• শিশু প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার জন্য শিক্ষক প্রশিক্ষণ শুরু

    বেসিস সভাপতি জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, “বাংলাদেশের শিশুরাই হবে প্রোগ্রামার। দুনিয়াজুড়ে রয়েছে প্রোগ্রামারদের বিপুল চাহিদা। পৃথিবীর সব উন্নত দেশ প্রোগ্রামার খুঁজে বেড়ায়। বিশ্বে প্রোগ্রামাররা কেবল চাহিদার শীর্ষে নয়, তারাই পায় সর্বোচ্চ সম্মানী ও সম্মান। ডিজিটাল দুনিয়াতে সেরা পেশাটির নাম প্রোগ্রামার। বাংলাদেশেও প্রোগ্রামারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু দেশে সফটওয়্যারের কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামার পাওয়া যায় না। বরং কম্পিউটার বিজ্ঞান যারা পড়ে তাদের মাঝেও রয়েছে প্রোগ্রামিং ভীতি। তিনি বলেন, আমাদের কাছে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে কম্পিউটার বিজ্ঞান পড়ে এমন ছাত্র-ছাত্রীদের শতকরা মাত্র ৮ জন প্রোগ্রামার হতে চায়। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব অনুসারে কম্পিউটার বিজ্ঞানে ভর্তি হওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের ৫৮ জন কয়েক মাসের মধ্যেই এই বিষয় পড়া বাদ দিয়ে দেয়। তাদের কাছে বিষয়টি জটিল মনে হয়। আমরা মনে করি, এই অবস্থার পরিবর্তন করার জন্য কেবল কলেজ স্তরে প্রোগ্রামিং শেখানোর উদ্যোগ নিলে হবে না। প্রোগ্রামার তৈরির জন্য শৈশব থেকেই শিশুদের প্রোগ্রামিং সম্পর্কে ধারণা দেওয়া প্রয়োজন। এজন্য তাদের উপযোগি প্রোগ্রামিং শিক্ষা দিতে হবে, যার সহজতম উপায় হলো স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং শেখানো। স্ক্র্যাচ এমন একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা দিয়ে কোনো কোড লিখতে হয় না এবং কেউ একে খেলা হিসেবেই সেটি নিতে পারে। বেসিস সভাপতি আরও বলেন, বেসিস শিক্ষক শিক্ষিকাদেরকে স্ক্রাচ শেখানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশে একটি মাইলফলক উদ্যোগ গ্রহণ করলো। আমরা বেসিস থেকে মূলত একটি শিশু প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে চাই। তবে আমাদের এই কাজটি একটু চ্যালেঞ্জিং। বড়দের প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার বৈশিষ্ট্য হলো যে, কেবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করলেই হয়। যারা অংশ নেবে তারা প্রস্তুতই থাকে। কিন্তু শিশুদের বিষয়টি হচ্ছে যে, আগে তাদেরকে শেখাতে হবে এবং তারপর প্রতিযোগিতায় তাদেরকে ডাকতে হবে। আমরা শিশুদেরকে সরাসরি শেখাবো এবং একই সাথে শিশুদেরকে শেখানোর জন্য শিক্ষক শিক্ষিকাদেরকেও শেখাবো। আমরা আমাদের বিশাল যাত্রার সূচনা করলাম। এরই ধারাবাহিকতায় বেসিসের উদ্যোগে আয়োজিত হবে শিশু কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। এটি ২০১৮ সালের প্রথমার্ধে আয়োজিত হবে।”শিশুদের প্রোগ্রামিং শেখানোর জন্য বেসিস আয়োজিত শিক্ষক শিক্ষিকাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে বেসিস সভাপতি এই কথাগুলো বলেন। বেসিস তার অঙ্গ সংগঠন বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম) এর সহায়তায় গত শুক্রবার (২৫ আগস্ট ২০১৭) রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ বিআইটিএমের ৩০২ নাম্বার ল্যাবে শুধুমাত্র স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ‘স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং পরিচিতি’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ দিয়েছে।দিনব্যাপি এই প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য ছিলো, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিংয়ের সাথে পরিচিত করা এবং তারা যাতে তাদের শিক্ষার্থীদের মাঝে এই জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এই প্রশিক্ষণ চলে। প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।উদ্বোধনকালে বেসিস সভাপতি আরও বলেন,  “বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ও আগামীর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। আমরা ¯œাতক বা উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীদেরকে প্রোগ্রামিং শেখানোর কথা ভাবি। কিন্তু ওরা বস্তুত শৈশব থেকেই প্রোগ্রামিং এর ধারনা পেতে পারে। আমরা শিশুদের জন্য সেই ব্যবস্থাটিই করতে চাই। শিশুদেরকে প্রোগ্রামিং শেখানোর মাধ্যমেই সেটি সূচনা করতে হবে। সেই লক্ষ্য নিয়ে ‘শিশু-কিশোরদের প্রোগ্রামিং শিক্ষা’ শীর্ষক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি শিক্ষার্থীদের জন্য স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং শেখানো হবে। আমরা ২০১৮ সালের শুরুতে এইসব শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে একটি জাতীয় প্রতিযোগিতার আয়োজন করব। ”এই প্রশিক্ষণের প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন বিআইটিএমের প্রশিক্ষক জনাব সিরাজুল মামুন। সহযোগি হিসেবে ছিলেন মেহনাজ শারমিন মোহনা ও ফৌজিয়া আকতার নিহা। জনাব সিরাজুল মামুন বলেন, প্রশিক্ষণ নেওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকারা পরবর্তীতে শিশু-কিশোরদের কাছে এই শিক্ষা পৌছে দেবেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের প্রোগ্রামিংয়ের সাথে পরিচিত করে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য একটি প্রজন্ম তৈরি করা সম্ভব হবে। এই আয়োজনের সূচনায় থাকতে পেরে আমি আনন্দিত।এই আয়োজনের অন্যতম সমন্বয়ক ও ডিক্যাস্টালিয়ার সহ-প্রতিষ্ঠাতা সাবিলা ইনুন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রযাত্রার সাথে তাল মিলিয়ে আগামীর প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে প্রোগ্রামিং শিক্ষার বিকল্প নেই। বেসিসের এই উদ্যোগের সাথে ডিক্যাস্টালিয়াকে রাখার জন্য ও কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য বেসিস, বিআইটিএমসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।প্রথম ব্যাচে বাংলাদেশ ডিজিটাল স্কুল সোসাইটীর ৩০ জন শিক্ষক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তারা আগামীতে আরও শিক্ষকের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন বলে সোসাইটীর প্রধান জনাব ইয়াহিয়া খান রিজন জানান।প্রশিক্ষণার্থী ইয়াহিয়া খান বলেন, এ ধরণের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে শিশুদের তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন মানুষ হিসেবে তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখা যাবে। বড় হয়ে প্রোগ্রামার হওয়ার ভয় থাকবে না তাদের মধ্যে। তবে শিক্ষকদের আরও বেশি শেখার  আগ্রহ তৈরি করতে হবে।  তাদের জন্য বিষয়টি চ্যালেঞ্জিং।

