• বিএনপিকে আবারো সন্ত্রাসী সংগঠন বললো কানাডার ফেডারেল কোর্ট

    কানাডার ফেডারেল কোর্ট আবারো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) -কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করেছে। ফেডারেল কোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ চেয়ে করা আবেদনও নাকচ করে দিয়েছেন আদালতের বিচারক।এর ফলে বিএনপির ব্যাপারে কানাডার ফেডারেল কোর্টের দু’জন বিচারকের মন্তব্যের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগও বন্ধ হয়ে গেছে।গত ১২ মে ফেডারেল কোর্টের বিচারকের দেয়া এই রায় মঙ্গলবার লিখিতভাবে প্রকাশ হয়েছে বলে কানাডাভিত্তিক অনলাইন পোর্টাল নতুনদেশ ডটকম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।আদালতের নথি থেকে জানা যায়, জাতীয়তাবাদী যুবদল থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারির দায়িত্ব পাওয়া একজন নেতার রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন সংক্রান্ত জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদন নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারক জে ফদারগিল এই মন্তব্য করেন।এর আগে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবি দলের একজন কর্মীর রাজনৈতিক আশ্রয় সংক্রান্ত জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদনে ফেডারেল কোর্টের বিচারক জাস্টিস ব্রাউন বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। এবার একই কোর্টের আরেক বিচারক একই ধরনের মন্তব্য করলেন।বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত লিখিত রায়ে তার নাম প্রকাশ না করে ‘এস এ’ আদ্যক্ষরে বর্ণনা করতে নির্দেশ দেন।‘কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন’- এই তথ্য প্রকাশ পেলে বাংলাদেশে তার জীবন নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়বে বলে উল্লেখ করে তিনি আদালতের কাছে তার নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানালে আদালত তা গ্রহণ করেন।আদালতের নথি থেকে জানা যায়, ‘এস এ’ আদ্যক্ষরের ব্যক্তি ২০০৪ সালে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র যুব শাখা জাতীয়তাবাদী যুবদলে যোগ দেয়। ২০১২ সালে তিনি বিএনপির নির্বাহী কমিটির যু¤œ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালে তিনি কানাডায় এসে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন।২০১৬ সালের আগস্ট মাসে ইমিগ্রেশন ডিভিশন তার আবেদনের শুনানী করে ওই দিনই সিদ্ধান্ত জানায়। ‘এস এ’ নিজেকে বিএনপি নেতা হিসেবে দাবি করেছেন উল্লেখ করে ইমিগ্রেশন ডিভিশন তাকে কানাডায় প্রবেশের অযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করে। ইমিগ্রেশন ডিভিশনের সিদ্ধান্তে বলা হয়, বিএনপি সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত আছে, সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত ছিলো, সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত হতে পারে- এটা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে। কাজেই বিএনপির সদস্য হিসেবে ‘এস এ’ ইমিগ্রেশন ও রিফিউজি প্রোটেকশন অ্যাক্ট-এর ৩৪ (১) (এফ) ধারা মোতাবেক কানাডায় প্রবেশের অযোগ্য।ইমিগ্রেশন ডিভিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফেডারেল কোর্টে জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদন করেন ‘এস এ’। ফেডারেল কোর্টের বিচারক জে, ফদারগিল আবেদনটি খারিজ করে দিয়ে রিভিউ আবেদনের নিষ্পত্তি করেন। একই সঙ্গে ফেডারেল কোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগের আবেদনটিও তিনি নাকচ করে দেন।রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারক বলেন, ইমিগ্রেশন ডিভিশনের পর্যালোচনায় আমি কোনো ভুল খুঁজে পাইনি। কানাডার আইনে সন্ত্রাসের বিস্তৃত যে সংজ্ঞা দেয়া আছে তার বিবেচনায়, বিএনপির হরতাল ডাকার উদ্দেশ্য এবং ইচ্ছা, হরতালে যে সন্ত্রাস এবং স্বাভাবিক জীবনের বিঘ্ন ঘটেছে এবং এই কাজের (হরতালের) ফলে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে বিএনপির সচেতনতা বিবেচনায় নিয়ে ইমিগ্রেশন ডিভিশন যুক্তিসঙ্গতভাবেই উপসংহারে পৌঁছেছেন যে বিএনপি হচ্ছে একটি সংগঠন, যেটি সন্ত্রাসে লিপ্ত ছিলো, আছে বা সন্ত্রাসে লিপ্ত হবে।বাসস/টিএ/আসচৌ/১৬৪০/আহো/-আসচৌবাসস দেশ-১৪কানাডা-বিএনপি-সন্ত্রাসীবিএনপিকে আবারো সন্ত্রাসী সংগঠন বললো কানাডার ফেডারেল কোর্টঢাকা, ২৪ মে ২০১৭ (বাসস) : কানাডার ফেডারেল কোর্ট আবারো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) -কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করেছে। ফেডারেল কোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ চেয়ে করা আবেদনও নাকচ করে দিয়েছেন আদালতের বিচারক।এর ফলে বিএনপির ব্যাপারে কানাডার ফেডারেল কোর্টের দু’জন বিচারকের মন্তব্যের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগও বন্ধ হয়ে গেছে।গত ১২ মে ফেডারেল কোর্টের বিচারকের দেয়া এই রায় মঙ্গলবার লিখিতভাবে প্রকাশ হয়েছে বলে কানাডাভিত্তিক অনলাইন পোর্টাল নতুনদেশ ডটকম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।আদালতের নথি থেকে জানা যায়, জাতীয়তাবাদী যুবদল থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারির দায়িত্ব পাওয়া একজন নেতার রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন সংক্রান্ত জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদন নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারক জে ফদারগিল এই মন্তব্য করেন।এর আগে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবি দলের একজন কর্মীর রাজনৈতিক আশ্রয় সংক্রান্ত জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদনে ফেডারেল কোর্টের বিচারক জাস্টিস ব্রাউন বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। এবার একই কোর্টের আরেক বিচারক একই ধরনের মন্তব্য করলেন।বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত লিখিত রায়ে তার নাম প্রকাশ না করে ‘এস এ’ আদ্যক্ষরে বর্ণনা করতে নির্দেশ দেন।‘কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন’- এই তথ্য প্রকাশ পেলে বাংলাদেশে তার জীবন নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়বে বলে উল্লেখ করে তিনি আদালতের কাছে তার নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানালে আদালত তা গ্রহণ করেন।আদালতের নথি থেকে জানা যায়, ‘এস এ’ আদ্যক্ষরের ব্যক্তি ২০০৪ সালে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র যুব শাখা জাতীয়তাবাদী যুবদলে যোগ দেয়। ২০১২ সালে তিনি বিএনপির নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালে তিনি কানাডায় এসে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন।২০১৬ সালের আগস্ট মাসে ইমিগ্রেশন ডিভিশন তার আবেদনের শুনানী করে ওই দিনই সিদ্ধান্ত জানায়। ‘এস এ’ নিজেকে বিএনপি নেতা হিসেবে দাবি করেছেন উল্লেখ করে ইমিগ্রেশন ডিভিশন তাকে কানাডায় প্রবেশের অযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করে। ইমিগ্রেশন ডিভিশনের সিদ্ধান্তে বলা হয়, বিএনপি সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত আছে, সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত ছিলো, সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত হতে পারে- এটা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে। কাজেই বিএনপির সদস্য হিসেবে ‘এস এ’ ইমিগ্রেশন ও রিফিউজি প্রোটেকশন অ্যাক্ট-এর ৩৪ (১) (এফ) ধারা মোতাবেক কানাডায় প্রবেশের অযোগ্য।ইমিগ্রেশন ডিভিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফেডারেল কোর্টে জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদন করেন ‘এস এ’। ফেডারেল কোর্টের বিচারক জে, ফদারগিল আবেদনটি খারিজ করে দিয়ে রিভিউ আবেদনের নিষ্পত্তি করেন। একই সঙ্গে ফেডারেল কোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগের আবেদনটিও তিনি নাকচ করে দেন।রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারক বলেন, ইমিগ্রেশন ডিভিশনের পর্যালোচনায় আমি কোনো ভুল খুঁজে পাইনি। কানাডার আইনে সন্ত্রাসের বিস্তৃত যে সংজ্ঞা দেয়া আছে তার বিবেচনায়, বিএনপির হরতাল ডাকার উদ্দেশ্য এবং ইচ্ছা, হরতালে যে সন্ত্রাস এবং স্বাভাবিক জীবনের বিঘ্ন ঘটেছে এবং এই কাজের (হরতালের) ফলে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে বিএনপির সচেতনতা বিবেচনায় নিয়ে ইমিগ্রেশন ডিভিশন যুক্তিসঙ্গতভাবেই উপসংহারে পৌঁছেছেন যে বিএনপি হচ্ছে একটি সংগঠন, যেটি সন্ত্রাসে লিপ্ত ছিলো, আছে বা সন্ত্রাসে লিপ্ত হবে।

