• বেসিস সদস্যদের ঋণ সহায়তা দেবে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক

    বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সদস্যদের ঋণ সহায়তা দেবে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড। এ উপলক্ষে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই ২০১৭) রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বেসিসের পক্ষে সদস্য কল্যাণ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন ফারুক ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির এসইভিপি ও হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং মোস্তাক আহমেদ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। সমঝোতা অনুযায়ী, এখন থেকে বেসিস সদস্যদের জন্য শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড বিভিন্ন খাতে ঋণ দেবে। যারা বেসিস সদস্যদের কাছ থেকে সফটওয়্যার পণ্য বা সেবা নিতে চান তারাও ঋণ পাবে। এক্ষেত্রে ব্যাংকটির গ্রাহকরা যারা বেসিস সদস্যদের কাছ থেকে পণ্য বা সেবা কিনবেন তারা বিশেষ ছাড় পাবেন। পাশাপাশি শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড দেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতের সম্প্রসারণ এবং বহুল প্রচারে ¯পন্সর সংগ্রহসহ আর্থিক সহায়তা দেবে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বেসিস পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, সদস্য কল্যাণ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির কো-চেয়ারম্যান উৎপল কুমার সরকার, মোহাম্মদ সামিউল ইসলাম, আরিফ আহমেদ চৌধুরী, সদস্য একেএম রাশেদুল ইসলাম, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরমান আর চৌধুরী, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সদস্য এম শহিদুল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সদস্য মোঃ আখতার হোসেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সদস্য মোঃ জাফর সাদেক, ভিপি অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগ আমীর উদ্দিন চৌধুরি, বিনিয়োগের বিভাগের এসইভিপি মাহমুদুল হক, কর্পোরেট বিভাগের এসভিপি বাহার মাহমুদ, কর্পোরেট বিভাগের ইভিপি মনজুরুল আলম চৌধুরি, জনসংযোগ বিভাগের ভিপি মোঃ সামসুদ্দোহা (ভিপি) ও ব্যাংকিং অপারেশন বিভাগের ভিপি নাকিবুল ইসলাম।

  • শেষ হলো এনটিএফ-৩ বাংলাদেশ প্রকল্প

    উন্নয়নশীল দেশগুলোর রফতানি বাড়াতে নেদারল্যান্ড সরকারের সিবিআই ও ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টার যৌথভাবে ৪ বছরের চুক্তির মাধ্যমে নেদারল্যান্ড ট্রাস্ট ফান্ড (এনটিএফ) প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। নেদারল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এই প্রকল্প বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) ও ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এর সহযোগিতায় বাংলাদেশেও বাস্তবায়িত করা হয়। সোমবার (১২ জুন ২০১৭) আনুষ্ঠানিকভাবে নেদারল্যান্ড ট্রাস্ট ফান্ড-৩ বাংলাদেশ প্রকল্পের সমাপ্তি ঘটে। বেসিস মিলনায়নে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্পের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এনটিএফ-৩ বাংলাদেশ প্রকল্পের আওতায় ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশি সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবার রফতানি বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়। ব্যবসায় সম্পর্ক তৈরির পাশাপাশি কোম্পানিগুলোর সক্ষমতা তৈরি ও ব্র্যান্ডিং বাড়ানো হয়। প্রায় ৬০টি বেসিস সদস্য কোম্পানি আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের পণ্য ও সেবা পৌঁছে দেয়ার সুযোগ পায়। ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কোম্পানি সফলতাও পেয়েছে। এর আগে একইভাবে বাংলাদেশে এনটিএফ-২ প্রকল্পও বাস্তবায়িত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে এনটিএফ-৩ প্রকল্পের সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন বাংলাদেশ প্রকল্পের ব্যবস্থাপক জনাব মার্টিন ল্যাবে এবং বাংলাদেশি সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বাজার সম্পর্কে গবেষণাপত্র তুলে ধরেন ওজেনিনজেন ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের পোস্ট-ডক রিসার্চার জনাব হাকি পামুক। এছাড়া বক্তব্য রাখেন বেসিস সভাপতি জনাব মোস্তাফা জব্বার, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি জনাব রাসেল টি আহমেদ, সহ-সভাপতি জনাব এম রাশিদুল হাসান প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন বেসিস পরিচালক জনাব উত্তম কুমার পালসহ এনটিএফ-৩ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সদস্য কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা। অংশগ্রহণকারীরা এই প্রকল্পের বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

