• ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাসুম ইকবালের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন

    ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাসুম ইকবাল সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। গত ৩০ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভার আদেশক্রমে বিজনেস স্টাডিস অনুষদের অন্তর্গত ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের অধীনে মুহাম্মদ মাসুম ইকবালকে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করা হয়। ড. মাসুম ইকবাল ‘কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট ইন ফিনান্সিয়াল সার্ভিস : এ স্টাডি অন সাম সিলেক্টেড প্রাইভেট কমার্সিয়াল ব্যাংকস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক অভিসন্দর্ভের জন্য এ ডিগ্রি অর্জন করেন।ড. মুহাম্মদ মাসুম ইকবাল চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলাধীন গাজীপুর গ্রামের গাজীপুর মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় ও গাজীপুর সিনিয়র মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মুসলিম সওদাগরের নাতি এবং ইদ্রিস সওদাগরের জ্যেষ্ঠ পুত্র। ড. মাসুম ইকবাল ১৯৯০ সালে গাজীপুর মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস এস সি, ১৯৯২ সালে চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচ এস সি পাশ করেন। ১৯৯৬ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিং এ ¯œাতক এবং ২০০১ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম বি এ পাশ করেন। বর্তমানে তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ব্যাবসায় ও অর্থনীতি অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক ও সহযোগী ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

  • ২১তম ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অন স্টুডেন্টস কোয়ালিটি কন্ট্রোল সার্কেল-২০১৮ শুরু

    ‘বৈশ্বিক শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের জন্য মানসম্মত শিক্ষা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আগামীকাল ৩ মে (বৃহস্পতিবার) থেকে ড্যাফোডিল ইন্টান্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস আশুলিয়ায় শুরু হবে ৪ দিন ব্যাপী ২১তম ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অন স্টুডেন্টস কোয়ালিটি কন্ট্রোল সার্কেল-২০১৮ (আইসিএসকিউসিসি-২০১৮)। বাংলাদেশ সোসাইটি ফর টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (বিএসটিকিউএম)-এর উদ্যোগে এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় বাংলাদেশে এ আন্তর্জাতিক কনভেনশন জলবে আগামী ৬ মে পর্যন্ত। কনভেনশনে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অষ্ট্রেলিয়া, ভারত, শ্রীলংকা, নেপাল, পাকিস্তান ও মোরিশাসের ৫০০ শিক্ষার্থীসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১ হাজার শিক্ষার্থী ও প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছে।আগামীকাল ৩ মে ২০১৮ তারিখে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস আশুলিয়ায় বর্ণাঢ্য এ আয়োজনের উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, এম পি ও ৫ মে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এই আন্তর্জাতিক কনভেনশনে প্রায় ৬০টি স্টুডেন্টস কোয়ালিটি কন্ট্রোল সার্কেলের কেস স্টাডি ও শিক্ষাক্ষেত্রে গুণগত মানবিষয়ক ১৩টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে। এছাড়াও ৪৩টি দল পোস্টার ও শ্লোগান, ৩৯টি দল কোলাজ, ২৯টি দল স্কিট, ৩৩টি দল বিতর্ক, ২৮টি দল কোয়ালিটি ক্ইুজ এবং ১৬টি দল কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন।কনভেনশনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের মাঝে টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুণগত মানোন্নয়ন ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সর্বশেষ উন্নয়ন সম্পর্কে অবহিত করার পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্টান সমূহে টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট বাস্তবায়নের বিভিন্ন বিষয় বিনিময় করা।

  • গোপালগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর,প্যাড ও সীল জাল করে অবৈধ এডহক কমিটির অনুমোদন

