• ফুলবাড়ী স্বেচ্ছাসেবক লীগের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    ফুলবাড়ী উপজেলার দারুস সুন্নাহ্ সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে স্বেচ্ছাসেবক লীগের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার দারুস সুন্নাহ্ সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে দিনাজপুর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক মো. জাকারিয়া জাকির এর আয়োজনে গত ২৩ জুন শুক্রবার দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, দিনাজপুর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক মো. জাকারিয়া জাকির।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর স্বেচ্ছাসেবক লীগের জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাকিবুল হাসান। সেচ্ছাসেবক লীগের জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো.তছলিম উদ্দিন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. তাইজুল ইসলাম দিলু, সহ-প্রচার সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান সজিব, শহর ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক মো. হারুন উর রশিদ রায়হান। জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের গ্রন্থা ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. রাশেদুর রহমান রাশেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মো. শাহিনুর রশিদ(বাবু), মুক্তি যোদ্ধা বিষয় সম্পাদক ও প্রভাষক মো. শহিদুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন, ফুলবাড়ী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক মো. মেহেদী হাসান মিঠু, মো. ফিজার , মো. রুহুল আমিন, মো. বাপ্পি. মো. ফয়ছাল , মো. হেলাল , মো. হামিদুল, পার্বতীপুর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মো. আমজাদ. মো. হাবিব,মো. রিয়জুল,কমল,মো. করিম ও মো. মুকুল প্রমুখ। ইফতার মাহফিলে স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রায় ২ হাজার নেতা কর্মী অংশ নেন। এ ছাড়া স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দু , ব্যবসায়ী, সুধিজন ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

  • ফুলবাড়ীর যুবলীগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    ফুলবাড়ী রাবিয়া কমিউনিটি সেন্টারে যুবলীগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ফুলবাড়ীর রাবিয়া কমিউনিটি সেন্টারে যুবলীগের আয়োজনে ২২ জুন বৃহঃস্পতিবার ফুলবাড়ী পৌর ৫নং ওয়ার্ডের মো. আপেল মাহমুদ সরকার এর সভাপতিত্বে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, সদস্য,কেন্দ্রীয় কমিটির মো. সফেদ আশফাক তুহিন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, ফুলবাড়ী যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মো. আলাউল হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ফুলবাড়ী পৌর ৪নং ওয়ার্ডের ফুলবাড়ী যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মো. আসলাম হোসেন। ইফতার মাহফিলে যুবলীগের প্রায় ৪শতাধিক নেতা কর্মী, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী, সুধিজন ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

  • মধুখালীতে আওয়ামীলীগের ইফতার ও দোয়ার মাহফিল

    মধুখালীতে উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে মধুখালী উপজেলা মাল্টিপারপাস মিলনায়তনে মধুখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মির্জা মনিরুজ্জামান বাচ্চুর সভাপতিত্বে ও সাংগনিক সম্পাদক পিকু আহসান হাসিবের সঞ্চালনায় ইফতার দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ রেজাউল হক বকু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুর রহমান মোল্যা, ফরিদপুর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আকমল হোসেন,মধুখালী পৌর মেয়র খন্দকার মোরশেদ রহমান লিমন,সরকারী আইনউদ্দিন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ নাজমুল হক, মধুখালী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমীন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি হাজী আঃ সালাম মিয়া,মির্জা হাজী আঃ করিম,যুগ্ম সাধারন সম্পাক মোঃ ইলিয়াস মিয়,মোঃ শহিদুল ইসলাম,ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরো সদস্য মনোজ সাহা, উপজেলা সম্পাদক আবু সাইদ মিয়া,সিপিবি সাবেক উপজেলা সভাপতি হাজী আঃ মালেক শিকদার,ফরিদপুর জেলা পরিষদের সদস্য সুরাইয়া সালাম,দেব প্রসাদ রায়, উপজেলা আওয়ামীলীগের ধর্মীয় সম্পাদক সৈয়দ এটিএম মাসুদ ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগন এবং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি - সাধারন সম্পাদক ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীবৃন্দ। দোয়া পরিচালনা করেন উপজেলা ওলামালীগের সভাপতি মওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম। ফরিদপুর -১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুর রহমান এবং দেশ ও জাতীর জন্য দোয়া করা হয় । 

  • রাষ্ট্রের ‘সবচাইতে শক্তিশালী ব্যক্তি’র প্রশ্রয়ে দেশে সন্ত্রাসীরা উৎসাহিত হচ্ছে... রিজভী

    রাষ্ট্রের ‘সবচাইতে শক্তিশালী ব্যক্তি’র প্রশ্রয়ে দেশে সন্ত্রাসীরা উৎসাহিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, যারা প্রাকৃতিক মহা দুযোর্গে নিপতিত উপদ্রুত অসহায় মানুষকে ফেলে নির্ভিগ্নে বিদেশ সফর করতে পারে, তারা সবকিছুই করতে পারে। জনগন দেখলো সরকারি সন্ত্রাস ও গন্ডামির অভিনব বেপরোয়া, উদ্ধত্য ও সন্ত্রাসের আশ্রয়প্রার্থীরা ত্রান সামগ্রি নিয়ে বিএনপির মহাসচিবসহ প্রতিনিধিদলের যাত্রাপথে আক্রমন করতে দ্বিধা করেনি।  কারণ রাষ্ট্রের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ব্যক্তির প্রটেকশন ও উস্কানিতে সন্ত্রাসীরা উৎসাহিত হচ্ছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আওয়ামী লীগ সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিদের নির্দেশেই এই ন্যাক্কারজনক হামলা চালানো হয়েছে। গুন্ডামীর এই নবসংস্করণ জনসমর্থন ছাড়া দুঃশাসন টিকিয়ে রাখারই ইংগিত বহন করে। নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলার ঘটনার পর রোববার রাজধানীতে রাজধানী ঢাকা, নাটোরসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ হামলা ও নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের নিন্দা জানান রিজভী।  যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিএনপির নেতা-কর্মীরা কর্মসূচি পালন করেছে তারও সরকার উত্তর দিয়েছে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে, অনাচারের মধ্য দিয়ে, উৎপীড়নের মধ্য দিয়ে। আমরা অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে রোববার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও নেত্রকোনায় স্থানীয় বিএনপি ইফতার মাহফিল আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠনের ক্যাডাররা হামলা চালিয়ে পন্ড করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব। রিজভী বলেন, গণবিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে এক অজানা ভয়ে আওয়ামী লীগের মনস্তাত্বিক আবহাওয়া বদলে গেছে। পতনের আশঙ্কায় তারা উদ্ভান্ত গুন্ডামীতে নেমে পড়েছে। সব কিছু হারিয়ে এখন তারা গুন্ডা রাজত্ব কায়েম করতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে।  জনগনের সাথে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক যেন সতীনের সংসারের মতো। আওয়ামী লীগ জনগনের ঘোর বিরোধী।দেশের মানুষের প্রতিই যেন তাদের প্রতিহিংসা। তিনি বলেন, নির্বাচন আসার আগেই গন্ডামী ও সন্ত্রাসকে যেভাবে প্রজনন করা হচ্ছে, তাতে আগামী নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনে হলে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কী শোচনীয় বিপর্য্য় ঘটবে তা সহজেই অনুমেয়। সেই নির্বাচন হবে একতরফা, সন্ত্রাসকবলিত। আমরা দ্বিধাহীন কন্ঠে বলতে চাই, শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু হবে না। বিএনপি তার(শেখ হাসিনা) অধীনে নির্বাচনে যাবে না। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম বাবুল, আবদুস সালাম আজাদ, আবদুল আউয়াল খান, মুনির হোসেন, শহীদুল