  • জাতীয় ইন্টারনেট সপ্তাহ’ শুরু

    দেশের সরকারি বিভিন্ন সেবা, ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যবসায়ের প্রচার-প্রসার ও ইন্টারনেট গ্রাহক বাড়াতে বাংলাদেশে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘জাতীয় ইন্টারনেট সপ্তাহ ২০১৬’। মঙ্গলবার (২৩ মে ২০১৭) সকাল ১০টায় রাজধানীর ঢাকা কলেজ প্রাঙ্গনে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় দুইদিনব্যাপী এই মেলার। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এই মেলার আয়োজন করেছে। ঢাকায় বৃহৎ এই মেলার পাশাপাশি বাংলাদেশের সবকটি উপজেলায়ও পালিত হবে দেশের সর্ববৃহৎ এই ইন্টারনেট উৎসব। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এবারের জাতীয় ইন্টারনেট সপ্তাহের উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার, বিসিসির নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকার এবং ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মোয়াজ্জম হোসেন মোল্লাহ্। সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বনমালী ভৌমিক। আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মালিহা নার্গিস, জাতীয় ইন্টারনেট সপ্তাহের আহ্বায়ক ও বেসিস পরিচালক সৈয়দ আলমাস কবীর প্রমুখ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী বলেন, সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে কাজ করছে। আর এক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করছে। ইন্টারনেট হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের প্রধান নিয়ামক। প্রান্তিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় এই ইন্টারনেট পৌছে দিতে আমরা দেশের সবগুলো ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত ফাইবার অপটিক ক্যাবল সংযোগ প্রদানের কাজ করছি। এছাড়া মানবসম্পদ উন্নয়ন, অবকাঠামো সুবিধাসহ প্রয়োজনীয় নানা প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। ইন্টারনেট সপ্তাহ সেই কার্যক্রমকে তুলে ধরা ও জনগনকে ইন্টারনেটমুখী করতে সহায়তা করবে। বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার বলেন, ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সংগ্রামে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রের। আর ইন্টারনেট হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ রুপান্তরের সেই প্রধান ধাপ। আমরা কথিত তলাবিহীন ঝুঁড়ির দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী ২০৪১ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েছেন। আশাকরি তার আগেই আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। আর এক্ষেত্রে আমাদের তরুণরাই অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। ইতিমধ্যেই আমাদের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আমাদের উন্নয়ন বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে পেরেছি। আমরা নেপাল, ভুটানের ডিজিটাল রুপান্তরে কাজ করছি। বাংলাদেশের ঘোষনার পরেই বিশ্বের অন্যান্য দেশে ডিজিটাল রুপান্তরের ঘোষনা দিয়েছে। আমাদের তরুণদের মনোবল থাকলেই আমরা আমাদের লক্ষ্যমাত্রায় পৌছাতে পারবো।  ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মোয়াজ্জম হোসেন মোল্লাহ্ বলেন, ঢাকা কলেজ ঐতিহ্য ও সাফল্যম-িত একটি প্রতিষ্ঠান। যুগের চাহিদায় তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে ইন্টারনেট সপ্তাহের আয়োজনে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। আগামীতে এ ধরণের আয়োজনে সম্পৃক্ত থাকার কথাও জানান তিনি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বনমালী ভৌমিক বলেন, সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে একটি প্রধান বিষয় হলো ইন্টারনেট। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ কতোটা এগিয়েছে এবং ইন্টারনেটের প্রসারে সচেতনতা বাড়াতে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত হচ্ছে জাতীয় ইন্টারনেট সপ্তাহ। এবারের জাতীয় ইন্টারনেট সপ্তাহে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রায় ২৫টি ই-কমার্স কোম্পানি, মোবাইল অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান, ওয়েব পোর্টাল, ডিভাইস কোম্পানিসহ ইন্টারনেটভিত্তিক পণ্য ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। নিজস্ব স্টলে তারা তাদের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সেবা তুলে ধরছেন। এছাড়া দুইদিনে মোট ৪টি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

  • নাসার প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে ভোট দিন!

    যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আয়োজিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা ‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৭’ এর চূড়ান্ত পর্বে পিপলস চয়েজ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে বাংলাদেশের তিনটি প্রকল্প। যা গোটা জাতির জন্যই আনন্দের এবং গর্বের। অনলাইন ভোটের মাধ্যমে প্রকল্পগুলো চূড়ান্ত বিজয়ী নির্বাচন করা হবে। তাই বাংলাদেশকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে বাংলাদেশি এই তিন প্রকল্পকে ভোট দিতে হবে। সম্প্রতি বেসিসের উদ্যোগে বাংলাদেশে আয়োজিত নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৭ প্রতিযোগিতায় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য ১১টি প্রকল্প মনোনীত করা হয়। এর মধ্যে তিনটি প্রকল্প পিপলস চয়েজ ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছে। এগুলো হলো- আত্ম উন্মেষ (ATTO-UNMESH), জোয়াপ্থ২৫ (JOAPTH25) ও টিম ইংলাইটাস (TEAM ENGLITAS)। সংশ্লিষ্টরা জানান, পিপলস চয়েজ ক্যাটাগরিতে উঠে আসা তিনটি প্রকল্প বাংলাদেশের জন্য খুবই আনন্দ এবং গর্বের। অনলাইনে ভোট প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশি এ প্রকল্পগুলোকে বিজয়ী করার মোক্ষম সময় এখন। তাই সবার প্রতি প্রকল্পটি ভোট প্রদানের আহ্বান করছি। আমাদের আরও ৮টি প্রকল্প নাসার চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার তালিকায় রয়েছে। যেগুলো ভোটিং ছাড়াই নাসা সরাসরি বিচার-বিশ্লেষন করবে। আশাকরি সেখান থেকেও আমাদের একাধিক প্রকল্প বিজয়ী হবে। পিপলস চয়েজ ক্যাটাগরিতে থাকা প্রকল্পগুলোকে ভোট দিকে প্রথমে https://2017.spaceappschallenge.org/auth/signup সাইটে গিয়ে বিনামূল্যে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর সাইটটিতে লগ-ইন করে https://2017.spaceappschallenge.org/vote লিংকে যেতে হবে। সেখান থেকে বাংলাদেশি তিনটি প্রকল্প সার্চ করে প্রত্যোকটিতে ভোট দিতে হবে। একটি অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে একবার ভোট দেয়া যাবে। এভাবে আগামী ২১ মে পর্যন্ত প্রতিদিন একবার করে ভোট দেয়া যাবে। এবারের প্রতিযোগিতার সহযোগিতায় রয়েছে বেসিস স্টুডেন্টস ফোরাম, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম ও ক্লাউড ক্যাম্প বাংলাদেশ। এছাড়া প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও গোল্ড স্পন্সর হিসেবে রয়েছে প্রিজম ইআরপি। অ্যাকাডেমিক পার্টনার হিসেবে আছে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশ।

  • নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের বাংলাদেশ পর্ব সমাপ্ত

    নানা উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে শেষ হলো যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আয়োজিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা ‘নাসা ¯েপস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৭’। রাজধানীর ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (আইইউবি)-এ বাংলাদেশ পর্বের দুইদিনব্যাপী ফাইনাল হ্যাকাথন রবিবার সন্ধ্যায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করার মাধ্যমে শেষ হয়। গতবারের মতো বাংলাদেশে এই প্রতিযোগিতার আয়োজক হিসেবে ছিলো বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। টানা ৩৬ ঘন্টার চূড়ান্ত হ্যাকাথন শেষে আয়োজিত সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার। বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন আইইউবির স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্সের ডিন ড. শাহরিয়ার খান। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন নাসার এএএএস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পলিসি ফেলো সোবহানা গুপ্ত। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন বেসিসের পরিচালক ও নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৭ এর যুগ্ম-আহ্বায়ক রিয়াদ এস এ হোসেন, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৭ এর যুগ্ম-আহ্বায়ক আরিফুল হাসান অপু, ক্লাউড ক্যাম্প বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ মাহাদী উজ জামান, ডিভাইন আইটি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ ফখরুল হাসান ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ও অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. তৌহিদ ভুইয়া। এবারের প্রতিযোগিতার বাংলাদেশ পর্বের ঢাকা অঞ্চলে আত্ম-উন্মেষ, ব্ল্যাক স্যুট ও ড্রোন ফর গ্রিন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে অ্যারে সিটিজি, নেস্ট ও অগ্রপথিক, রংপুর অঞ্চলে গ্লাসিয়ার্স ও টিম ইংলাইটাস, সিলেট অঞ্চলে বিডিস্টার ওয়েব ডেভেলপার গ্রুপ, বরিশাল অঞ্চলে ইকো-পিএসটিইউ ও জোয়াপথ নামের দলগুলো বিজয়ী হয়। অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট ও সকল অংশগ্রহণকারীদের কাছে সনদপত্র তুলে দেন। বিজয়ীরা নাসার চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। শিগগিরই সেটি ঘোষণা করা হবে। এবারের প্রতিযোগিতার সহযোগিতায় ছিলো বেসিস স্টুডেন্টস ফোরাম, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম ও ক্লাউড ক্যাম্প বাংলাদেশ। এছাড়া প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও গোল্ড স্পন্সর হিসেবে ছিলো প্রিজম ইআরপি। অ্যাকাডেমিক পার্টনার হিসেবে ছিলো ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশ। প্রতিযোগিতা http://spaceappschallenge.org ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত জানা যাবে।

