• নাথান লিওনের তাণ্ডবে ১৮৯ রানে অলআউট ভারত

    আবারও ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের। তবে এবারের ঘাতকের নাম এবার নাথান লিওন। অস্ট্রেলিয়ান এই স্পিনারের শিকার ৮ উইকেট। তার ঘূর্ণি জাদুতে বেঙ্গালুরু টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৮৯ রানে অলআউট হয়ে গেছে স্বাগতিকরা। ঘুরে দাঁড়ানোর কথা জোর গলায় বলেছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তার কথার সুর ধরে বলা চলে পুনে টেস্টের লজ্জা কাটিয়ে উঠার মিশন হিসেবে ভারত নেমেছিল বেঙ্গালুরুর দ্বিতীয় টেস্টে। উঠে দাঁড়াবে কী, উল্টো ব্যর্থতার অধ্যায় আরও দীর্ঘ করল স্বাগতিকরা! প্রথম দিনের চা বিরতির পর বৃষ্টির মতো উইকেট পড়েছে ভারতের। প্রথম টেস্টে ভারতকে বিধ্বস্ত করেছিলেন স্টিভ ও’কেফি। এবার তাকে পাশে ঠেলে দিয়ে নায়ক হয়ে উঠলেন লিওন। ডানহাতি এই স্পিনার একাই শেষ করে দিয়েছেন স্বাগতিকদের। অভিনব মুকুন্দ ও করুণ নায়ারের উইকেট দুটি বাদ দিয়ে ভারতের বাকি উইকেটগুলো তার দখলেই। ৫০ রান খরচায় এই স্পিনারের শিকার ৮ উইকেট। লিওনের তাণ্ডবের মুখে ব্যতিক্রম ছিলেন শুধু লোকেশ রাহুল। এই ওপেনারের ইনিংসটা বাদ দিলে কোহলিদের রান তো ১০০-ও হয় না! লোকেশ নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে খেলেন ৯০ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৬ রান করেছেন নায়ার। অস্ট্রেলিয়ার উইকেট উৎসবের শুরুটা করেছিলেন অবশ্য মিচেল স্টার্ক। কাঁধের চোটের কারণে মুলারি বিজয় ছিটকে যাওয়ায় সুযোগ হয়ে যায় মুকুন্দের। যদিও সুযোগটা একেবারেই কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। রানের খাতা খোলার আগেই তিনি প্যাভিলিয়নে ফেলেন স্টার্কের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে। তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে চেতশ্বর পূজারা প্রতিরোধ গড়েছিলেন লোকেশকে নিয়ে। যদিও সেই প্রতিরোধ ভেঙে যায় লাঞ্চের আগ মুহূর্তে, আর পূজারার (১৭) উইকেট দিয়েই শুরু হয় লিওনের অবিশ্বাস্য পথ চলা। এর পর এই স্পিনার একে একে তুলে নিয়েছেন বিরাট কোহলি (১২), আজিঙ্কা রাহানে (১৭), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৭), ঋদ্ধিমান সাহা (১), রবীন্দ্র জাদেজা (৩), লোকেশ রাহুল ও ইশান্ত শর্মার (০) উইকেট।

  • প্রস্ততি ম্যাচে তামিমের সেঞ্চুরি

    টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে শ্রীলঙ্কা বোর্ড সভাপতি একাদশ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৫৬ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ২৫১ রান। তামিম ইকবাল ১৩৩ রান নিয়ে ব্যাটিং করছেন। আউট হয়ে ফিরেছেন সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম। এছাড়া ব্যক্তিগত ৭৬ রান করে রিটায়ারড নেন মুমিনুল হক। সৌম্য ব্যক্তিগত ৯ রানে লাহিরু সামারাকুনের বলে তিনি উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন রণ চন্দ্রগুপ্তকে। বাংলাদেশ অবশ্য ইমরুল কায়েসকে প্রথম টেস্টের দলে রাখেনি। ফলে শ্রীলঙ্কায় তামিমের ওপেন সঙ্গী সৌম্যই যে থাকছেন, তা মোটামুটি নিশ্চিত।  শ্রীলঙ্কা বোর্ড সভাপতি একাদশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দিনেশ চান্ডিমাল।

  • ‘বিজিএমইএ কাপ-২০১৭’

