• ট্রাম্পের ফোন ট্যাপিংয়ের তদন্ত চায় হোয়াইট হাউস

    আমেরিকায় বিগত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারাভিযানের সময় ওবামা প্রশাসন ক্ষমতার অপব্যবহার করেছিল কিনা, তা মার্কিন কংগ্রেসকে পরীক্ষা করে দেখতে আহ্বান জানিয়েছে হোয়াইট হাউস কর্তৃপক্ষ।এর আগে, গত শনিবার বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বিরুদ্ধে তার ফোন ট্যাপ বা ফোনে আঁড়ি পাতার অভিয়োগ তোলেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও এর পক্ষে তিনি কোন প্রমাণ দেননি।তবে সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামার একজন মুখপাত্র বলেছেন, অভিযোগ মিথ্যা। তিনি কখনো কোন মার্কিন নাগরিকের ওপর নজরদারির নির্দেশ দেননি।ইতিমধ্যে বিগত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার ভূমিকা নিয়ে কংগ্রেস একটি তদন্ত করছে। ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার বলেছেন, সেই তদন্তে এটাও দেখা উচিৎ যে সাবেক প্রেসিডেন্ট তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছিলেন কিনা।এদিকে, বেশ কজন রিপাবলিকান এবং ডেমোক্রেট রাজনীতিক প্রমাণ হাজির করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তিনি বা তার কোনও মুখপাত্র কোন প্রমাণ দেননি।  

  • আমেরিকান চেতনা পুনরুজ্জীবিত’ করার অঙ্গীকার

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম কংগ্রেস বক্তৃতায় ‘আমেরিকান চেতনা পুনরুজ্জীবিত’ করার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘আমেরিকান চেতনার পুনরুজ্জীবন’ প্রত্যক্ষ করছে। ট্রাম্প সম্প্রতি ইহুদী সমাধিক্ষেত্রে তাণ্ডব ও কানসাসে ঘৃণাজনিত হামলায় এক ভারতীয়কে হত্যার তীব্র নিন্দা জানান।   মঙ্গলবার রাতে ঘণ্টাব্যাপী দীর্ঘ বক্তৃতায় ট্রাম্প সাম্প্রতিক ঘৃণাজনিত অপরাধের উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা এমন একটি দেশে বাস করি যেখানকার মানুষ একসঙ্গে সকল ঘৃণাজনিত অপরাধের নিন্দা জানায়। এদেশের মানুষ সব ধরনের অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। ’  অভিবাসীদের ব্যাপারে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ‘বাস্তবসম্মত ও ইতিবাচক’ সংস্কার সম্ভব। তিনি অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতা প্রদানে একটি উপায় বের করতে পারেন বলে উল্লেখ করেন। এই ইস্যুতে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেয়ার সময়ে ট্রাম্প ‘অভিবাসন আইন প্রয়োগের মাধ্যমে’ মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন। তিনি এর আগে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ব্যাপারে আত্মপক্ষ সমর্থন করেন। ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশিপ বাণিজ্য চুক্তি প্রত্যাহার ও মার্কিন-মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের ব্যাপারে যুক্তি তুলে ধরেন ট্রাম্প।

  • পশ্চিম মসুলে অবরুদ্ধ আইএস

    ইসলামিক স্টেটের (আইএস) শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ইরাকের মসুল শহরের পশ্চিমাঞ্চল থেকে বের হওয়ার শেষ প্রধান সড়কটিও বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত ইরাকি সেনাবাহিনী। এর ফলে ওই শহরটির একটি এলাকার মধ্যে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে আইএস জঙ্গিরা। বুধবার ইরাকি সেনাবাহিনীর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেনারেল এবং স্থানীয়রা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।   আইএসের দখলমুক্ত করতে পরিচালিত অভিযানের ১০০ দিন পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে মসুলের পূর্বাঞ্চল পুনরুদ্ধার করে ইরাকি বাহিনী। এরপর ১৯ ফেব্রুয়ারি টাইগ্রিস নদীর অপর পাড়ে পশ্চিম মসুলে অভিযান শুরু হয়। পশ্চিম মসুলে আইএসকে পরাজিত করতে পারলে ইরাকে জঙ্গিগোষ্ঠীটির দখলদারিত্ব কার্যত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