  • তথ্যপ্রযুক্তির আন্তর্জাতিক বাজার উন্নয়নে বেসিসের কর্মশালা

    আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবার প্রসারে দিনব্যাপী একটি কর্মশালা আয়োজন করেছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। শনিবার গাজীপুরের ব্র্যাক সিডিএমে আইসিটি বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল (আইবিপিসি)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মশালায় সফটওয়্যার ও আইটি সেবা রপ্তানিকারক ৪০টি কোম্পানির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বেসিসের আন্তর্জাতিক বাজার বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান টিআইএম নুরুল কবীরের সঞ্চালনায় কর্মশালার শুরুতে এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বক্তব্য রাখেন বেসিসের সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান, ফারহানা এ রহমান ও আইবিপিসির নির্বাহী কর্মকর্তা মীর শরিফুল বাশার। উপস্থিত ছিলেন বেসিসের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রাসেল টি আহমেদ, পরিচালক উত্তম কুমার পাল, বেসিসের সাবেক সভাপতি এস এম কামাল, এ তৌহিদ, রফিকুল ইসলাম রাউলি প্রমুখ। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অবস্থা, প্রতিবন্ধকতা, এই খাতের উন্নয়নে করণীয়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জাপান, গ্লোবাল আউটসোর্সিং, ইউরোপ ও আফ্রিকা এবং উত্তর আমেরিকা নিয়ে নিজস্ব কেইস স্টাডি উপস্থাপন করেন যথাক্রমে বেসিসের সাবেক সভাপতি ও ডেটাসফট সিস্টেমস (বিডি) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বেসিসের সাবেক সভাপতি মাহবুব জামান, রিভ সিস্টেমস লিমিটেডের গ্রুপ সিইও রেজাউল হাসান, দ্য ডেটাবিজ সফটওয়্যার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাশেদ কামাল ও গ্রাফিক পিপল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ ইলাহী। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আমরা আন্তর্জাতিক বাজার প্রসার করতে চাচ্ছি, অথচ আমাদের নিজেদের পণ্য বা সেবার কপিরাইট বা মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ নিয়ে ভাবছি না। নিজের পণ্য বা সেবা রক্ষা করা আগে প্রয়োজন। অনেকেই বাজার বিশ্লেষণ না করে অন্যদের দেখাদেখি একই ধরণের পণ্য বা সেবা নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশে চেষ্টা করে যাচ্ছে। এটাও ঠিক না। একটি বাজারে প্রবেশের আগে অবশ্যই যথাযোগ্য পণ্য বা সেবা নির্বাচন করা, বাজার যাচাই, ক্রেতার ধরণ ও দীর্ঘস্থায়ীত্ব, বিনিয়োগের পরিমাণ, সঠিক ব্যবসায়িক অংশীদার খুঁজে বের করাসহ নানাবিধ অনুশীলন করে নিতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, আমরা ভালো পণ্য বা সেবা তৈরি করতেই ব্যস্ত থাকি। ডেভেলপমেন্টেই অধিকাংশ বাজেট খরচ করে থাকি। যতো ভালো পণ্য বা সেবা তৈরি করাই হোক না কেনো, তার বিপণন বা প্রচার না হলে ক্রেতা আসবে না। তাই ডেভেলপমেন্টের তুলনায় বিপণনে অন্তত তিনগুন বেশি খরচ করা উচিত। একইসাথে কোম্পানিকে বড় করার ইচ্ছা থাকলে সবচেয়ে বড় চিন্তা করা উচিত। সেই চিন্তাকে বাস্তবে রূপ দিতে মনোবল ও পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকার ২০২১ সাল নাগাদ ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে তা বাস্তবায়নে স্টার্টআপ কোম্পানিগুলোকে প্রণোদনা দেওয়াসহ নানাবিধ সহায়তা করা, টেকনোলজি ট্রান্সফরমেশন ও আপডেটেড থাকা, আবাসিক এলাকার আইটি কোম্পানির ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সুবিধা, প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক গড়ে তোলা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, ইন্টারনেটের দাম কমানো, বাজার গবেষণাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। কর্মশালায় আলোচিত এবং সুপারিশকৃত বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে একটি কর্মপরিকল্পনার খসড়াও প্রণয়ন করা হয়।

  • নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের ফাইনাল বুটক্যাম্প শুরু

    তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশে আয়োজিত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আয়োজিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা ‘নাসা ¯েপস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৭’। আজ (শনিবার) সকাল থেকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাস্থ ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (আইইউবি)-এ দুইদিনব্যাপী ফাইনাল হ্যাকাথন শুরু হয়েছে। গতবারের মতো বাংলাদেশে এই প্রতিযোগিতার আয়োজক হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।   এবারের আয়োজনের অংশ হিসেবে শতাধিক ইউনিভার্সিটিতে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ডেটা বুটক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে ৫০টি দল বাছাই করা হয়েছে। আজকের ফাইনাল হ্যাকাথনে উক্ত ৫০টি দল অংশ নিয়েছে। দুই দিনের এই হ্যাকাথনে নির্বাচিত দলগুলো নাসার ফাইনাল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

  • বাংলা থকেে ফ্রঞ্চে শখোর ফ্রি মোবাইল অ্যাপ!

    ইউরোপের অন্যতম সমৃদ্ধ দেশ ফ্রান্সের সঙ্গে নানান কারণে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বেশ ভালো। অভিভাসন, পড়াশোনা, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি কারণে বাংলাদেশের অনেকেই ফ্রান্সমুখী। কিন্তু ফ্রান্সে যেতে চাইলে, সেখানে ভালোভাবে থাকতে চাইলে সবচেয়ে বেশি দরকার ফরাসি ভাষা ভালোভাবে জানা। তাই মাতৃভাষা বাংলা থেকে ফরাসি ভাষা শেখার জন্য ডিগবাজার লিমিটেড নিয়ে এসেছে ফ্রি মোবাইল অ্যাপ। আপনার প্রিয় অ্যান্ড্রয়েড কিংবা আইফোন/আইপ্যাডে বিনামূল্যেই পাবেন এই অ্যাপটি। তা হলে আর দেরি কেন! এখনই ডাউনলোড করে নিন বাংলা-ফ্রেঞ্চ মোবাইল (Bangla-French Learning App) অ্যাপটি। অ্যান্ড্রয়েডের জন্য গুগল প্লে স্টোরের লিঙ্ক হলো : https://goo.gl/GfbZfm আর অ্যাপস্টোরে পাবেন এই লিঙ্কে : http://apple.co/2oY0kDp নিউইয়র্কভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিগবাজার লিমিটেডের ম্যানেজিং পার্টনার ডেইজি হ্যামিলটন এ প্রসঙ্গে বলেন, এই অ্যাপটিতে গুরুত্বপূর্ণ অভিধানের পাশাপাশি উচ্চারণসহ বর্ণমালা, সংখ্যা গণনা, প্রশ্নবোধক শব্দের ভাণ্ডার, আর্টিকেল ইত্যাদি রয়েছে। সেই সঙ্গে ফরাসি ভাষায় কীভাবে জরুরি কথাবার্তা বলতে হয় সে বিষয়গুলিও পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। উদ্যোক্তারা জানান, মাত্র কয়েক মেগাবাইট আকারের Bangla-French Learning App-এর সবগুলো পেজই চলবে কোনো ধরনের ইন্টারনেট ছাড়াই, অর্থাৎ এটি অফলাইন একটি অ্যাপ। তাই কেবল ফ্রান্সে যাবার জন্য নয়, বরং শখের বশেও আপনি ফ্রেঞ্চ শিখতে পারেন। কারণ ফরাসি ভাষা পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাষা। জাতিসংঘের ৫টি দাপ্তরিক ভাষার মধ্যে ফ্রেঞ্চ একটি!