    আজ ০২ মার্চ ২০১৭ উত্তরাস্থ ‘ইন্টারন্যাশনাল টার্কিশ হোপ স্কুল’ মাঠে বিজিএমইএ’র উদ্যোগে সদস্যভূক্ত কারখানাগুলোর অংশগ্রহনে  ‘বিজিএমইএ কাপ-২০১৭’ শীর্ষক ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্ভোধন করা হয় । ছবিতে বিজিএমইএ সভাপতি জনাব মোঃ সিদ্দিকুর রহমানকে  রং-বেরঙের বেলুন উড়িয়ে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্ভোধন করতে দেখা যাচ্ছে।  পাশে অন্যান্যদের মধ্যে বিজিএমইএ’র  সহ-সভাপতি জনাব  মাহমুদ হাসান খান (বাবু) ও টুর্নামেন্টের ভেন্যু পার্টনার ‘ইন্টারন্যাশনাল টার্কিশ হোপ স্কুল’ এর চেয়ারম্যান বেদ রিট্রিন সোয়াতা এবং লিও এন্টারটেইন্মেন্ট স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচারক রিয়াজুর রহমান রোহানকে দেখা যাচ্ছে।

  • বিজিএমইএ কাপ ফুটবল-২০১৭

    দ্বিতীয়বারের মত “বিজিএমইএ কাপ ফুটবল-২০১৭” টুর্নামেন্ট আগামী ০২ মার্চ বৃহঃস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এবারের আসরে শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে বিজিএমইএ এর সদস্যভূক্ত মোট ১৬ টি কারখানা প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ  করবে। টুর্নামেন্টের খেলাগুলো উত্তরা ইন্টারন্যাশনাল টার্কিশ হোপ স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। ০২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এবারের আসরের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে ২৪ মার্চ বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে।“বিজিএমইএ কাপ ফুটবল-২০১৭” আসরের অংশগ্রহণকারী দলসমূহ: ২০১৬ আসরের চ্যাম্পিয়ন ব্যান্দো ডিজাইন, ২০১৬ আসরের রানারআপ কম্ফিট কম্পোজিট অব ইয়োথ গ্রুপ, ইপিলিয়ন গ্রুপ, অনন্ত গ্রুপ, রেওন টেক্স গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, মজুমদার গ্রুপ, সেতারা গ্রুপ, বেবিলন গ্রুপ, ভারসেটাইল গ্রুপ, মেহনাজ্ স্টাইল এন্ড ক্রাফট, ইন্টারস্টফ এ্যাপারেল, টর্ক ফ্যাশন্স, মাস্ক ট্রাউজারস্ এবং এ্যাপারেল ইন্ড্রাস্ট্রিজ। “বিজিএমইএ কাপ ফুটবল-২০১৭” টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠোপোষক প্রতিষ্ঠানসমূহ:  ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিঃ, প্রাইম ব্যাংক লিঃ, জুকি, সেইলর, রাইজিং গ্রুপ, স্টারলিং স্টক এন্ড সিকিউরিটিজ লিঃ, বাফট, এ্যামেচ পাওয়ার, নিউ অটো গ্যালাক্সি, ভারটেক্স গ্রুপ, বিবিএস ক্যাবলস্, অনন্ত গ্রুপ, ম্যাম পাওয়ার, সেইলন  লিঃ, এসি ওয়ার্ল্ড এবং কিউবি এন্ড ইন্টারন্যাশনাল টার্কিশ হোপ স্কুল।  “বিজিএমইএ কাপ ফুটবল-২০১৭” মিডিয়া পার্টনার: দি ডেইলি স্টার এবং গাজী টেলিভিশন। “বিজিএমইএ কাপ ফুটবল-২০১৭” ইভেন্ট পার্টনার: লিও এন্টারটেইনমেন্ট স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট।উপরোক্ত বিষয়কে সামনে রেখে ২৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিজিএমইএ ভবনের এ্যাপারেল ক্লাবে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিজিএমইএ এর সম্মানিত সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান সহ-সভাপতি ফাইন্যান্স মোহাম্মদ নাসির,  সহ-সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু , ইন্টারন্যাশনাল টার্কিশ হোপ স্কুলের চেয়ারম্যান বেদ রিট্টিন সোয়াতা এবং লিও এন্টারটেইনমেন্ট স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াজুর রহমান রোহান উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সম্মানিত সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান টুর্নামেন্টের ট্রফি উন্মোচন করেন।

  • কেন তিনি সেরা, বুঝিয়ে যাচ্ছেন স্মিথ...