  • নির্বাচনী ব্যবস্থা ও নির্বাচন কমিশনের কাজের উপর বিদেশী হস্তক্ষেপে ওয়ার্কার্স পার্টির ক্ষোভ

    বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ৯ ও ১০ জুনে অনুষ্ঠিত পলিটব্যুরোর দু’দিনের বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়েছে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার সাথে সাথে কমিশনে পূর্বের মত আবার বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের আনাগোনা শুরু হয়েছে। তারা বাংলাদেশের নির্বাচন সম্পর্কেও অযাচিত মন্তব্য করছেন। ইতোমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বার্নিকটের সাথে কমিশনের বৈঠকে ’৯৬ এর ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারহীন ভোটের নির্বাচনকে ২০১৪ এর ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের সাথে এক কাতারে ফেলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য করা হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে কমিশনও সেই মন্তব্যের সাথে ঐক্যমত্য প্রকাশ করেছেন। এর লক্ষ্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন দুই জোটকে একইভাবে বিবেচনা করা। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পর যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূতও কমিশনের সাথে বৈঠক করেছেন। সামনে অন্যরাও আসবেন। প্রস্তাবে বলা হয় নির্বাচন কমিশন একটি সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের নির্বাচন পরিচালনা করা তাদের দায়িত্ব। এই ক্ষেত্রে বিদেশী রাষ্ট্রদূতের কি বলার থাকতে পারে তা বোধগম্য নয়। তদুপরি এটা অন্যদেশের অভ্যন্তরীন ব্যাপারে হস্তক্ষেপ। খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচার কমিটির কর্তাব্যক্তিদের রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাথে বৈঠক করায় ঐ নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। ঐ অভিযোগের কারণে ট্রাম্প প্রশাসনের ঐ কর্তব্যব্যক্তিকে পদত্যাগও করতেও বাধ্য হয়েছেন। এ নিয়ে এফবিআই তদন্তও চলছে। অথচ বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যসহ রাষ্ট্রদূতরা খোদ নির্বাচন কমিশনে গিয়ে কমিশনের কাজে নাক গলাচ্ছেন। ওয়ার্কার্স পার্টির প্রস্তাবে বলা হয় যুক্তরাষ্ট্রে যেখানে বিজয়ী ও পরাজিত প্রেসিডেন্ট প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাম্প ও হিলারী উভয়েই যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা এমনকি কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের ভোট প্রদানে বাধাদানসহ বিপুল জাল ভোটের অভিযোগ নিজেরাই তুলেছেন এবং যে বিতর্ক এখনও অব্যাহত সে দেশের রাষ্ট্রদূতের বাংলাদেশের নির্বাচনের ব্যাপারে মন্তব্য করা সমিচীন কিনা সেটাও তারা ভেবে দেখছেন না।ওয়ার্কার্স পার্টির প্রস্তাবে নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করা হয় সকল দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ অন্তর্ভূক্তিমূলক নির্বাচন সবাই কামনা করে। কিন্তু তার অর্থ সংবিধান বহির্ভূতভাবে তথাকথিত সহায়ক অথবা নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা নয়। নির্বাচন সংবিধান অনুসারে সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে। এই বাস্তবতা মেনেই সকল দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করা যায়। পলিটব্যুরোর অপর এক প্রস্তাবে ১৪ দলের অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক চরিত্র, তার আদর্শ ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান হয়। অপর এক প্রস্তাবে চালের মূল্যের উর্ধ্বগতিকে হ্রাস টানার জন্য সরকারিভাবে চাল আমদানী করে খোলা বাজারে চাল বিক্রীরও আহ্বান জানান হয়। পার্টির প্রস্তাবে সম্প্রতি সময়ে খুন, ধর্ষণ, গুম-অপহরণ বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিশেষভাবে একে কমানোর জন্য মাদকাসক্তি ও মাদক বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ করার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে সভায় পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা এমপি নির্বাচন সম্পর্কে পার্টির অবস্থান ও প্রস্তুতির বিষয়ে রিপোর্ট প্রদান করেন। আলোচনায় অংশ নেন পলিটব্যুরোর সদস্য নুরুল হাসান, ড. সুশান্ত দাস, নুর আহমদ বকুল, আমিনুল ইসলাম গোলাপ, মনোজ সাহা, হাজেরা সুলতানা এমপি, কামরূল আহসান ও মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।

  • রাঙ্গামাটির লংদুতে পাহাড়ী আদীবাসীদের গ্রামে হামলা ও সুলতানা কামালকে হুমকির প্রতিবাদ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি

    বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর স্ট্যান্ডিং কমিটি রাঙ্গামাটি জেলার লংদুতে পাহাড়ী আদীবাসীদের গ্রামে হামলা চালিয়ে বাড়ীঘর জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। স্ট্যান্ডিং কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়, পাহাড়ে শান্তি ও স্থিতিশীল পরিবেশকে নস্যাৎ করতে একটি গোষ্ঠী সবসময় তৎপর রয়েছে। তারা আদীবাসী পাহাড়ী ও বাঙ্গালীদের মধ্যে বিভেদ তৈরী করে কায়েমী স্বার্থ রক্ষা এবং সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চায়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর যে “পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি” হয়েছিল তা যাতে বাস্তবায়ন না হয় তার জন্য এই গোষ্ঠি তৎপর রয়েছে। বিবৃতিতে তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে নিয়োজিত আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের পাহাড়ী জনপদে শান্তি রক্ষা এবং আদীবাসীদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরো তৎপর হওয়ার আহ্বান জানায়। বিবৃতিতে অবিলম্বে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট দুর্বৃত্তদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পূনর্বাসনের দাবী জানানো হয়।  অপর এক বিবৃতিতে, মুক্তিযোদ্ধা সুলতানা কামালের বিরুদ্ধে হেফাজত নেতাদের ধৃষ্টতপূর্ণ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় এরা ধর্মের দোহাই দিয়ে পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন করেছিল। আজ মুক্তিযুদ্ধের সেই পরাজিত শক্তির আস্ফালন বেড়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংখ্যাগোরিষ্ঠ মানুষ মুসলমানই ছিল, কিন্তু এদেশের সকল ধর্মের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানী হানাদারদের পরাজিত করে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ রাষ্ট্র কায়েম করেছিল। সেই বাংলাদেশে ধর্মের নামে এই আস্ফালন জনগণ মেনে নেবে না। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যারা সুলতানা কামালকে হুমকি দিয়েছেন তারা প্রচ্ছন্নভাবে বাংলাদেশের সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অস্বীকার করছেন। এই দুবৃত্তদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং হুমকিদাতাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার করা হোক।

  • পেশাজীবীদের সঙ্গে ইফতার করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া

    রমজানের অষ্টম রোজা শেষে পেশাজীবীদের সঙ্গে ইফতার করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের ‘নবরাত্রি হলে’ পেশাজীবীদের সন্মানে তার এই ইফতার মাহফিলে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রবীন আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হকও। ইফতার শুরুর কয়েক মিনিট পর অনুষ্ঠানস্থলে তিনি এসে পৌঁছান।ইফতারে জাতীয়তাবাদী দলের সমর্থিত পেশাজীবী ব্যক্তিবর্গের বাইরে সাবেক সেনা প্রধান লে. জেনারেল আতিকুর রহমান, সাবেক আইজিপি আজিজুল হক, বিজেএমই‘র সহ-সভাপতি মো. হাসান খান, সম্পাদক সৈয়দ কামালউদ্দিন প্রমূখ অংশ নেন। ইফতারের আগে বিএনপি চেয়ারপারসন আমন্ত্রিত অতিথিদের টেবিল টেবিল ঘুরে অতিথিদের সাথে ‍কুশল বিনিময় করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদ, সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব এএসএম আবদুল হালিম, সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, মাহমুদুর রহমান, আবুল আসাদ, আলমগীর মহিউদ্দিন, ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী, আনিস আলমগীরসহ বিভিন্ন পেশার শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে মূল টেবিলে ইফতার করেন বিএনপি চেয়ারপারসন। শিক্ষাবিদদের মধ্যে অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান, অধ্যাপক আবদুল মোবিন, অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী, অধ্যাপক সদরুল আমিন, অধ্যাপক আফম ইউসুফ হায়দার, অধ্যাপক আখতার হোসেন খান, অধ্যাপক তাহমিনা আখতার টফি, অধ্যাপক সামসুল আলম, অধ্যাপক শরিফউদ্দিন, অধ্যাপক সোহেল রানা, অধ্যাপক মাফরুহি সাত্তার, কবি মাহমুদ শফিক, ছড়াকার আবু সালেহ, চলচিত্রকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার, চিত্র নায়ক আশরাফউদ্দিন উজ্জ্বল প্রমূখ ইফতারে ছিলেন।গণমাধ্যমের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের মধ্যে মাহফুল হক, মাহফুজউল্লাহ, এম এ আজিজ, মোস্তফা কামাল, খায়রুল আনোয়ার মুকুল, কাজী রওনাক হোসেন, আব্দুস শহীদ, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, মাইনুল ইসলাম, কাদের গনি চৌধুরী, এনাম আবেদীন, লোটন একরাম, আলী মাহমুদ, রাশেদুল হক, বাকের হোসাইন, জাহেদ চৌধুরী, লুৎফর রহমান হিমেল, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার আবদুল হাই সিদ্দিকী, ফাহিম আহমেদ, বোরহানুল হক সম্রাট ছিলেন। পেশাজীবীদের নেতাদের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, সম্পাদক মাহবুবউদ্দিন খোকন, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম, ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের আনহ আখতার হোসেইন, এগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের আনোয়ারুন্নবী, এমবিএ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ আলমগীর, ঔষধ শিল্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এসএম শফিউজ্জামান, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি শওকত মাহমুদ, মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি আবদুল হাই শিকদার, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মুরসালীন নোমানী, শিক্ষক-কর্মচারি ঐক্যজোটের সভাপতি অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া প্রমূখ ছিলেন। ব্যবসায়ী নেতাদের এফবিসিসিআইয়ের সালাহউদ্দিন মো. আলমগীর, আবু মোতালেব বিজেএমইএ‘র মেজবাহউদ্দিন আলী, সাবেক সভাপতি এস এম ফজলুল হক, সাহাদাত হোসেন সেলিম প্রমূখ নেতারা ইফতারে অংশ নেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন,  মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আবদুল আউয়াল মিন্টু, আহমেদ আজম খান, গিয়াস কাদের চৌধুরী, আবদুল কাইয়ুম, আবদুস সালাম, কবীর মুরাদ, সিরাজউদ্দিন আহমেদ, ফরহাদ হালিম ডোনার, অবসরপ্রাপ্ত মেজর কামরুল ইসলাম, তাবিথ আউয়াল, রুমিন ফারহানা, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান, সদস্য শায়রুল কবির খান, শামসুদ্দিন দিদারসহ কেন্দ্রীয় নেতা  ও  সাবেক সাংসদরা  ছিলেন এই ইফতারে।​

  • সরকার দেশের ‘অর্থনীতিকে ধ্বংস করার পায়তারা করছে’... মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