  • বিএনপি মহিলাদল কেন্দ্রীয় কমিটির বিক্ষোভ মিছিল

    গুলশান বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে অবৈধভাবে পুলিশি তল্লাশীর প্রতিবাবে আফরোজা আব্বাস এবং সুলতানা আহম্মেদের নেতৃত্বে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বেলা ১১.৩০ মিনিটে নয়াপল্টন মোড়, নাইটিংগেল এর মোড় পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃবৃন্দ ছিলেন, সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলাতানা আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি নূরজাহান ইয়াসমিন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, দক্ষিণের সভাপতি রাজীয়া আমীন, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আমিনা খাতুন, দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শামসুন্নাহার, দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা চৌধুরী বেবী, উত্তরের কাউন্সিলর রাবেয়া এবং বিভিন্ন থানার নেতৃবৃন্দ।

  • খালেদা জিয়ার বাসভবনে পুলিশের তল্লাশীর প্রতিবাদে ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে পুলিশি তল্লাশীর প্রতিবাদে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী থানা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের উদ্দ্যোগে বিএনপির সভপতি অধ্যক্ষ খুরশিদ আলম মতি ও সাধারন সম্পাদক মোস্তাক আহম্মেদ চৌধুরী খোকন এর নের্তৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল হয়। গত ২১শে মে রবিবার সন্ধা ৬টায় ফুলবাড়ী বিএনপি’র দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে ফুলবাড়ী পৌর শহর প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক পথ সভায় বক্তব্য রাখেন, ফুলবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভপতি অধ্যক্ষ খুরশিদ আলম মতি ও সাধারন সম্পাদক মোস্তাক আহম্মেদ চৌধুরী খোকন, সাংগঠননিক সম্পাদক আবুল বাসার, পৌর বিএনপি’র সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাজুল ইসলাম, যুবদলের সভাপতি তোফায়েল আহম্মেদ, সাধারন সম্পাদক আবু সাইদ, যুগ্ম-সম্পাদক শিবলী সাদিক, পৌর যুবদলের সভাপতি সাইদুর রহমান, সা: সম্পাদক গোলাফ্ফর হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছা সেবক দলের আহবায়ক নবাব আলী সরকার, পৌর স্বেচ্ছা সেবক দলের আহবায়ক আতিয়ার রহমান মিন্টু, থানা ছাত্র দলের সভাপতি মাহাবুব আলম মিলন, মোঃ মানিক মন্ডল, ফারুক হোসেন, ছামছুল ইসলাম ও মারুফ হোসেন প্রমূখ।

