• বাংলাদেশে আসছেন বিশিষ্ট সামাজিক উদ্যোক্তা প্রফেসর ড. অচ্ছুত সামন্ত

    ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এন্ট্রাপ্রিনিয়রশীপ ডিপার্টমেন্ট আয়োজিত “সামাজিক উদ্যোক্তা” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে যোগ দিতে বাংলাদেশে আসছেন ভারতের বিখ্যাত কেআইআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব ইন্ডাসট্রিয়াল টেকনোলজি-কওওঞ) ও কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্স (কওঝঝ) এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. অচ্ছুত সামন্ত। আগামী ২৭ জুলাই ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মিলনায়তন ৭১-এ সকাল ৯-৩০ মিনিটে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এ পর্বে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, দেশ বরেণ্য মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সরকারি ও বেসরকরি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। সেমিনার শেষে কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্স (কওঝঝ) ও ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্স এর সাথে বিভিন্ন অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ছিন্নমূল শিশুদের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও উন্নত জীবনমান নিশ্চিতকল্পে একটি পারস্পরিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান। ড. অচ্ছুত সামন্তকে বলা হয় ওড়িষ্যার বিস্ময় ব্যক্তিত্ব। তিনি অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে একক প্রচেষ্টায় ভারতের ওডিষ্যার রাজধানী ভুবনেশ্বরে গড়ে তুলেছেন অসাধারণ দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা কেআইআইটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্স (কওঝঝ) । অচ্ছুত সামন্তকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে মূলত কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্স এবং এর ২৫ হাজার আদিবাসী ছাত্রছাত্রী। এখানে পড়ার সুযোগ রয়েছে প্রথম শ্রেণি থেকে একদম স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে বিনামূল্যে থাকা, খাওয়া, বিনোদন, খেলাধুলা, স্বাস্থ্যসেবা, কম্পিউটার ল্যাব, কনফারেন্স ল্যাব ও ওয়াই-ফাই সিস্টেমের ব্যবস্থা। এছাড়া এখানে প্রত্যেক শিক্ষার্থী পড়ালেখার সঙ্গে সঙ্গে পায় কারিগরি প্রশিক্ষণ।ড. অচ্ছুত সামন্তের জন্ম ১৯৬৫ সালে ভারতের ওডিষ্যায়। ছোটকালে বাবাকে হারিয়ে নিদারুণ দুঃখ-কষ্টের মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন অচ্ছুত। রসায়ন শাস্ত্রে এমএসসি ডিগ্রি নিয়েছেন উৎকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এরপর পেশাজীবন শুরু করেন কলেজে শিক্ষকতা দিয়ে। দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করার পর ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন কিট (কওওঞ) । এর ঠিক এক বছর পর প্রতিষ্ঠা করেন কিস (কওঝঝ)। অচ্ছুত সামন্ত এ পর্যন্ত ২৫টি উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি ২০০০ সাল থেকে ‘খুদে মিস ইন্ডিয়া’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছেন। এছাড়া মহাত্মা গান্ধীর স্মরণে একটি আদিবাসী জাদুঘর নির্মাণ করছেন যার নাম ‘গান্ধী গ্রাম’। তিনি তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ দক্ষিণ কোরিয়ার হানসিওসহ ভারতের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা, কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর প্রভৃতি দেশ থেকে পেয়েছেন নানা পুরস্কার।

  • ড.ই.ইউ. তে ‘স্মার্ট সিটি-গুড সিটি-আওয়ার সিটি’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ফ্রেডরিক ন্যুম্যান ফাউন্ডেশন ফর ফ্রিডম, বাংলাদেশ (এফএনএফ)-এর যৌথ আয়োজনে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মিলনায়তন-৭১ এ ‘স্মার্ট সিটি-গুড সিটি-আওয়ার সিটি’ শীর্ষক এক কর্মশালা আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিশিষ্ট স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ মোঃ মাসুদুল ইসলাম। সকাল ১০টায় কর্মশালার উদ্বোধন করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কোষাধ্যক্ষ হামিদুল হক খান। কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন ফ্রেডরিক ন্যুম্যান ফাউন্ডেশন ফর ফ্রিডম, বাংলাদেশ (এফএনএফ)-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর প্রফেসর ড. নাজমুল হোসেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পরিচালক (স্টুডেন্ট এফেয়ার্স) সৈয়দ মিজানুর রহমান রাজু ও স্থাপত্য বিভাগের সিনিয়র লেকচারার শেখ মোহাম্মদ রিজওয়ান। কর্মশালায় বিভন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।  কর্মশালায় স্মার্ট সিটি সম্পর্কে নানা বিষয় তুলে ধরেন স্থপতি মোঃ মাসুদুল ইসলাম। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানুষের বসবাসযোগ্য শহর নির্মাণের ধারনাকেই বলা হচ্ছে স্মার্ট সিটি। এসময় তিনি সিঙ্গাপুর, হংকং, দুবাই, কোরিয়া সহ বিভিন্ স্মার্ট সিটির উদাহরণ দেন।বাংলাদেশের উদাহরণ টেনে মোঃ মাসুদুল ইসলাম বলেন, আমাদের শহরগুলোকে স্মার্ট সিটিতে পরিণত করতে হলে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। সবার আগে দরকার অবকাঠামোগত পরিকল্পনা। স্মার্ট সিটির অন্যতম শর্ত হচ্ছে উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, প্রশস্ত ফুটপাত, পর্যাপ্ত গাছপালা ইত্যাদি। এ সময় মো. মাসুদুল ইসলাম আরও বলেন, স্মার্ট সিটি ডিজাইনের সময় ভৌগলিক বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। বাংলাদেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ ইউরোপ, আমেরিকা বা মধ্যপ্রাচ্যের মতো নয়। ফলে দুবাইয়ের মতো স্মার্ট সিটি তৈরি করতে চাইলেই হবে না। নিজ দেশের ভৌগলিক অবস্থান বিবেচনায় রেখে নগর পরিকল্পনা করা উচিত।ক্যাপশনঃ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ফ্রেডরিক ন্যুম্যান ফাউন্ডেশন ফর ফ্রিডম, বাংলাদেশ (এফএনএফ)-এর যৌথ আয়োজনে ‘স্মার্ট সিটি-গুড সিটি-আওয়ার সিটি’ শীর্ষক এক কর্মশালায় মূখ্য আলোচকের বক্তব্য রাখছেন দেশের বিশিষ্ট স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ মোঃ মাসুদুল ইসলাম।