    বববার দুপুরে এক আলোচনা সভায় প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যাংক হিসাবের ওপর বর্ধিত আবগারী শুল্ক আরোপের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এই অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘‘ তারা(সরকার) বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আমি উদাহরণ দিয়ে বলতে চাই, বর্তমান ব্যাংকিং ব্যবস্থায় এক লক্ষ টাকা রাখলে আগে ছিলো ৫‘শ টাকা এখন ৮‘শ টাকা কেটে নেবে, আবগারী শুল্ক দিতে হবে।” ‘‘ একদিকে তারা(সরকার) ব্যাংক লুট করে শেষ করে দিয়েছেন। ৬টা রাষ্ট্রায়াত্ব ব্যাংক সেটাকে আপনারা লোকসানী প্রতিষ্ঠান করেছেন। ১৫ হাজার কোটি টাকা ভুর্তকী দেবেন এই জনগনের ট্যাক্সের পয়সায়, তাদের পকেট কেটে।” অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত ২ জুন জাতীয় সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ কোটি টাকার যে বাজেট উপস্থাপন করেছেন, তাতে বছরের যে কোনো সময় ব্যাংক হিসাবে এক লাখ টাকার বেশি লেনদেনে আবগারি শুল্ক ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০০ টাকা করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া ১০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ১ হাজার ৫০০ টাকার বদলে ২ হাজার ৫০০ টাকা, ১ কোটি থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ৭ হাজার ৫০০ টাকার বদলে ১২ হাজার টাকা এবং ৫ কোটি টাকার বেশি লেনদেনে ১৫ হাজার টাকার বদলে ২৫ হাজার টাকা আবগারি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভা হয়। অনুষ্ঠানে ‘কমল’ প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। প্রস্তাবিত বাজেটের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘‘ সরকার একদিকে জুলুমের রাজত্ব কায়েম করেছে, অন্যদিকে লুটপাটের রাজত্ব কা্য়েম করেছে। গত দুইদিন আগে বাজেট দিয়েছে, একটা মানুষ খুঁজে পাবেন না যে, এই বাজেটকে ভালো বলছে। এমনকি যারা অর্থনীতিবিদ, এমনকি যারা আওয়ামী লীগের প্রতি দূর্বল তারা বলছে এই পর্যন্ত যত বাজেট এসেছে, তার মধ্যে খারাপ বাজেট।” ‘‘ বাজেটে জনগনের ওপরে একটা করের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। তারা করবে চুরি, তারা করবে লুটপাট, তারা বিদেশে বাড়ী তৈরি করবে, বিত্ত তৈরি করবে, আর সেটার খেসারত দেবে বাংলাদেশের মানুষ তাদের ক্রয়ের টাকা দিয়ে- এই অবস্থায় নিয়ে গেছে দেশকে।” বাজেটে কর্মসংস্থানের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘‘  আজকে আমাদের লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত যুবক বেকার হয়ে আছে। তাদের কর্মসংস্থানের কোনো ব্যবস্থাই বাজেটে নেই, কোনো ইংগিত নেই। তারা কর নেবে আর সেই তারা কর নিয়ে মেগা প্রজেক্ট তৈরি করবেন, মেগা লুট করবেন- এটাই আসল উদ্দেশ্য।” ‘‘ আওয়ামী লীগ প্রকৃতিগতভাবেই এরা লুটেরা। আমার মনে আছে ১৯৭২-৭৫ সালে পর্যন্ত যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিলো, তারা একইভাবে লুট করেছে। এজন্য মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সেই সময়ে বলেছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নামটা বাদ দিয়ে এটাকে নিখিল বাংলাদেশে লুটপাট সমিতি রাখা হোক।” একাদশ নির্বাচন সম্পর্কে দলের অবস্থান পূনর্ব্যক্ত করে ফখরুল বলেন, ‘‘আমরা নির্বাচন করতে চাই। আর তারা নির্বাচন করতে চায় বিএনপিকে বাদ দিয়ে। কারণ তারা জানে বিএনপি যদি নির্বাচনে আসে, তারা কোনো দিন জয়ী হতে পারবে না।” ‘‘ তারা যদি মনে করে থাকেন, তারা নির্বাচন করবেন আমাদেরকে ওই কারাগারে পাঠিয়ে আর আদালতের প্রাঙ্গনে হাটিয়ে। তাহলে আপনারা আহম্মদের স্বর্গে বাস করছেন। আমাদের কথা খুব পরিস্কার, বিএনপি একটি লিবারেল ডেমোপক্রেটিক পার্টি, আমরা নির্বাচন করে রাষ্ট্র পরিচালনায় যেতে চাই। কিন্তু সেই নির্বাচন হতে হবে অবশ্যই সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য নির্বাচন, সকলে যাতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারে, সকলের জন্য লেভেল প্ল্যায়িং ফিল্ড থাকতে হবে।” সরকারের উদ্দেশ্যে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘ আপনারা ফুটবল খেলবেন রেফারি, লাইন্সম্যান সবাইকে নিয়ে। আর আমরা মাঠের বাইরে দাঁড়িয়ে দেখবো, সেটা হবে না। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি যেটা হয়েছে, সেটা এবার হবে না। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, আমরা আমাদের দাবি আদায় করে ছাড়বো, এই সরকারকে বাধ্য করবো একটি সহায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচন দেয়ার জন্য।” নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে দলের নেতা-কর্মীদের মিথ্যা মামলা দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন,‘‘ জিয়াউর রহমান যে আমাদেরকে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ দান করে গেছেন, সেই বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের কারণে বাংলাদেশের স্বাধীনতা চলে গেছে, পতাকা কিন্তু এখনো আছে। না হলে এতোদিনে এদেশে তিন রংয়ের ভারতীয় পতাকা দেখতে পারতেন আপনারা। এখন দেখতে পারছেন, বাঙালী জাতীয়তাবাদ আবার বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিল্লীর কাছে নিয়ে গেছেন।” ‘‘ তাই নেতা-কর্মীদের বলব, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে রাজপথে নামুন, এই দিল্লীর দখলদার যে সরকার ক্ষমতায় আছে, সেই সরকারকে স্রোতের মতো উৎখাত করে দিন। তবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র ফেরত আসবে। সেটা আপনারা যদি করতে না পারে, গণতন্ত্র চলে গেছে, স্বাধীনতা চলে গেছে, শেখ হাসিনা যদি আরেকটি ৫ জানুয়ারি করতে পারে, বাংলাদেশের পতাকাও চলে যাবে- এ্কথাটি আপনাদেরকে বলে দিলাম আজকে।” সংগঠনের সভাপতি শফিউল বারী বাবু ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েলের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও মহানগর দক্ষিনের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসানউল্লাহ হাসান, সাংবাদিক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা মুস্তাফিজুর রহমান, গোলাম সরোয়ার, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, সাদরেজ জামান, এসএম জিলানি, রফিক হাওলাদার, নজরুল ইসলাম, ফখরুল ইসলাম রবিন, গাজী রেজওয়ানুল হক রিয়াজ, আওলাদ হোসেন উজ্জল, আবদুর রহমান বাবু, জাহিদ হোসেন প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