    গোপালগঞ্জের একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর ও সীল জাল করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে অবৈধ এডহক কমিটির অনুমোদনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলতলী ইউনিয়নের বৌলতলী সাহাপুর সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যালয়ে। এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফুল আলম বিষয়টি জানিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান বরাবরে একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন।অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, বৌলতলী সাহাপুর সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফুল আলম ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কারনে গত ২২ জানুয়ারী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর এডহক কমিটি তৈরীর আবেদন জানিয়ে একটি দরখাস্ত প্রেরন করেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষীতে বোর্ড কতৃপক্ষ ১ ফেব্রুয়ারী ২২৪৬ (৩) স্বারকে একটি পত্র প্রেরন করে প্রধান শিক্ষককে একটি এডহক কমিটি গঠনের জন্য অনুমতি প্রদান করেন। তবে সভাপতি ব্যাতিত অভিবাবক প্রতিনিধি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কতৃক মনোনীত ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কতৃক মনোনীত শিক্ষক প্রতিনিধি মনোনয়ের কথা বলা হয়। উক্ত পত্রের আলোকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত ০৫.৩০.৩৫৩২.০০২.০৬.০০৫.১৭-৩০৮/১(৪) নং স্বারকে পবিত্র মজুমদার কে অভিবাবক প্রতিনিধি ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত জেশিঅ/গোপাল/২০১৮/১৬৮(৫) স্বারকে ভুপতি রঞ্জন দাস কে শিক্ষক প্রতিনিধি হিসাবে মনোনীত করে এবং প্রধান শিক্ষকে এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচন করার কথা বলা হয়।প্রধান শিক্ষক কতৃক সভাপতির মনোনয়নকৃত চিঠি বোর্ডে না যাওয়ার আগেই মো: মাহমুদ আলম নামে জনৈক ব্যাক্তি প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর, সীল ও বিদ্যালয়ের প্যাড জাল করে এবং অভিবাবক প্রতিনিধি, শিক্ষক প্রতিনিধি মনোনয়নের চিঠি ভুয়া স্বারকের কপি তৈরী করে শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট শাখার ডিলিং এসিস্ট্যান্ড এর সাথে লক্ষাধিক টাকার অবৈধ লেন-দেনের মাধ্যমে সম্পুর্ন অনৈতিক পন্থায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে নিজের নামে সভাপতি মনোনয়ন ও একটি এডহক কমিটি করিয়ে আনে। যাহা সম্পুর্ন ভুয়া ও মিথ্যা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।উক্ত ভুয়া কমিটির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে বৌলতলী সাহাপুর সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আশরাফুল আলম বিষয়টি জানিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান বরাবরে আরো একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন।এ ব্যাপারে বৌলতলী সাহাপুর সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আশরাফুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মো: মাহমুদ আলম একজন সুচতুর ব্যাক্তি তিনি জাল জালিয়াতির এবং লক্ষাধিক টাকার বিনিময়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ড ঢাকার থেকে একটি ভুয়া এডহক কমিটি করিয়ে আনেন যাহা আদৌও কার্যকরি না।তিনি আরো বলেন, সভাপতি ব্যাতিত অভিবাবক প্রতিনিধি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কতৃক মনোনীত ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কতৃক মনোনীত শিক্ষক প্রতিনিধি মনোনয়ের কথা বলা হয়। উক্ত পত্রের আলোকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত ০৫. ৩০. ৩৫৩২. ০০২. ০৬. ০০৫. ১৭-৩০৮/১ (৪) নং স্বারকে পবিত্র মজুমদার কে অভিবাবক প্রতিনিধি ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত জেশিঅ/গোপাল/২০১৮/১৬৮(৫) স্বারকে ভুপতি রঞ্জন দাস কে শিক্ষক প্রতিনিধি হিসাবে মনোনীত করেন। অথচ মো: মাহমুদ আলম বোর্ডে যে সকল চিঠির কথা উল্লেখ করেছেন তার স্বারক নম্বরই ভুল। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত ০৫. ৩০. ৩৫৩২. ০০২. ০৬. ০০৫. ১৭-৩০৮/১ (৪) নং স্বারক কে ০৫. ৩০. ৩৫৩২. ০০২. ০৬.০০৫. ১৭-৩০৮ নং স্বারক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত জেশিঅ/গোপাল/ ২০১৮/ ১৬৮ (৫) স্বারকে জেশিঅ/গোপাল/২০১৮/১০৬৮ নং স্বারক উল্লেখ করেছেন যাহা সম্পুর্ন মিথ্যা। মাহমুদ আলম বর্তমানে ওই ভুয়া এডহক কমিটির সভাপতি পরিচয়ে বিদ্যালয়ে এসে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত করছেন। ওই ভুয়া এডহক কমিটির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।এ ব্যাপারে এডহক কমিটির সভাপতি পরিচয় দানকারী মো: মাহমুদ আলমের ব্যবহৃত মোবাইল ০১৭১১-৩৯৭৯০৯ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ কমিটির ব্যাপারে আমার কোন ক্ষমতা নেই। যা যা করার ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক করেছে। আমি এ ব্যাপারে কিছুই করিনি। আমি বোর্ডের চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে কথা বলেছি তিনি আমাকে বলেছেন সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। স্বারক নম্বর ভুলের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন আমার ইউএনও অফিসে গিয়ে দেখতে হবে। আমি চিঠি দেখে জানাতে পারবো। এ সময় তিনি আরো বলেন আমার ভাইও সাংবাদিক সে এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজে ঢাকায় আছেন।