  • আগামীকাল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ২য় বর্ষের পরীক্ষার ফল প্রকাশ

      জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৬ সালের অনার্স ২য় বর্ষের পরীক্ষার ফল আগামীকাল প্রকাশ করা হবে।এ পরীক্ষায় ৩০ টি বিষয়ে সারাদেশে ৬২১ টি কলেজের মোট পরীক্ষার্থী ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী মোট ২১৯ টি কেন্দ্রে থেকে অংশগ্রহণ করে।প্রকাশিত ফল SMS এর মাধ্যমে বিকেল ৪.০০ টা থেকে যেকোন মোবাইল মেসেজ অপশনে গিয়ে NUH2 Roll লিখে 16222 নম্বরে Send করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.edu.bd এবং www.nubd.info থেকে ফল জানা যাবে।

  • পরিবেশ সচেতনতামূলক র‌্যালি ও প্রকল্প প্রদর্শনীর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

    পরিবেশ সচেতনতামূলক র‌্যালি ও প্রকল্প প্রদর্শনীর মাধ্যমে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পরিবেশ দিবস পালিত বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০১৭ উপলক্ষে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পরিবেশ বিজ্ঞান ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের (ইএসডিএম) উদ্যোগে পরিবেশ সচেতনতামূলক র‌্যালি ও দিনব্যাপী প্রকল্প প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। “প্রাণের স্পন্দনে, প্রকৃতির বন্ধনে” শীর্ষক দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে আজ সোমবার (৫ জুন) সকালে ধানমন্ডির সোবহানবাগে অবস্থিত প্রধান ক্যাম্পাস থেকে বর্ন্যাঢ্য র‌্যালিটি শুরু হয়ে রাসেল স্কয়ার ঘুরে প্রধান ক্যাম্পাসে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে প্রধান ক্যাম্পসের ড্যাফোডিল টাওয়ারের নিচতলায় পরিবেশ সচেতনতামূলক প্রকল্প প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড.এস.এম মাহবুব-উল হক মজুমদার, পরিবেশ বিজ্ঞান ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান ড. এ.বি.এম কামাল পাশা, প্রভাষক মো. আজহারুল হক চৌধুরী ও জান্নাতুল ফেরদৌস সহ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ।প্রকল্প প্রদর্শনীর উদ্বোধনকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে সারা বিশ্ব আজ পরিবেশ নিয়ে উদ্বিগ্ন। এরকম পরিস্থিতিতে পরিবেশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের করা প্রকল্পগুলো বেশ সময়পোযোগী। আশা করি পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে এসব প্রকল্পের সঠিক বাস্তবায়ন করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে আসবে।এরপর উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও শিক্ষকবৃন্দ প্রদর্শনীতে উপস্থাপিত প্রকল্পগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন। প্রদর্শনীতে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট, সয়েল ইরোসন, ল্যান্ড স্লাইডার, ট্রান্সপোর্ট নেটওয়ার্কিং মডেল ইত্যাদি নামে ১০টি প্রকল্প স্থান পেয়েছে। প্রকল্পগুলো পরিবেশ বিজ্ঞান ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভিন্ন সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা তৈরি করেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল ।

  • আটোয়ারীতে বঙ্গবন্ধু ডাঙ্গীরহাট আদর্শ মহাবিদ্যালয় জাতীয়করনের ওপর স্থগিতাদেশ

    পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বঙ্গবন্ধু ডাঙ্গীরহাট আদর্শ মহাবিদ্যালয় জাতীয়করন কার্যক্রমের ওপর তিন মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দিয়ে রুল জারী করেছেন হাইকোর্ট। গত ২৮মে এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগির হোসেন ও বিচারপতি মোঃ আতাউর রহমান খান এর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর আগে বঙ্গবন্ধু ডাঙ্গীরহাট আদর্শ মহাবিদ্যালয় জাতীয়করনের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে মির্জা গোলাম হাফিজ ডিগ্রী কলেজের পক্ষ থেকে একটি রিট আবেদন করা হয়। রিটকারী মির্জা গোলাম হাফিজ ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক মোঃ আব্দুল মোত্তালেব বলেন, আটোয়ারী উপজেলার মির্জা গোলাম হাফিজ ডিগ্রী কলেজকে বাদ দিয়ে বঙ্গবন্ধু ডাঙ্গীরহাট আদর্শ মহাবিদ্যালয়কে জাতীয়করন করা হলে অত্র উপজেলার প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ এর সুফল থেকে বঞ্চিত হবে। স্থগিতাদেশ থেকে জানা যায়, ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত মির্জা গোলাম হাফিজ ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থী সংখ্যা ২২৫৪ জন, জমির পরিমান ১৪ একর ২১ শতক এবং উপজেলা সদর থেকে দুরত্ব মাত্র ১ কিলোমিটার। অপরদিকে উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু ডাঙ্গীরহাট আদর্শ মহাবিদ্যালয়টির উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী ১৬৮ জন এবং জমির পরিমান ৩ একর ৩৫ শতক। 