  • দেশেযে বৈষম্য সৃষ্টি হয়ে চলেছে তা নিরসনের কোন পদক্ষেপ বাজেটে গৃহীত হয়নি --- ওয়ার্কার্স পার্টি

    বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো আজ ৩ জুন এক বিবৃতিতে ২০১৭-১৮ সালের বাজেট প্রস্তাবকে উন্নয়নের ধারাবাহিকতার বাজেট বলে অভিহিত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, তবে এই উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষ পাবে কিনা তা নিয়ে যে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে বাজেট প্রস্তাব তা দূর করেনি। বিশেষ করে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় দেশে গরিব ও বড়লোক, গ্রাম ও শহরের মধ্যে যে বৈষম্য সৃষ্টি হয়ে চলেছে তা নিরসনের কোন পদক্ষেপ বাজেটে গৃহীত হয়নি। রাজস্ব আদায়ে অপ্রত্যক্ষ করের হার এখনও প্রধান। ভবিষ্যতে আয়কর রাজস্ব আদায়ের ৫০ শতাংশ করা হবে বলে আশার কথা শোনানো হলেও বাজেট প্রস্তাবনায় এর কোন প্রতিফলন নাই। বরং অর্থমন্ত্রী সম্পদের উপর করারোপে এখনও রাজী নন। ভ্যাটের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অব্যাহতি দেয়া হলেও এর চাপ সাধারণ মানুষের উপর পড়বে। বিশেষ করে যেভাবে করারোপ করা হয়েছে তাতে মধ্যবিত্ত ও নি¤œবিত্ত মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে। উদাহরণ হিসেবে ব্যাংকে টাকা গচ্ছিত রাখা ও উঠানোর ক্ষেত্রে আবগরী শুল্ক বৃদ্ধি করা, সঞ্চয়পত্রের সুদের হার সম্পর্কে গৃহীতব্য পদক্ষেপসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা যায়। এর ফলে মানুষ ব্যাংকে টাকা রাখবে না। সঞ্চয়পত্রের সুদের হার সম্পর্কে কোন ব্যবস্থা গৃহীত হলে তাতে মধ্যবিত্ত ও পেনশনভোগীরা বিশেষভাবে ক্ষতির মুখে পড়বে। অন্যদিকে ব্যাংকে অর্থ গচ্ছিত না রেখে তা পাচার হয়ে যাবে।  বিবৃতিতে বলা হয় বাজেট কর্মসংস্থান সম্পর্কেও নিরব। বিবিএস হিসাব অনুযায়ী গত এক বছরে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও কর্মসংস্থান কমেছে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সাধারণ কথা বলা হলেও এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা নেই। বাজেটের উচ্চাভিলাষ সম্পর্কে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে সে সম্পর্কে বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি যে হারে বৃদ্ধি পচ্ছে তাতে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নিরূপন করা দোষের কিছু নয়। বরং বাজেটের বৃহদায়তন তার বাস্তবায়নের যে দায়িত্ব তুলে দিল সেই সক্ষমতা অর্জন করতে পারলে অর্থনীতি আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবে।

  • ইফতার মাহফিলে ক্ষমতাসীনরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে

    শনিবার দুপুরে এক জরুরী সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন সারাদেশে দলীয় উদ্যোগে ইফতার মাহফিলে ক্ষমতাসীনরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, সারাদেশে বিএনপির আয়োজিত ইফতার মাহফিল ভেঙে দিচ্ছে। কোথাও কোথাও অনুমতি দিচ্ছে না, কোথাও কোথাও সরকারি দলের সঙ্গে যোগসাজস করে পুলিশ চড়াও হচ্ছে, আক্রমন হচ্ছে। গতকাল(শুক্রবার) কেরানীগঞ্জে এই ধরণের ঘটনা ঘটেছে যা গণমাধ্যমেও এসেছে।  এই ধরণের আতক্রম বা বাঁধা প্রদান শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলের ওপর আক্রমন নয়, ধর্মীয় অনুষ্ঠানের ওপরও এই সরকার আক্রমন করছে। যাকে আমরা মনে করি যে, মানুষের মৌলিক অধিকারকে হরণ করা হচ্ছে। আমরা সরকারের এহেন প্রতিবন্ধকতা ও আক্রমনের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে গত শুক্রবার ঢাকার কেরানীগঞ্জের হয়রতপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে বায়তুল আমান জামে মসজিদে ইফতার অনুষ্ঠানে ক্ষমতাসীন দলের ইউনিয়নের সভাপতি আনোয়ার হোসেন আয়নাল, লেচু ওরফে লেচ্ছা ও জাহের আলীর নেতৃত্বে সশস্ত্র হামলার ঘটনা তুলে ধরা হয়। ওই ঘটনার পর দলের চেয়ারপর আমানউল্লাহ আমানের কেরানীগঞ্জের বাড়িতে হামলার বিষয়টি উল্লেখ মির্জা ফখরুল বলেন, আমানউল্লাহ আমান একজন প্রতিথযশা রাজনীতিবিদ, ডাকসুর ভিপি ছিলেন। তার বাড়িতে আক্রমন হয়েছে। এই থেকে বুঝা যায়, কোনো দলের রাজণৈতিক নেতা বা কর্মী কেউই এখন নিরাপদ নয়, যখন আমান সাহেবের মতো নেতারাও আজ নিরাপদ থাকছেন না।  আমরা মনে করি, সরকার ও সরকারি দলের এহেন কর্মকান্ড গনতন্ত্রের জন্য শুভ নয়। এই থেকে প্রমাণিত হচ্ছে, দেশের গণতন্ত্র নাই, গণতন্ত্রকে তারা ধ্বংস করছে। আমানউল্লাহ আমানের বাড়িতে হামলাসহ হযরতপুর ইউনিয়নের বায়তুল আমান মসজিদে হামলার ঘটনা বিচার দাবিও করেন ফখরুল। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার গায়ের জোরে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য একদলীয়  শাসন ব্যবস্থাকে পাকাপোক্ত করবার জন্যে যারা জনপ্রিয় নেতা-নেত্রী আছেন, তাদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়ে পুরোপুরি বিরোধীদলকে নিস্ক্রিয় করে দিতে চায়, স্তব্ধ করে দিতে চায়। কারণ আওয়ামী লীগ গণবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, জনগন তাদের সাথে নেই। সেই কারণে তারা হামলার পথ বেছে নিয়েছে। রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ীদের শতাধিক বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে এর তদন্ত দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব। সংবাদ সম্মেলনে জ্যেষ্ঠ নেতা আমানউল্লাহ আমান, আহমেদ আজম খান, হাবিবুর রহমান হাবিব, শামসুল আলম, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আসাদুল করীম শাহিন, শাম্মী আখতার, যুব দলের মোরতাজুল করীম বাদরু প্রমূখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।  