  • গণতন্ত্রের মুখোশে দেশে ‘এক ব্যক্তি’র শাসন চলছে: মির্জা ফখরুল

    গণতন্ত্রের মুখোশে দেশে এক ব্যক্তি’র শাসন চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের ওপর আক্রমন নয়, এটা গণতন্ত্রের ওপর আক্রমন, বাংলাদেশের মানুষের ওপর আক্রমন। গতকাল সোমবার বিকালে হোটেল পূর্বানীর বলরুমে মহানগর দক্ষিনের নবগঠিত কমিটির উদ্যোগে গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সাথে এই মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এই অভিযোগ করেন।মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে একটা খারাপ সময় চলছে। আমি বলি যে, সবচেয়ে খারাপ সময় বাংলাদেশের এই সময়টা। কারণ এখানে একটা গণতন্ত্রের মুখোশ পড়ে আছে। যারা দেশ শাসন করছে একটা মুখোশ পড়ে তারা প্রকৃতপক্ষে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করেছে। শুধু একদলীয় বললে বোধহয় ভুল বলা হবে, এক ব্যক্তির শাসন ব্যবস্থা চালু করেছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে সদ্য মরহুম জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান ও বিএনপির সাবেক মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের সহধর্মিনী মরহুম সাহেরা হোসেনসহ বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনে নিহত নেতা-কর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।গত ১৯ এপ্রিল মহানগর দক্ষিনে হাবিব উন নবী খান সোহেলকে সভাপতি ও কাজী আবুল বাশারকে সাধারণ সম্পাদক এবং উত্তরে আব্দুল কাইয়ুমকে সভাপতি ও আহসানউল্লাহ হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে আংশিক কমিটি অনুমোদন দেয় বিএনপি।মানুষ জিম্মি হয়ে আছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এখানে মানবাধিকার বলতে কিছু নেই, কাউকে জিজ্ঞাসা করা যায় না। জবাবদিহিতা বলতে কিছু নেই। একটা পার্লামেন্ট আছে নামে মাত্র, যে পার্লামেন্টে বিরোধী দল আছে যাকে সবাই বলে গৃহপালিত বিরোধী দল, যেখানে জনগণের সমস্যা নিয়ে কোনো আলোচনা হয় না। আজকে গোটা দেশের মানুষ জিম্মি হয়ে গেছে। এই অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।আরব ইসলামিক আমেরিকান সামিট প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আপনারা নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন, সৌদি আরবে একটা খুব বড় সম্মেলন হচ্ছে। খুব মজার ব্যাপার- এই সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো। যাদের প্রধান হয়ে ওখানে উপস্থিত হয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। পৃথিবীর সব মানুষই জানেন তিনি কী করছেন, কী কথা বলছেন। আজকে দুর্ভাগ্য আমাদের, সেইখানে আজকে এই ট্রাম্প আজকে প্রায় সভাপতিত্ব করছেন বলা যায় এবং সেখানে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত হয়েছেন। সেখানে পরিকল্পনা করছেন কীভাবে তারা ইসলামিক এক্সট্রিমিজমকে প্রতিরোধ করবেন।সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চুক্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে আমেরিকার একটা চুক্তি হয়ে গেছে সাড়ে ৭‘শ বিলিয়নের অস্ত্র সোদি আরব কিনবে আমেরিকার কাছ থেকে। এক আধ বিলিয়ন নয়, দিস ইজ দ্যা লার্জেস্ট ডিল, আজ পর্যন্ত যতগুলো ডিল হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বড় ডিল হচ্ছে এটা। এই যে একটা পরিস্থিতি সমগ্র বিশ্বজুড়ে, এই যে একটা মানুষের অধিকার হরণ করবার যে একটা পরিবেশ তৈরি হয়েছে, স্বাধীনভাবে কথা বলবার, সব কিছুর ক্ষমতা কেড়ে নেয়া হচ্ছে, সেসময়ে গণমাধ্যমে মুক্ত চিন্তায় দায়িত্ব পালন অত্যন্ত দুরহ বলে আমরা মনে করি।২০ মে গুলশানের কার্যালয়ে পুলিশি তল্লাশির ঘটনা সম্পর্কে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে যে আক্রমন হলো তল্লাশির নামে, এটাকে মিডিয়া যেভাবে তুলে ধরেছে, সেজন্য আমি মিডিয়াকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মিডিয়ার মধ্য দিয়ে গোটা জাতি জানতে পেরেছে, এই সরকার বিরোধী দলের সাথে কীরকম আচরণ করছে। ভারতসহ বিদেশী গণমাধ্যমেও সেই খবরটি এসেছে। আমরা বলতে চাই, এই আক্রমন দেশনেত্রীর কার্যালয়ের ওপর আক্রমন নয়, এটা গণতন্ত্রের ওপর আক্রমন, বাংলাদেশের মানুষের ওপর আক্রমন। আমরা সেজন্য বলেছি, এটা অশনি সংকেত। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য যে লড়াই আমরা শুরু করেছি, যে সংগ্রাম আমরা শুরু করেছি, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে বদলে দেয়ার জন্য যে নতুন ধারার সূচনা করেছি, তাকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য, তাকে সমূলে নির্মূল করে দেয়ার জন্য সরকার এই কাজটি করেছে। গুলশানের ঘটনার প্রতিবাদে সারাদেশে দলের ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচির পর পুলিশ কয়েক‘শ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তারে নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশও করেন তিনি। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার বিষয়ে দেশের গণমাধ্যমের ভুমিকার প্রশংসা করেন বিএনপি মহাসচিব।  নতুন ও প্রবীনদের সমন্বয়ের ঢাকার মহানগরের নতুন কমিটি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে কার্য্কর ভুমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে মির্জা ফখরুল। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন,  মহানগর দক্ষিনের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, প্রতিদিন নতুন নতুন ষড়যন্ত্র হচ্ছে, এগুলো কোনোটি দেশের মাটিতে এবং কোনোটি বিদেশে মাটিতে হচ্ছে। এসব মোকাবিলা করতে আমাদের প্রতিটি ওয়ার্ড ও মহল্লায় দলকে সংগঠিত করতে হবে। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আমাদের রাজপথ ছাড়া কোনো পথ নেই।দক্ষিনের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিবের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, দক্ষিনের সিনিয়র সহসভাপতি শামসুল হুদা প্রমুখ। শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন,  স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম খান নাসিম, ছাত্র দলের সভাপতি রাজিব আহসান, ঢাকা মহানগর বিএনপি দক্ষিনের সহসভাপতি ইউনুস মৃধা,

  • বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর কাউন্সিল নির্বাচিত

    বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর কাউন্সিলে রুবেল সভাপতি, জুয়েল সাধারণ সম্পাদক ও মনিরুজ্জামান সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত। শিক্ষা কাজের সংগ্রাম ও সন্ত্রাস-সাম্প্রদায়িকতা- সম্রজ্যবাদ বিরোধী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর ১৯ তম কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের অসমাপ্ত পর্ব জেলা কাউন্সিলরদের উপস্থিতিতে গতকাল  ১৯ মে ২০১৭, তোপখানা রোডস্থ ফেনী সমিতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সরাসরি ব্যালট পেপারে ভোটদানের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ফারুক আহমেদ রুবেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুল মোতালেব জুয়েল ও সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান বিবর্তন নির্বাচিত হন। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য নুর আহমদ বকুল, কেন্দ্রীয় নেতা আমিরুল হক আমিন, মোস্তফা আলমগীর রতন ও ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক কিশোর রায়। বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর কাউন্সিলে ৬৫ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে নবনির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি সংগঠনের নিজস্ব ওয়েব সাইটে (http://moitribd.org) প্রকাশ করা হবে।

  • ফসলহানি নিয়ে ডাহা মিথ্যা কথা বলছে খাদ্যমন্ত্রী: রিজভী

    দেশের অস্থীতিশীল চালের দাম নিয়ে খাদ্যমন্ত্রী ডাহা মিথ্যাচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। বৃহস্পতিবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। রিজভী বলেন, ফসলহানি নিয়ে খাদ্যমন্ত্রী যে পরিসংখ্যান দিয়েছেন তার বাস্তবতার মোটেও মিল নেই। হাওর এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ফসল বিনষ্ট হয়েছে। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে অন্যের উপর দোষ চাপিয়ে ডাহা মিথ্যা কথা বলে রক্ষা পেতে চাইছেন। কিন্তু এখানে রক্ষা পাওয়ার আর সুযোগ নেই। স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, জিয়াউর রহমান যদি বাঁধা দিত তবে দেশে আসলেন কিভাবে? কারণ ঐ সময় তো জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় ছিলেন। বরং আপনি আসার ১৩ দিনের মাথায় জিয়াউর রহমান হত্যাকান্ডের শিকার হয়। অন্যকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। আপনার চারপাশের যারা আছে তাদের থেকে সতর্ক থাকুন এবং গণতন্ত্রের মুক্তি দিন। ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুকে কারাগারে পাঠানো নিয়ে তিনি বলেন, সরকারের প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির আরেকটি বর্ধিত প্রকাশ এটি। স্বেচ্ছাচার ও দুর্নীতির চাপে গণতন্ত্র ও বহুত্ত্ববাদকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে সরকার জনরোষকে আটকানোর জন্য বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত মামলা দিয়ে কারাগারে আটকিয়ে রাখছে। বরকত উল্লাহ বুলুকে আটক সেই অসুভ পরিকল্পনারই অংশ।