  • উত্তর কোরিয়ার কাছে ‘৫ হাজার টন’ রাসায়নিক অস্ত্র মজুদ

    উত্তর কোরিয়ার কাছে পাঁচ হাজার টন রাসায়নিক অস্ত্র মজুদ আছে। সম্প্রতি এমনটাই দাবি করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সেই সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের সৎ ভাই কিম জং ন্যামের হত্যাকাণ্ডে যে রাসায়নিক পদার্থ ভিএক্স ব্যবহৃত হয়েছে তাও উত্তর কোরিয়ার কাছে বলে দাবি করেছে তারা। স্থানীয় সময় শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে ওই দাবি তোলা হয়। খবর এএফপির।   দক্ষিণ কোরিয়ার এক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক জানান, উত্তরের কাছে বিপুল পরিমাণ ভিএক্স রয়েছে। এই ভিএক্স অনেক কম খরচে তৈরি করা যায়। একজন মানুষের স্নায়ু ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে বিষাক্ত এই রাসায়নিকের এক ফোঁটাই যথেষ্ঠ। এদিকে মালয়েশিয়ার পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছেউত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের ভাই কিম জং ন্যামকে এই পদার্থ ব্যবহার করে হত্যা করা হয়। মালয়েশিয়ার পুলিশ জানায়, কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে কিম জং ন্যামের মুখমণ্ডলে ভিএক্স মেখে দেওয়া হয়েছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। ওই সময় তিনি কুয়ালালামপুর থেকে ম্যাকাও যাচ্ছিলেন।

  • চীনে হোটেলে অগ্নিকাণ্ড : ৩ জনের প্রাণহানি, ১৪ জন আহত

    চীনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় নগরী নানচ্যাংয়ে শনিবার সকালে বড়ো ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে তিন জনের প্রাণহানি ও অন্তত ১৪ জন গুরুতর আহত হয়েছে। এ সময় বেশ কয়েকজন হোটেলটিতে আটকা পড়েছে বলে আশংকা করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ছবিতে দেখা গেছে এইচএনএ প্লাটিনাম মিক্স হোটেলের বেশ কয়েকটি তলা থেকে কালো ধোঁয়া বেরিয়ে আসছে। হোটেলটির আশপাশে বেশ কয়েকটি ফায়ার ইঞ্জিন ও অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। সর্বশেষ গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়েছে এবং উদ্ধারকর্মীরা ভবনটিতে আটকে পড়াদের সন্ধানে তল্লাশী চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সময় সকাল আটটার দিকে চারতলা হোটেল ভনটির তৃতীয় তলায় আগ্নিকা- শুরু হয়।

  • অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন মেয়ররা

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন ছোট-বড় শহরগুলোর মেয়ররা। ট্রাম্প নিজের বহুল পরিকল্পিত অভিবাসন নীতি সংস্কারে সহযোগিতা না করলে নগরগুলোকে অর্থ যোগান দেওয়া হবে না জানিয়ে আদেশ জারির পরও তার বিরুদ্ধে এ প্রতিবাদ চলছে। নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো, বোস্টন, টেক্সাস, নিউ হ্যাভেন, সাইরাক্রজ ও অস্টিনের মতো শহরগুলোর মেয়ররা ট্রাম্পের আদেশের জবাবে উল্টো বলেছেন, প্রেসিডেন্ট এ ধরনের অবস্থানে চলে গেলে তারাও সমানভাবে লড়াই করবেন। কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে নিউইয়র্ক নগরীর মেয়র বিল ডে ব্লাসিও বলেন, “আমরা আমাদের জনগণকে সুরক্ষা দিতে সব রকমের পদক্ষেপ নেবো। তারা কোথা থেকে এলো বা তাদের ধর্ম কী সেটা দেখা আমাদের বিবেচ্য নয়। আর শিকাগোর মেয়র রাম এমানুয়েল ঘোষণা দেন, “আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই; আমরা একটি নিরাপদ শহরে থাকছি। আমাদের মধ্যে কোনো অপরিচিত নেই। তিনি নগরবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, “তুমি যদি আমেরিকা গড়ার স্বপ্ন দেখো তবে স্বাগত, তুমি কি পোল্যান্ড না পাকিস্তান থেকে এলে, নাকি আয়ারল্যান্ড, ইন্ডিয়া বা ইসরায়েল থেকে এলে, নাকি মেক্সিকো বা মলদোভা থেকে এলে, অথবা তোমার দাদা-নানারা কোথা থেকে এসেছেন তা আমেরিকানদের কাছে বিবেচ্য নয়। অনুমোদন ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিবাসীদের আটক করে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিতে ট্রাম্প সম্প্রতি ওই আদেশ জারি করেন। তার জবাবে ক’দিন ধরে শহরগুলোর মেয়র ও কর্মকর্তারা এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে আসছেন। তাদের এই জবাবের মধ্যেই শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) অভিবাসন বিষয়ে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন ট্রাম্প। সেই আদেশের আওতায় মার্কিন মুলুকে যেকোনো ধরনের শরণার্থী প্রবেশ বন্ধ থাকবে আগামী ৪ মাস। আর সিরিয়ার ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত। ট্রাম্প তার আদেশে সিরিয়া ছাড়াও মুসলিমপ্রধান আরও ৬টি দেশের ভিজিটর বা দর্শনার্থী প্রবেশ পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছেন ৩ মাসের জন্য। সে ৬টি দেশ হলো ইরাক, ইরান, ইয়েমেন, লিবিয়া, সোমালিয়া ও সুদান। কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রমে বাধ্য করতে ট্রাম্পের ওই আদেশ জারির পর সান ফ্রান্সিসকোর মেয়র এড লি আরেক শহর ওকল্যান্ডের মেয়র  লিবি স্কফের সঙ্গে যৌথভাবে দেওয়া বিবৃতিতে বলেন, “আমরা কোনো হুমকি বা রাজনৈতিক প্রভাবে আত্মসমর্পণ করবো না। আজ এই উপসাগরীয় এলাকা সত্যিকারার্থে আমাদের অংশগ্রহণমূলক মূল্যবোধ, সমবেদনা ও সমতার প্রশ্নে এক সারিতে দাঁড়িয়েছি। আমরা আমাদের বাসিন্দা, শহর ও দেশকে বিভাবিজত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। বোস্টনের মেয়র মার্টিন জে ওয়ালশ বলেছেন সবচেয়ে কড়া কথা,  আজ যারা হুমকিবোধ করছো, বিপদ শঙ্কায় ভুগছো তোমরা বোস্টনে নিরাপদ। তোমাদের সুরক্ষিত রাখতে আমরা সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবো। প্রয়োজনে আমরা নগর হলকে তোমাদের আশ্রয়কেন্দ্র বানাবো। এমনকি নিজের অফিসকেও অভিবাসীদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র বানানোর কথা বলেন ওয়ালশ। বোস্টন মেয়র বলেন, “তারা আমার অফিস ব্যবহার করতে পারে, এই ভবনের যেকোনো অফিস তারা ব্যবহার করতে পারে। তারা এই ভবনকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল ভাবতে পারে। এদিকে ট্রাম্পের ওই আদেশ জারির পর ক্যালিফোনিয়ার সিনেটরদের একটি দল জানিয়েছে, তারা সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এরিক হোল্ডারের সঙ্গে আলাপ করে আদালতে আশ্রয় নেবেন। তারা মনে করেন, স্থানীয় সরকারকে প্রভাবিত করতে ট্রাম্পের এই আদেশ সংবিধানের ১০ম সংশোধনীর লঙ্ঘন।

