবসই পালন করা হচ্ছে। নারীরা হিমালয় জয় করছে। তারা আর পিছিয়ে নেই। তারপরও তাদেরকে বিভিন্নভাবে পিছিয়ে রাখা হয়। তারা সহিংসতার স্বীকার হচ্ছে। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নূরে আরা সাফা, নির্বাহী কমিটির সদস্য খালেদা ইয়াসমিন, নিপুন রায় চৌধুরী, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সহ-সভাপতি জেবা খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খানসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

  • হুম্মাম ফেরার পর বাকিদের ও ছেড়ে দেয়ার দাবি

    একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী সাত মাস অজ্ঞাতস্থানে কাটানোর পর বাড়ি ফিরেছেন৷ দু’টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আরো দু’জনকে ছেড়ে দিতে বলেছে৷  বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বাড়ি ফেরেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী, যাকে গত ৪ আগস্ট পুরান ঢাকার আদালত পাড়া থেকে সাদা পোশাক পরা একটি দল তুলে নিয়ে গেছে বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়৷ পরিবারের দাবি ছিল, হুম্মামকে ডিবি পরিচয়ে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে করা এক মামলায় হাজিরা দিতে সেদিন আদালতে গিয়েছিলেন হুম্মাম৷ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবশ্য তাঁকে আটক বা গ্রেপ্তারের কোনো খবর নিশ্চিত করেনি৷ তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই নিয়ে শোরগোল সৃষ্টি হয়েছিল৷ একাধিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হুম্মামসহ নিখোঁজ হয়ে যাওয়া আরো কয়েকজনকে  ছেড়ে দেয়ার দাবি জানায়৷

  • লিডারশিপ ওয়ার্কসপ প্রজেক্ট এর শুভ উদ্বোধন

    লিডারশিপ ওয়ার্কসপ প্রজেক্ট এর শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. রুহুল কবির রিজভী, সভাপতিত্ব করেন ইশতিয়াক আজিজ উলফাত।

  • ৩দিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পন্ন

    পঞ্চগড়ের আটোয়ারী আদর্শ মহিলা ডিগ্রী কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ,পুরস্কার বিতরণ ও বনভোজন অনুষ্ঠান শান্তি-শৃংখলার সহিত উদযাপিত হয়েছে। জানাগেছে, তিনদিন ব্যাপি অনুষ্ঠানের প্রথম দিন ২৭ ফেব্র“য়ারী  দিনভর বিভিন্ন ক্রীড়ানুষ্ঠান কলেজ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন ২৮ ফেব্র“য়ারি কলেজের নিজস্ব শিল্পীদের নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ০১ লা মার্চ বুধবার ব্যাপক আয়োজনে আনন্দ উল্লাসের মাধ্যমে বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের অধ্যক্ষ এম.এ. মান্নানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আটোয়ারী উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক মোঃ তৌহিদুল ইসলাম ,বিশেষ অতিথি হিসেবে পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ মজিবর রহমান, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান গোলাপ, উপজেলা ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান,উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ ইউসুফ আলী প্রমুখ উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন। বক্তরা কলেজের শিক্ষার মান সহ তিনদিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান শান্তি-শৃংখলার সহিত সম্পন্ন করায় ব্যবস্থাপনা কমিটি সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রশংসা করে বক্তব্য দেন। আলোচনা শেষে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ১লা মার্চ বুধবার কলেজ ক্যাম্পাসে বনভোজনের মধ্যদিয়ে তিন দিনের কর্মসুচির সমাপ্তি ঘোষনা করেন কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল মান্নান।

  • একজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মদদে পরিবহণ ধর্মঘট : ফখরুল

    বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ পিলখানায় শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে বিএনপি আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন সরকারের একজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর ইন্ধনে সারাদেশে পরিবহণ ধর্মঘট চলছে। তিনি দাবি করেছেন ফখরুল বলেন, ‘পরিবহণ ধর্মঘটের সঙ্গে পেছনে যিনি মদদ যোগাচ্ছেন তিনি সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী। আজকে এইভাবে একটি অরাজক পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে। সম্পূর্ণ ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থে দেশব্যাপী পরিবহণ ধর্মঘটের মাধ্যমে গোটা দেশকে ধ্বংস করেছে। সরকার এই সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হয়েছে। দেশে কোনো সরকার বলে আছে কিছু মনে হয় না এমন দাবি করে তিনি বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের নিহতদের স্মরণ করে মির্জা ফখরুল বলেন,বাংলাদেেেশর জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভেঙে দেয়ার জন্য সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে পিলখানা হত্যাকা- সংগঠিত হয়েছে। স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের উপর বারবার আঘাত এসেছে।দুর্ভাগ্য আমাদের গর্বিত সেনাবাহিনী তা প্রতিহত করেছে।  কিন্তু প্রথম তাদের উপর আঘাত এসেছে সেদিন তাদের পক্ষে কোনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি। আমরা মনে করি এরজন্য দায়ি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে পিলখানা হত্যাকা-ের প্রকৃত অপরাধী যারা তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা হবে। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও অযোক্তিক। উদ্দেশে একটিই শুধু এলএনজির আমদানী করে তাদের লোকেরা বিক্রি করবে।ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, আজকে বিচার বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মিডিয়া সব নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। উদ্দেশ্য একটাই একদলীয় শাসন কায়েম করবে।  বিচারের নামে সরকার মিথ্যা মামলা দিয়ে গোটা দেশকে কারাগারে পরিণত করেছে। বেগম খালেদা জিয়া প্রতি সপ্তাহে কখনো একবার , কখনো দুইবার আদালতে যেতে হচ্ছে।  তারা খালেদা জিয়াসহ বিএনপিকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চায়। তিনি বলেন, দেশের মানুষ গণতন্ত্রের জন্য সারাজীবন সংগ্রাম করেছে। মানুষ আগামীতেও গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করবে। ফখরুল বলেন, নির্বাচন সম্পর্কে বিএনপির বক্তব্য স্পষ্ট। আমরা নির্বাচন চাই। কারণ বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল। কিন্তু সেটা অবশ্যই নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। সাবেক সেনাপ্রধান ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল(অব:) মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্যে দেন দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) রুহুল আলম চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল আলম চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর (অব:) মিজানুর রহমান মিজান প্রমুখ। আলোচনাসভা সঞ্চালনা করেছেন বিএনপির সহ প্রচার সম্পাদক আলিমুল ইসলাম খান আলিম।

  • হেফাজতের দাবি মেনে পাঠ্যপুস্তক পরিবর্তন করার ফলে তারা ভাস্কর্য সরানোর দাবি তুলেছে - মেনন

    বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও বেসরকারি বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, হেফাজতের দাবি মেনে পাঠ্যপুস্তক পরিবর্তন করার ফলে তারা  আজ ভাস্কর্য সরানোর দাবি তুলেছে। তাদের এই দাবির কাছে আত্মসমপর্ণের অর্থ হবে মুক্তিযুদ্ধের সকল ভাস্কর্যের অবমাননা। আর এর ফলে দেশে আবার মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক শক্তির হবে জয়জয়কার। সেই সাথে শেখ হাসিনার অগ্রযাত্রা হবে চরমভাবে বাধাগ্রস্ত।আজ শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর সপ্তম জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।যুব সমাজের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, মৌলবাদ সা¤্রাজ্যবাদীদের সাথে যারা আপোস করে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ যুব আন্দোলন গড়ে তোলা যুব মৈত্রীর রাজনৈতিক দায়িত্ব। সামপ্রদায়িকতা ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে যুবদের লড়াই চলমান রাখতে হবে।বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, যারা জাতীয় শিক্ষানীতিকে মেনে নেয় না, তাদের সাথে আপোস করে পাঠ্যসূচি পরিবর্তন করার ফল ভালো হবে না। তিনি আরো বলেন, জঙ্গিবাদি অপশক্তি প্রগতিশীল লেখক প্রকাশককে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তাই শিক্ষামন্ত্রী চাপাতির ভয়ে মৌলবাদীদের সাথে আপোস করতে চাইলেও অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক ধারায় বিশ্বাসী যুব সমাজ কখনই তা মেনে নেবে না। ওয়াকার্স পার্টির পলিটবুরে‌্যা সদস্য নূর আহম্মদ বকুল বলেন, যুবদের সংগ্রামের মধ্যেই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। যুবমৈত্রীকে সাহসকিতার মধ্য দিয়ে সকল প্রকার অনিয়ম ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে।সংগঠনের সভাপতি মোস্তফা আলমগীর রতনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাব্বাহ আলী খান কলিন্সের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, যুবজোটের যুগ্ন সম্পাদক সাঈদুর রহমান, সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক যুব ফেডারশনের সাধারণ সম্পাদক অভয় মুখার্জী, ভারতীয় বিপ্লবী যুবসংঘের সহ-সভাপতি নভকিরাম, তুরস্কের পিপিভিওয়াই এর সহসভাপতি এলিফ-ইলহামগ্লু, জামার্নির ওয়াইএলআর (এমএল) এর স্টেফান, ইযুথ ফেডারেশন অফ নেপালের উপদেষ্টা টপ বাহাদুর বিসি সহ প্রমুখ।