  • স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘কিডস এন্ট্রপেনিউর প্রোগ্রাম’ চালু

    ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতার উন্নয়ন ও বিকাশে “কিডসপ্রেনিউর” নামে ’কিডস এন্ট্রপেনিউর প্রোগ্রাম’ চালু করা হয়েছে। আজ ৫ আগস্ট ২০১৭ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের মিলনায়তনে এ প্রোাগ্রামের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মারুফ রেজা। শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হতে অনুপ্রানিত করতে ও আত্ম নির্ভরশীলতা বাড়াতে ও মনোবল চাঙ্গা করতে অনুষ্ঠানে উদ্দীপনামূলক বক্তব্য রাখেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সিনিয়র ভাইস প্রিন্সিপাল রাহিমা কে মির্জা রোজমেরী। অনুষ্ঠানে আগামী ১২ আগস্ট ২০১৭ তারিখে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য মাই ই-কিডস্ শো-২০১৭ তে কিডস এন্ট্রনিউরশীপ প্রোগ্রাম পরিচালনা ও স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগীতার উপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থীকে এ প্রেগ্রামের অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এখন থেকে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে প্রতিসপ্তাহে একদিন বৃহস্পতিবার নিয়মিতভাবে এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ সেশান আয়োজন করা হবে যা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাব কাযক্রমের অংশ ও এক্সট্রা কারিকুলার কর্মকান্ডের আওতায় উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা ও দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করবে।