  • আজ রাতে মোদীর সঙ্গে কথা বলবেন ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথগ্রহণের পর থেকেই তাঁর নীতি কী হবে, এর প্রভাব ভারতের ওপর কী হবে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। শপথগ্রহণের মঞ্চে ট্রাম্পের বক্তৃতা থেকে বিভিন্ন বার্তা ভারতের কাছে এসে পৌঁছেছে, দুশ্চিন্তার মেঘ দেখা গেছে ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলোতে। তবে আপাতত সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে, আজ রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এই আলাপচারিতা থেকে কূটনৈতিক মহলের আশা সর্বস্তরে দু দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। ট্রাম্পের মঙ্গলবারের সারাদিনের একটি রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে হোয়াইট হাউসের তরফে। সেখানেই জানা গিয়েছে ভারতীয় সময় আজ রাত সাড়ে এগারোটার সময় মোদীর সঙ্গে কথা বলবেন ট্রাম্প। এর আগে মোদী শেষবার ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছিলেন নভেম্বরে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদের জন্যে লড়াইয়ে যখন তিনি হিলারি ক্লিন্টনকে হারিয়ে প্রেসিডেন্ট পদের জন্যে নির্বাচিত হয়েছিলেন। জানুয়ারির ২০, ২০১৭ প্রেসিডেন্ট পদে শপথগ্রহণ করেন ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত নিরুপমা রাওয়ের এই আসন্ন বৈঠক প্রসঙ্গে মন্তব্য, ভারত সরকারের একমুহূর্ত সময় নষ্ট না করে, এই আলাপচারিতাকে দু দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্যে ব্যবহার করা। অথচ সূত্রের খবর, নয়াদিল্লি এখনও কিছুটা দ্বন্দ্বে রয়েছে, ট্রাম্প পরিচালিত মার্কিন সরকার ভারতের প্রসঙ্গে কী ভাবনা-চিন্তা করছে। প্রসঙ্গত, ট্রাম্প তাঁর শপথ বক্তৃতায় ভারতের সঙ্গে মার্কিন বিদেশনীতির উন্নতি নিয়ে তেমন আশাব্যঞ্জক কিছু শোনাননি। বরং তিনি মার্কিনবাসীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তাঁদের থেকে হারিয়ে যাওয়া কাজের সুযোগ, ফের তাঁদের ফিরিয়ে দেবেন। এর সঙ্গে তিনি সারা বিশ্বের সামনে ‘বাই আমেরিকান, হায়ার আমেরিকান’ নীতির স্বপক্ষে সওয়াল করেছেন, আর সেটা মোটেই ভারতের জন্যে সুখবর নয়। এমনকি তিনি ভারতের কল সেন্টার কর্মীদের ইংরাজি উচ্চারণকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি। এছাড়া অভিবাসীদের মার্কিন মুলুকে প্রবেশ রুখতে গ্রিন কার্ড ইস্যু আপাতত বন্ধের ভাবনা রয়েছে ট্রাম্পের। একইসঙ্গে এইচ-ওয়ান বি ভিসার নিয়মকাননের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে চাইছেন তিনি। এরফলে মার্কিন সংস্থাগুলো তুলনায় কম বেতন দিয়ে বিদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ করতে পারবে না। প্রসঙ্গত, ভারতীয়রাই সবচেয়ে বেশি এইচ-ওয়ান বি ভিসা ব্যবহার করতেন।

  • নাফটা চুক্তি নিয়ে বৈঠক করবেন ট্রাম্প

    সদ্য দায়িত্ব নেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শিগগিরই মেক্সিকো ও কানাডার সঙ্গে উত্তর আমেরিকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (নাফটা) নিয়ে বৈঠক করবেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর রবিবার তিনি হোয়াইট হাউসের শীর্ষ কর্মকর্তাদের একথা বলেছেন। ৩১ জানুয়ারি ট্রাম্প মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট এনরিক পেনা নিয়েতোকে অভ্যর্থনা জানাবেন এবং শিগগিরই কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রবিবার হোয়াইট হাউসের সিনিয়র স্টাফদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতাকালে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা নাফটা নিয়ে পুনরায় আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছি।’ একদিন ট্রাম্প টেলিফোনে পেনা নিয়েতো ও জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তারা উত্তর আমেরিকায় অর্থনৈতিক সংহতি জোরদারে একমত হন। নির্বাচনি প্রচারণাকালে ট্রাম্প অঙ্গীকার করেছিলেন, তিনি নির্বাচিত হলে গত ২২ বছরের পুরানো নাফটা চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরো সহায়ক করতে পুনরায় আলোচনা শুরু করবেন। হোয়াইট হাউসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ট্রাম্পের আমেরিকা ফার্স্ট ফরেন পলিসিতে বলা হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নাফটা নিয়ে পুনরায় আলোচনা করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। যদি আমাদের অংশীদাররা আলোচনা করতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে আমেরিকা যেটা সঠিক সেটাই করবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নাফটা থেকে সরে আসার যুক্তরাষ্ট্রের অভিপ্রায়ের নোটিশ দেবেন।’ গত নভেম্বরে ট্রাম্প বিজয়ী হওয়ার পর মেক্সিকো ও কানাডা নাফটা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহের কথা ঘোষণা করে। বেশিরভাগ রফতানি পণ্য শুল্কমুক্ত ও শুল্ক হ্রাসের লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ রফতানি বাণিজ্য চুক্তি নাফটা স্বাক্ষর করা হয়। ১৯৯৪ সালে এটি কার্যকর হয়।

