• মডার্ণ হারবাল গ্রুপের ৩৭ তম র্বর্ষপূর্তি উদযাপন

    মডার্ণ হারবাল গ্রুপের ৩৭ তম র্বর্ষপূর্তি শনিবার রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে উদযাপিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদ সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স এর সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. শমশের আলী, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব মিহির কান্তি মজুমদার, এশিয়ান টিভির চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, টিএমএসএস’র প্রতিষ্ঠাতা অশোকা ফেলো প্রফেসর ড. হোসনে আরা বেগম, শরীয়তপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খোকা শিকদার, পিডিবি’র সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার কেএম হাসান ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার সম্পাদক ড. এম. হেলাল অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। মডার্ণ হারবাল গ্রুপের প্রধান উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মডার্ণ হারবাল গ্রুপের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট হারবাল গবেষক ও চিকিৎসক ডা. আলমগীর মতি, উপদেষ্টা মোঃ তারিক বিন হোসেন ছাড়াও মডার্ণ হারবাল গ্রুপের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পরিবেশকবৃন্দ।

  • নারায়ণগঞ্জে ১ হাজার একর জমিতে হচ্ছে জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল

    নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে প্রায় ১ হাজার একর জমির ওপর গড়ে তোলা হচ্ছে জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল। অঞ্চলটিতে ডেভেলপার হিসেবে কাজ করবে জাপানের বিশ্ববিখ্যাত কোম্পানি সুমিতোমো করপোরেশন। ইতোমধ্যে ৫০০ একর জমি অধিগ্রহণ করেছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। আজ আরো ৫০০ একর জমি বেজার কাছে হস্তান্তর করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। এ উপলক্ষে বেজা কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নজরুল ইসলাম বাবু,বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী,নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া বেজার মহাব্যবস্থাপক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. মনিরুজ্জামানের কাছে জমির মালিকানা হস্তান্তর করেন।অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেন, জাপানিজ অঞ্চল গড়ে তোলা বেজার জন্য একটি মাইলফলক এবং ঐতিহাসিক ঘটনা। বেজা জিটুজি ভিত্তিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের লক্ষ্যে নানা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চলে জাপানের বিনিয়োগকারীরা পরিকল্পিত এবং পরিবেশবান্ধব শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।মো. নজরুল ইসলাম বাবু বেজার কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন,অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের মধ্যে দিয়ে নারায়ণগঞ্জের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। এর মাধ্যমে পরিকল্পিত শিল্পায়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ইতোমধ্যে সুমিতোমো করপোরেশনের সাথে জয়েন্ট ভেঞ্চার চুক্তির প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।এই অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের মাধ্যমে জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ, দেশে শিল্পায়নের বিকাশ এবং কর্মসংস্থানের গতি ত্বরান্বিত হবে।

  • চিনি শিল্পকে লাভজনক করতে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব চিনিকলগুলোকে পণ্য বৈচিত্রকরণের নির্দেশ... শিল্পমন্ত্রীর