  • জলঢাকায় ঘুষের টাকা ফেরত না দেওয়ায় প্রধান শিক্ষক অবরুদ্ধ। আহত-১

    নীলফামারী জলঢাকায় ৪ লক্ষ টাকায় ঘুষ নিয়ে চাকুরী না দেওয়ায় জনতার কাছে অবরুদ্ধ হলেন, হামিদুর রহমান নামের এক প্রধান শিক্ষক। এ সময় চাকুরী প্রার্থীর ভাইকে মেরে আহত করেছে ওই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও হামিদুর রহমানের লোকজন। ঘটনাটি মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার শৌলমারী গোপালঝাড় দ্বিমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে। চাকুরী প্রার্থীর বাবা ফজলুর রহমান জানায়, প্রায় ৩ বছর আগে আমার ছেলে সোহরাব হোসেন (সিমলু) লাব্রেরিয়ান পদে চাকুরীর প্রলোভন ও গ্রন্থাগার সার্টিফিকেট পেয়ে দেওয়ার কথা বলে মোট ৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ঘুষ নেয় গোপালঝাড় দ্বিমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হামিদুর রহমান। দীর্ঘদিন টালবাহনা করে মঙ্গলবার ১২ লক্ষ টাকায় শিবির কর্মী সাদেকুর রহমানের তাকে চাকুরী পেয়ে দেয় এবং স্কুলে এই উপলক্ষ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এ খবর শুনে স্কুলে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে ঘুষের টাকা ফেরত চাইলে তিনি আমার উপর চড়াও হন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন হামিদুর মাষ্টারকে অবরুদ্ধ করে রাখে। শুধু সোহরাব হোসেনেই নয় এরকম প্রতারণার শিকার বালাগ্রাম ইউনিয়নের আসাদুজ্জামানের স্ত্রী তানিয়া আক্তার জানান, একই পদের কথা বলে আমার কাছ থেকে হামিদুর রহমান টাকা নিয়েছে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা আর সার্টিফিকেট বাবদ নিয়েছে ৫০ হাজার টাকা। এ সংক্রান্ত ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকার স্বীকারোক্তিমূলক স্বাক্ষর রয়েছে এবং ডিমলা বিন্দা রানী সরকারী হাই স্কুলে নিয়োগ পরীক্ষায় আমাকে সিলেকশন দিয়েছে। অথচ প্রধান শিক্ষক বলেছেন গ্রন্থাগারের সার্টিফিকেটটি নাকি জাল! এজন্য নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। আহত সুমন আলী (২৯) জানায়, আমার বাবা ফজলুর রহমান ওই স্কুলের একজন দাতা সদস্য তিনি প্রতিষ্ঠানটিতে প্রথমে ৩৫ শতাংশ পরে ১৫ শতাংশ জমি দান করেছেন। আমার ভাইয়ের চাকুরী বাবদ নগদ মোটা অঙ্কের টাকা দিয়েও চাকুরী দেয়নি। উল্টো এর প্রতিবাদ করলে সভাপতি ও তাদের লোকজন আমাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে এবং মামলাও দিয়েছে। এঘটনায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার চঞ্চল কুমার ভৌমিক অবরুদ্ধের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এটা ম্যানেজিং কমিটির অভ্যন্তরীন বিষয় আমার সাথে সংশ্লিষ্টতা নেই। ওই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নুরুজ্জামানকে মুঠোফোনে বার-বার চেষ্ট করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক হামিদুর রহমান অভিযোগ অ-স্বীকার করে বলেন, এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