  • সার্কের কার্যকারিতা শেষ হয়ে যায়নি: প্রধানমন্ত্রী

    সাউথ এশিয়ান এসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কো-অপারেশন (সার্ক)-এর কার্যকারিতা হারানোর অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে কংগ্রেস সেন্টারে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ৪৭তম বার্ষিক সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ায় হারনিসিং রিজিওনাল কো-অপারেশন বিষয়ক একটি ইন্টারেক্টিভ সেশনে মতবিনিময়কালে একথা বলেন। এই ইন্টারেক্টিভ সেশনে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রেনিল উইক্রিমিসিঙ্গী, ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী ও শিল্পমন্ত্রী নির্মলা সীতারামান ও সার্কভুক্ত বিভিন্ন দেশের জনপ্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের সদস্যগণ যোগদান করেন। শেখ হাসিনা বলেন, সার্কের কার্যকারিতা এখনো শেষ হয়ে যায়নি। আট জাতির এই আঞ্চলিক সংস্থাটি খুব ভালোভাবে সক্রিয় আছে। আমি মনে করি দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য এর মাধ্যমে আরো অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যকে গতিশীল করতে সাফটা শক্তিশালী হচ্ছে। বৃহত্তর পরিসরে দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে চীনকে একীভূত করার জন্য বিসিআইএম-ইসি ফোরাম গঠন করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, দারিদ্র্য নির্মূলে কাজ করার সুবিধার জন্য আমরা বিবিআইএন, বিসিআইএম-ইসি ও বিমসটেক ফোরাম প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলে টেলিযোগাযোগ উন্নয়নের জন্য কক্ষপথে একটি সার্ক স্যাটেলাইট চালু করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

  • নির্যাতনের ভিডিও তদন্ত করবে মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ

    রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপর পুলিশের নির্যাতনের একটি ভিডিও তদন্ত করবে মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। দেশটির সরকার বলছে, ভিডিওর ঘটনাটি ঘটেছে গত বছরের নভেম্বরে রাখাইন রাজ্যে। পুলিশের এক কর্মকর্তা ভিডিওটি ধারণ করেছেন। ভিডিওতে দেখা যায়, রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের সদস্যদের মারধর করছে পুলিশ। রাখাইনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম নিধন চলার অভিযোগ আছে। এই অভিযোগ অস্বীকার করছে মিয়ানমার। হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতনসহ বর্বর হামলার মুখে রোহিঙ্গারা দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে। গত ৯ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে। ৯ অক্টোবর সীমান্তচৌকিতে হামলার পর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ শুরু করে মিয়ানমারের সেনা-পুলিশ। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়ায় রাখাইনের উগ্র তরুণদের নিয়ে বেসরকারি বাহিনী গঠন করে রোহিঙ্গা নিধন চালানোর অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। রোহিঙ্গা নির্যাতনের ভিডিও প্রসঙ্গে দেশটির সরকারের ভাষ্য, গত বছরের নভেম্বরে মংডুতে পুলিশের দুই সদস্যের ওপর গুলি ছোড়া হয়। এরপর সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। ভিডিওটিতে দেখা যায়, পুলিশের সামনে একদল গ্রামবাসী সারি ধরে বসে আছে। বসে থাকা এক ব্যক্তিকে বেদম পেটাচ্ছে এক পুলিশ। একপর্যায়ে পুলিশের অন্য সদস্যরা এসে ওই ব্যক্তির মুখমণ্ডলে লাথি মারতে থাকেন। অন্য গ্রামবাসীও পুলিশি নির্যাতনের শিকার হন। মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলরের অফিস ইনফরমেশন কমিটি বলেছে, পুলিশের যেসব সদস্য আইন লঙ্ঘন করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • তুরস্কের একটি নাইটক্লাবে আক্রমণে ৩৯ ব্যক্তি নিহত