  • এসিসিএইচআরএম কোর্স পরিচালনায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এইচআরডিআই ও বিএসএইচআরএম এর মধ্যে চুক্তি

    মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এডভান্স সার্টিফিকেট কোর্স (এসিসিএইচআরএম) পরিচালনার লক্ষ্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির হিউম্যান রিসোর্স ডেভলপমেন্ট ইন্সটিটিউট (এইচআরডিআই) ও বাংলাদেশ সোসাইটি ফর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (বিএসএইচআরএম) এর মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে। গত ২৭ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তিপত্রে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন এইচআরডিআই-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. ফরিদ এ সোবহানী এবং বিএসএইচআরএম-এর সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন।  ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান, উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস.এম মাহবুব-উল-হক মজুমদার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী এ.কে.এম ফজলুল হক, এলাইড হেলথ সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আহমদ ইসমাইল মুস্তাফা, সিডিসির পরিচালক আবু তাহের খান ও স্টুডেন্টস অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান।চুক্তি অনুযায়ী, এখন থেকে ‘মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এডভান্স সার্টিফিকেট কোর্স (এসিসিএইচআরএম)’ বিএসএইচআরএম এর সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালনা করবে এইচআরডিআই। এছাড়া পাঁচ সদস্যের একটি যৌথ কমিটি থাকবে যারা কোর্স কারিকুলাম তত্ত্বাবধান ও সুপারিশ করার পাশাপাশি কোর্স পরিচালনার জন্য সমন্বয়ক নিয়োগ, কোর্স পরিদর্শক নির্বাচন, পরিদর্শকদের সম্মানী নির্ধারণ ইত্যাদি কর্ম সম্পাদন করবে। পাঁচ সদস্যের কমিটিতে এইচআরডিআই-এর পরিচালক ব্যাতীত অপর দুই সদস্যের মনোনয়ন প্রদান করবে বিএসএইচআরএম ও দুই সদস্যের মনোনয়ন প্রদান করবে এইচআরডিআই।ক্যাপশন: মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এডভান্স সার্টিফিকেট কোর্স (এসিসিএইচআরএম) পরিচালনায় বিএসএইচআরএম ও এইচআরডিআই এর মধে সম্পাদিত চুক্তিপত্র বিনিময় করছেন এইচআরডিআই এর পরিচালক অধ্যাপক ড. ফরিদ এ সোবহানী ও বিএসএইচআরএম এর সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান, উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস.এম মাহবুব-উল-হক মজুমদার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী এ.কে.এম ফজলুল হক, এলাইড হেলথ সায়েন্সস অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. আহমেদ ইসমাইল মুস্তাফাসহ ও উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন ।