  • অক্সফোর্ডে পড়তে গেলেন ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী

    অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা চুক্তির আওতায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের দুই শিক্ষার্থী সৈয়দা মাঈশা তাসনিম ও নিধি চাকমা এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান খান বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ডফোর্ড কলেজে পড়তে গেছেন। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা চুক্তির আওতায় এই তিন শিক্ষার্থী স্প্রিং প্রোগ্রামে অধ্যয়ন করেতে গেছেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ড্যাফোডিলের এই তিন শিক্ষার্থী প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণের পাশাপশি আন্তঃসাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করবেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী এই তিন শিক্ষার্থী বিশ্বের অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীদের সামনে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরেন। ঐতিহ্যবাহী অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির হার্ডফোর্ড কলেজ ১২৮২ সনে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮টি কলেজের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন কলেজ। প্রতি বছর শিক্ষার্থী বিনিময় প্রকল্প ও শিক্ষাবৃত্তি প্রকল্পের আওতায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী বিশ্বের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষার্থে পড়তে যাচ্ছেন। ক্যাপশনঃ সহপাঠী ও শিক্ষকদের সাথে বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ডফোর্ড কলেজে স্প্রিং প্রোগ্রামে অধ্যয়ন করেতে যাওয়া ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের দুই শিক্ষার্থী সৈয়দা মাঈশা তাসনিম ও নিধি চাকমা এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান খান।

  • ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘সুসাশনের জন্য যোগাযোগ ও গণমাধ্যম’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

    ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের আয়োজনে ‘সুসাশনের জন্য যোগাযোগ ও গণমাধ্যম’’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১ মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশণাল ইউনিভার্সিটির সংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান। সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাষ্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মোঃ সবুর খান। এছাড়া চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ সেমিনারে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে এ বছর স্বাধীনতা পদক পাওয়ায় শাইখ সিরাজকে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অভিনন্দিত করা হয়। তাকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান।  সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক এ এমএম হামিদুর রহমান, সহযোগী ডীন অধ্যাপক ফারহানা হেলাল মেহতাব, সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের প্রফেসর ড. সাখাওয়াত আলী খান, বিভাগীয় প্রধান সেলিম আহমেদ ও সহযোগী অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম । মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গণমাধ্যম সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে, এর বেশি কিছু নয়। গণমাধ্যম চাইলেই রাতকে দিন কিংবা দিনকে রাত বানাতে পারে না। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের পক্ষে সরাসরি সরকারের নিকট পৌঁছা সম্ভব নয়। তাই গণমাধ্যম সাধারণ মানুষের দাবি দাওয়া ও চাওয়া পাওয়া সরকারের নিকট তুলে ধরে। সরকার তখন সেসব বাস্তবায়ন করে। এভাবে গণমাধ্যম সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে থাকে।অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান আরও বলেন, সরকার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে গণমাধ্যম যেহেতু সেতুবন্ধের ভূমিকা পালন করে, তাই গণমাধ্যমকে নিজের দায়িত্বশীলতা সম্পর্কে আরো সচেতন হতে হবে। সামাজিক দায়বদ্ধতা, জবাবদিহিতা ও যৌক্তিকতার ভিত্তিতে গণমাধ্যম গড়ে উঠতে হবে। তিনি বলেন, কোনো রাষ্ট্র সুশাসনের ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা বোঝা যায় ছয়টি নির্ধারকের ভিত্তিতে। সেগুলো হচ্ছে বাক স্বাধীনতা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সরকারের কার্যকর ভূমিকা, সমাজে ধ্যান ধারনার প্রতিফলন ও দুর্নীতির নিয়ন্ত্রণ। এসব বিষয়ের ওপর তীক্ষè নজরদারি রাখা গণমাধ্যমের কাজ বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান।দেশবরেণ্য কৃষি সাংবাদিক ও চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ বলেন, গণমাধ্যম তখনই সরকারকে সুশাসনের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে পারে যখন গণমাধ্যম নিজে সৎ থাকে। তাই সুশাসনের চর্চা শুরু করতে হবে ঘর থেকে। যদি নিজের ঘরে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় তবে ক্রমান্বয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রেও তা প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি বাংলাদেশের গলমাধ্যম সম্পর্কে বলেন, আমাদের দেশে গণমাধ্যম দুর্বিষহ অবস্থায় আছে। বেশিরভাগ গণমাধ্যম অসুস্থ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। তারা সাংবাদিকতার নৈতিকতা মানছে না। উদারহরণ দিয়ে বলেন, এ দেশে একবার একযোগে ৬৪ জেলায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল। তারপর গণমাধ্যমগুলো সেই বিস্ফোরণের বিভৎসব ছবিগুলো প্রকাশের প্রতিযোগিতায় নামল। এই চর্চা এখনো চলছে বলে জানান শাইখ সিরাজ। তিনি বলেন, এ অবস্থা থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসতে হবে। গণমাধ্যমকে যত বেশি উন্মক্ত করা যাবে, সুশাসন তত দ্রুত আসবে। এজন্য গণমাধ্যমকর্মী, মালিক, সরকারসহ সংশ্লিস্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান শাইখ সিরাজ।গণমাধ্যম কীভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে তার উদাহরণ দিতে গিয়ে শাইখ সিরাজ বলেন, ২০০৬ সাল থেকে নিয়মিত কৃষি বাজেট নিয়ে অনুষ্ঠান করে আসছি। এরমাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারকদের মুখোমুখি হতে পারছে। তার প্রতিফলন পড়ছে জাতীয় বাজেটে।সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বলেন, কৃষিকে আগে মানুষ পেশা হিসেবে পরিচয় দিতে কুন্ঠাবোধ করতেন। এখন আর করেন না। অনেক তরুণ শিক্ষার্থী এখন গর্বের সঙ্গে বলেন, আমার বাবা একজন কৃষক। সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির এই যে পরিবর্তন সেটা গনমাধ্যমের অবদান এবং সেটা শাইখ সিরাজেরই অবদান। তিনি বলেন, কৃষকের চেয়ে বড় কোনো উদ্যোক্তা নেই। তাদের বেশির ভাগের নিজস্ব জমি না থাকা সত্ত্বেও বর্গা নিয়ে ফসল ফলান। কিন্তু এই প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের ব্যাপারে সরকারের তেমন কোনা উদ্যোগ নেই। এসব বিষয়ে গণমাধ্যমের আরো জোরালো ভূমিকা পালন করা উচিত বলে মন্তব্য করেন ড. মো. সবুর খান। তিনি বলেন, অস্বীকার করার উপায় নেই যে এখন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক মেরুদ- হচ্ছে গণমাধ্যম। কিন্তু গণমাধ্যম অনেক ক্ষেত্রেই নৈতিক আচরণ করে না। অনৈতিক সাংবাদিকতার কারণে দেশের অর্থনীতির গতি কমে যাচ্ছে। এখনই এসব অপসাংবাদিকতা রুখে দাঁড়াতে হবে বলে মন্তব্য করে ড. মো. সবুর খান। ক্যাপশনঃ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের আয়োজনে ‘সুসাশনের জন্য যোগাযোগ ও গণমাধ্যম’’ শীর্ষক সেমিনারে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশণাল ইউনিভার্সিটির সংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাষ্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মোঃ সবুর খানসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। 

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top