  • বাংলাদেশে আসছেন বিশিষ্ট সামাজিক উদ্যোক্তা প্রফেসর ড. অচ্ছুত সামন্ত

    ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এন্ট্রাপ্রিনিয়রশীপ ডিপার্টমেন্ট আয়োজিত “সামাজিক উদ্যোক্তা” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে যোগ দিতে বাংলাদেশে আসছেন ভারতের বিখ্যাত কেআইআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব ইন্ডাসট্রিয়াল টেকনোলজি-কওওঞ) ও কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্স (কওঝঝ) এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. অচ্ছুত সামন্ত। আগামী ২৭ জুলাই ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মিলনায়তন ৭১-এ সকাল ৯-৩০ মিনিটে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এ পর্বে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, দেশ বরেণ্য মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সরকারি ও বেসরকরি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। সেমিনার শেষে কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্স (কওঝঝ) ও ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্স এর সাথে বিভিন্ন অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ছিন্নমূল শিশুদের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও উন্নত জীবনমান নিশ্চিতকল্পে একটি পারস্পরিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান। ড. অচ্ছুত সামন্তকে বলা হয় ওড়িষ্যার বিস্ময় ব্যক্তিত্ব। তিনি অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে একক প্রচেষ্টায় ভারতের ওডিষ্যার রাজধানী ভুবনেশ্বরে গড়ে তুলেছেন অসাধারণ দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা কেআইআইটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্স (কওঝঝ) । অচ্ছুত সামন্তকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে মূলত কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্স এবং এর ২৫ হাজার আদিবাসী ছাত্রছাত্রী। এখানে পড়ার সুযোগ রয়েছে প্রথম শ্রেণি থেকে একদম স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে বিনামূল্যে থাকা, খাওয়া, বিনোদন, খেলাধুলা, স্বাস্থ্যসেবা, কম্পিউটার ল্যাব, কনফারেন্স ল্যাব ও ওয়াই-ফাই সিস্টেমের ব্যবস্থা। এছাড়া এখানে প্রত্যেক শিক্ষার্থী পড়ালেখার সঙ্গে সঙ্গে পায় কারিগরি প্রশিক্ষণ।ড. অচ্ছুত সামন্তের জন্ম ১৯৬৫ সালে ভারতের ওডিষ্যায়। ছোটকালে বাবাকে হারিয়ে নিদারুণ দুঃখ-কষ্টের মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন অচ্ছুত। রসায়ন শাস্ত্রে এমএসসি ডিগ্রি নিয়েছেন উৎকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এরপর পেশাজীবন শুরু করেন কলেজে শিক্ষকতা দিয়ে। দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করার পর ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন কিট (কওওঞ) । এর ঠিক এক বছর পর প্রতিষ্ঠা করেন কিস (কওঝঝ)। অচ্ছুত সামন্ত এ পর্যন্ত ২৫টি উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি ২০০০ সাল থেকে ‘খুদে মিস ইন্ডিয়া’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছেন। এছাড়া মহাত্মা গান্ধীর স্মরণে একটি আদিবাসী জাদুঘর নির্মাণ করছেন যার নাম ‘গান্ধী গ্রাম’। তিনি তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ দক্ষিণ কোরিয়ার হানসিওসহ ভারতের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা, কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর প্রভৃতি দেশ থেকে পেয়েছেন নানা পুরস্কার।