  • বিএনপির ভিশন নিয়ে আ’লীগ হা-হুতাশ করছে : নোমান

    মানুষ বর্তমানে এক কর্তৃত্ববাদী সরকারের অধীনে পড়েছে মন্তব্য করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, বিএনপির দেয়া ভিশন নিয়ে আওয়ামী লীগ হা-হুতাশ করছে। তিনি বলেন, দেশে এখন কোনো কথা বলা যায়না। কথা বলার অধিকার নাই। সরকারের সমালোচনা করলে প্রতিনিয়ত হামলা মামলার শিকার হতে হচ্ছে। এই হলো এখন দেশের অবস্থা।আজ বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবিতে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন নামের একটি সংগঠন।আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, দেশের সোনালি ফসল হচ্ছে আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব। তা রক্ষা করা আমাদের পবিত্র আমানত। কারণ অসংখ্য মা বোনেরা রক্ত দিয়েছেন। বহু মানুষ জীবন দিয়েছেন। তা আমাদেরকে রক্ষা করতে হবে। অথচ বর্তমান সরকার সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দেয়ার চক্রান্ত করছে।দলের সদ্যঘোষিত ‘ভিশন-২০৩০’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি ভিশন দিয়েছে দেশের উন্নয়নের জন্য। একটি সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গঠনের জন্য। আমরা সেখানে বলেছি জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি আনতে রফতানি বাড়াতে হবে। মাথাপিছু আয় বাড়াতে হবে। অবৈধ সকল কালাকানুন বাতিল করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর একক ক্ষমতার ভারসাম্য আনা হবে। আমরা এখন অপূর্ণ জিনিসগুলো পূর্ণ করবো।নোমান বলেন, আজকে আমাদের ভিশন নিয়ে আওয়ামী লীগ হা-হুতাশ করছে। তারা শঙ্কা করছে আমাদের ভিশন নিয়ে জনগণের মনে কোনো প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় কিনা? আসলে জনগণ ভিশনকে একটি সমৃদ্ধির সোপান হিসেবে নিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহায়ক সরকার দিতে হবে। এটা শুধু আমাদের দাবি নয়, আন্দোলনের মাধ্যমে তা আদায় করা হবে। নেতাকর্মীদের আন্দোলন ও নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আসুন সবাই মিলে দেশটাকে গড়ে তুলি।মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, নিপুন রায় চৌধুরী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

  • ভিশন-২০৩০ নিয়ে কুতর্ক করছে আওয়ামী লীগ : ফখরুল

    বিএনপির ভিশন-২০৩০ নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতারা কুতর্ক করছে বলে মন্তব্য করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বিএনপির ভিশন-২০৩০ নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে। আওয়ামী লীগের নেতারা এটাকে নিয়ে কুতর্ক করছেন। আওয়ামী লীগের নেতারা আমাদের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ভিশন নিয়ে বিভিন্ন কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা করছে। বিএনপির ভিশন-২০৩০ এ যা বলা হয়েছে তাই যে হবে এটা কিন্তু দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেননি। আলোচনার মাধ্যমে এই ভিশনের সংযোজন বিয়োজন করা হবে। বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ লেবার পার্টিও প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা আবদুল মতিনের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আধিপত্যবাদ বিরোধী সংগ্রামে মাওলানা মতিনের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। দেশে রাজনীতি নেই উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে এখন আর রাজনীতি নেই। রাজনীতি এখন আওয়ামী লীগ নিজেদের হাতের মুঠোই নিয়েছে। তারা যেভাবে ইচ্ছে ব্যবহার করবে।  দেশের প্রবৃদ্ধি নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আজকে মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। দেশে উন্নয়নের লহড়ী বয়ে যাচ্ছে। কী উন্নয়নের লহড়ী বয়ে যাচ্ছে? আওয়ামী লীগ বলছে, চলতি অর্থ বছরে উন্নয়নের প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৭.২। কিন্তু এখানকার অর্থনীতিবিদরা, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের অর্থনীতিবিদরা সবাই বলছে এটা অসম্ভব। তাহলে এই মানুষের সাথে প্রতারণা করা, মিথ্যে বুঝিয়ে জনগণের সাথে প্রতারণা করছে। এটা আওয়ামী লীগই পারে। জনগণকে বোকা বানিয়ে ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে চায় আওয়ামী লীগ।  সরকারের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আমাদের রাজপথে নেমে আসতে হবে। দেশকে, জাতিকে ভুল পথে প্রতিষ্ঠা করার যে প্রচেষ্ঠা এই প্রচেষ্ঠাকে বন্ধ করতে হবে। জনগণের অধিকার জনগণকে ফিরিয়ে দিতে হবে। খালেদা জিয়া এই বিষয়ে বারবার বলছে, আসুন আমরা আলোচনা করি। আলোচনার মাধ্যমে এটির সমাধান করতে পারি। দেশে এখনো একদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের অবস্থার সৃষ্টি হয়নি। এই কারণেই নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। নির্বাচনকে অবশ্যই সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে।  ভারতের সাথে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা ভারতের কাছে আমাদের অভিন্ন ৫৪ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা চাই। তার মানে এই নয় আমরা ভারত বিরোধী। আমরা ভারত বিরোধী নয়। প্রশ্নয় ওঠেনা ভারত বিরোধীর। ভাতর আমাদের থেকে অনেক বড় দেশ। কিন্তু আমরাও একটি স্বাধীন দেশ, আমাদের ন্যায্য অধিকার গুলো আমরা চাই। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ডা: মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্ত্বে এসময় জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরাদ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান এম এম হামিদুল্লাহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