  • ইন্টারনেট সহ সকল প্রকার ইন্টারনেটের মূল্য কমানোর দাবিতে মানববন্ধন

    বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ২২ এপ্রিল ২০১৭ইং শনিবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মুঠোফোন ভিত্তিক ইন্টারনেট সহ সকল প্রকার ইন্টারনেটের মূল্য কমানোর দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করবেন সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ। উপস্থিত থাকবেন, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা রাজেকুজ্জামান রতন, প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ঈমাম ফিরোজ, প্রকৌশলী সাইফ উদ্দিন, জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ বাহারানে সুলতান বাহার, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি হারুন অর রশিদ খান, বাংলাদেশ অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের সভাপতি কবির চৌধুরী তন্ময়, সংগঠনের মহাসচিব এড. আবু বকর সিদ্দিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. ইসরাত হাসান, প্রচার সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সদস্য এড. বেহেশতী মারজান, আফজাল হোসেন, মোঃ রেজাউল করিম প্রমুখ।

  • জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৭

    বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও অপরিহার্য যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে ‘মোবাইল ফোন’। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট মোবাইল নিবন্ধনকারীর সংখ্যা ১২৯.৫৮ মিলিয়ন। মোবাইল ফোনকে যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার পাশাপাশি এর বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের ব্যবহারও বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে প্রায় ২ বিলিয়ন মানুষ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করছে। সারা বিশ্বে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে বাংলাদেশেও এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়েছে। তার প্রধান কারণ মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের জনপ্রিয়তা। বাংলাদেশে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬৩ মিলিয়ন এর বেশি। (সূত্র: বিটিআরসি)   ‘জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৭’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানানো হয়। বুধবার (১২ এপ্রিল ২০১৭) আইসিটি বিভাগের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি। বক্তব্য রাখেন আইসিটি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী, বেসিসের সভাপতি মোস্তাফা জব্বার ও বিডিওএসএনের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান।   বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের সাথে সম্পৃক্ত করে সারা বিশ্বের বিলিয়ন ডলারের মোবাইল অ্যাপ এর বাজারে প্রবেশের জন্য মোবাইলভিত্তিক বিভিন্ন উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত করে উৎসাহ ও সহায়তা দিতে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৭’। আইসিটি বিভাগ ও ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড এর যৌথ উদ্যোগে জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৭ আয়োজিত হচ্ছে। এতে জাতীয় পুরস্কার বিজয়ীরা ওয়ার্ল্ড সামিট মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কারের গ্লোবাল প্রতিযোগিতার জন্য সরাসরি মনোনীত হবেন। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার সহযোগী গুগল ডেভেলপার গ্রুপ সোনারগাঁও এবং গুগল ডেভেলপার গ্রুপ বাংলা। দেশীয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্মিত সেরা মোবাইল কনটেন্ট ও উদ্ভাবনী মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের প্রাপ্য স্বীকৃতি প্রদানই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।   