  • ড.ই.ইউ. তে ‘স্মার্ট সিটি-গুড সিটি-আওয়ার সিটি’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ফ্রেডরিক ন্যুম্যান ফাউন্ডেশন ফর ফ্রিডম, বাংলাদেশ (এফএনএফ)-এর যৌথ আয়োজনে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মিলনায়তন-৭১ এ ‘স্মার্ট সিটি-গুড সিটি-আওয়ার সিটি’ শীর্ষক এক কর্মশালা আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিশিষ্ট স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ মোঃ মাসুদুল ইসলাম। সকাল ১০টায় কর্মশালার উদ্বোধন করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কোষাধ্যক্ষ হামিদুল হক খান। কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন ফ্রেডরিক ন্যুম্যান ফাউন্ডেশন ফর ফ্রিডম, বাংলাদেশ (এফএনএফ)-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর প্রফেসর ড. নাজমুল হোসেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পরিচালক (স্টুডেন্ট এফেয়ার্স) সৈয়দ মিজানুর রহমান রাজু ও স্থাপত্য বিভাগের সিনিয়র লেকচারার শেখ মোহাম্মদ রিজওয়ান। কর্মশালায় বিভন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।  কর্মশালায় স্মার্ট সিটি সম্পর্কে নানা বিষয় তুলে ধরেন স্থপতি মোঃ মাসুদুল ইসলাম। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানুষের বসবাসযোগ্য শহর নির্মাণের ধারনাকেই বলা হচ্ছে স্মার্ট সিটি। এসময় তিনি সিঙ্গাপুর, হংকং, দুবাই, কোরিয়া সহ বিভিন্ স্মার্ট সিটির উদাহরণ দেন।বাংলাদেশের উদাহরণ টেনে মোঃ মাসুদুল ইসলাম বলেন, আমাদের শহরগুলোকে স্মার্ট সিটিতে পরিণত করতে হলে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। সবার আগে দরকার অবকাঠামোগত পরিকল্পনা। স্মার্ট সিটির অন্যতম শর্ত হচ্ছে উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, প্রশস্ত ফুটপাত, পর্যাপ্ত গাছপালা ইত্যাদি। এ সময় মো. মাসুদুল ইসলাম আরও বলেন, স্মার্ট সিটি ডিজাইনের সময় ভৌগলিক বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। বাংলাদেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ ইউরোপ, আমেরিকা বা মধ্যপ্রাচ্যের মতো নয়। ফলে দুবাইয়ের মতো স্মার্ট সিটি তৈরি করতে চাইলেই হবে না। নিজ দেশের ভৌগলিক অবস্থান বিবেচনায় রেখে নগর পরিকল্পনা করা উচিত।ক্যাপশনঃ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ফ্রেডরিক ন্যুম্যান ফাউন্ডেশন ফর ফ্রিডম, বাংলাদেশ (এফএনএফ)-এর যৌথ আয়োজনে ‘স্মার্ট সিটি-গুড সিটি-আওয়ার সিটি’ শীর্ষক এক কর্মশালায় মূখ্য আলোচকের বক্তব্য রাখছেন দেশের বিশিষ্ট স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ মোঃ মাসুদুল ইসলাম।

  • আগামীকাল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ২য় বর্ষের পরীক্ষার ফল প্রকাশ

      জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৬ সালের অনার্স ২য় বর্ষের পরীক্ষার ফল আগামীকাল প্রকাশ করা হবে।এ পরীক্ষায় ৩০ টি বিষয়ে সারাদেশে ৬২১ টি কলেজের মোট পরীক্ষার্থী ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী মোট ২১৯ টি কেন্দ্রে থেকে অংশগ্রহণ করে।প্রকাশিত ফল SMS এর মাধ্যমে বিকেল ৪.০০ টা থেকে যেকোন মোবাইল মেসেজ অপশনে গিয়ে NUH2 Roll লিখে 16222 নম্বরে Send করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.edu.bd এবং www.nubd.info থেকে ফল জানা যাবে।