  • ১৮ মে রাশেদ খান মেনন ৭৪ বছরে পদার্পণ করবেন

    ষাটের দশকের তুখোর ছাত্র নেতা ১৯৬৩-৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এর ভিপি ও ৬৪-৬৭ সালে সাবেক পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি বর্তমান ১৪ দলীয় জোট সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি জনাব রাশেদ খান মেনন এমপি আগামীকাল ১৮ মে ৭৪ বছরে পদার্পন করবেন। জনাব মেনন ৬২ সালে নিরাপত্তা আইনে প্রথম কারাবন্দী হবার পর ৬৯ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ও বিভিন্ন মেয়াদে নিরাপত্তা আইন, দেশরক্ষা আইন ও বিভিন্ন মামলায় কারাবরণ করেন। ৬৭-৬৯ সালে জেলে থাকাকালীন অবস্থায় জনাব মেনন বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্যে আসেন এবং আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় তিনি ক্যান্টনমেন্টে নীত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত জেলের বাইরে তাঁর যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পল্টন ময়দানের জনসভায় ‘স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলা’ কায়েমের দাবি করায় ইয়াহিয়ার সামরিক সরকার তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ও তার অনুপস্থিতিতে সামরিক আদালতে জনাব মেননের ৭ বছর সশ্রম কারাদ- ও সম্পত্তির ষাট ভাগ বাজেয়াপ্তের দ-াদেশ প্রদান করেন। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণকে কার্যকর করতে তিনি সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ার কাজ শুরু করেন। ২৫শে মার্চ পল্টনের শেষ জনসভায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও পাকিস্তানের সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। ২৫শে মার্চের কালো রাত্রে গণহত্যার পর তিনি ঢাকার অদূরে নরসিংদী শিবপুরকে কেন্দ্র করে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনের কাজ শুরু করেন। ১৯৮২ সালে জেনারেল এরশাদ সামরিক শাসন জারি করলে রাশেদ খান মেনন সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনে অন্যতম ভূমিকা পালন করেন। ১৫ ও ৭ দলের যুগপৎ আন্দোলন পরিচালনায় ভূমিকার জন্য সামরিক শাসনামলে বিভিন্ন সময় তাকে আত্মগোপনে যেতে হয়েছে। ৫ দল হিসেবে সসামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনে ঐক্য পুনঃস্থাপনে রাশেদ খান মেনন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং ৫ দল, ৭ দল ও ৮ দলের ঐতিহাসিক ৩ জোটের ঘোষণার ভিত্তিতে ’৯০ এর গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরশাহীর পতন হয়। এতেও জনাব রাশেদ খান মেনন অন্যতম ভূমিকা রাখেন। ১৯৯২ সালের ১৭ আগস্ট নিজ পার্টি কার্যালয়ের সামনে গুলিবিদ্ধ করে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। প্রথমে ঢকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ও পরে লন্ডনে কিংস কলেজে দু’বার অস্ত্রোপচার হলে তিনি মৃত্যূ মুখ থেকে ফিরে আসেন। জনাব রাশেদ খান মেনন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান সংবিধানে অন্তর্ভূক্ত করার জাতীয় সংগ্রামেও বিশেষ ভূমিকা রাখেন। ২০০১ সালে বিএনপি, জামায়তা ৪ দলীয় জোট সরকার সরকার গঠন করে দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক তা-ব শরু করলে জনাব রাশেদ খান মেনন তার বিরুদ্ধে অন্যান্যদের নিয়ে প্রতিরোধ সংগঠিত করেন। বিএনপি জামায়াত জোটের দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িক নীতির বিরুদ্ধে এগারো দল ও পরে আওয়ামী লীগ, জাসদ, ন্যাপ সহ ১৪ দলের আন্দোলন গড়ে তোলেন। ১৪ দলের ৩১ দফা নির্বাচনী সংস্কার ও ২৩ দফার নুন্যতম কর্মসূচি প্রণয়নে তিনি মূখ্য ভূমিকা রাখেন। জনাব রাশেদ খান মেনন ১৯৭৩ সনে ন্যাপ (ভাসানী) এর প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল থেকে দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ও একটি আসনে বিজয়ী হলেও পরে পরাজিত ঘোষিত হন। পরবর্তীতে ’৭৯ সনে বরিশালে বাবুগঞ্জ ও গৌরনদী থেকে এবং ১৯৯১ সনে বাবুগঞ্জ উজিরপুর থেকে তিনি এমপি নির্বাচিত হন।২০০৮ সালে ডিসেম্বরে নির্বাচনে তিনি ১৪ দলের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ঐসময় তিনি সংসদে কার্য উপদেষ্টা কমিটির সদস্য, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। এছাড়া সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটিরও সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১২ সনের ১৩ সেপ্টেম্বর মহাজোট সরকারের পক্ষ থেকে জনাব রাশেদ খান মেননকে মন্ত্রীত্বের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তিনি পার্টি সিদ্ধন্তে তা গ্রহন করেন নি। ২০১৩ সনের ১৮ নভেম্বর জনাব রাশেদ খান মেনন সর্বদলীয় সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী নিযুক্ত হন। ২০১৪ সনের ৫ জানুয়ারি পার্লামেন্ট নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং মহাজোট সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করেন । জনাব রাশেদ খান মেনন বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তিনি ১৯৪৩ সনের ১৮ মে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর গ্রামের বাড়ী বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বাহেরচর ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে। পিতা বিচারপতি আব্দুল জব্বার খান। সু প্রসিদ্ধ পারিবারিক ঐতিহ্যের অধিকারী রাশেদ খান মেনন এর ভাইদের মধ্যে মরহুম সাদেক খান, কিংবদন্তী কবি মরহুম আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ খান, প্রখ্যাত সাংবাদিক মরহুম এনায়েতুল্লাহ খান, বোন বেগম সেলিমা রহমান, মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক শহিদুল্লাহ খান বাদল। তাঁর স্ত্রী লুৎফুন্নেসা খান, মেয়ে ড. সুবর্ণা খান ও ছেলে আইনের ছাত্র আনিক রাশেদ খান।রাশেদ খান মেনন ’৬০ দশকের সামরিক শাসন বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, শিক্ষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ভূমিকা রাখার জন্য ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ২০০৮ সনের ৮ অক্টোবর রাজধানীর মগবাজার চৌরাস্তা থেকে বাংলামটর রোড পর্যন্ত এই সড়কের নাম রেখেছে রাশেদ খান মেনন সড়ক। রাজনৈতিক কর্মকান্ড ছাড়াও গবেষণার কাজ, প্রবন্ধ-নিবন্ধ রচনা, বিশেষ করে জাতীয় দৈনিকসমূহে তার নিয়মিত কলাম লেখায় তিনি নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তার ঐ কলামসমূহ একত্রিত করে এপর্যন্ত ৫টি বই প্রকাশিত হয়েছে। জনাব রাশেদ খান মেনন রাজনৈতিক বিভিন্ন সভা সম্মেলন সেমিনার উপলক্ষে ভারত, নেপাল, গণচীন, কিউবা, উত্তর কোরিয়া, জাপান, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, আলজেরিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি, বেলজিয়াম, হলান্ড, লুক্সেমবার্গ, ফ্রান্স, বুলগেরিয়া ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভ্রমণ করেন। কমরেড মেননের ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি কার্যালয়ের সামনের চত্বরে (৩১/এফ, তোপখানা রোড, ঢাকা) আগামীকাল ১৮ মে বিকেল ৪টায় জন্মদিন উদযাপন কমিটির উদ্যোগে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

  • ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস যথাযথ মর্যাদার সাথে পালন করার আহবান

    ১৫ই মে ২০১৭ইং বিশ দলীয় জোটের অন্যতম শরীক দল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি’র চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা ও প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা এক যৌথ বিবৃতিতে আগামীকাল ১৬ই জুন ২০১৭ইং ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস যথাযথ মর্যাদার সাথে পালন করার আহবান জানিয়ে বলেন- মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী’র নেতৃত্বে ভারতের বিরুদ্ধে পানি হিস্যার দাবীতে প্রথম প্রতিবাদী লং মার্চ শুরু হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে আজ পানির জন্য বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে হাহাকার করতে হত না। সেদিন দেশপ্রেমিক মজলুম জননেতা উপলব্ধি করেছিল- সংগ্রাম ছাড়া ভারত কোনদিনও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে তার ন্যায্য হিস্যা দেবে না। কিন্তু বর্তমান সরকার ভারতে তোষননীতির ফলে শুধু ফারাক্কা নয়, পানির কোন হিস্যা আদায় করতে পারছেন না। দেশে যদি গণতান্ত্রিক সরকার থাকত, তাহলে ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করে তাদের অধিকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে আদায় করত।