  • বিএনপিকে আবারো সন্ত্রাসী সংগঠন বললো কানাডার ফেডারেল কোর্ট

    কানাডার ফেডারেল কোর্ট আবারো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) -কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করেছে। ফেডারেল কোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ চেয়ে করা আবেদনও নাকচ করে দিয়েছেন আদালতের বিচারক।এর ফলে বিএনপির ব্যাপারে কানাডার ফেডারেল কোর্টের দু’জন বিচারকের মন্তব্যের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগও বন্ধ হয়ে গেছে।গত ১২ মে ফেডারেল কোর্টের বিচারকের দেয়া এই রায় মঙ্গলবার লিখিতভাবে প্রকাশ হয়েছে বলে কানাডাভিত্তিক অনলাইন পোর্টাল নতুনদেশ ডটকম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।আদালতের নথি থেকে জানা যায়, জাতীয়তাবাদী যুবদল থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারির দায়িত্ব পাওয়া একজন নেতার রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন সংক্রান্ত জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদন নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারক জে ফদারগিল এই মন্তব্য করেন।এর আগে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবি দলের একজন কর্মীর রাজনৈতিক আশ্রয় সংক্রান্ত জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদনে ফেডারেল কোর্টের বিচারক জাস্টিস ব্রাউন বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। এবার একই কোর্টের আরেক বিচারক একই ধরনের মন্তব্য করলেন।বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত লিখিত রায়ে তার নাম প্রকাশ না করে ‘এস এ’ আদ্যক্ষরে বর্ণনা করতে নির্দেশ দেন।‘কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন’- এই তথ্য প্রকাশ পেলে বাংলাদেশে তার জীবন নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়বে বলে উল্লেখ করে তিনি আদালতের কাছে তার নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানালে আদালত তা গ্রহণ করেন।আদালতের নথি থেকে জানা যায়, ‘এস এ’ আদ্যক্ষরের ব্যক্তি ২০০৪ সালে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র যুব শাখা জাতীয়তাবাদী যুবদলে যোগ দেয়। ২০১২ সালে তিনি বিএনপির নির্বাহী কমিটির যু¤œ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালে তিনি কানাডায় এসে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন।২০১৬ সালের আগস্ট মাসে ইমিগ্রেশন ডিভিশন তার আবেদনের শুনানী করে ওই দিনই সিদ্ধান্ত জানায়। ‘এস এ’ নিজেকে বিএনপি নেতা হিসেবে দাবি করেছেন উল্লেখ করে ইমিগ্রেশন ডিভিশন তাকে কানাডায় প্রবেশের অযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করে। ইমিগ্রেশন ডিভিশনের সিদ্ধান্তে বলা হয়, বিএনপি সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত আছে, সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত ছিলো, সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত হতে পারে- এটা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে। কাজেই বিএনপির সদস্য হিসেবে ‘এস এ’ ইমিগ্রেশন ও রিফিউজি প্রোটেকশন অ্যাক্ট-এর ৩৪ (১) (এফ) ধারা মোতাবেক কানাডায় প্রবেশের অযোগ্য।ইমিগ্রেশন ডিভিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফেডারেল কোর্টে জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদন করেন ‘এস এ’। ফেডারেল কোর্টের বিচারক জে, ফদারগিল আবেদনটি খারিজ করে দিয়ে রিভিউ আবেদনের নিষ্পত্তি করেন। একই সঙ্গে ফেডারেল কোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগের আবেদনটিও তিনি নাকচ করে দেন।রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারক বলেন, ইমিগ্রেশন ডিভিশনের পর্যালোচনায় আমি কোনো ভুল খুঁজে পাইনি। কানাডার আইনে সন্ত্রাসের বিস্তৃত যে সংজ্ঞা দেয়া আছে তার বিবেচনায়, বিএনপির হরতাল ডাকার উদ্দেশ্য এবং ইচ্ছা, হরতালে যে সন্ত্রাস এবং স্বাভাবিক জীবনের বিঘ্ন ঘটেছে এবং এই কাজের (হরতালের) ফলে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে বিএনপির সচেতনতা বিবেচনায় নিয়ে ইমিগ্রেশন ডিভিশন যুক্তিসঙ্গতভাবেই উপসংহারে পৌঁছেছেন যে বিএনপি হচ্ছে একটি সংগঠন, যেটি সন্ত্রাসে লিপ্ত ছিলো, আছে বা সন্ত্রাসে লিপ্ত হবে।বাসস/টিএ/আসচৌ/১৬৪০/আহো/-আসচৌবাসস দেশ-১৪কানাডা-বিএনপি-সন্ত্রাসীবিএনপিকে আবারো সন্ত্রাসী সংগঠন বললো কানাডার ফেডারেল কোর্টঢাকা, ২৪ মে ২০১৭ (বাসস) : কানাডার ফেডারেল কোর্ট আবারো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) -কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করেছে। ফেডারেল কোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ চেয়ে করা আবেদনও নাকচ করে দিয়েছেন আদালতের বিচারক।এর ফলে বিএনপির ব্যাপারে কানাডার ফেডারেল কোর্টের দু’জন বিচারকের মন্তব্যের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগও বন্ধ হয়ে গেছে।গত ১২ মে ফেডারেল কোর্টের বিচারকের দেয়া এই রায় মঙ্গলবার লিখিতভাবে প্রকাশ হয়েছে বলে কানাডাভিত্তিক অনলাইন পোর্টাল নতুনদেশ ডটকম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।আদালতের নথি থেকে জানা যায়, জাতীয়তাবাদী যুবদল থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারির দায়িত্ব পাওয়া একজন নেতার রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন সংক্রান্ত জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদন নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারক জে ফদারগিল এই মন্তব্য করেন।এর আগে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবি দলের একজন কর্মীর রাজনৈতিক আশ্রয় সংক্রান্ত জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদনে ফেডারেল কোর্টের বিচারক জাস্টিস ব্রাউন বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। এবার একই কোর্টের আরেক বিচারক একই ধরনের মন্তব্য করলেন।বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতার আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত লিখিত রায়ে তার নাম প্রকাশ না করে ‘এস এ’ আদ্যক্ষরে বর্ণনা করতে নির্দেশ দেন।‘কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন’- এই তথ্য প্রকাশ পেলে বাংলাদেশে তার জীবন নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়বে বলে উল্লেখ করে তিনি আদালতের কাছে তার নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানালে আদালত তা গ্রহণ করেন।আদালতের নথি থেকে জানা যায়, ‘এস এ’ আদ্যক্ষরের ব্যক্তি ২০০৪ সালে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র যুব শাখা জাতীয়তাবাদী যুবদলে যোগ দেয়। ২০১২ সালে তিনি বিএনপির নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালে তিনি কানাডায় এসে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন।২০১৬ সালের আগস্ট মাসে ইমিগ্রেশন ডিভিশন তার আবেদনের শুনানী করে ওই দিনই সিদ্ধান্ত জানায়। ‘এস এ’ নিজেকে বিএনপি নেতা হিসেবে দাবি করেছেন উল্লেখ করে ইমিগ্রেশন ডিভিশন তাকে কানাডায় প্রবেশের অযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করে। ইমিগ্রেশন ডিভিশনের সিদ্ধান্তে বলা হয়, বিএনপি সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত আছে, সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত ছিলো, সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত হতে পারে- এটা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে। কাজেই বিএনপির সদস্য হিসেবে ‘এস এ’ ইমিগ্রেশন ও রিফিউজি প্রোটেকশন অ্যাক্ট-এর ৩৪ (১) (এফ) ধারা মোতাবেক কানাডায় প্রবেশের অযোগ্য।ইমিগ্রেশন ডিভিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফেডারেল কোর্টে জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদন করেন ‘এস এ’। ফেডারেল কোর্টের বিচারক জে, ফদারগিল আবেদনটি খারিজ করে দিয়ে রিভিউ আবেদনের নিষ্পত্তি করেন। একই সঙ্গে ফেডারেল কোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগের আবেদনটিও তিনি নাকচ করে দেন।রিভিউ আবেদন নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারক বলেন, ইমিগ্রেশন ডিভিশনের পর্যালোচনায় আমি কোনো ভুল খুঁজে পাইনি। কানাডার আইনে সন্ত্রাসের বিস্তৃত যে সংজ্ঞা দেয়া আছে তার বিবেচনায়, বিএনপির হরতাল ডাকার উদ্দেশ্য এবং ইচ্ছা, হরতালে যে সন্ত্রাস এবং স্বাভাবিক জীবনের বিঘ্ন ঘটেছে এবং এই কাজের (হরতালের) ফলে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে বিএনপির সচেতনতা বিবেচনায় নিয়ে ইমিগ্রেশন ডিভিশন যুক্তিসঙ্গতভাবেই উপসংহারে পৌঁছেছেন যে বিএনপি হচ্ছে একটি সংগঠন, যেটি সন্ত্রাসে লিপ্ত ছিলো, আছে বা সন্ত্রাসে লিপ্ত হবে।