  • ফুলবাড়ীতে মাদরাসা সুপারের জালিয়াতি

    দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার খয়েরবাড়ী দখিল মাদরাসার সুপার ইমামুল হকের জালিয়াতির শিকার হয়ে, ১২বছর চাকুরী করার পরেও এমপিও ভুক্ত হতে পারেনি ওই মাদরাসার সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ ফেন্সিয়ারা বেগম। মাদরাসা সুপারের জালিয়াতির শিকার মোছাঃ ফেন্সিয়ারা বেগম, চাকুরী ছেড়ে এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। এদিকে চাকুরী দেয়া ও নিবন্ধন করার জন্য মাদরাসা সুপারকে দেওয়া সাড়ে তিন লাখ টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না ওই জালিয়াতকারী মাদরাসার সুপার। মাদরাসার সুপারকে দেয়া টাকা উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ওই শিক্ষিকা। ভুক্তভুগী শিক্ষিকা মোছাঃ ফেন্সিয়ারা বেগম বলেন মাদরাসা সুপার ইমামুল হক গত ২০০৪ সালে তাকে সহকারী শিক্ষিকা পদে নিয়োগ দেয়ার জন্য দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহন করেন। এর পর তাকে সহকারী শিক্ষিকা পদে নিয়োগ দেন। ২০০৪ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি নিয়মিত মাদরাসায় গিয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদান করেন। শিক্ষিকা মোছাঃ ফেন্সিয়ারা বেগম বলেন ২০১০ সালে মাদরাসাটি এমপিও ভুক্ত হয়, এমপিও হওয়ার সময় তার নিবন্ধন সনদের প্রয়োজন হয়, এজন্য তিনি নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেলেন, সেই সময় মাদরাসার সুপার ইমামুল হক, তাকে নিবন্ধন সনদ দেয়ার কথা বলে এক লাখ টাকা গ্রহন করে একটি ভুয়া  নিবন্ধন সনদ এনে দেন। ওই ভুয়া নিবন্ধন সনদটি শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে গিয়ে  ভুয়া বলে প্রমানিত হয়। এই কারনে তার আর চাকুরী করা হযনি। এ কারনে তিনি ২০১৬ সালে চাকুরী ছেড়ে তার দেয়া সাড়ে তিন লাখ টাকা ফেরৎ চাইলে, মাদরাসার সুপার আজ দিব কাল দিব বলে এখন পর্যন্ত ফেরৎ দেননি। তার দেয়া টাকা উদ্ধার করতে এখন তিনি প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘরছেন। গতকাল রোববার ফুলবাড়ী উপজেলার খয়েরবাড়ী দাখিল মাদরাসায় গিয়ে দেখা যায় মাদরাসা সুপার মাদরায় যায়নি, এই কারনে ওই মাদরাসার সহকারী সুপার সাইফুল ইসলামসহ সহকারী শিক্ষক আব্দুস ছালাম, সহকারী মিক্ষক আব্দুর রহমান মৌলুবি শিক্ষক হাছান আলী,  এফতেদায়ী শিক্ষক হাছান আলীর সাথে কথা হয়। শিক্ষকগণেররা বলেন মাদরাসার সুপার  ইমামুল হক দু,দপায় শিক্ষক ফেন্সিয়ারার নিকট সাড়ে তিন লাখ টাকা নিয়েছে, এই টাকা নিয়ে ওই মাদরাসায় কয়েক দফা বিচার সালিশও হয়েছে, একাধিকবার মাদরাসার সুপার ফেন্সিয়ারার নিকট নেয়া সাড়ে তিন লাখ টাকা ফেরৎ দেয়ার অঙ্গিকার করেও এখন পর্যন্ত তার টাকা ফেরৎ দেয়নি। সুধু ফেন্সিয়ারায় নয়, ওই সুপার চাকুরী দেয়ার কথা বলে অনেকের নিকট টাকা নিয়েছে। সম্প্রতিক মাদরাসার অফিস সহকারী পদে চাকুরী দেয়ার কথা বলে তিন জনের নিকট টাকা  নেয়ার কথাও উঠেছে বলে শিক্ষকগণ জানান। শিক্ষককেরা অভিযোগ করে বলেন মাদরাসা সুপার মাসে চার-পাঁচ দিনের বেশি মাদরাসায় আসেনা, অধিকাংশ সময বাহিরে থাকে। এই বিষয়ে কথা বলার জন্য সুপার ইমামুর ককের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি ফুলবাড়ী বাজারে যোগাযোগ করার কথা বলেন, গত মঙ্গলবার ফুলবাড়ী বাজারে তাকে এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি ঘটনার আংশিক স্বীকার করে বলেন, নিয়োগ বোড করতে কিছু খরচ নেয়া হয়েছে, সেই খরচ কত টাকা জিজ্ঞেস করলে তিনি টাকার অংক  না বলে এড়িয়ে যান। এদিকে মাদরাসা সুপার সাইফুল ইসলামের অনিয়ম দুর্নীতির কারনে মাদরাসাটির কোন উন্নায়ন হযনি বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী, সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাদরাসাটি ২০০৪ সালে প্রতিষ্টার সময় নির্মান করা টিনসেট কাচা-পাকা প–রোনো ঘরে ক্লাস করছেন শিক্ষার্থীরা, ক্লাস রুম গুলো প্লাস্টার করাও হযনি, অথচ মাদরাসা সুপার একাধিক পদে মিক্ষক নিয়োগ দিয়ে বানিজ্য করে নিজের আখের গুছিয়েছেন বলে এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেছেন। এজন্য এলাকায়বাসী ও শিক্ষা মন্ত্রলায়ের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • সরকার শিক্ষাখাত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উদযাপন দেশের শিক্ষাখাতের উন্নয়নকে আরো ত্বরান্বিত করবে প্রত্যাশা করে বলেছেন, শিক্ষার্থীগণের মেধা ও জ্ঞানের চর্চাকে আরো শাণিত করার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ গড়তে ভূমিকা রাখবে।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষাখাতের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭ উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে তিনি এ প্রত্যাশার কখা বলেন। আজ থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ। এ উপলক্ষে তিনি দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।প্রধানমন্ত্রী বাণীতে বলেন, ‘আমরা যুগোপযোগী জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করছি। আমরা ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেছি। এ সকল বিদ্যালয়ের ১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষকের চাকুরি সরকারি করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি ও উপবৃত্তিসহ বিভিন্ন ধরনের বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।’এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফান্ড গঠন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান, স্কুল ও কলেজের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনসহ দেশে নতুন নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়েছে বলেও বাণীতে উল্লেখ করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার ২০১০ সাল থেকে মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ করে যাচ্ছে। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ৩৬ কোটি ২১ লাখ ৮২ হাজার ২৪৫টি বই বিতরণ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীভুক্ত শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের মাতৃভাষায় পাঠ্যপুস্তক প্রস্তুত ও বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ‘দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্রেইল বই বিতরণ করা হয়েছে। কারিগরি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসারে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ১২৫টি উপজেলায় আইসিটি ট্রেনিং এন্ড রিসোর্স সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এ সকল পদক্ষেপে দেশে শিক্ষার সুযোগ ও হার ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরপরই একটি যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সরকার সব সময়ই দেশের শিক্ষাখাতের প্রসার ও মানোন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের অভিনন্দন এবং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীসহ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।প্রধানমন্ত্রী ‘জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭’ উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

  • শিবপুরউচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও স্থানীয় সুধিজনদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    গতকাল শনিবার দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি বিরামপুর উপজেলা শাখার সভাপতি একেএম শাহজাহানের সভাপতিত্বে  মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দিনাজপুর সমন্বিত কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আব্দুল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিরামপুর সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) এএসএম হাফিজুর রহমান, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী। শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহাকারি শিক্ষক মো. আব্দুল হাকিম মোল্লার সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোখলেছুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম জিন্নাহ, জোতবানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রাজ্জাক, শিবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল ওয়াহেদ, একইর উচ্চ বিদালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক ই আজম, কেটরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি শাহাবুল ইসলাম প্রমুখ। প্রধান অতিথি আব্দুল করিম বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। দুর্নীতিবাজরা যতই ক্ষমতাবান হোকে তাঁদের ভয় পাবার কোন কারন নেই। কারন দুর্নীতিবাজরা সবসময় নৈতিকভাবে দুর্বল থাকে। বিশেষ অতিথি এএসপি হাফিজুর রহমান বলেন, দুর্নীতি মানে শুধু ঘুষ না। মানুষ হিসেবে যদি তার মধ্যে মানবিক গুনাবলীর আচরণ না করে সেটিও দুর্নীতি। নৈতিকতা বিরোধী কোন কাজ করলে সেটিও দুর্নীতি। সমাজ থেকে দুর্নীতিসহ সকল অপরাধ দুর করতে সকল পেশিশক্তির উর্ধ্বে থেকে বর্তমানে পুলিশ ব্যপক কাজ করে যাচ্ছে। একেএম শাহজাহান জানান, দুর্নীতি প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মকান্ডে অবদান রাখায় অতিথিবৃন্দ উপজেলার তেরটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সততা সংঘের এগারোজন করে মোট ১৪৩ জন  শিক্ষার্থীকে পদক দিয়ে পুরষ্কৃত করা হয়েছে।

  • প্রফেসর মাহাবুব-উল-হক মজুমদার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে যোগদান

    প্রফেসর ড. এস এম মাহাবুব-উল-হক মজুমদার ১৮ মে,২০১৭ তারিখে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে উপ-উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেছেন। মহামান্য রাস্ট্রপতি ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর আবদুল হামিদ এর অনুমোদনক্রমে তিনি এ পদে যোগদান করেন। ১৭ মে ২০১৭ তারিখে স্বাক্ষরিত শিক্ষামন্ত্রনালয়ের প্রেরিত পত্রের আলোকে  বিম্ববিদ্যালয়ের ট্র্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ সবুর খানের হাতে  যোগদান পত্র তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদে যোগদান করেন। যোগদানকালে বিশ^বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. প্রকৌশরী এ কে এম ফজলুল হক,  পরিচালক ( হিসাব ও অর্থ) মোঃ মমিনুল হক মজুমদার, পরিচালক (প্রশাসন) মোহম্মদ ইমরান হোসেন সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। যোগদানকালে ট্র্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ সবুর খান নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্যকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।     উপ-উপাচায পদে যোগ দেয়ার আগে প্রফেসর মাহাবুব বিম্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি অনুষদের ডীন এর দায়িত্ব পালন করিেছলেন। তিনি ১০৭০ সালে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।  পরবর্তীতে  রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ও  বিভাগীয় প্রধান এবং বিম্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০০-২০০৩ সাল পর্যন্ত জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ডীন এর দায়িত্ব পালন করেন। প্রফেসর ড. এস এম মাহাবুব-উল-হক মজুমদার ২০০৫ সালে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে টেক্সটাইল ইহ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ অনেক গুরুত্বপূর্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। সুদীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে প্রফেসর মাহাবুব মেধা বৃত্তি, ইউনেস্কো ফেলোশিপ ও ব্রিটিশ কাউন্সিল বৃত্তি লাভ করেন।   তিনি বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ফর দি এডভান্সমেন্ট অব সায়েন্সস (ইঅঅঝ) ও বাংলাদেশ ক্যামিক্যাল বাউন্সিল এর অঅজীবন সদস্য এবং আমেরিকান বায়োগ্রাফিক্যাল  ইন্সটিটিউট এর পরামর্শক সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন।

  • ৫ দফা দাবীতে শিক্ষকদের সমাবেশ ও স্বারকলিপি প্রদান

    বে-সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকুরি জাতীয়করণসহ ৫ দফা দাবীতে সমাবেশ ও স্বারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি পঞ্চগড় জেলা শাখা। বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে কয়েক শতাধিক শিক্ষক-কর্মচারী জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্বারকলিপি প্রদান করেন। স্বারকলিপিতে বে-সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকুরি জাতীয়করণ, সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় বে-সরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের ৫% প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতা প্রদান, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্ট্রের জন্য আবেদনের ৬ মাসের মধ্যে পাওনাদি পরিশোধ করতে আগামী বাজেটে ৩ হাজার কোটি টাকা প্রদান, আগামী ঈদে শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা প্রদান এবং সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় বে-সরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পূর্ণাঙ্গ বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা প্রদান এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে অনুদান শব্দের পরিবর্তে বেতন-ভাতাদির সরকারি অংশ সংযুক্ত করতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির, সদর উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি একরামুল হক, সচিব জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম সচিব রবিউল ইসলাম প্রমূখ। বক্তারা বলেন, আমরা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে বে-সরকারি এমপিও ভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দাবী আদায় করতে চাই না।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বে-সরকারি শিক্ষক সমাজের আকুল আবেদন আমাদের ন্যায্য দাবী সমূহ পূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

  • এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ” বিভাগের বৃত্তি পেল ১০ শিক্ষার্থী

    ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির “এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ” বিভাগ প্রদত্ত Are You the Next Startup?’ শিরোনামের দ্বিতীয় পর্বের বৃত্তি পেল ১০ শিক্ষার্থী। দেশের শীর্ষস্থানীয় ১০ জন শিল্পোদ্যোক্তার নামে প্রদত্ত এ বৃত্তিপ্রাপ্তরা ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির “এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ” বিভাগে চার বছরের স্নাতক (সম্মান ) কোর্সে অধ্যায়নের সুযোগ পাবে এবং সফল উদ্যোক্তা তৈরী করা পর্যন্ত  প্রয়োজনীয় নানাবিধ সহযোগিতা প্রদানের পাশাপাশি ব্যবহারিক ও তত্ত্বীয় শিক্ষা প্রদান করা হবে যা তাদেরকে চার বছরের শিক্ষা জীবনে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে অনুপ্রাণিত করবে। অধিকন্তু এ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি শিক্ষার্থী অধ্যায়নকাল থেকেই কিছু কিছু অর্থ উপার্জনের সুযোগ পাবে যা তাদের নতুন ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে মূলধন হিসেবে কাজ করবে। এবং ব্যবসাখাতে তাদের সম্পৃক্ততাকে নিশ্চিত করবে। আজ ১৪ মে ২০১৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে চূড়ান্ত বিজয়ী বৃত্তি প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাষ্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ সবুর খান। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইউসুফ এম ইসলামের  সভাপতিত্বে বৃত্তিপ্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হামিদুল হক খান, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল হক, পরিচালক (হিসাব ও অর্থ) মোঃ মুমনুল হক মজুমদার,র্   স্টুডেন্ট এফেয়ার্সের পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান, ইনোভেশন এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের পরিচালক আবু তাহের খান ও  এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ বিভাগের প্রধান সৈয়দ মারুফ রেজা।  Are You the Next Startup?’ শিরোনামের দ্বিতীয় পর্বের বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন, নাইমা জাহান (টাঙ্গাইল), মোঃ নাহিদুল ইসলাম (ভোলা), ফারনহান এজাজ ( ঢাকা), সঙ্জয় পাল (ঠাকুরগাঁও), তৌহিদুর রহমান আদিল (ব্রাহ্ম্রন বাড়িয়া), ফারহান শাহরিয়ার (ঠাকুর গাঁও),  সাদিয়া আকতার সাম্মী (ভোলা), মোহাম্মদ রাফিউজ্জামান ( ঢাকা),  মোঃ উজ্জ্বল ইসলাম (ঠাকুর গাঁও) এবং আহসান হাবীব (নাটোর)। Are You the Next Startup?’ হচ্ছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির “এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ” বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় তরুন Startup ও উদ্যোক্তাদের  খুঁজে বের করার জাতীয় মেধা অন্বেষণের উদ্যোগ। এ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিটি বিজয়ীর মধ্যে লুকিয়ে থাকা উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বা ব্যবসায়িক ভাবনাসমূহকে উদ্ভাবন করে পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত ও সঠিক গন্তব্যে পরিচালিত করবে। যেসব  বরেণ্য উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠানের নামে এ বৃত্তিসমূহ প্রদান করা হয় তারা হলেন, ড. কাজী খলিকুজ্জামান আহমেদ (পিকেএসএফ), জনাব লতিফুর রহমান ( ট্রান্সকম গ্রুপ),  আলহাজ্জ্ব সুফী মোঃ মিজানুর রহমান (পিএইচপি গ্রুপ), জনাব সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী (এপেক্স গ্রুপ), জনাব এম আনিস উদ দৌলা (এসিআই), জনাব এ কে আজাদ (হা-মীম গ্রুপ), মিসেস গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী ( এডকম লিঃ),  মিসেস রোকেয়া আফজাল ( বাংলাদেশ ফেডারেশন অব উইমেন্স এন্ট্রপ্রেনিউরশীপ) এবং মোঃ মজিবর রহমান (বি আরবি ক্যাবলস্ লিঃ)।

  • নিজের জমিতে বাড়ি করতে পারছেন না একটি পরিবার

    উপজেলার কামালদীয়া ইউনিয়নের মির্জাকান্দী গ্রামের নিজের জমিতে বাড়ি করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছে একটি পরিবার।গ্রাম্য শালিস নামা সুত্রে জানা গেছে মির্জাকান্দী গ্রামের ক্রয় সুত্রে জমির মালিক মোঃ নাসির শেখ গং তাদের ক্রয় কৃত ৭০১ দাগের ১৩ শতাংস জমিতে ঘর তুলতে চেষ্টা করলে মৃত শুকুর আলীর পুত্র আবু বক্কার শেখ গং তাদের বার বার বাধার সৃস্টি করে আসছে। স্থনীয় প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপে শালিশ মিমাংসা হলেও বিবাদী পক্ষ তা না মেনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আসছে।মোঃ নাছির শেখ গংদের অভিযোগ যে তারা শালিস মেনে তাদের জমিতে অস্থায়ী ভাবে ছাপড়া ঘর নির্মান করলে রাতের অন্ধ্যকারে বিবাদী পক্ষ ভেঙ্গে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে বাদি পক্ষ ২টি টিনের ছাপড়া ঘর উক্ত জমিতে নিয়ে রাখার কিছু সময় পর ঝড় বৃষ্টি আসলে তারা ফিরে যায়। সন্ধ্যার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিবর্গ ছাপড়া ঘর ২টি ভেঙ্গে নিয়ে যায় এবং বিভিন্ন হুমকি প্রদান করে।বিষয়টি শালিসদারদের জানানো হলে ৪মে বুধবার মিমাংসার জন্য পনরায় দিন ধার্য করা হয় কিন্তু বিবাদি পক্ষ উপস্থিত নাহয়ে পুনরায় দিন ধার্য করতে শালিসদার দের প্রতি অনুরোধ করেন। পরবর্তিতে ১১মে বৃহস্পতিবার শালিসের দিন ধার্য থাকলেও হাজির হয়নি অভিযুক্ত ব্যাক্তিবর্গ। অভিযুক্ত মোঃ নাসির শেখ গং দের সাথে যোগাযোগ করা হলে ঘর ভাঙ্গার কথা অস্বিকার করে বলেন আমরা শালিশ মেনে নিয়েচি ঘর ভাংতে যাবো কেন? আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।এব্যাপারে শালিসদার মধুখালী পৌর কাউন্সিলর মির্জা আব্বাসের মোবাইলে জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা শিকার করে তিনি বলেন আমি শালিসে ছিলাম। শালিসের দুপক্ষই মেনে নিয়েছিল পরবর্তিতে ঘর বেঙ্গে নেয়ার ব্যাপারটি আমি সুনেছি। এর পর ২ দিন বসার কথা থাকলেও তারা উপস্থিত হয়নি।

  • ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘চেঞ্জ টুগেদার’ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    সুস্থ দেহ ও সুন্দর জীবন গঠনে শরীর চর্চ্চা, প্যারেড এবং ক্রীড়া মনোভাবকে উৎসাহিত করতে এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক উপযুক্ততা নিশ্চিত করতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি চালু করেছে “চেইঞ্জ টুগেদার” কর্মসূচী। এ কর্মসূচীর আওতায় শিক্ষক ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘চেঞ্জ টুগেদার’ শীর্ষক কর্মশালা আজ শনিবার (১৩ মে) ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ধানমন্ডি ক্যাম্পাসে ৭১ মিলনায়তনে অনুষ্টিত হয়। অনলাইনের মাধ্যমে উত্তরা ক্যাপম্পাস ও আশুলিয়ার স্থায়ী ক্যাম্পাসের শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ একযোগ এ কর্মশালায় সম্পৃক্ত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্ট্রি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান বলেন, নিজে পরিবর্তন না হলে অন্যকে পরিবর্তনে উদ্বুদ্ধ করা যায় না। সেজন্য সবার আগে নিজের পরিবর্তন জরুরি। এসময় শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদেরকে নিজের সন্তান মনে করতে হবে। একজন বাবা মার মতোই যতœ নিতে হবে শিক্ষার্থীদের। মনে রাখতে হবে তাদের টিউশন ফি থেকেই শিক্ষকদের বেতন প্রদান করা হয়।শিক্ষার্থীদের সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দেওয়ার সেতু হিসেবে শিক্ষকরা কাজ করেন উল্লেখ করে মোঃ সবুর খান বলেন, শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নিন, তাদের সাথে আন্তরিকভাবে মিশুন। তাদের সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শুনুন এবং সমাধান দিন। এ সময় তিনি সদ্য প্রয়াত জাগাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর এম কবিরের উ˜াহরণ দিয়ে বলেন, তিনি শিক্ষার্র্থীদের মেইল দিতেন, হলে গিয়ে খোঁজ নিতেন। মো. সবুর খান আরও বলেন, ইদানিং থাইল্যান্ড, জাপান, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যলয়গুলোতে রোবটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষকের স্থান দখল করে নিচ্ছে রোবট। এটা কি শিক্ষকের জন্য লজ্জার নয়? এসময় মো. সবুর খান ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে নিজেদেরকে যোগ্য শিক্ষকরুপে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকরাই পারেন শিক্ষার্থীদেরকে ইতিবাচকভাবে পরিবর্তন করতে। এজন্য শিক্ষককে নিজে পরিবর্তন হতে হবে সর্বাগ্রে। এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান রাজু, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারি অধ্যাপক এ.কে.এম সারওয়ার ইনাম, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারি অধ্যাপক তানভীর আহমেদ চৌধূরীসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক মো. ইজাজ-উর- রহমান সজল।ক্যাপশনঃ শিক্ষক ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত ‘চেঞ্জ টুগেদার’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্ট্রি বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ সবুর খান। 