  • বিএনপি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে: মির্জা ফখরুল

    চিন্তা ও কাজের ক্ষেত্রে বিএনপি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভিশন ২০৩০ এর বড় প্রমাণ। একই সঙ্গে মাহমুদুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জামায়াতসহ ২০ দলের জোট আন্দোলনকেন্দ্রিক। এর সাথে আগামীতে রাষ্ট্র পরিচালনার কোনো ‘সম্পর্ক’ নেই। গতকাল রবিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে একটি অরাজনৈতিক গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর ন্যাশনাল এন্ড রিজিওনাল রিসার্চ স্টাডিজ-(সিএনআরআরএস’)এর উদ্যোগে বিএনপির ভিশন ২০৩০ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ভিশন- ২০৩০ ঘোষণা শেষ হতে না হতেই আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রতিক্রিয়া দেয়ার সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা বলছেন এটা অন্তসারশুন্য, ফাঁপা বেলুন। কেউ আবার বলছেন, বিএনপি তাদের অনুকরণ করেছে। কিন্তু বিএনপির দর্শন অনুকরণ করে আওয়ামী লীগ তাদের রাজনৈতিক দর্শন, কর্মসূচি পরিবর্তন করেছে। বিএনপি আওয়ামী লীগের ভিশন অনুকরণ করেনি দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘যেভাবেই হোক তারা (আওয়ামী লীগ) রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্বে। তাদের কাছ থেকে আমরা গঠনমূলক ভূমিকা প্রত্যাশা করি। মির্জা ফখরুল বলেন, একটি বিষয় পরিস্কার হওয়া দরকার। জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারটি ২০৩০ সালে বোধহয় আসার প্রয়োজন নাই। এজন্যে যে জামায়াত, সেই সঙ্গে ২০ দল আমাদের সঙ্গে তাদের যে ঐক্য, এই ঐক্যটা সম্পূর্ভাবে আন্দোলন কেন্দ্রিক। ২০ দলের ঘোষণাপত্র দেখেন যখন ২০ দল গঠন করা হলো, তখন পরিস্কার করে বলা হয়েছিলো, এই ২০ দল গঠন করা হচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের তাদের একনায়কোতন্ত্র- স্বৈরাচার-ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তারা জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, তাদেরকে পরাজিত করে জনগণের সরকার গঠন প্রতিষ্ঠা করবার জন্যে একটা আন্দোলন সৃষ্টি করা। সেটা কিন্তু বলৎ আছে। ২০৩০ জামায়াতের সাথে আমাদের সম্পর্ক কী হবে, সে সম্পর্কে বোধহয় এখানে কথা বলার অবকাশ নেই। তিনি বলেন, ২০৩০ সা্লরে যে ভিশন, যে কথা বলা হয়েছে একটি স্বপ্ন। আসলে এই স্বপ্নই আমরা দেখতে চাই, বার বার সেই অন্ধকারে ফিরে যেতে চাই না। আমরা অন্ধকারের গহবরের শেষে একটা আলো‘র রেখা দেখতে চাই। সেই আলো রেখা আমরা মনে করি, দেশনেত্রীর এই ২০৩০ সালের যে ভিশন, সেই ভিশন। উই ওয়ান্ট টু ড্রিম। আমাদের বয়স প্রায় শেষের দিকে। দেশনেত্রী তার জীবনের শেষ সায়াহ্নে গেছেন। এখন তিনি জাতির সামনে কিছু দিতে চান, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে যে কথা বলতে চান, এসো তোমরা স্বপ্ন দেখো, সেই স্বপ্নকে আমরা এইভাবে দেখতে চাই, আসো আমরা একসাথে কাজ করি। ভিশন-২০৩০’ যুবক-যুবতীসহ মানবসম্পদ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, শ্রমিকদের মজুরী, ২০৩০ সালে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ৫০০০ মার্কিন ডলারে নিয়ে যাওয়া, বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ডবল ডিজিটে উন্নীত করা, তথ্য প্রযুক্তি, সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গিবাদ-উগ্রবাদ দমন, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষাখাত, অর্থনৈতিক সংস্কার প্রভৃতি বিষয়ে বিএনপির ভবিষ্যৎ ভাবনাগুলো ব্যাখ্যা করেন বিএনপি মহাসচিব। বিএনপি চিন্তার ক্ষেত্রে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। আমাদের দেশনেত্রী উপস্থাপনের সময়ে প্রথমে বলেছেন, ‘ভিশন ২০৩০’ আপনারা মতামত দেবেন।  আমরা চাই, আলোচনা-সমালোচনার ভিত্তিতে পরবর্তিতে এটাকে আরো সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করবো। গণস্বাস্থ্যের ট্রাষ্টি ডা. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বেগম খালেদা জিয়ার ঘোষিত ভিশন-২০৩০ এর বিভিন্ন প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তার অনেক বক্তব্যে র‌্যাব বিলুপ্তির কথা বলেছেন। কিন্তু যে ভিশন দিয়েছেন সেখানে র‌্যাব বিলুপ্তির কথা বলেননি। এমনকি জনগুরুত্বপূর্ণ রামপাল ইস্যু নিয়ে কোনও কথা বলেননি। এমনকি রামপাল শব্দটিও নেই। তিনি বলেন, ভিশনে একইভাবে ভারতীয় আগ্রাসন, অত্যাচার, নির্যাতন, বিশেষ করে দেশে ‘র’য়ের কর্মকান্ডের বিষয়ে কি ব্যবস্থা নিবেন সে বিষয়েও কিছু বলেননি। বিএনপির ভিশন নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, পরীক্ষার হলে নকল ছাড়া সব নকল করা ভালো। আপনারা বলছেন, বিএনপি অনুকরণ করেছে। খারাপ কিছু অনুকরণ না করা ভালো, ভালোর অনুকরণ করলে দোষের কিছু নেই। বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ভালো ভালো কথা শেষ। এখন কাজ করতে কবে মাঠে নামবেন। না এবারও বলবেন ঈদের পর। আপনারা আর কত অজুহাত দেবেন। প্রশ্ন রেখে নাগরিক ঐ্ক্য আন্দোলনের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আপনাদের ২০ দল, যা আছে থাক। আপনারা বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠা করবেন, মুক্তিযুদ্ধের সমস্ত রকম গৌরব ফিরিয়ে দেবেন, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেবেন। জামায়াতে ইসলামীসহ? ওরা কী যাবে? বলতে পারেন জামায়াতে ইসলামের তো রেজিস্ট্রেশনিই নাই, সমস্যা কী। কিন্তু যদি এরকম হয়, দেড় বছর-দুই বছর পরে নির্বাচন হয়, সেই নির্বাচনে বিএনপি বিপুল ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসে, তখন জামায়াতে ইসলাম আপনাদের সাথেই থাকবে। জামায়াতে ইসলাম একটা মামলা ঠুকে দেবে যাদের যুদ্ধাপরাধীর নামে বিচার করা হয়েছে, তাদের পূনঃবিচার করতে হবে। কী করবেন আপনারা? না এখনই আপনাদের বিব্রত করতে চাইছি না। আমি এটা বুঝতে চাইছি, আপনাদের স্ট্রাচার কী, অর্গানোগ্রাম কী যেটা নিয়ে পুরো বিষয়টা বাস্তবায়ন করতে চান। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্যের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন রেখে মান্না বলেন, যদি ভিশনের কথা বলেন, আমি এই প্রশ্ন করতে পারি যে, ৮ বছর বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর শাসন দেখবার পরে, তার বিগ্রহ দেখবার পরে আপনারা বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা খর্ব করতে হবে। কিন্তু তিন বার প্রধানমন্ত্রী তো আপনিও ছিলেন, এই ক্ষমতা আপনিও এক্সারসাইজ করেছেন, তখন বুঝতে পারেন নাই যে, এটা আপনাকে স্বৈরশাসক বানিয়ে দিতে পারে। তখন তো পরিবর্তন করা হয়নি। দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদের প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভালো কথা বলেছেন সংখ্যানুপাতিক একটা প্রতিনিধিত্ব চান। কিন্তু উচ্চকক্ষ বলবার পরেও কেনো বললেন উচ্চ কক্ষ নিয়ে আরো চিন্তাভাবনা করা হবে। এতোদিন ধরে আলাপ আলোচনা করবার পরেও এটা স্থগিত কেনো? এ্যানি প্রভলেম উইথ দি স্ট্রাকচার? ভিশন যখন বলেন, তখন অন্তত: আপনি আগামী বছর চিন্তা করেই তো দিয়েছেন। আমি প্রস্তাব করবো এটা রাখবার পক্ষে। যখন আপনি ভিশন দেবেন, ভিশিনারী হবেন, সত্য প্রতিষ্ঠা করতে চাইবেন। তখন আপনাকে দৃঢ়চিত্ত হতে হবে, দোদুল্যমান মানুষগুলোকে বুঝিয়ে সাথে আনতে হবে অথবা দোদুল্যমান মানুষগুলোকে বলতে হবে তুমি পথ ছেড়ে দাও, আমি এগিয়ে যাই। নানা সমালোচনার করলেও এরকম একটা পরিকল্পনা দেয়ার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদও জানান মান্না। অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ঘোষিত ভিশন ২০৩০ কাগজে লেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। প্রয়োজনে এ ব্যাপারে আরও অনুশীলন করতে হবে। সম্ভব হলে সারাদেশে বিএনপির কর্মীদের মাধ্যমে জনগণের কাছে এই ভিশন তুলে ধরতে হবে।  আর যদি সেই ইচ্ছা, ধৈর্য্য, মানসিকতা এবং দৃঢ় রাজনৈতিক ইচ্ছা থাকে সেক্ষেত্রে বিএনপির ঘোষিত ভিশন বাস্তবায়ন অসম্ভব নয়। হয়তো এক সময় হয়ে যাবে। তিনি বলেন, আন্তরিকতায় হউক, পরিস্থিতির চাপে হউক বা মুখ রক্ষায় হলেও দেশের প্রধান বড় দুটো রাজনৈতিক দল তাদের ভবিষ্যত ভিশন উপস্থাপন করায় আমি ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ভিশন-২০৩০ এর মাধ্যমে যে স্বপ্ন দেখিয়েছেন তা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপূরক। কারণ বর্তমানে বাংলাদেশে মত প্রকাশের সুযোগ দিনে দিনে সংকুচিত হয়ে আসছে। গণতন্ত্র নাই। দেশে গণতন্ত্র অত্যন্ত প্রয়োজন। দেশের জনগণের মধ্যে গণতন্ত্রের আকাঙক্ষা রয়েছে। সময় এসেছে আমাদের সবাইকে এখন জাতি হিসেবে সুসংগঠতি হবার। আর সেক্ষেত্রে প্রথম প্রয়োজন হবে দেশে একটি অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন। সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার পারভেজ আহমেদের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক রুহুল আমিন গাজী, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী, আমিরুজ্জামান খান শিমুল, বাগেরহাট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির প্রমুখ। ুএছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ এম এ মালেক, সাধারণ সম্পাদক শাহ নেছারুল হক প্রমুখ।