  • বিএনপি মহিলাদল কেন্দ্রীয় কমিটির বিক্ষোভ মিছিল

    গুলশান বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে অবৈধভাবে পুলিশি তল্লাশীর প্রতিবাবে আফরোজা আব্বাস এবং সুলতানা আহম্মেদের নেতৃত্বে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বেলা ১১.৩০ মিনিটে নয়াপল্টন মোড়, নাইটিংগেল এর মোড় পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃবৃন্দ ছিলেন, সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলাতানা আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি নূরজাহান ইয়াসমিন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, দক্ষিণের সভাপতি রাজীয়া আমীন, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আমিনা খাতুন, দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শামসুন্নাহার, দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা চৌধুরী বেবী, উত্তরের কাউন্সিলর রাবেয়া এবং বিভিন্ন থানার নেতৃবৃন্দ।

  • খালেদা জিয়ার বাসভবনে পুলিশের তল্লাশীর প্রতিবাদে ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে পুলিশি তল্লাশীর প্রতিবাদে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী থানা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের উদ্দ্যোগে বিএনপির সভপতি অধ্যক্ষ খুরশিদ আলম মতি ও সাধারন সম্পাদক মোস্তাক আহম্মেদ চৌধুরী খোকন এর নের্তৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল হয়। গত ২১শে মে রবিবার সন্ধা ৬টায় ফুলবাড়ী বিএনপি’র দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে ফুলবাড়ী পৌর শহর প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক পথ সভায় বক্তব্য রাখেন, ফুলবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভপতি অধ্যক্ষ খুরশিদ আলম মতি ও সাধারন সম্পাদক মোস্তাক আহম্মেদ চৌধুরী খোকন, সাংগঠননিক সম্পাদক আবুল বাসার, পৌর বিএনপি’র সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাজুল ইসলাম, যুবদলের সভাপতি তোফায়েল আহম্মেদ, সাধারন সম্পাদক আবু সাইদ, যুগ্ম-সম্পাদক শিবলী সাদিক, পৌর যুবদলের সভাপতি সাইদুর রহমান, সা: সম্পাদক গোলাফ্ফর হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছা সেবক দলের আহবায়ক নবাব আলী সরকার, পৌর স্বেচ্ছা সেবক দলের আহবায়ক আতিয়ার রহমান মিন্টু, থানা ছাত্র দলের সভাপতি মাহাবুব আলম মিলন, মোঃ মানিক মন্ডল, ফারুক হোসেন, ছামছুল ইসলাম ও মারুফ হোসেন প্রমূখ।