    তুরস্কের ইস্তুাম্বুল শহরে যে বন্দুকধারী নতুন বছরের রাতে একটি নাইটক্লাবে আনন্দ-উল্লাস করতে আসা লোকের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে, পুলিশ এখন তার খোঁজ করছে। তুর্কী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেমান সয়লু বলছেন, ঐ আক্রমণে ৩৯ ব্যক্তি নিহত হন, যার মধ্যে অন্তত ১৫ জন বিদেশি নাগরিক। হামলায় আহত আরও অন্তত ৭০জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এই হামলার সাথে দুজন জড়িত ছিল বলে এর আগে যে খবর বেরিয়েছে মি. সয়লু তাকে নাকচ করেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইপ এরদোয়ান বলছেন, তার দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। সারা বিশ্বের বিভিন্ন নেতা এই আক্রমণের তীব্র নিন্দা করেছেন - যার মধ্যে রয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও। তিনি তার প্রতিক্রিয়ায় অঙ্গীকার করেন যে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মস্কো একজন বিশ্বস্ত সাথী হিসেবে তুরস্কের পাশে থাকবে। রোববার স্থানীয় সময় রাত দেড়টার দিকে ইস্তাম্বুলের অর্তাকয় এলাকায় রেইনা নাইট ক্লাবে এই হামলার ঘটনা ঘটে। ইস্তাম্বুলের গভর্নর জানিয়েছেন, স্যান্টক্লসের পোশাক পরা বন্দুকধারী নাইট ক্লাবের ভেতরে ঢুকেই গুলি চালাতে শুরু করে। আক্রমণের সময় ক্লাবে প্রায় ৭০০ মানুষ ছিল। তারা নববর্ষ উদযাপন করছিল। হামলার পর অনেকেই ভয় আর আতঙ্কে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দোগান নিউজ এজেন্সি প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃত করে বলেছেন হামলাকারিরা আরবী ভাষায় কথা বলছিলো।

  • রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী

    তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। আজ সোমবার রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে তিনি ইস্তফাপত্র দেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে মিঠুন চক্রবর্তী ইস্তফা দিয়েছেন বলে তৃণমূল কংগ্রেস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে মিঠুনের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য জানা যায়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই তিনি ইস্তফা দেন বলে জানা গেছে। এদিকে মিঠুনের এই ইস্তাফাকে ঘিরে এরই মধ্যেই নানা জল্পনা শুরু হয়েছে ভারতের রাজনৈতিকমহলে। পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারি সারদাকাণ্ডে নাম জড়ানোর পর থেকেই তৃণমূলের সঙ্গে মিঠুনের দূরত্ব বাড়তে থাকে। ওই কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোর পর থেকেই অনেকটা মুষড়ে পড়েন মিঠুন। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের (ইডি) কাছেও হাজিরা দিতে হয় তাঁকে। ওই অর্থলগ্নি সংস্থার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে যে পারিশ্রমিকের অর্থ তিনি নিয়েছিলেন সেটাও ইডিকে ফেরত দিয়ে দেন মিঠুন। সেই সঙ্গে তৃণমূলের অনুষ্ঠান কর্মসূচি থেকে দূরে থাকতে শুরু করেন তিনি। এমনকি রাজ্যসভাতেই সেইভাবে উপস্থিত হতে দেখা যায়নি মিঠুন চক্রবর্তীকে। হাতে গোনা কয়েকদিন তিনি রাজ্যসভায় উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, এর আগে একাধিকবার রাজ্যসভায় চিঠি পাঠিয়ে ছুটি চেয়ে নেন মিঠুন। সম্প্রতি শারীরিকভাবে মিঠুন চক্রবর্তী অসুস্থ ছিলেন বলে জানা যায়। কয়েকদিন আগে তিনি হাসপাতালে ভর্তিও হয়েছিলেন। আর সেই কারণেই মিঠুনের এই ইস্তফার সিদ্ধান্ত বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। রাজ্যসভায় তৃণমূলের সংসদ সদস্য হিসেবে মিঠুন চক্রবর্তীর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে। তার আগেই ইস্তফা দিলেন মিঠুন। তবে মিঠুনের পরিবর্তে রাজ্যসভায় তৃণমূল এখন কাকে পাঠাবে তা এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ডেরেক ও’ ব্রায়েন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যগত কারণে মিঠুন চক্রবর্তী রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন। তাঁর ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে আমাদের উষ্ণ সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে। আমরা তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।’

  • দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বোমা নিষ্ক্রিয় করতে অর্ধলক্ষাধিক বাসিন্দা সরানো হচ্ছে