  • প্রধানমন্ত্রী বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করছেন: ফখরুল

    আমি জানি না আমাদের প্রধান বিচারপতি কী কারণে বললেন, দেশে আইনের শাসন নেই, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নেই বলে প্রধানমন্ত্রীর এমন দেওয়া বক্তব্যের জবাবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন- ‘‘উনি (প্রধানমন্ত্রী) তো জানবেন না। কারণ এই আইনের শাসন তিনিই ধ্বংস করেছেন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা তিনিই হরণ করছেন। যে কারণে আজকে বাংলাদেশের কোনো মানুষ শান্তিতে নেই, স্তস্তিতে নেই। জীবনের নিরাপত্তা নেই। আইনের শাসন কোথাও নেই। ফলে আওয়ামী লীগ যা যখন যা বলবে সেটাই আইন, সেটাই বিচার। যা কখনও কল্পনাও করতে পারিনি যে, বাংলাদেশে গণতন্ত্র বলে কিছুই থাকবে না।’’ মঙ্গলবার (৯ মে) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টু’র দ্বিতীয় মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে এ স্মরণসভার আয়োজন করে শহীদ পিন্টু স্মৃতি পরিষদ নামক একটি সংগঠন। নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুকে একজন সম্ভাবনাময় এবং ত্যাগী নেতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু পিন্টু নয় আজকে শত হাজার নেতাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে এই সরকারের হাতে। সরকারের হাত গণতন্ত্রের কর্মীদের রক্তে রঞ্জিত। তারা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে, গণতান্ত্রিকমর্কীদের হত্যা করেছে। এবং  বাংলাদেশের স¦াধীনতা- সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করে ফেলেছে। সবকিছু ধ্বংস করেছে। আর  সেকারণে আজ তাদের নিজেদের মধ্যে রাষ্ট্রের মধ্যে বিভিন্ন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল প্রধানমন্ত্রী বলছেন- প্রধান বিচারপতি সর্ম্পকে যে, আমি জানি না। আমাদের প্রধান বিচারপতি কিভাবে বললেন যে, আইনের শাসন নেই। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নেই। দলের নেতকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমরা এখন বৃদ্ধ হয়ে গেছি। এখন তোমাদেরকেই এই দায়িত্ব পালন করতে হবে। অন্যায়, অবিচার, লুণ্ঠনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে। তাই শুধু ঘরের মধ্যে সেøাগান দিলে হবে না। সংগঠনকে শক্তিশালী করো, জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হউ। এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তোলতে হবে। যে অপশক্তি আমাদের গণতন্ত্রকে হরণ করছে তাকে পরাজিত করতে হবে। অন্যথায় এইভাবে ঘরের মধ্যে সেøাগান দিয়ে লাভ হবে না। রুখে দাড়াতে হবে। দেশে দুঃসময় চলছে দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের দুঃশাসনে গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে গেছে। সুশাসন নেই। তাদের দুঃশাসনে মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। আমাদের কোনো ভবিষ্যত স্বপ্ন্ নেই। তাই আজকে যতই উন্নয়নের ফিরিস্তি দিক তাতে করে কোনো লাভ হবে না। সাধারণ মানুষ অত্যন্ত কষ্টে রয়েছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মামলা-মোকাদ্দমা দিয়ে বিএনপিকে ধাবিয়ে রাখতে চায়। কারণ তারা রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে পারে না। জনগণকে দেওয়ার মতো তাদের আর কিছু নেই। সেজন্য আজকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে সেই বন্দুক অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে ক্ষমতায় ঠিকে থাকতে চায়। এবং একদলীয় শাসন ব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করতে চায়। কিন্তু এ দেশের জনগণ কোনো দিনেই সেটা মেনে নেবে না বলে হুশিয়ারিও দেন মির্জা ফখরুল। হাওরাঞ্চলের নানান অনিয়ম-দুর্নীতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, হাওরাঞ্চলে হাহাকার চলছে। মানুষের খাবার নেই। ভবিষ্যতে তারা কী করবে তা জানে না। মোটা চালের দাম ৫০ টাকার কাছাকাছি চলে গেছে। দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ছে। অথচ সরকার বলছে চাল আমদানি করছে কিন্তু আউয়াজ আসছে হাওরাঞ্চলে খাদ্যর অভাব দেখা দিচ্ছে। তারপরও সরকার উন্নয়ন, উন্নয়ন বলে যাচ্ছে যে বাংলাদেশের মানুষের আর কিছুর প্রয়োজন নাই। প্রতিটি গুম,খুনের বিচার এই বাংলাদেশের মাটিতে করা হবে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। সংগঠনের সভাপতি সাঈদ হোসেন সোহেলের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন- বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টু’র সহধর্মীনী নাসিমা আক্তার কল্পনাসহ লালবাগ থানা বিএনপি ও তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • ওয়ার্কার্স পার্টির গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ

    বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা হিন্দু সম্প্রদায়ের লীলাকীর্তন অনুষ্ঠানে বাধা প্রদান, হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আজ এক বিবৃতিতে তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, জয়পুরহাটের কালাইয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাসব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই হামলা সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী গোষ্ঠীর পূর্ব পরিকল্পিত। যারা এই হামলার পেছনে তারা সচেতনভাবেই এই ধরনের আক্রমণ চালাচ্ছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে নস্যাৎ করে দেশকে অস্থিতিশীল করাই এর লক্ষ্য। বিবৃতিতে তারা বলেন, অবিলম্বে এই হামলার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। তারা বলেনÑ ধর্ম পালনের অধিকার সকলেরই। ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃংখলা বাহিনীকে আরো সক্রিয় হতে হবে।

  • হেফাজতের সাথে আপোষ গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে --- যুব মৈত্রী

    বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর ৭ম জাতীয় সম্মেলন শেষে আজ ৫ মে ২০১৭ নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা সংগঠনের সভাপতি সাব্বাহ আলী খান কলিন্সের সভাপতিত্বে শহীদ আসাদ মিলনায়তনে সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর বিস্তর আলোচনা হয়। রাজনৈতিক আলোচনায় বতর্মান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বলা হয় হেফাজত ইসলামের সাথে সরকারের বৈঠক অবশ্যই অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও রাষ্ট্রের বিপরীতে মুখ্য নীতি। যা কোনভাবেই গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক নয়। গণতন্ত্রকে দেশে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে সাম্প্রদায়িক শক্তির সাথে আপোষ অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণ বিশ্ববাসীকে আতংকগ্রস্ত করেছে। আমেরিকার যুদ্ধ নীতির বিরুদ্ধে ও জঙ্গিবাদী রাজনীতির বিরুদ্ধে আপোষহীন লড়াই জনগণের কাছে তরুণ যুবদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন যুব মৈত্রীকে অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। কেন্দ্রীয় কমিটির সভা পরিচালনা করেন নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তপন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন- আনিসুর রহমান মিথুন, অনুপ কুমার পিন্টু, মুর্শিদা আক্তার ডেইজী, মোঃ তৌহিদ, মনির উদ্দিন আহমেদ পান্না, আব্দুল আহাদ মিনার, কায়সার আলম, তাইজুল ইসলাম রোম, অরুন কুমার ঘোষ, মনিরুজ্জামান মনির, শফিকুল ইসলাম শফিক, আতিকুর রহমান আতিক, মাহবুবুল আলম জনি, এ্যাড. মোঃ এমরান হোসেন চৌধুরী, মুতাসিম বিল্লাহ সানি, তাপস দাস, ফায়জুল হক বালী ফারাহীন, বেলাল বাঙালী, আল-আমিন মাহাদী, মামুন-অর রশীদ, মাসুম আকতার অনীক, মোঃ মাহবুবুল আলম, শাহীন হোসেন, মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, হিমাংশু মিত্র, মোঃ আফরুজ আলী, শফিকুল ইসলাম শিকদার, এখলাসুর রহমান, দেওয়ান মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, এম এম মিলটন, মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, কাজী মাহমুদুল হক সেনা, সুব্রত সানা, শংকর ম-ল, মোঃ শফিকুল ইসলাম মুকুল, মনোয়ার হোসেন জুয়েল, মোঃ মামুন মোল্লা, আশা মণি, ভবেশ চন্দ্র রায়, ইকবাল বাহার বাবু, আব্দুল খালেক বকুল, মোঃ ওমর ফারুক সুমন, সৃজন বিশ্বাস, সারোয়ারুল ইসলাম টিয়া, এ্যাড. মোঃ কামরুল হোসেন জোয়ার্দ্দার, মাইনুল ইসলাম, মোঃ পারভেজ আলম বাচ্চু, ইবনুল খান জুয়েল, মোঃ ইয়াদুল ইসলাম, জাহিদুর রহমান, মোস্তফা হুমায়ুন কবীর, বিদ্যুৎ চৌধুরী, টিপু সুলতান, পল্লব সরকার, মানিক হাওলাদার প্রমুখ। আগামীকাল সাড়ে ১০টায় একই স্থানে কেন্দ্রীয় নেতাদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হবে।

  • মধুখালীতে নির্বাচনী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দাখিল

    গত ১৬ এপ্রিলমধুখালী উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচিত চেয়ারম্যান,সংরক্ষিত ও সধারন সদস্যসহ নির্বাচিতদের বিজয়ী ঘোষনা করা হয়েছে ।১৬ এপ্রিল উপজেলার কামালদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড এর সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মোঃ বাবলু খানকে ৫ ভোটের ব্যবধানে বিজিত ঘোষনা করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নিজেকে বিজয়ী ঘোষনা ব্যালট পেপার পূনঃ গননার দাবীতে নির্বাচনে দায়ীত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা উপজেলা প্রকৌশলী ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আজিজুল ইসলামের কাছে লিখিত অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মোঃ বাবলু খান (প্রতিক মোরগ) এর অভিযোগ সুত্রে জানাযায় ১৬ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রাপ্ত ফলাফলপত্রে তাকে ৪১৪ প্রাপ্ত এবং প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীকে ৪১৯ ভোট প্রাপ্ত হওয়ায় ৫ ভোটে বিজয়ী ঘোষনা দেওয়া হয় কিন্ত ফলাফলপত্রে বাবলু খানের মোরগ প্রতিকে কথায় লেখা হয় চারশত চব্বিশ। নির্বাচন কেন্দ্রে দায়ীত্ব প্রাপ্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে ভোট পূনঃ গননার দাবী করলেও তিনি সেটা না করে ঘোনা না দিয়েই উপজেলা সদরে ফিড়ে আসেন। এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে তার মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি বলেন কোন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীই ভোট পূনঃ গননার দাবী করেন নাই। কেউ যদি দাবী করতেন তাহলে পূনঃ গননা করতে আমার অসুবিধা কোথায় ? আমি অবশ্যই পূনঃ গননা করতাম ।

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top