    ।।শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন রাষ্ট্রায়ত্ত্ব চিনিকলগুলোতে পণ্য বৈচিত্রকরণ কর্মসূচি গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেন, বেসরকারি খাতের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সক্ষমতা অর্জনে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব চিনিকলগুলোতে পণ্য বৈচিত্রকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। এ শিল্পকে লাভজনক করতে চিনিকলে শুধু চিনি করলেই চলবে না, অন্যান্য খাদ্যপণ্যও উৎপাদন করতে হবে। এ লক্ষ্যে তিনি কার্যকর প্রকল্প গ্রহণ ও তা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।শিল্পমন্ত্রী আজ রোববার শিল্প মন্ত্রণালয়ের ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এ নির্দেশ দেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় শিল্প সচিব মোঃ আবদুল হালিম, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থা ও কর্পোরেশনের প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় জানানো হয়, শিল্প মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ১০টি নতুন প্রকল্পসহ মোট ৫২টি উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে। এর মধ্যে ৪৭টি বিনিয়োগ প্রকল্প, ৪টি কারিগরি এবং ১টি নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্প রয়েছে। সব মিলিয়ে এসব প্রকল্পে বরাদ্দের পরিমাণ ১ হাজার ৬৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর মধ্যে জিওবি-খাতে ৯শ’ ৩৭ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, প্রকল্প সাহায়তা খাতে ৫৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নখাতে ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।সভায় প্রকল্পগুলোর সর্বশেষ বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় প্রকল্প সম্পর্কিত সমস্যাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়। একই সাথে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে কেন্দ্রিয়ভাবে প্রকল্পের বাস্তবায়ন তদারকি এবং অগ্রগতির চিত্র গণমাধ্যমে প্রচারের তাগিদ দেয়া হয়।চিনি শিল্পকে বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প হিসেবে উল্লেখ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, কৃষিভিত্তিক এ শিল্পকে লাভজনক করতে চিনিকলের উপজাত (বাই-প্রোডাক্ট) ব্যবহার করে নতুন পণ্য উৎপাদনের উদ্যোগ নিতে হবে। চিনিকলগুলোতে বিদ্যমান কাঁচামাল ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদনের প্রয়াস জোরদার করার পাশাপাশি ছোট ও নি¤œমানের প্রকল্প না নিয়ে বৃহৎ আকারে কার্যকর প্রকল্প গ্রহণেরও পরামর্শ দেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে ঘন ঘন খুচরা যন্ত্রাংশ বদলানোর প্রয়োজন হয়, সেগুলো পরিহার করে গুণগতমানের প্রকল্প গ্রহণ এবং দক্ষতার সাথে ওই সব প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিতে হবে।হুমায়ূন মজিদ বলেন, সরকারের ইশতেহার বাস্তবায়ন শিল্প মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অন্যতম দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে টিম স্প্রিটের সাথে সবাইকে কাজ করতে হবে।তিনি আসন্ন ঈদ-উল-আযহার আগেই চামড়া শিল্পনগরির কাজ সমাপ্ত করার তাগিদ দেন। ঈদের সময় চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ নিয়ে যাতে কোনো ধরণের সমস্যা না হয়, সে লক্ষ্যে এখন থেকেই সর্বোচ্চ সতর্ক থেকে কাজ করার জন্যও মন্ত্রী চামড়া শিল্পনগরি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। 

  • আবারো বাড়ছে গ্যাসের দাম

    আবারো বাড়ছে সব ধরনের গ্যাসের দাম। কাল থেকে গ্যাসের দাম বাড়ানোর ওপর শুনানি করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসি। এর আগে, সব প্রস্তুতি নিয়েও নির্বাচনের আগে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া থেকে সরে আসে তারা। গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলো গড়ে ৬৬ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। তবে ভোক্তারা বলছে, গ্যাস সংকট না মিটিয়ে দাম বাড়ানো অযৌক্তিক। ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের মতে, একই অর্থ বছরে দু’বার গ্যাসের দাম বাড়ানো বেআইনি। রাজধানীর কোথাও কোথাও বাসা-বাড়িতে রান্নার সময় চুলায় গ্যাস পাওয়া যায় না। নিরুপায় হয়ে মধ্যরাতে রান্না করতে হয়। নইলে থাকতে হয় দুপুরের পর গ্যাস আসার অপেক্ষায়। গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলো চায়, এক বার্নারের গ্যাসের চুলা ৭৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা, আর-দুই বার্নারের চুলা ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২০০ টাকা করতে। মিটারযুক্ত চুলায় প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ৯ টাকা ১০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৬৫ পয়সা করার প্রস্তাবও দিয়েছে গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলো। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে ৩ টাকা ১৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৬৬ পয়সা, সার কারখানায় ২ টাকা ৭১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা, ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে ৯ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৫ টাকা ৭০ পয়সা, শিল্প কারখানায় ৭ টাকা ৭৬ পয়সা থেকে ১৫ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে তারা। সিএনজির গ্যাসের দাম ৩২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে কোম্পানিগুলো। ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানির কারনে সরকার গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। গ্যাসের দাম বাড়ানো নিয়ে ১১ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত গণশুনানি চলবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে।