  • খালেদার শাস্তি হলে নির্বাচন করতে পারবেন না, এটা ঠিক নয়

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেছেন, তাঁদের দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা হলেও তিনি নির্বাচন করতে পারবেন। দেশে আর কোনো দিন এক দলীয় নির্বাচন হবে না। বিএনপির আন্দোলন ও নির্বাচনের প্রস্তুতি একসঙ্গে চলবে। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।   প্রসঙ্গত দুটি ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিচার চলছে।  বিচার আত্মপক্ষ সমর্থন পর্যায়ে আছে।   এমন প্রেক্ষাপটে প্রবীণ আইনজীবী মওদুদ আহমদ বলেন, খালেদা জিয়ার শাস্তি হলে নির্বাচন করতে পারবেন না, এটা ঠিক নয়। মিথ্যা মামলায় সাজা হলে খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা আরও বাড়বে।   মওদুদ বলেন, ‘ধরে নিলাম মিথ্যা মামলায় একটি রায়ে তাঁর (খালেদা জিয়া) সাজা হয়ে গেল। ভালো কথা, আমরা আপিল ফাইল করব। আপিলটা হলো কনটিনিউশন অব দা প্রসিডিংস। অর্থাৎ যে বিচার হয়েছে, এটা হলো সে বিচারের ধারাবাহিকতা। তখন আমরা তাঁর জন্য ইনশাআল্লাহ জামিন নেব। বেগম খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত হলেও নির্বাচনে সরাসরি অংশ গ্রহণ করতে পারবেন। ’  তিনি বলেন, সাজা হলেও খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি দল ও জোটের নেতৃত্বও দিতে পারবেন।   বিএনপির এই নেতা বলেন, নির্বাচন কমিশন বা নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারও বড় কথা নয়। গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। সবার জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। তা শুধু নির্বাচনের এক মাসে আগে নয়, এখন থেকেই সবার জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সব নেতা-কর্মীর নামে থাকা মামলা প্রত্যাহার করে নিতে হবে। তাহলে বোঝা যাবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের সম্ভাবনা আছে।   মওদুদ বলেন, বিএনপি শন্তিপূর্ণভাবে আলাপ আলোচনা, সমঝোতার মাধ্যমে রাজনৈতিক সংকট নিরসন করতে চায়। তা সম্ভব না হলে আন্দোলন ছাড়া কোনো বিকল্প থাকবে না। আগামী নির্বাচন এক দলীয় কোনো নির্বাচন বাংলাদেশের মাটিতে আর হবে না। সে ধরনের পরিকল্পনা কারও থাকলে তারা বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন আছেন। গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য বিএনপির আন্দোলনও চলবে, নির্বাচনের প্রস্তুতিও চলবে।   মওদদু আহমদ অভিযোগ করেন, বিডিআর বিদ্রোহ দমনে সরকার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়নি। কারা এই সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার পেছনে ছিল, কী উদ্দেশ্য ছিল এসব জনগণকে জানাতে হবে। কেউ এর দায় এড়াতে পারে না।

  • বামপন্থী মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান চাই ......... কমরেড মেনন