প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীদের মেধা ও মননকে পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতা করার মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। তাই, দেশ সেরা মোবাইলভিত্তিক উদ্যোগগুলোকে এগিয়ে দিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ দ্বিতীয়বারের মত আয়োজন করছে জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার ২০১৭। আগামী ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতার জন্য আবেদন করা যাবে। নিবন্ধন ও মনোনয়ন জমা দেয়ার জন্য http://appaward.ictd.gov.bd/ এই লিংকে প্রবেশ করতে হবে।   গত ৩ মার্চ ২০১৭ তারিখ হতে এই পুরস্কারে অংশগ্রহণের জন্য আহবান জনানো হয়। মূলত নতুন অ্যাপ বিশেষ করে তরুণদের করা ইনোভেটিভ প্রকল্প এতে আশা করা হচ্ছে। যেখান থেকে অন্তত কয়েকটি অ্যাপ যেন বড় পরিসরে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ পায়। এ পর্যন্ত (১১.০৪.২০১৭) ৮টি ক্যাটাগরিতে সর্বমোট ২৯৩ টি অ্যাপ জমা পড়েছে।  ক্যাটাগরিগুলো হচ্ছে Entertainment & Life Style, Business & Commerce, Media & News, Tourism & Culture, Environment &Health, Inclusion & Empowerment, Learning & Education, Government & Participation।  প্রতিটি ক্যাটাগরি হতে ৩ জন করে মোট ২৪ জন অ্যাপ নির্মাতাকে পুরস্কৃত করা হবে। এসব ক্যাটাগরিতে মোবাইল ও ডিজিটাল কনটেন্ট প্রস্তুতকারী কোম্পানি, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে।   জমাকৃত উদ্ভাবনী অ্যাপগুলোর মধ্যে যথেষ্ট বৈচিত্র রয়েছে। এর মধ্যে একটা বড় অংশ আমাদের চারপাশের সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করছে যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মোবাইলভিত্তিক উদ্যোগ, যেমন: এসএমএস ভিত্তিক সেবা, আইভিআর, অ্যাপ্লিকেশন, গেইম ইত্যাদি। এখন শুরু হচ্ছে বাছাই প্রক্রিয়া। আগামী ২২ এপ্রিল বাছাই প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত করা হবে।   পুরস্কার বিতরণের মূল আয়োজন Grand Award Evening আয়োজন করা হবে আগামী ৪ মে, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে। দিনব্যাপী আয়োজনে এক হাজার তরুণ অ্যাপ ডেভেলপার অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।   সেরা অ্যাপকে স্বীকৃতি জানানোর পাশাপাশি বেশ কিছু নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এই প্ল্যাটফরম থেকে। এর মধ্যে অনুষ্ঠানের দিন দিনব্যাপী থাকবে ন্যাশনাল মোবাইল অ্যাপের সম্ভাবনা নিয়ে সেমিনার। এতে বেশ কিছু আলাদা সেশন থাকবে। টেকনিক্যাল সেশনের পাশাপাশি সফলদের গল্প শোনা, অ্যাপ তৈরিতে বাংলাদেশের অবস্থান ও সম্ভাবনার জায়গাগুলোও তুলে ধরা হবে। এছাড়া থাকবে মোবাইল অ্যাপ প্রদর্শনী। দেশের সেরা ২০টি অ্যাপ তাদের সেবা নিয়ে উপস্থিত থাকবে। অ্যাপগুলো নতুনদের জন্য তাদের অভিজ্ঞতা যেমন শেয়ার করবে একই সাথে ব্যবহারকারীরাও এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।   উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত ১ম জাতীয় মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পুরস্কার বিজয়ী ৮টি দল বিশ্বের ডিজিটাল কনন্টেটের সব থেকে সন্মানজনক স্বীকৃতি ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড মোবাইল পুরস্কারের গ্লোবাল প্রতিযোগিতার জন্য সরাসরি মনোনীত হয়। আন্তর্জাতিক ওই প্রতিযোগিতায় জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রিটিকালিংক মোবাইল অ্যাপ স্বাস্থ্য বিভাগে বিজয়ী হয়। এ বছরও বাংলাদেশ থেকে প্রাপ্ত মনোনায়ন যাচাই-বাছাই করবে জুরি বোর্ড। আগামী অক্টোবরে আটটি ক্যাটেগরি থেকে আটজন বিজয়ী নির্বাচন করা হবে এবং মনোনীত করা হবে ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড মোবাইল পুরস্কারের গ্লোবাল প্রতিযোগিতার জন্য ।    ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড মোবাইল পুরস্কারঃ  তথ্যপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সমাজের উন্নয়নে অবদানের জন্য ২০০৩ সাল থেকে অস্ট্রিয়াভিত্তিক এই সংস্থা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সন্মানসূচক এই অ্যাওয়ার্ড দিয়ে আসছে। সন্মানজনক এই অ্যাওয়ার্ডের জুরি বোর্ডে ইতালি, ব্রাজিল, তুরস্ক, ভারত, অস্ট্রিয়া, বাহারাইন, বুলগেরিয়া, ডেনমার্ক, ইজিপ্ট, জার্মানি, বাংলাদেশ, গুয়েতেমালা, কেনিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, কুয়েতসহ বিশ্বের ৫০ দেশের শীর্ষ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যক্তিত্ব জুরিবোর্ডে রয়েছেন।