  • জাপানি বিনিয়োগ উন্নয়নকে আরো বেগবান করবে

    বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্শি বলেছেন, জাপান বাংলাদেশে বড় উন্নয়ন সহযোগী। জাপানি বিনিয়োগ বাংলাদেশের উন্নয়নকে আরো বেগবান করবে। আজ বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় “ডুয়িং বিজনেস উইথ জাপান” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশন অফ সফট ওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিস (বেসিস) এবং সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) ডিভিশনের যৌথ উদ্যোগে দেশের আইসিটি খাতের অন্যতম বৃহত প্রদর্শনী তিন দিনব্যাপী ‘১৫তম বেসিস সফট এক্সপো-২০১৯’ এর প্লেনারি সেশনে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতার পর থেকেই জাপান বাংলাদেশের উন্নযনে সহযোগিতা দিয়ে আসছে। বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগের পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সকল বাঁধা দূর করে বিনিয়োগকারীদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে জাপানকে একটি বড় ইকোনমিক জোন বরাদ্দ দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সেখানে জাপানের বিনিয়োগকারীগণ বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন। বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, জাপানের উন্নয়নের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বেশ কাজে লাগবে। ইতোমধ্যে দেশের অনেক বড় বড় প্রকল্পে জাপন কাজ করতে এগিয়ে এসেছে। জাইকা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে উন্নয়নের সহযোগি। বিনিয়োগের সুবিধান জন্য বাংলাদেশে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, অবকাঠামোর উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সকল বাঁধা দূর করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। টিপু মুন্শি বলেন, আইসিটি ক্ষেত্রে জাপান অনেক উন্নত। এক্ষেত্রে জাপান বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে পারে। ইতোমধ্যে জাপান বাংলাদেশের অনেক বড় বড় প্রকল্পে কাজ শুরু করেছে। জাপানের বাজারেও বাংলাদেশে তৈরী পোশাকের বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। দিন দিন জাপানে বাংলাদেশের তৈরী পোশাকের চাহিদা বাড়ছে। ওয়ান স্টপ সার্ভিস প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগের পদ্ধতি ও আনুষ্ঠানিকতা সহজ করা হয়েছে। এখন এক খানেই সকল কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। জাপানের জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগের দরজা খোলা। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাপান ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান শোলচি কোবেয়াশি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইনভেষ্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম, জাপান বাংলাদেশ সোসাইটির চেয়ারম্যান ও জাপানের সাবেক রাষ্ট্রদূত মাটসুশিরো হোরিকুচি এবং জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ-এর জেনারেল সেক্রেটারি তারেক রাফি ভূঁইয়া।

  • ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও সার দেয়া হবে

    টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণের জন্য প্রণোদনা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। প্রতি বছরের মতো এবারো (খরিপ ১/২০১৯-২০) মৌসুমে উফশী আউশ আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক গতকাল (২১ মার্চ) নিজ মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এ সময় কৃষি সচিব নাছিরোজ্জামানসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বর্তমান সরকার আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদারকরণের মাধ্যমে কৃষি ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও অগ্রগতি সাধন করেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা ও উন্নত পুষ্টিমান অর্জন এবং কৃষির প্রসারে বিভিন্ন ফসলের উদ্ভাবন, উফশী জাত ব্যবহার, উন্নত কৃষি প্রযুক্তি প্রবর্তন করেছে। আউশ ফসল আবাদে কৃষকদের উৎসাহিত করতে আবাদের এলাকা বৃদ্ধি ও পতিত জমি আবাদের আওতায় আনা, কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে অভ্যস্ত করে তোলা এবং একই সঙ্গে উচ্চফলনশীল জাতের আউশ ধান আবাদ বাড়িয়ে কৃষকের আয় বৃদ্ধি করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ খরিপ মৌসুমে কৃষক প্রতি সর্বোচ্চ এক বিঘা জমির জন্য বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার প্রদানের প্রণোদনা কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে জানিয়ে ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘এ প্রণোদনা কার্যক্রমের আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় চার লাখ ৫৮ হাজর ২২৬ জন কৃষককে উফশী আউশ বীজ ও সার বিতরণ করা হবে। এ বাবদ ব্যয় হবে মোট ৪০ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার ৭৫০ টাকা। একজন কৃষক এক বিঘা জমির জন্য ৫ কেজি ধানের বীজ (প্রতিকেজি ৫৮ টাকা হিসেবে ২৯০ টাকা), ১৫ কেজি ডিএপি সার (প্রতি কেজি ২৩ টাকা হিসেবে ৩৪৫ টাকা), ১০ কেজি এমওপি সার (প্রতি কেজি ১৩ টাকা হিসেবে ১৩০ টাকা), পরিবহন ব্যয় ৯০ টাকা এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় ২০ টাকাসহ মোট ৮৭৫ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে।’ কৃষিমন্ত্রী জানান, খরিপ-১ মৌসুমে আউশ প্রণোদনা কার্যক্রম সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দানা জাতীয় খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধিসহ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। পাশাপাশি উত্তরাঞ্চল, মধ্যাঞ্চল ও বরেন্দ্র এলাকায় যেখানে সেচ সুবিধা নেই সেখানে বোরো আবাদ ব্যাহত হয় এবং এই সমস্ত এলাকায় বোরোর পরিবর্তে আউশ আবাদ উৎসাহিত করতে আউশ নির্ভর জেলাসমূহে উচ্চ ফলনশীল আউশের জাত অধিক জনপ্রিয় করতে সরকার এ প্রণোদনা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে আউশ মৌসুম সারাদেশে ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৪১২ হেক্টর জমিতে আউশ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এরমধ্যে ৬১ হাজার ৩৫৪.০৮১ হেক্টর জমিতে এ প্রণোদনা কার্যক্রমেন মাধ্যমে জমির জন্য বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হবে। প্রণোদনার আওতাধীন জমি থেকে চাল উৎপাদন হবে প্রায় এক লাখ ৫৬ হাজার ৪৫২ মেট্রিক টন যার মূল্য ৫৭৮ কোটি ৮৭ লাখ ৫৭ হাজার ৫৪০ টাকা। খড় উৎপাদন হবে দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬৪৩ মেট্রিক টন যার মূল্য ২৪ কোটি ৬৬ লাখ ৪৩ হাজার ৪০৬ টাকা। অর্থাৎ চাল ও খড় উৎপাতন বাবদ মোট আয় হবে ৬০৩ কোটি ৫৪ লাখ ৯৪৫ টাকা।