    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বামপন্থীদের অবদানের স্বীকৃতি প্রদান এবং জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির দ্বারা সংগঠিত মুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্দা তালিকায় অন্তর্ভূক্তিকরণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের পূর্ণতা আনা প্রয়োজন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন।আজ বিকাল ৩টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট সেমিনার রুমে “স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলা কর্মসূচি থেকে বাংলাদেশ জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে আলোচনা করেন সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য কমরেড হায়দার আকবর খান রনো, জাতীয় পার্টির একাংশের মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, বিশিষ্ট সমাজ কর্মী শামসুল হুদা। সঞ্চালনা করেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা এমপি। আলোচনা সভায় কমরেড মেনন বলেন, মুক্তিযুদ্ধে বামপন্থীরা কেবল অংশগ্রহনই করে নাই, সকল প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবলে করে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিস্তীর্ণ অঞ্চল হানাদার বাহিনী মুক্ত রেখেছিল। তিনি বলেন তালিকাভুক্ত হওয়া কিংবা মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পাওয়ার জন্য নয়, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বামপন্থী মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান চাই। ইতিহাস তুলে ধরে মেনন আরো বলেন ফ্রিডম ফাইটারস্, জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম সম্বয় কমিটি, মুজিব বাহিনী, ছাত্র ইউনিয়ন, ন্যাপ এং সিরাজ সিকদারের শ্রমিক আন্দোলন এই চারটি ধারার মুক্তিযুদ্ধে সক্রীয় অংশগ্রহণ ছিল। তাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এসব ধারায় কোন একটিকে বাদ দিয়ে ইতিহাস লিখলে তার পূর্ণতা পাবে না। আগামীদিনে মুক্তিযুদ্ধে বামপন্থীদের ভূমিকা নিয়ে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা এবং নতুন প্রজন্মকে জানানোর জন্য সকলকে উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

  • গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম একই হাতের এপিঠ-ওপিঠ: তথ্যমন্ত্রী ইনু

    গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম একই হাতের এপিঠ-ওপিঠ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। আজকে গণমাধ্যম এবং শেখ হাসিনার সরকার হাত ধরাধরি করে দেশের শত্রু জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও যুদ্ধাপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে।শনিবার ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, লড়াইয়ে আমরা অনেক দূর জিতেছি, ওরা কোণঠাসা হয়ে গেছে। তবে লড়াই এখনো চলছে। তিনি গণমাধ্যমকে বিশ্বস্ত, বস্তুনিষ্ঠ ও পবিত্র থাকার পাশাপাশি মিথ্যাচার, গুজব ও খন্ডিত তথ্য পরিবেশন থেকে বিরত থেকে গণতন্ত্রকে জঙ্গি সন্ত্রাসের উৎপাত থেকে রক্ষা করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অসাম্প্রদায়িক জঙ্গিবিরোধী, সাম্প্রদায়িকতা-বিরোধী এবং জাতীয় চার মূল নীতির ভিত্তিতে দেশকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হচ্ছি।সকালে প্রেসক্লাব চত্বরে দুই মন্ত্রী বেলুন ও পতাকা উড়িয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় সাংবাদিক, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ অংশ নেন। পরে স্থানীয় শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উৎস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মিজানুল হক চৌধুরী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার মো. শাহ আলম, পুলিশ সুপার মো. জোবায়েদুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ স¤পাদক খান সাইফুল্লাহ পনির, পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সুলতান হোসেন খান, প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী খলিলুর রহমান, সাধারণ স¤পাদক মো. আক্কাস সিকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উৎসব উপলক্ষে সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী সৈয়দ আবদুল হাদির একক সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

  • জেলা জাতীয় পার্টির মত বিনিময় সভা

    দিনাজপুর জেলা জাতীয় পার্টির এক মতবিনিময় সভা কালিতলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত। গতকাল ১৬ই ফেব্র“য়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় জেলা জাতীয় পার্টির কালিতলা কার্যালয়ে দিনাজপুুর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও ভাইস চেয়ার‌্যান আলহাজ্ব দেলোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচান সভায় আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর জেলার অধীনে ৬টি সংসদীয় আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা দলীয় চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি পল্লী বন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এর কাছে নাম পাঠানোর প্রস্তাব গৃহীত হয়। প্রত্যেকটি আসনে ২ থেকে ৩ জনরে নাম প্রস্তাব করা হয়। এ সময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আহমেদ শফি রুবেল, সাবেক হাকিমপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি মোঃ আজিজার রহমান। সাবেক ছাত্র নেতা জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং পার্বতীপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব মোঃ সোলায়মান সামি, অ্যাডঃ সুধির চন্দ্র শীল, ডা. আনোয়ার হোসেন মোছাঃ রোকেয়া বেগম লাইজু, কাজী আব্দুল গফুর, অ্যাডঃ আমিনুল হক পুতুল, কাজী ফিরোজ (ছোটকা), নিজামুদ্দৌলা মতি, এ কে এম নওশাদ ফরহাদ, আফজাল হোসেন দুলাল, আরফিুজ্জামান রানা, হাবিবুর রহমান ঢালি ও অ্যাডঃ নুরুল ইসলাম প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় দিনাজপুর সদর-২ আসনে আহম্মেদ শফি রুবেলের নাম প্রস্তাব করা হয় এবং দিনাজপুর-৫ আসনে সাবেক ছাত্রনেতা জেলা জাতীয় পার্টির সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব মোঃ সোলায়মান সামি, কাজি আব্দুল গফুর ও অ্যাডঃ নুরুল ইসলামের নাম প্রস্তাব করা হয়, দিনাজপুর-৬ আসনে জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব দেলোয়ার হোসেনের নাম প্রস্তাব করা হয়। পরিশেষে আর কোন বক্তব্য না থাকায় মতবিনিময় সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