  • সময় বাড়লো নাসা স্পেস অ্যাপস

    যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আয়োজিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা ‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৭’-এ অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধনের সময় বেড়েছে। গত ৫ এপ্রিল পর্যন্ত নিবন্ধনের সময় থাকলেও সেটি বাড়িয়ে আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে। অংশগ্রহণ প্রত্যাশীদের অনুরোধে এই সময় বাড়ানো হয়েছে।তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশে আয়োজিত হতে যাচ্ছে নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৭। বিশ্বের তিন শতাধিক নগরীর মতো বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, রংপুর, খুলনা ও বরিশালে বড় পরিসরে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা আগামী ২৯ ও ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্যায়ের বিজয়ীরা চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। গতবারের মতো বাংলাদেশে এই প্রতিযোগিতার আয়োজক হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি সমস্যা সমাধানে উল্লেখযোগ্য আইডিয়া বের হয়ে আসবে। নাসার মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশিদের চাকরি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ঠতা বাড়বে। অনেকেই এখনও পর্যন্ত নিবন্ধন করতে না পারার কারণে সময় বাড়ানোর অনুরোধ করেছেন। তাই আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হয়েছে।এবার শতাধিক ইউনিভার্সিটিতে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ডেটা বুটক্যাম্প আয়োজন করা হবে। সেখান থেকে ৫০টি দল বাছাই করা হবে। এরপর ঢাকায় ফাইনাল ডেটা বুটক্যাম্পের মাধ্যমে ৫টি ক্যাটাগরিতে ৫টি করে দল নির্বাচন করা হবে। তারা নাসার ফাইনাল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। এবারের প্রতিযোগিতায় প্রতিটি টিমে ৪ থেকে ৭ জন থাকতে হবে। মেয়েদেরকে উৎসাহিত করতে এবার টিমে একজন মেয়ে থাকলে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ নাম্বার দেওয়া হবে। একক বা দলবদ্ধভাবে নিবন্ধনের মাধ্যমে যে কেউ নাসার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। আগ্রহীরা http://studentsforum.basis.org.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করতে পারবে। আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে নিবন্ধন করতে হবে। প্রতিযোগিতা http://spaceappschallenge.org ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত জানা যাবে।এবারের প্রতিযোগিতার সহযোগিতায় রয়েছে বেসিস স্টুডেন্টস ফোরাম, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম ও ক্লাউড ক্যাম্প বাংলাদেশ। এছাড়া প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও গোল্ড স্পন্সর হিসেবে রয়েছে প্রিজম ইআরপি। অ্যাকাডেমিক পার্টনার হিসেবে আছে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশ।

  • রেস্টুরেন্ট পরিচালনায় রেস্টুরেটর জোন অ্যাপ উদ্বোধন

    দেশের শীর্ষস্থানীয় ওয়েবভিত্তিক ইআরপি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সিসটেক ডিজিটাল লিমিটেড এবং আন্তর্জাতিক এন্টারপ্রাইজ মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি বিয়ন্ড ইনোভেশনস অ্যান্ড টেকনোলজিস লিমিটেড স্থানীয় বাজারে আন্তর্জাতিকমানের এন্টারপ্রাইজ মোবাইল অ্যাপ সেবা প্রদানে সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নিয়েছে।এরই অংশ হিসেবে গত মঙ্গলবার (২৮ মার্চ ২০১৭) বেসিস সভাকক্ষে রেস্টুরেন্ট পরিচালনার জন্য মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ‘রেস্টুরেটর জোন’ উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে অ্যাপটির উদ্বোধন করেন বেসিসের সভাপতি মোস্তাফা জব্বার।এসময় সিসটেক ডিজিটাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বেসিসের সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান, বিয়ন্ড ইনোভেশনস অ্যান্ড টেকনোলজিস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম নুরুল হক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসাদ্দিক আহসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রায় শত বিলিয়ন ডলার অ্যাপসের বাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ তুলনামূলক কম হলেও বেশ কিছু কো¤পানি ও ডেভেলপাররা আন্তর্জাতিকমানের ভালো অ্যাপ, গেইম তৈরি করছে। এই বিশাল বাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা প্রচুর। সেটিকে কাজে লাগাতে আমাদের তরুণ ডেভেলপার ও উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। নতুন এই উদ্যোগ সেই কার্যক্রমকে এগিয়ে নেবে।সিসটেক ডিজিটাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বেসিসের সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান বলেন, সিসটেক ডিজিটাল লিমিটেড বিগত ১৭ বছর যাবৎ সুনামের সাথে আইটি সেবা দিয়ে আসছে এবং এবং স্থানীয়  বাজারে পাঁচ হাজারের অধিক প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। অপরদিকে বিয়ন্ড ইনোভেশনস অ্যান্ড টেকনোলজি বহি:বিশ্বে অ্যাপস ডেভেলপমেন্টে অনেক কাজ করেছে, বিশেষকরে যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কিছু অ্যাপ ভোক্তা পর্যায়ে অনেক সুনাম কুঁড়িয়েছে। সাফল্যের এই ধারাবাহিকতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের বাজার উন্নয়নকল্পে একমত হয়েছে উভয় কো¤পানি। যৌথভাবে তৈরি করা এই এন্টারপ্রাইজ সল্যুউশন আন্তর্জাতিকমানের ও সম্ভাবনাময়। এর মাধ্যমে দেশি-বিদেশী রেস্টুরেন্ট উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসায়ের প্রয়োজনীয় সকল কাজের চাহিদা মেটাতে পারবেন।মোসাদ্দিক আহসান আহসান বলেন, ব্যবসার জন্য এন্টারপ্রাইজ মোবাইল অ্যাপস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ তাৎক্ষণিক যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা এর পেছনে একটি মূল কারণ। এছাড়াও এডেলমেন ইন্টেলিজেন্সের ২০১৬ এর এ বিষয়ক আন্তর্জাতিক জরিপ অনুযায়ী, গত ১২-২৪ মাসে এন্টারপ্রাইজ মোবাইল অ্যাপসের বিশ্বব্যাপী খুব দ্রুত প্রসার হয়েছে। বিয়ন্ড ও সিসটেক থেকে আমরা বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ধরণের এন্টারপ্রাইজ অ্যাপস নিয়ে আসবো।