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফেলা একটি বোমা নিষ্ক্রিয় করতে দক্ষিণ জার্মানির আউগসবুর্গ শহর থেকে অর্ধ-লক্ষাধিক বাসিন্দাকে জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আজ বড়দিন হলেও লোকজনকে তাদের বাড়িঘর থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে যে কোন ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে। বলা হচ্ছে, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর অবিস্ফোরিত কোন বোমার কারণে জার্মানিতে এর আগে কোন শহর থেকে এতো লোকজনকে কখনোই সরিয়ে নেওয়া হয়নি। ব্রিটিশ এই বোমাটি ১ দশমিক ৮ টনের। ধারণা করা হচ্ছে, ১৯৪৪ সালে বিমান হামলার সময় মিত্র বাহিনী জার্মানিতে এই বোমাটি ফেলেছিলো। ওই বিমান হামলায় পুরো শহরটি ধ্বংস হয়ে যায়। ভবন নির্মাণের কাজ করার সময় এই বোমাটি পাওয়া গেছে। পুলিশ বলছে, তারা নিশ্চিত করে জানে না এই বোমাটি নিষ্ক্রিয় করতে কতো সময় লাগতে পারে। বিবিসির ইউরোপ বিষয়ক সম্পাদক মাইক স্যান্ডার্স বলছেন, শহর কর্তৃপক্ষ কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না। তাই তারা সব লোকজনকেই সেখান থেকে সরিয়ে নিচ্ছে। বলা হচ্ছে, বোমাটি যেখানে পাওয়া গেছে তার দেড় কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত বাড়ি ঘর থেকে সবাইকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ বলছে, বেশিরভাগ বাসিন্দাই তাদের আত্মীয় স্বজন ও বন্ধু বান্ধবদের বাড়িতে অবস্থান করতে পারেন। তবে লোকজনের থাকার প্রয়োজন হলে তাদের জন্যে কয়েকটি স্কুল এবং স্পোর্টস হলও খুলে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকরা বলছেন, এর কারণে বড়দিনের উৎসব যে পণ্ড হয়ে গেছে তা নয়। কারণ বেশিরভাগ জার্মানই বড়দিনের উপহার খোলা এবং খাওয়া দাওয়া আগের দিন অর্থাৎ ২৪শে ডিসেম্বরেই সেরে ফেলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আরো যেসব বোমা সম্প্রতি উদ্ধার করা হয়েছে মে ২০১৫: কোলন শহরে। ২০ হাজার লোককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিলো। বোমাটি ছিলো এক টনের। জানুয়ারি ২০১২: অয়েসকিরশেনে। একজন নির্মাণ শ্রমিক খননকারী যন্ত্র দিয়ে অবিস্ফোরিত বোমায় আঘাত করলে তিনি নিহত হন। ডিসেম্বর ২০১১: কোবলেনৎস শহরে। ৪৫ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিলো। তখন রাইন নদীর তলদেশে দুটো বোমা পাওয়া যায়। নিষ্ক্রিয় করতে তিন ঘণ্টার মতো সময় লেগেছিলো। জুন ২০১০: গোয়েটিংগেন শহরে। বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের তিনজন সদস্য নিহত হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি বোমা নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে।

  • ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় এক নারীকে লাঠি দিয়ে আঘাত

    ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় এক নারীকে লাঠি দিয়ে উপর্যপুরি আঘাত করছেন একজন পুরুষ। মাথা ফেটে রক্ত বের হচ্ছে ঐ নারীর। আশেপাশে উৎসুক জনতা তাকিয়ে দেখছে; কিন্তু কেউ ঐ তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসছে না। এ রকম একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। ভারতের উত্তর প্রদেশের শহর মেইনপুরে সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই সন্তানের মা ঐ নারী দুজন পুরুষের কাছে ঠিকানা জানতে চেয়েছিলেন। এই সময় তার ঐ নারীকে উদ্দেশ্য করে অশালীন মন্তব্য করেন। তাৎক্ষণিক ঐ নারী প্রতিবাদ জানালে তাকে মারধোর শুরু করে অভিযুক্তরা। ঐ নারীর স্বামীকেও এ সময় আঘাত করা হয়। কিন্তু কেউ তাদের রক্ষায় এগিয়ে আসেনি। সোমবার লখনৌ থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরবর্তী শহর মেইনপুরের একটি জনাকীর্ণ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর একজনকে খুঁজছে পুলিশ। একজন প্রত্যক্ষদর্শী এই ঘটনার ভিডিও ধারণ করেছেন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হলুদ রঙের সোয়েটার পরা একজন লাঠি নিয়ে উপুর্যপুরি ঐ নারীকে মাথায় এবং শরীরে আঘাত করছেন। তার মাথা ফেটে তখন রক্ত বের হচ্ছিল। অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নির্যাতনের শিকার দম্পতির ছোট্ট মেয়ে তার মাকে জড়িয়ে ধরে ‘মা’ বলে কান্না করছে। কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হলে ঐ নারীকে বলতে শোনা যায়, অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার না করা হলে গুলি করে আত্মহত্যা করবেন তিনি। মেইনপুর পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরজনকে খোঁজা হচ্ছে। ঘটনা তদন্তে বিশেষ একটি দল গঠন করা হয়েছে। তিনি নিজে এই বিষয়টি দেখছেন।