  • খালেদা জিয়ার হাজিরা

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সোমবার সকাল সোয়া দশটার দিকে গুলশানের বাসা থেকে রওনা হয়ে বেলা সোয়া এগারটার দিকে আদালতে পৌঁছান খালেদা জিয়া।গেল বৃহস্পতিবার এই মামলায় দুই আসামি আত্মপক্ষ শুনানি করেন। তারা হলেন প্রাক্তন এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ। ওই দিন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন ধার্য থাকলেও তারা আদালতে হাজির হননি। তাদের পক্ষে সময়ের আবেদন করেন আব্দুর রেজ্জাক খান এবং সানাউল্লাহ মিয়া। বিচারক খালেদা জিয়ার সময়ের আবেদন মঞ্জুর করেন। তারেক রহমানের আবেদনটি নামঞ্জুর করে তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর বিএনপির নেতাদের মধ্যে কাজী আবুল বাশার, ইউনুস মৃধা, রবিউল আউয়াল সোহেল মিয়া, আতিকুল ইসলাম মতিন, জয়নাল আবেদিন রতন চেয়ারম্যান, আ ন ম সাইফুল ইসলাম, এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন, মীর হোসেন মিরু, লতিফুল্লাহ জাফরু, জুম্মন মিয়া চেয়ারম্যান, হাজী মনির হোসেন, মাসুদ খান, আকবর হোসেন নান্টু, এম এ হান্নান, রফিকুল ইসলাম স্বপন, আলী আকবর আলী, আব্দুস সালাম সরকার, এস আই টুটুল, মাহফুজ হোসাইন খান সুমন, আনোয়ার পারভেজ বাদল, হাজী হুমায়ুন কবির, সাঈদ হোসেন সোহেল, বেলাল হোসেন, আলী আহমেদ রাজু, শেখ হাবিবুর রহমান, সোহরাব হোসেন, রাসেল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, ওসমান গণি শাহজাহান, এম জামান, এডভোকেট মনা, তাজ উদ্দিন তাইজু, শামসুল আলম চিনু প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাইফুল আলম নিরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মোরতাজুল করিম বাদরু, নূরল ইসলাম নয়ন, মামুন হাসান, এস এম জাহাঙ্গীর, রফিকুল আলম মজনু। ছাত্রদলের রাজীব আহসান, আকরামুল হাসান। স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিউল বারী বাবু, আব্দুল কাদের ভূইঁয়া জুয়েল, ইয়াসিন আলী, সারোয়ার হোসেন, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, সাজ্জাদ জামান, রফিক হাওলাদার, আনিসুর রহমান আনিস, নজরুল ইসলাম, এসএম সায়েম, মোঃ মুসা ফরাজী। মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ, হেলেন জেরিন খান, রাজিয়া আলিম, শামসুন্নাহার ভূঁইয়া।

  • রামগঞ্জে শ্রমিকলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা শ্রমিকলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন গতকাল রোববার বিকেলে সাড়ে ৪টায় শহরস্থ জিয়া অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি মোঃ শওকত আলী পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশিদ খানের সঞ্চলনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব তোফায়েল আহ্মেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহাবুদ্দিন মিয়া, লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মোঃ গোলাম ফারুক পিংকু, সাধারণ সম্পাদক এড. নূর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন, রামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ শাহ্জাহান, সাধারণ সম্পাদক আকম রুহুল আমিন, পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি ও মেয়র মোঃ আবুল খায়ের পাটওয়ারী, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বেলাল আহম্মেদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দেওয়ান বাচ্চু, জেলা মহিলালীগের সাধারণ সম্পাদক সুরাইয়া আক্তার শিউলী, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক এমরান হোসেন এমু, যুগ্ন আহবায়ক সৈকত মাহমুদ শামছু, মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া সুমন, পৌর যুবলীগের আহবায়ক মামুনুর রশিদ আখন, যুগ্ন আহবায়ক সাখাওয়াত হোসেন রাজু ও রামগঞ্জ রিপোটার্স ক্লাবের সাংবাদিক বৃন্দ প্রমুখ।