  • দক্ষতাবিহীন সনদভিত্তিক শিক্ষা জাতির জন্য বোঝা : শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, শিক্ষা হবে দক্ষতামুখী। দক্ষতাবিহীন সনদভিত্তিক শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও জাতির জন্য বোঝা তৈরি করে। যুগোপযোগী কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা-প্রশিক্ষণই জাতির অর্থনৈতিক মুক্তির পথ। কারিগরিই হবে শিক্ষার মূলধারা। সরকার পর্যায়ক্রমে শিক্ষাকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেবে। আজ শনিবার আইডিইবি মিলনায়তনে স্কিলস এ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (স্টেপ) আয়োজিত ‘জাতীয় স্কিলস কম্পিটিশন- ২০১৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা বাংলাদেশের অগ্রাধিকার খাত, কারিগরি শিক্ষা হলো অগ্রাধিকারের অগ্রাধিকার। সরকার ইতিমধ্যে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থী ভর্তির হার ১ শতাংশ থেকে ১৪ শতাংশের উপরে উন্নীত করেছে। এই হার আগামী ২০২০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে জোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত পর্যায়ে এ হারকে ৬৫ শতাংশের ঊর্ধ্বে তুলতে হবে। এখাতের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সরকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ করেছে। কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি করা, কোর্স-কারিকুলাম যুগোপযোগী করা, যন্ত্রপাতি-ল্যাব-ওয়ার্কশপ বাড়ানো, নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণ করাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ’ নাহিদ আরো বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট সুবিধার মধ্যে আছে। ১০০ বছরের অধিক সময় পর পর কোন দেশ এ সুবিধা পায়। বর্তমানে বাংলাদেশে ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা ১০ কোটি ৫৬ লক্ষ। শতকরা হারে তা ৬৬ শতাংশ। ২০৩০ সালে এই হার ৭০ শতাংশে উন্নীত হবে। এ এক বিশাল সুযোগ। এ সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। নতুন প্রজন্মকে আধুনিক কারিগরি প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে হবে। তা না হলে এরাই হয়ে উঠবে দেশের জন্য বড় বোঝা। একই সঙ্গে তিনি কারিগরি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে অনতিবিলম্বে প্রয়োজনীয় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দেন।   তিনি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

  • পাবলিক পরীক্ষায় ২ জন বহিষ্কার ১ জনের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    রংপুরে পাবলিক পরীক্ষায় ২ জন বহিষ্কার ১ জনের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাবলিক পরীক্ষায় ১৯৮০ এর ১১ ধারা লঙ্ঘন করায় ভ্রাম্যমান আদালতে শুকুরের হাট কেন্দ্রে উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মনোয়ারা বেগমের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা করেন গত সোমবার দুপুর ১২টায় মিঠাপুকুর ইউএনও মামুন-অর-রশিদ। ইউএনও প্রতিনিধি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম শুকুরের হাট কেন্দ্রে ঐ শিক্ষিকা মনোয়ারা বেগমের মোবাইলে পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তরপত্র হাতে-নাতে ধরে ফেলেন। উল্লেখ্য গত ১৬ই ফেব্রুয়ারি/৯৭ মিঠাপকুর ও শঠিবাড়ী এস.এস.সি পরীক্ষার কেন্দ্রে মোবাইলে পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তরপত্র দেখে ইউএনও মামুন-অর-রশিদ ১শ ৬২টি মোবাইল জব্দ করেন। ওই দিন সন্ধ্যায় ইউপি চেয়ারম্যান, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে ১শ ৫৯টি মোবাইল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। ৩টি মোবাইল প্রমাণ স্বরুপ তার কাছে জমা রাখেন। পাবলিক পরীক্ষার ১৯৮০ সালের ১১ ধারা লঙ্ঘন করায় নানকর দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ইয়াকুব আলী যাহার স্মারক নং-২৫৫, মাহিয়ারপুর উচ্চ বিদ্যালয়েল সহকারি শিক্ষক শফিকুল ইসলাম যাহার স্মারক নং-২৫৪, তারিখ ১৬/০২/১৭। শিক্ষকদ্বয়ের ৫ বছরের জন্য সকল পাবলিক পরীক্ষা থেকে বিরত রাখার জন্য কেন্দ্রে সচিবকে নির্দেশ দেন। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য কেন্দ্র সচিবগণ তদ্ববীর চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। শিক্ষামন্ত্রনালয়ের উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখার জন্য এলাকার অভীজ্ঞ মহল অনুরোধ জানিয়েছেন।