  • দিনাজপুরে কোচিং ব্যবসা জমজমাট, ভ্যাট ট্যাক্সে শুভংকরের ফাঁকি

    দিনাজপুরের অলিগলিতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য কোচিং সেন্টার। নামিদামি স্কুল, কলেজ, মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নেয়ার জন্য কোচিং সেন্টারগুলিতে উপচে পড়া ভিড়। এছাড়াও রয়েছে দূর্বল ছাত্রদের লেখাপড়াতে সবল করতে অসংখ্য কোচিং সেন্টার। এই কোচিং সেন্টার ব্যবসা করে অনেক মানুষ আঙ্গুল ফুলে ফেপে কলাগাছ হয়ে গেলেও তাদের দিতে হয়না সরকারকে কোন হিসেব নিকেশ। আর দিতে হয়না আয়কর, ভ্যাট, ট্যাক্সের সঠিক হিসাব নিকাশ। যদি কিছু দিতে হয় তবে তাতেও রয়েছে শুভংকরের ফাঁকি। দিনাজপুরের অভাবগ্রস্ত অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আর বেকার যুবকদের পুজি করে অলিতে গলিতে গজিয়ে উঠেছে শত শত কোচিং সেন্টার এবং কিন্ডার গার্টেন, ইংলিম মিডিয়াম, ক্যাডেট স্কুল ও স্কুল এন্ড কলেজ নামধারী বানিজ্যিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করলেও যৎসামান্ন বেতন গরুর মত পরিশ্রম করিয়ে নিচ্ছে শিক্ষক ও কর্মচারীদের। আবার ইদানিং এই স্কুল ও কোচিং সেন্টারে চাকুরী করতে গেলে বেকার যুবক ও অবসর প্রাপ্ত শিক্ষদের জামানোত হিসেবে জমা দিতে হয় নগত ২০ থেকে ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এই জামানোতের টাকা কিসের জন্য দিতে হয় তা কেউ বলতে পারে না। সরকারী স্কুলে লেখা পাড়া নি¤œ মানের হওয়ায় বে-সরকারী কোচিং সেন্টার স্কুলে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের নিয়ে শিক্ষার্থীরা হুড়মুরী খেয়ে পড়ছে। বে-সরকারী স্কুলে লেখা পড়ার মান দিন দিন নি¤œ মুখি হলেও দেখার কেউ নেই। টাকার বিনিময় মেধাহীন শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হয় সরকারী প্রাইমারী স্কুলগুলোতে। আর মেধাবী ছাত্ররা পথে পথে ঘুরপাক খায়। দুর্নীতি শিক্ষা ক্ষেত্রকে গ্রাস করে ফেললেও শিক্ষা প্রশাসনের ভ্রুক্ষেপ নেই। এসেক্টরের কোটি কোটি টাকা বরাদ্ধ দিয়েও কোন আউটপুট দেখতে পায় না জনগণ। অন্যদিকে কয়েক সপ্তাহ পূর্বে দিনাজপুর বাস টার্মিনাল সংলগ্ন বাইপাস রোডে অবস্থিত ওয়ার্ল্ড টিচিং সেন্টার রাতারাতি বন্ধ করে পালিছে আবার দিনাজপুর শহরের সোনাপীর গোরস্থান সংলগ্ন অক্সফোট রেডিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের বাবুর্চি মোঃ আব্দুল আজিজ এর ২ সামের বেতন বাবদ ২০ হাজার টাকা দেয়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ। বহু ঘোড়াঘুড়ির পর আব্দুল আজিজ চাকুরীতে আর যায় না। অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন চাইলে তাদের ধকম দেয় ও অল্প অল্প করে টাকা দেয়। আর বেশি তর্কবিতর্ক করলে তাদের তাদের চাকুরী থেকে বের করে দেওয়া হয়। এখানকার কর্মচারী ও শিক্ষকদের অনেকে টাকা বেতন বাকী এবং পোস্টার টাঙ্গানোর বিল বাবদ প্রায় ১০ হাজার টাকা এবং ঘর ভাড়া না দিয়ে রাতের অন্ধ কারে টিচিং সেন্টারটি বন্ধ করে কর্তৃপক্ষ গা ঢাকা দিয়েছে। দিনাজপুর শহরে কোচিং সেন্টারের সংখ্যা কত? এর হিসাব প্রশাসনের নিকট নেই। আর শিক্ষা বিভাগের এই নিয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই। শিক্ষা বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন ‘আমাদের তো কাজ নেই যে মহল্লায় মহল্লায় গিয়ে কোচিং সেন্টার গুনবো’। ভর্তি প্রস্তুতি কোচিং সেন্টার গুলোর দৃশ্য দেখলে মনেহয় যুদ্ধে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে ছাত্ররা। আর এই সূযোগে কোচিং সেন্টার মালিকেরা লুটে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা অভিভাবকদের নিকট থেকে। কোচিং সেন্টারের কোন আয় ব্যায়ের হিসাবের খাতা নেই। কোন হিসাব দিতে হয়না সরকারকে। সারা দেশে শুধু মাত্র কোচিং ব্যবসা থেকে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব হিসেবে কোটি কোটি টাকা। শিক্ষা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে কোচিং সেন্টারগুলোর প্রতি লোক দেখানো হুংকার ছাড়া হলেও কোন কাজের কাজ হয়না। এমন কিছু কোচিং সেন্টার রয়েছে যার শাখা প্রশাখা রয়েছে দেশ জুড়ে। কতগুলো রয়েছে ব্যক্তিগত ও কিছু রয়েছে যৌথ মালিকানার কোচিং সেন্টার। নিয়ম বর্হিভূত ভাবে প্রতিদিন ব্যঙ্গের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে কোচিং সেন্টার। শুধুমাত্র দিনাজপুর শহরের মোট ১২টি ওয়ার্ডে ছোট বড় মিলে ৪ শতাধিক কোচিং সেন্টার রয়েছে। শহরের রাস্তা-ঘাট, অলি-গলিতে নানা ধরনের চমক প্রদয় লেখা লিখে কোচিং সেন্টারের লিফলেট ব্যানার, ফেস্টুনে ছেয়ে গেয়ে দিনাজপুর। রামনগরের ব্যাংকার আলী মোহাম্মদ হামজা জানান, সরকারী বিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষার মান দিন দিন নি¤œমুখি হওয়ায় কোচিং ব্যবসা এখন টুঙ্গে। অভিভাবকরা মনে করছেন বেশীর ভাগ বেসরকারী স্কুলে মানসম্পন্ন লেখাপড়া হয়না। তাই তাদের সন্তানদের জন্য নির্ভর করতে হয় কোচিং সেন্টারের উপর। ৫ থেকে ৮ লক্ষ্য টাকা ঘুষ দিয়ে মেধাহীন মানুষকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বিদ্যালয় গুলিতে । যে শিক্ষক নিজেই কিছু জানেন না সে শিক্ষার্থীদের কি শিক্ষা দিবে? সরকারী ও বেসরকারী বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান একই রুপ। আর মান সম্পূর্ণ বিদ্যালয়ে ছাত্ররা নিজেই মেধাবী হওয়ায় তাদের পিছনে শিক্ষককে খাটতে হয় না। ভালো শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষক নয় বরং তার মেধা পরিশ্রম এবং অভিভাবকের চেষ্টাই তাদের নিয়ে যায় সাফল্যের শীর্ষে।

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top