  • নীল অর্থনীতিতে বাংলাদেশর সংলাপ

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী সময়ে ব্যাংকের এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি এটিএম বুথ, পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), ই-পেমেন্ট গেটওয়ে, মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এর মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে। ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) বুথের ক্ষেত্রে সার্বক্ষণিক এটিএম সেবা নিশ্চিত করতে হবে।এটিএম বুথে কোনো ধরনের কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে দ্রুততম সময়ে সমাধান করতে হবে।এ ছাড়া পর্যাপ্ত টাকা সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি বুথে সার্বক্ষণিক পাহারাদারের সতর্ক অবস্থানসহ অন্যান্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পয়েন্ট অব সেল (পিওএস)-এর ক্ষেত্রে সার্বক্ষণিক পিওএস সেবা নিশ্চিত করা এবং জালিয়াতি রোধে মার্চেন্ট এবং গ্রাহককে সচেতন করতে হবে। ই-পেমেন্ট গেটওয়ের ক্ষেত্রে কার্ডভিত্তিক ‘কার্ড নট প্রেজেন্ট’ লেনদেনের ক্ষেত্রে টু ফেক্টর অটেনটিফিকেশন (২ এফএ) ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে। প্রসঙ্গত, আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গ্রহণের দিন দেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। এর আগে ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার। ওই দুইদিন সপ্তাহিক ছুটির কারণে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ভোটের পরদিন ৩১ ডিসেম্বর দেশের ব্যাংকগুলো ‘ব্যাংক হলিডে’ পালন করবে। ওইদিন সব ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ থাকবে। এ হিসেবে ২৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা চারদিন দেশের কোনো ব্যাংকেই লেনদেন হবে না।

  • দিনাজপুরের গুলশাল মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে জহির শাহ্ ও রেজাউল করিম পুনরায় নির্বাচিত

    দিনাজপুর শহরের প্রাণ কেন্দ্র গণেশতলাস্থ ঐতহ্যবাহি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান গুলশান মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির ৩ বছর মেয়াদী কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে সভাপতি পদে আলহাজ্ব জহির শাহ্ ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ রেজাউর করিম পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। ৩ বছর মেয়াদী কার্যনির্বাহী পরিষদের ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যান্য নির্বাচিত সদস্যরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্বাস আলী, যুগ্ম সাম্পাদক (১) মোঃ আজিজুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক (২) জগদিশ রায়, কোষাধ্যক্ষ বিনয় কুমার রায়, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ আজাদ কামাল এবং নির্বাহী সদস্য জামাল হোসেন, প্রদীপ কুমার মাহাতো, বিপ্লব খাজাঞ্চী মাহমুদুর রশিদ (ভাদু), মোঃ আসাদুল, আসলাম পারভেজ, হোসনে আরা শিউলী ও নাজমা খাতুন। সভাপতি আলহাজ্ব জহির শাহ্ বলেন মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যবৃন্দ আমাকে এবং আমার কমিটিকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা তাদের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। ব্যবসায়ীদের যে কোন সমস্যা সমাধানে আমরা অতীতে যে ভূমিকা রেখেছি আগামীতেও সে ভূমিকা আমাদের অব্যাহত থাকবে। সদস্যদের সহযোগিতা পেলে এই মার্কেটকে আমরা একটি মডেল মার্কেট হিসেবে গড়ে তুলবো।