  • এডুকেশন ট্রাস্টের প্রতিনিধি দলের মতবিনিময়

    দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস কার্যালয়ে লন্ডন এডুকেশন ট্রাস্টের প্রতিনিধি দল উপজেলা মাধ্যমিক অফিসারের সাথে শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়নে মতবিনিময় করেন। গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস কার্যালয়ে ইংল্যান্ডের নিউ লন্ডন এডুকেশন ট্রাস্ট (এনএলইটি) এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ফিল ডেভিস, ট্রাস্টের সদস্য ও প্রধান শিক্ষক আলমগীর কবির চৌধুরী, ইংরেজি শিক্ষিকা এমাম্যাক ডেড, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুস সাত্তার এর সাথে শিক্ষার মান উন্নয়নে আইসিটি, টিচার মেইনটেন্স, টিচার ট্রেনিং ম্যানেজমেন্ট এডুকেশন, প্রতিবন্ধী বাচ্চাদের ও ঝরে পড়া বাচ্চাদের শিক্ষার মান উন্নয়ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। এ সময়, লন্ডন এডুকেশন ট্রাস্টের চিফ এক্সিকিউটিভ সাংবাদিকদের জানান, তারা তাদের ট্রাস্ট থেকে শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশে এসেছে। বাংলাদেশের জয়পুরহাট জেলা ও দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলাতে তাদের উক্ত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করবেন। এজন্য তারা ফুলবাড়ী উপজেলায় প্রাথমিক জরিপ কাজ শুরু করেছেন আগামী মার্চ মাস থেকে তারা তাদের কার্যক্রম পুরো শুরু করবেন। এ সময় মতবিনিময় সভায় তাদের কার্যক্রম বিষয় নিয়ে শিক্ষকদের সাথে প্রতিনিধি দল কথা বলেন। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক ও ফুলবাড়ী থানা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক বৃন্দ।   

  • আটোয়ারীতে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

    “ শিক্ষার আলো জ্বালবো-ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ব” প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালন করা হয়েছে। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদের আয়োজনে গতকাল রবিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে ব্যানার ফেস্টুন সহ একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী উপজেলা পরিষদ চত্বর হতে বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। র‌্যালী শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ জাহেদুর রহমানের সঞ্চালনায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে পরামর্শমুলক বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন সুলতানা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানদ্বয় মোঃ শাহাজাহান, মীরা রাণী, আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল লতিফ প্রমুখ।

  • দিনাজপুর এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    দিনাজপুর শহরের অ্যাডভান্স প্রাইভেট সেন্টার এর এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা উপলক্ষে দোয়া, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৮ জানুয়ারী শনিবার দিনাজপুর শহরের অ্যাডভান্স প্রাইভেট সেন্টার এর পরিচালক মোঃ সাহিদুল ইসলাম বিদায়ী এসএসসি পরীক্ষার্থীদের হাতে উপহার ও ফুল দিয়ে বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করেন। এবারে অ্যাডভান্স প্রাইভেট সেন্টারে এস.এস.সি ২০১৭ বিদায়ী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে মডেল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণকারী ২৯০ জন ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সুপার ষ্টার ৩জন ছাত্র-ছাত্রীকে “ল্যাপটপ” প্রদান করা হয়েছে। তারা হলেন দিনাজপুর জিলা স্কুলের মোঃ উসমান গণি (হামিম), দিনাজপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মোছাঃ নাসরিন সুলতানা ও দিনাজপুর চেহেলগাজী শিক্ষা নিকেতন স্কুল এন্ড কলেজ এর মোছাঃ রুবিনা তাজিন। এ ছাড়া ১৩ জন ছাত্র-ছাত্রীকে বিশেষ পুরস্কার প্রদানসহ সকল শিক্ষার্থীকে শান্তনা উপহার প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ফকিরপাড়া মাদ্রাসার মোঃ ইলিয়াস হোসেন।