  • নয়াদিল্লীস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে উদযাপিত হলো বিজয় দিবস

    বাংলাদেশ হাই কমিশন নতুন দিল্লী শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৬ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের মাধ্যমে নয়াদিল্লীস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে উদযাপিত হলো বিজয় দিবস নয়াদিল্লি, ১৭ ডিসেম্বরঃ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাংগালী,যার কালজয়ী নেতৃত্বেপাকিস্তানের সাথে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ীযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছিল বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষন,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধের সকল বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের মাধ্যমে শুক্রবার নয়াদিল্লীস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে উদযাপিত হলো বিজয়ের ৪৫ তম বার্ষিকী -বিজয় দিবস ২০১৬। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৮.৩০টায় বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রাঙ্গনে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে মহান বিজয় দিবস উদযাপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। এরপর হাই কমিশনের মৈত্রী হলে দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, এমপি ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহরিয়ার আলম, এমপি কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ এবং সবশেষে ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট কালো রাত্রিতে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের এবং মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে সমাপ্ত হয় প্রভাতের আয়োজন। সন্ধ্যায় হাই কমিশনের মৈত্রী হলে ঢাকার সরকারি সঙ্গীত মহাবিদ্যালয় থেকে আগত ছাত্র ও শিক্ষকদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে যোগদান করেন ভারতীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংগঠন ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের প্রতিনিধিবৃন্দ, ভারতে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, সাংবাদিক সহ বিপুল সংখ্যক অতিথি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপণা ও ত্রান মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম। মোশাররফ হোসেন ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরীমায়া সাংস্কৃতিক পরিবেশনার প্রাক্কালে তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের স্মৃতিচারন করেন এবং মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পাকিস্তানী সেনাদের বিপক্ষে মুক্তিবাহিনীর অসীম সাহসিকতার গল্প ও নিজেদের অভিজ্ঞতা আমন্ত্রিত অতিথিদের সামনে তুলে ধরেন। স্বাগত বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী স্মরন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সুমহান ত্যাগের কথা যারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর নৃশংশতার বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়েছিল। তিনি তার বক্তব্যে সেই দুঃসময়ে ভারত সরকার এবং তার জনগণের সামরিক, অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক এবং মানসিক সমর্থনের কথা কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরন করেন। এরপর সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় শিল্পীবৃন্দ ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় পর্যন্ত বাংলাদেশের গৌরবোজ্জল ইতিহাস ও ত্যাগের ধারাবাহিক ঘটনা প্রবাহ গানের মাধ্যমে আমন্ত্রিত অতিথিদের সামনে উপস্থাপন করেন যা সমবেত সকলের প্রশংসা অর্জন করে। এছাড়া, এদিন হাই কমিশনের কর্মকর্তাগন ভারত ফাউন্ডেশন ও নেহেরু মেমোরিয়াল মিউজিয়াম ও লাইব্রেরী কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত একটি কর্মশালায়ও অংশগ্রহণ করেন।মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপণা ও ত্রান মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি এবং ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভি কে সিং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন। কর্মশালায় ভারত ও বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাগণ যুদ্ধকালীন সময়ে বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ অভিযান সম্পর্কে তাদের ব্যক্তিগত স্মৃতিচারন করেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা, ইতিহাসবিদ এবং লেখক লেঃ কর্ণেল (অবঃ)কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বীর প্রতীক।

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top