  • গণতন্ত্রের মুখোশে দেশে ‘এক ব্যক্তি’র শাসন চলছে: মির্জা ফখরুল

    গণতন্ত্রের মুখোশে দেশে এক ব্যক্তি’র শাসন চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের ওপর আক্রমন নয়, এটা গণতন্ত্রের ওপর আক্রমন, বাংলাদেশের মানুষের ওপর আক্রমন। গতকাল সোমবার বিকালে হোটেল পূর্বানীর বলরুমে মহানগর দক্ষিনের নবগঠিত কমিটির উদ্যোগে গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সাথে এই মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এই অভিযোগ করেন।মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে একটা খারাপ সময় চলছে। আমি বলি যে, সবচেয়ে খারাপ সময় বাংলাদেশের এই সময়টা। কারণ এখানে একটা গণতন্ত্রের মুখোশ পড়ে আছে। যারা দেশ শাসন করছে একটা মুখোশ পড়ে তারা প্রকৃতপক্ষে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করেছে। শুধু একদলীয় বললে বোধহয় ভুল বলা হবে, এক ব্যক্তির শাসন ব্যবস্থা চালু করেছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে সদ্য মরহুম জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান ও বিএনপির সাবেক মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের সহধর্মিনী মরহুম সাহেরা হোসেনসহ বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনে নিহত নেতা-কর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।গত ১৯ এপ্রিল মহানগর দক্ষিনে হাবিব উন নবী খান সোহেলকে সভাপতি ও কাজী আবুল বাশারকে সাধারণ সম্পাদক এবং উত্তরে আব্দুল কাইয়ুমকে সভাপতি ও আহসানউল্লাহ হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে আংশিক কমিটি অনুমোদন দেয় বিএনপি।মানুষ জিম্মি হয়ে আছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এখানে মানবাধিকার বলতে কিছু নেই, কাউকে জিজ্ঞাসা করা যায় না। জবাবদিহিতা বলতে কিছু নেই। একটা পার্লামেন্ট আছে নামে মাত্র, যে পার্লামেন্টে বিরোধী দল আছে যাকে সবাই বলে গৃহপালিত বিরোধী দল, যেখানে জনগণের সমস্যা নিয়ে কোনো আলোচনা হয় না। আজকে গোটা দেশের মানুষ জিম্মি হয়ে গেছে। এই অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।আরব ইসলামিক আমেরিকান সামিট প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আপনারা নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন, সৌদি আরবে একটা খুব বড় সম্মেলন হচ্ছে। খুব মজার ব্যাপার- এই সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো। যাদের প্রধান হয়ে ওখানে উপস্থিত হয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। পৃথিবীর সব মানুষই জানেন তিনি কী করছেন, কী কথা বলছেন। আজকে দুর্ভাগ্য আমাদের, সেইখানে আজকে এই ট্রাম্প আজকে প্রায় সভাপতিত্ব করছেন বলা যায় এবং সেখানে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত হয়েছেন। সেখানে পরিকল্পনা করছেন কীভাবে তারা ইসলামিক এক্সট্রিমিজমকে প্রতিরোধ করবেন।সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চুক্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে আমেরিকার একটা চুক্তি হয়ে গেছে সাড়ে ৭‘শ বিলিয়নের অস্ত্র সোদি আরব কিনবে আমেরিকার কাছ থেকে। এক আধ বিলিয়ন নয়, দিস ইজ দ্যা লার্জেস্ট ডিল, আজ পর্যন্ত যতগুলো ডিল হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বড় ডিল হচ্ছে এটা। এই যে একটা পরিস্থিতি সমগ্র বিশ্বজুড়ে, এই যে একটা মানুষের অধিকার হরণ করবার যে একটা পরিবেশ তৈরি হয়েছে, স্বাধীনভাবে কথা বলবার, সব কিছুর ক্ষমতা কেড়ে নেয়া হচ্ছে, সেসময়ে গণমাধ্যমে মুক্ত চিন্তায় দায়িত্ব পালন অত্যন্ত দুরহ বলে আমরা মনে করি।২০ মে গুলশানের কার্যালয়ে পুলিশি তল্লাশির ঘটনা সম্পর্কে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে যে আক্রমন হলো তল্লাশির নামে, এটাকে মিডিয়া যেভাবে তুলে ধরেছে, সেজন্য আমি মিডিয়াকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মিডিয়ার মধ্য দিয়ে গোটা জাতি জানতে পেরেছে, এই সরকার বিরোধী দলের সাথে কীরকম আচরণ করছে। ভারতসহ বিদেশী গণমাধ্যমেও সেই খবরটি এসেছে। আমরা বলতে চাই, এই আক্রমন দেশনেত্রীর কার্যালয়ের ওপর আক্রমন নয়, এটা গণতন্ত্রের ওপর আক্রমন, বাংলাদেশের মানুষের ওপর আক্রমন। আমরা সেজন্য বলেছি, এটা অশনি সংকেত। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য যে লড়াই আমরা শুরু করেছি, যে সংগ্রাম আমরা শুরু করেছি, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে বদলে দেয়ার জন্য যে নতুন ধারার সূচনা করেছি, তাকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য, তাকে সমূলে নির্মূল করে দেয়ার জন্য সরকার এই কাজটি করেছে। গুলশানের ঘটনার প্রতিবাদে সারাদেশে দলের ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচির পর পুলিশ কয়েক‘শ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তারে নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশও করেন তিনি। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার বিষয়ে দেশের গণমাধ্যমের ভুমিকার প্রশংসা করেন বিএনপি মহাসচিব।  নতুন ও প্রবীনদের সমন্বয়ের ঢাকার মহানগরের নতুন কমিটি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে কার্য্কর ভুমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে মির্জা ফখরুল। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন,  মহানগর দক্ষিনের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, প্রতিদিন নতুন নতুন ষড়যন্ত্র হচ্ছে, এগুলো কোনোটি দেশের মাটিতে এবং কোনোটি বিদেশে মাটিতে হচ্ছে। এসব মোকাবিলা করতে আমাদের প্রতিটি ওয়ার্ড ও মহল্লায় দলকে সংগঠিত করতে হবে। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আমাদের রাজপথ ছাড়া কোনো পথ নেই।দক্ষিনের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিবের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, দক্ষিনের সিনিয়র সহসভাপতি শামসুল হুদা প্রমুখ। শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন,  স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম খান নাসিম, ছাত্র দলের সভাপতি রাজিব আহসান, ঢাকা মহানগর বিএনপি দক্ষিনের সহসভাপতি ইউনুস মৃধা,

  • বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর কাউন্সিল নির্বাচিত

    বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর কাউন্সিলে রুবেল সভাপতি, জুয়েল সাধারণ সম্পাদক ও মনিরুজ্জামান সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত। শিক্ষা কাজের সংগ্রাম ও সন্ত্রাস-সাম্প্রদায়িকতা- সম্রজ্যবাদ বিরোধী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর ১৯ তম কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের অসমাপ্ত পর্ব জেলা কাউন্সিলরদের উপস্থিতিতে গতকাল  ১৯ মে ২০১৭, তোপখানা রোডস্থ ফেনী সমিতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সরাসরি ব্যালট পেপারে ভোটদানের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ফারুক আহমেদ রুবেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুল মোতালেব জুয়েল ও সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান বিবর্তন নির্বাচিত হন। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য নুর আহমদ বকুল, কেন্দ্রীয় নেতা আমিরুল হক আমিন, মোস্তফা আলমগীর রতন ও ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক কিশোর রায়। বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর কাউন্সিলে ৬৫ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে নবনির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি সংগঠনের নিজস্ব ওয়েব সাইটে (http://moitribd.org) প্রকাশ করা হবে।

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top