  • যারা স্ন্যাপচ্যাটকে অনুসরণ করতে পারে

    অবশেষে ওয়ালস্ট্রিটে নাম লেখাতে তৈরি ছবি ম্যাসেজিং সার্ভিস স্ন্যাপচ্যাট৷ প্রতিষ্ঠানটির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও সফলতার মুখ দেখলে আরো অনেক ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান স্টক মার্কেটে নাম লেখাতে পারে৷

  • ডাটা সেন্টার নিয়ে বেসিসের সেমিনার অনুষ্ঠিত

    বেসিসের মিলনায়তনে ডাটা সেন্টারের বর্তমান অবস্থা, এর নিরাপত্তাসহ সামগ্রিক বিষয়ে নিয়ে ‘গ্লোবাল আইটি ট্রেন্ডস : হাউ উইল দে এফেক্ট ইওর ডাটা সেন্টার স্ট্রাটেজি’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসিস ও ইকাডেমি আয়োজিত এই সেমিনারে বেসিস সদস্য কোম্পানির প্রতিনিধিসহ আগ্রহী অর্ধশতাধিক লোক অংশ নেন।সেমিনারে বেসিসের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান। আলোচনা করেন এপিআই সিঙ্গাপুরের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ওট্টো ডি রো এবং ইকাডেমির পরিচালক মনির আহমেদ।অনুষ্ঠানে বেসিসের সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান বলেন, সময়ের চাহিদায় স্থানীয় পর্যায়ে ডাটা সেন্টার স্থাপন আবশ্যক হয়ে পড়েছে। ব্যক্তিগত থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক এমনকি সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ডাটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সঠিক নিয়মে ডাটা সেন্টার স্থাপন অত্যন্ত জরুরী। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ইন্টারনেট অব থিংকস, অগমেন্টেড/ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জনপ্রিয়তায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইটি ও ডাটা সেন্টার স্ট্রাটেজিতে গুরুত্ব দিতে হবে। বেসিসের পক্ষ থেকে এর সদস্যসহ বাংলাদেশি আইটি কোম্পানির ডাটা সেন্টার সম্পর্কিত পরিকল্পনা গ্রহণে কাজ করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। আগামীতে এ ধরণের সেমিনারের ধারাবাহিকতা থাকবে বলে জানান বেসিস সহ-সভাপতি।অনুষ্ঠানের মূল আলোচক এপিআই সিঙ্গাপুরের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ওট্টো ডি রো ইন্টার‌্যাক্টিভ প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বর্তমান ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের নতুন ব্যবসায় ও সোশ্যাল মিডিয়ার পরিবর্তন ও এর ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। একইসাথে গ্রাহকদের চাহিদানুযায়ী নিরাপদ ডাটা সেন্টার ব্যবস্থাপনা নিয়ে করণীয় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি জানান, নতুন ব্যবসায় ও তথ্যপ্রযুক্তি দক্ষতার দ্রুতবর্ধমান চাহিদানুসারে আগামী কয়েক বছরে ডাটা সেন্টার ইন্ডাস্ট্রি অন্তত দুই ডিজিট বড় হবে।ইকাডেমির পরিচালক মনির আহমেদ ডাটা সেন্টার দক্ষতার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, আমাদের দেশে ডাটা সেন্টার প্রযুক্তিতে দক্ষ জনবলের অভাব রয়েছে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা নতুন এই প্রযুক্তির সাথে সমন্বিত নয়। অনেকেই ভেন্ডর সার্টিফিকেশন প্রশিক্ষণ নিলেও ডাটা সেন্টার ফ্যাসিলিটি ডিজাইন, অপারেশন, ক্যাপাসিটিতে প্রশিক্ষণের শিক্ষার্থী খুবই কম। কিন্তু সময়ের চাহিদায় এ বিষয়ে যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। বেসিসের সকল সদস্য কোম্পানি ও প্রফেশনালদের জন্য ইপিআই এর বাংলাদেশি পার্টনার ইকাডেমিতে সকল প্রশিক্ষণে ২০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে বলেও ঘোষনা দেন তিনি।

  • সৌর বিদ্যুৎ চালিত ড্রোন

    সৌর বিদ্যুৎ চালিত বিমানের পর এবার এলো ড্রোন। বিজ্ঞানীরা এই প্রথম সৌর বিদ্যুৎ চালিত ড্রোন উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছেন। এই ড্রোনটি সম্পূর্ণ সৌর বিদ্যুৎ চালিত।  ড্রোনটি তৈরি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিনিসোটার একদল গবেষক। ড্রোনটি দেখতে অনেকটা বিমানের মত। এতে বিমানের মত লম্বা পাখা আছে। এই পাখা ভাঁজ করা যায়। ভাঁজ খুললে এটি লম্বায় ছয় ফুট।  ড্রোনটিতে ক্যামেরা সংযোজন করা আছে। এর উদ্ভাবকেরা জানিয়েছেন, ড্রোনটি দিয়ে শস্যক্ষেতের অবস্থা পর্যালোচনা করা হবে।  এর আগে সৌরবিদ্যুৎ চালিত বিমান সোলার ইমপালস উদ্ভাবন করা হয়। এর পরীক্ষামূলক উড়ান সম্পন্ন করার পর এটি পুরো পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে সমর্থ হয়েছে।

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top