  • বিনিয়োগ বাড়াতে অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরী

    গত এক দশকে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। যা বৈশ্বিক পরিমন্ডলে প্রশংসিত হচ্ছে। তবে সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাঙ্খিত মাত্রায় উন্নয়ন পেতে বৈদেশিক এবং স্থানীয় উভয় পর্যায়ে বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়াতে হবে। এর জন্য যোগাযোগ অবকাঠামো, বন্দর, জ্বালানী নিরাপত্তা এবং কর সহজীকরণসহ বিনিয়োগবান্ধব নীতিতে সংস্কার আনতে হবে। রোববার রাজধানীর শেরেবাংলানগর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)’র ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘গেটওয়ে টু গ্রোথ এন্ড ইনভেস্টমেন্ট’ বিষয়ক কর্মঅধিবেশনে বক্তারা এমন অভিমত তুলে ধরেন। ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসিবি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মূখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম, এ্যাপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইএফসি) জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ও প্রোগ্রাম ব্যবস্থাপক ড. এম মাসরুর রিয়াজ, ইনসেপ্টা ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মুক্তাদির, জাপান আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা জেট্রোর আবাসিক কার্যালয়ের প্রতিনিধি তাইকি কোগা আলোচনায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টাড মালয়েশিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবরার এ. আনোয়ার। মো. নজিবুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন,বেসরকারিখাতকে সরকার অর্থনীতি বা প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন বলে বিবেচনা করে। সেজন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য বা শিল্পায়নকে ফ্যাসিলিয়েট করা হচ্ছে। তবে তিনি বিনিয়োগ প্রবাহ তরান্বিত করতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন,দেশে এখন যোগ্য ও দূরদর্শী রাজনৈতিক নেতৃত্ব রয়েছে।ভিশনারি এই নেতৃত্ব বা সরকার ব্যবসায়ীদের যে কোন ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। সরকারের ব্যবসাবান্ধব নীতির কারণে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) ভিত্তিতে অনেক কিছু হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ভৌগলিকভাবে বাংলাদেশের অবস্থান অত্যন্ত চমৎকার ও সম্ভাবনাময় উল্লেখ করে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য শামসুল আলম বলেন,বাংলাদেশকে আঞ্চলিক বিনিয়োগ প্রবেশদ্বার হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। এর জন্য দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে সড়ক ও রেল যোগাযোগ বাড়াতে হবে।দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, মেগা প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়ন হলে যোগাযোগ ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হবে। অনুষ্ঠানে এ্যাপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, বিনিয়োগ প্রবেশদ্বার হওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সামনে অনেক চ্যালেঞ্চ রয়েছে। যেমন-যোগাযোগ অবকাঠামোর অপর্যাপ্ততা, জ্বালানি নিরাপত্তা,বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী থাকার পরও দক্ষ মানবসম্পদের অভাব, উচ্চ করহার এব কর জটিলতা, ডয়িং বিজনেস পরিস্থিতি এবং বিমানবন্দরে সন্তোষজনক পর্যায়ে সেবা না পাওয়া। এসব ক্ষেত্রে উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারলে এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের বিনিয়োগ প্রবাহের আমূল পরিবর্তন ঘটবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। আইএফসির অর্থনীতিবিদ মাসরুর রিয়াজ গত এক দশকে বাংলাদেশের আর্থ-সামিজক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ৬ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। নারীর ক্ষমতায়নে দক্ষিণ এশিয়ায় সেরা। শ্রম খরচ কম এবং ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্টের কারণে ম্যানুফেকচারিং সুবিধা রয়েছে। পাশাপাশি ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ আঞ্চলিক বিনিয়োগ হাব হিসেবে গড়ে উঠতে পারে বলে তিনি মনে করনে। আবরার এ. আনোয়ার তার মূল প্রবন্ধে বিনিয়োগ প্রবাহ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য গতিশীলতা বৃদ্ধির জন্য বাণিজ্য ও শিল্পায়ন সংশ্লিষ্ট আইন আরো সহজ করার পরামর্শ দেন।

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top