  • সুন্দর জীবন গড়তে শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে বিরত থাকতে হবে

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেছেন, সুন্দর জীবন গড়তে হলে শিক্ষার্থীদের মাদক দ্রব্য থেকে বিরত থাকতে হবে। সমাজের ভাইরাস মাদকের নেশার স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে শিক্ষার্থীরা। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন করতে হলে সুস্বাস্থ্যবান একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে। তার জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার বিকল্প নাই। বর্তমান সরকার ক্রীড়াঙ্গনকে শক্তিশালী করতে দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। শনিবার বেলা ১০টায় নাটোরের সিংড়া পৌর শহরের দমদমা পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে বার্ষিক ক্রীড়া,সাহিত্য,সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর মেয়র মোঃ জান্নাতুল ফেরদৌস, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদেকুর রহমান, দমদমা পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ এর অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ।এরপরে প্রতিমন্ত্রী উপজেলা কৃষি ভবন হলরুমে উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভায় যোগদান করেন। ইউএনও সাদেকুর রহমানের সভাপতিত্বে এসময় সভায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রতিমন্ত্রী মাদকমুক্ত উপজেলা গড়তে, মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর থেকে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।এর আগে সকাল ৯টায় শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত গোল-ই-আফরোজ সরকারি অনার্স কলেজে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে পতাকা উত্তোলন ও শপথ বাক্য পাঠের মাধ্যমে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় প্রায় ৪’শ শিক্ষার্থী মাদক দ্রব্য হতে দূরে থাকার শপথ বাক্য পাঠ করে।

  • প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

    নিয়োগ বানিজ্য, বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি অসদাচারণ সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে নাটোরের সিংড়া উপজেলার ক্ষিদ্রবড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামের অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। বুধবার সকালে উপজেলার ক্ষিদ্রবড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নাজমুল হুদা ফটিক, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা মারফত আলী, আতাউর রহমান, ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য সোহরাব আলী, সমাজ সেবক আলতাব আলী, বারিক হোসেন, শিক্ষক আবু বক্কর ছিদ্দিকসহ শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা।বক্তারা জানান, ক্ষিদ্রবড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম শাহীন নামে একজনকে চাকুরী দেবার কথা বলে তার কাছ থেকে ৭লাখ টাকা সহ বিদ্যালয়ের তহবিল থেকে লাখ লাখ নিয়ে আত্মসাৎ করে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে অসদাচারণ করেন। এছাড়া প্রায় দিনই তিনি প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন। এ কারনে বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। অনতিবিলম্বে তাকে বিদ্যালয় থেকে অপসারণের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবী করেন এবং তাকে অপসারসণ না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানান।

  • লামায় গরীব-মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ

    বান্দরবানের লামা উপজেলায় মেধাবী ও দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বান্দরবান ট্রাস্ট প্রদত্ত মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিন ওয়ান নু মাধ্যমিক পর্যায়ে ২২ বৃত্তিপ্রাপ্তের হাতে এ চেক তুলে দেন। এ সময় মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া, ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. জাফর উল্লাহ, আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এএম ইমতিয়াজ, লামামুখ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর শুক্কুর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। গত বছরের অক্টোবর মাসে জেলা ব্যাপী মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে দরখাস্ত আহবান করে বান্দরবান ট্রাস্ট নামে একটি প্রতিষ্ঠান। পরে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই বাছাই করে উপজেলার ২২ জন শিক্ষার্থীকে মনোনিত করা হয়।