  • দেশের রাজনীতি নির্বাচনমুখী হয়ে উঠেছে

    নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির ধারাবাহিক সংলাপ, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক অঙ্গনে পুরনো প্রশ্নই নতুন করে দেখা দিয়েছে। দেশের রাজনীতি কি নির্বাচনমুখী হয়ে উঠেছে? প্রশ্নটি উঠেছে মূলত গত ২২ ও ২৩ অক্টোবর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের পর থেকেই। জাতীয় সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের নির্বাচনমুখী হওয়ার নির্দেশ দেন। প্রশ্নটি নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে নেদারল্যান্ডস সফরের পূর্বে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নিজ রাজনৈতিক কার্যালয়ে যাওয়া ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলার মধ্য দিয়ে। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আগামী নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের ইশতেহার তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। দলের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে এজন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। গত তিন বছরে আওয়ামী লীগের অনেক অর্জন আছে। সেগুলো জনসাধারণের কাছে তুলে ধরতে হবে। পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোরও আহ্বান জানান তিনি। ঠিক এর পরদিনই দলের দ্বিতীয় নীতিনির্ধারণী ব্যক্তি(সাধারণ সম্পাদক)ওবায়দুল কাদের ঘোষণা করেন আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের ইশতেহার তৈরি হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগ শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা জানান, আগাম নির্বাচন হবে কিনা জানি না, তবে প্রস্তুতি শুরু করেছি। ইশতেহারের কাজ শুরু হয়েছে, নেতাকর্মীদের সে অনুযায়ী নির্দেশনা পাঠানো হচ্ছে। এত আগে ইশতেহার ও কর্মীদের নির্দেশনা কেন-এমন প্রশ্নে আওয়ামী লীগের ওই নীতিনির্ধারকরা বলেন, একটি নির্বাচন পার করেই আরেকটির প্রস্তুতি নেয়া হয়। এটা তারই অংশ। তবে এ নিয়ে কেউ আগাম নির্বাচনের ‘খোয়াব’ দেখলে কিছু করার নেই। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, শেখ হাসিনা উন্নয়নের যে রূপকল্প দিয়েছেন তারই ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে এ সাংগঠনিক চর্চা। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আবারও ক্ষমতায় এসে সে ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে। অর্থাৎ আমরা একটি স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার চিন্তা করছি। তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক চর্চার লক্ষে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা ভেবে দলটি সর্বদাই নানা পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়। এবারও তাই হচ্ছে। বিগত দিনে যা হয়েছে এবারও তা করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। গতবার আর এবারের বাস্তবতাও নিশ্চয়ই এক নয়। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে নির্বাচনী প্রচারণা করা যায় না। তাই একটি স্বচ্ছ নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য দলকে নির্বাচনমুখী করছি। রাজনৈতিক বিশ্লেষক সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক অধ্যাপক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আওয়ামী লীগ নেতারা মনে করেন তাদের দল সবচেয়ে জনপ্রিয়। এটা জেনেও কেন দলটি এত আগে নির্বাচনীমুখী হচ্ছে তা বোধগম্য নয়। তবে জনগণের সামনে উন্নয়নের যে বড় দৃশ্য দেখানো হবে তা হচ্ছে পদ্মা সেতু।এটা যেহেতু অতি দ্রুত হচ্ছে না সুতরাং খুব কাছাকাছি সময়ে নির্বাচনের কথা নয়। তবে এ সরকার মেয়াদ শেষ করতে পারবে কি না তাও স্পষ্ট নয়। স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, সরকার তো নিজেদের মহাপরাক্রমশালী দাবি করে। জনপ্রিয়তাও অনেক বলে মনে করে। তাহলে এত আগে কেনো নির্বাচনী প্রস্তুতি, এ নিয়ে প্রশ্ন তো থাকেই। তবে আগে ইসি হোক পরে কথা হবে।

  • তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি সরকারের ইচ্ছারই প্রতিফলন: রিজভী

    গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি সরকারের ইচ্ছারই প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় সরকার জিয়া পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একের পর এক মামলা দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করাচ্ছে। বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১/১১ সরকারের নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে আদালতের অনুমতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্যে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। কিন্তু ভোটারবিহীন আওয়ামী লীগ সরকার সম্পূর্ণ আক্রোশমূলকভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দিয়ে জিয়া পরিবার তথা বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নানাভাবে হয়রানি করে চলেছে। তিনি বলেন, এখন দেশে কোন গণতন্ত্র নেই, মানুষের বাকস্বাধীনতা বলতে কিছু নেই, চারদিকে চলছে ভয়াবহ দূঃশাসন আর নিপিড়ন। নির্মম নির্যাতন, নিপীড়ন ও রক্তাক্ত জনপদের নগরীতে পরিনত হয়েছে আমাদের প্রিয় স্বদেশ। অবৈধ সরকার তাদের ক্ষমতাকে দীর্ঘদিন কুক্ষিগত করে রাখতে মামলা, হামলা ও নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে। নাৎসী সরকার বিরোধীদলকে মিথ্যা মামলা দিয়ে রাজনৈতিকভাবে নাজেহাল করার জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় যন্ত্রকে ব্যবহার করছে। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচারের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে বিএনপি তথা জিয়া পরিবারকে হেয় করা। বিএনপির এই নেতা বলেন,  আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে শুরু করে বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ তথা সকল বিভাগই এখন সরকারের ইচ্ছায় পরিচালিত হচ্ছে। বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের ও গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি সরকারের ইচ্ছারই প্রতিফলন। আমি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র পক্ষ থেকে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অভিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। রিজভী বলেন, রামপালে কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের দাবিতে তৈল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির হরতাল চলাকালে প্রতিবাদী জনতার শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ হামলা, টিয়ারসেল নিক্ষেপ ও গুলিবর্ষন চালিয়েছে এবং খবর সংগ্রহকালে দুইজন সাংবাদিক পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আমি বিএনপি’র পক্ষথেকে পুলিশি পৈশাচিক নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

  • আওয়ামী লীগ সুস্থাবস্থায় ক্ষমতায় থাকতে পারে না

    যথাযোগ্য মর্যাদায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, শীতবস্ত্র বিতরণ, আলোচনা সভার আয়োজন করে দলটির নেতাকর্মীরা। বাদ আছর রাজধানীর বনানী কবরস্থানে ছেলের কবর জিয়ারত করতে যান বেগম খালেদা জিয়া। এ সময় কবরের সামনে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। কোকোর কবরের পাশে প্রায় ৪৫ মিনিট অবস্থান করে ফাতেহা পাঠ ও তসবিহ পড়েন। এরপর মোনাজাতে শরিক হন বেগম খালেদা জিয়া। এ সময় মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর শ্বশুর-শাশুড়ি, বেগম খালেদা জিয়ার বড় বোন, ভাইয়ের ছেলে, ভাগ্নে, মহিলা দলের নেতাকর্মীরা মোনাজাতে অংশ নেন। মোনাজাত পরিচালনা করেন ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ আব্দুল আবদুল মালেক। এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, মীর মোহাম্মাদ নাসীর, মো. শাহজাহান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, গাজী মাজহারুল আনোযার, আতাউর রহমান ঢালী, আবুল খায়ের ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বিলকিস জাহান শিরিন, ইমরান সালেহ প্রিন্স, শ্যামা ওবায়েদ, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মীর ফাওয়াজ হোসেন শুভ, নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সিমকী ইমাম খান, ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহ উদ্দিন আহমেদ টুকু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, যুবদল উত্তরের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গির হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, ঢাকা মহানগর বিএনপি নেতাদের মধ্যে, কাজী আবুল বাশার, ইউনুছ মৃধা, রবিউল আউয়াল সোহেল মিয়া, ইকবাল হোসেন চৌধুরী, আহসান উল্লাহ হাসান, জয়নাল আবেদীন রতন চেয়ারম্যান, শাহ আলম মোল্লা, শেখ হাবিবুর রহমান হাবিব, একে এম মোয়াজ্জেম হোসেন, মনির হোসেন চেয়ারম্যান, রফিকুল ইসলাম স্বপন, আকবর হোসেন নান্টু, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কোকো মারা যান। এরপর ২৮ জানুয়ারি তার মরদেহ দেশে এনে বনানীতে দাফন করা হয়।

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top