  • ক্বিরাত হামদ-নাত পুরস্কার পেলেন মরহুমা আলেয়া জলিল মাদ্রাসা

    মহাস্থান (বগুড়া) থেকে আজিজুল হক বিপুলঃ বগুড়া ইসলামিক স্টাডিজ গ্রুপের উদ্যোগে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস উপলক্ষে কার্যনির্বাহী কমিটির ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার বগুড়া জেলা প্রসাশকের কার্য্যালয় ইসলামিক স্টাডিজ গ্রুপের উদ্যোগে ক্বিরাত, হামদ-নাত, কবিতা আবৃত্তি ও রচনা প্রতিযোগিতাসহ মোট ৭টি গ্রুপে উক্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে মহাস্থানের মরহুমা আলেয়া জলিল হাফেজিয়া বালিকা মাদ্রাসার ৪জন ছাত্রী বিজয়ী হয়। সভাপতি বগুড়া ইসলামিক স্টাডিজ গ্রুপ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল খালেক।।  বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও তাদের হাতে সনদপত্র তুলেদেন প্রধান অতিথি বগুড়া জেলা প্রশাসক মোঃ আশরাফ উদ্দিন। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও তাদের হাতে সনদপত্র তুলেদেন প্রধান অতিথি বগুড়া জেলা প্রশাসক মোঃ আশরাফ উদ্দিন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংস্থার দ্বিতীয় সহ-সভাপতি মোঃ ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, মোঃ আব্দুল খালিক, যুগ্ম সম্পাদক তালেবুল ইসলাম মন্ডল, রফিকুল ইসলাম মুক্তা, কোষাধ্যক্ষ আফজাল হোসেন, নির্বাহী সদস্য জয়নাল আবেদীন চাঁন, খলিলুর রহমান, মাওঃ রুহুল আমীন, গোলাম আজম টিকুল, ইসরাফিল হোসাইন মহাস্থানের মরহুমা আলেয়া জলিল হাফেজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আলহাজ্ব আব্দুল জলিল, প্রমুখ।

  • দলীয় লোকদের দিয়ে সার্চ কমিটি গঠন করে রাষ্ট্রপতি নিরপেক্ষতা হারিয়েছে

    শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মোঃ সেলিম ভূঁইয়া, মহাসচিব চৌধুরী মুগীস উদ্দিন মাহমুদ, জোট নেতা অধ্যক্ষ রেজাউল করিম, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, মোঃ জাকির হোসেন, অধ্যক্ষ মোঃ সেলিম মিঞা, অধ্যাপক আলমগীর হোসেন, অধ্যক্ষ মঞ্জুরুল ইসলাম, অধ্যাপক হাসিম তালুকদার, অধ্যাপক ফিরোজা বুলবুল কলি, অধ্যাপক ওসমান গনি, অধ্যক্ষ মোঃ লোকমান হোসেন, অধ্যাপক তারেক আইয়ুব খান সহ ১০১ জন শিক্ষক নেতা সার্চ কমিটি গঠন নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতি আশা করেছিল মহামান্য রাষ্ট্রপতি একটি নিরপেক্ষ সার্চ কমিটি গঠন করে গণতন্ত্রকে আবার জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিবেন। কিন্তু তিনি ব্যর্থ হলেন এবং রাষ্ট্রপতি হিসাবে তিনি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন। এই কমিটি গঠনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি প্রমাণ করলেন তিনি রাষ্ট্রের নয়, একটি দলের রাষ্ট্রপতি। চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য অধ্যাপক শিরীন আক্তার এর বাবা কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। তিনি নিজেও আওয়ামী পন্থী শিক্ষক নেত্রী। এই সার্চ কমিটির মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনের নিয়োগ নিরপেক্ষ হতে পারে না।নেতৃবৃন্দ দলীয় সার্চ কমিটি বাতিল করে পুনরায় নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের দিয়ে সার্চ কমিটি গঠনের আহ্বান জানান।

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top