    টেস্টে ব্যাটিং শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটটা নিয়ে এই মুহূর্তে লড়াইটা যাঁর সঙ্গে, সেই বিরাট কোহলিই প্রতিপক্ষ অধিনায়ক। বছর দুয়েক ধরে কোহলি-স্মিথেই সেরার লড়াইটা চলছে। তাতে আপাতত এগিয়ে স্মিথ, বর্তমানে টেস্টের সেরা ব্যাটসম্যান অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক। তবে কোহলির সঙ্গে এই লড়াইই কি তাতিয়ে রাখে তাঁকে? না হলে ভারতকে পেলেই এমন জ্বলে ওঠার কারণ কী! এ নিয়ে কোহলিদের বিপক্ষে টানা পাঁচটি টেস্টে যে সেঞ্চুরি করেছেন স্মিথ! সব মিলিয়ে ভারতের বিপক্ষে ৭ টেস্টে ৮৮.৮৩ গড়ে ১০৬৬ রান। যেখানে তাঁর ক্যারিয়ার গড় ৬০.৩৪! ৫১ টেস্টে রান ৪ হাজার ৮৮৮। পুনে টেস্টের তৃতীয় দিনে আজ দুর্দান্ত আরেকটি ইনিংস খেলেছেন স্মিথ। করেছেন সেঞ্চুরি, ২০২ বলের ইনিংসে ১১ চারে ১০৯ রান। তাতেই ভারতের সামনে জয়ের জন্য দুর্গম এক পাহাড় দাঁড় করিয়ে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের প্রথম টেস্টে জিততে হলে ভারতকে চতুর্থ ইনিংসে করতে হবে ৪৪১ রান। যেখানে টেস্ট ইতিহাসে ৪১৮ রানের বেশি তাড়া করে জেতার রেকর্ডই নেই। ভারত রেকর্ড গড়তে পারবেন কি না, কোহলি আবার দ্বিতীয় ইনিংসে দুর্দান্ত কিছু করে বসেন কি না, সে প্রশ্ন আপাতত তোলা থাকছে। তবে এখন পর্যন্ত এই টেস্ট স্মিথের। এর আগে ভারতের বিপক্ষে টানা যে চারটি টেস্টে সেঞ্চুরি করেছেন, চারটিই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। ২০১৪-১৫ মৌসুমে ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফরে অ্যাডিলেড, ব্রিসবেন, মেলবোর্ন, সিডনি—চার টেস্টেই স্মিথ পেয়েছিলেন সেঞ্চুরি। তবে সেগুলোর চেয়েও একটু আলাদা হয়ে থাকবে এই টেস্টের সেঞ্চুরিটি। যার প্রথম কারণ, এই টেস্টটা ভারতের মাটিতে। যেখানে কী অস্ট্রেলিয়া, কী ভারত—সবার কাছেই পিচটাকে মনে হচ্ছে যেন মঙ্গল গ্রহের ভূপৃষ্ঠের মতো, যেখানে কোহলিরাও ব্যাট হাতে হিমশিম খেয়েছেন, সেখানেই স্মিথ কী দুর্দান্ত! দ্বিতীয় কারণটি এই, এর আগের চারটি সেঞ্চুরিই ছিল অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে। এই প্রথম নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের বিপক্ষে সেঞ্চুরি পেলেন—টেস্টের তৃতীয় ইনিংসে, যখন অশ্বিন-জাদেজাদের স্পিন আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠার কথা। অবশ্য আগের দিনই তিন-তিনবার জীবন পেয়েছেন স্মিথ। তবে সেটি কাজে লাগিয়ে আবার দলের প্রয়োজনে ইনিংসটাকে গড়ে নেওয়াই বা কম কী! অন্য পাশে সঙ্গী বদল হয়েছে বারবার, সবচেয়ে বড় জুটি হয়েছে পঞ্চম উইকেটে মিচেল মার্শের সঙ্গে (৫৬)। এর বাইরে চতুর্থ উইকেটে রেনশর সঙ্গে ৫২ রানের জুটি, স্টার্কের সঙ্গে ৪২, হ্যান্ডসকম্বের সঙ্গে ৩৮, ওয়েডের সঙ্গে ৩৫....সঙ্গী বদল হলেও এতটুকু দমেনি স্মিথের ব্যাট। হয়তো নিজেই বুঝতে পারছিলেন, প্রথম ইনিংসে বোলাররা দুর্দান্ত বোলিং করে যে লিড এনে দিয়েছেন, সেটিকে পাহাড় চড়াতে হলে তাঁকেই কিছু করতে হবে। সেটি দলের অধিনায়ক হিসেবে যেমন, দলের সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবেও।  শুধু দল নয়, স্মিথ খেললেন আসলে বিশ্বসেরা ব্যাটসম্যানের মতো করেই। নিজের সার্থকতা প্রমাণ করে।

  • ও’কিফ মাটিতে নামালেন ভারতকে

    শেন ওয়ার্নের কথাটাই তাহলে সত্যি হলো! প্রথম সেশনের বিরতি চলছিল তখন। ভারতের সামনে জয়ের জন্য ৪৪১ রানের প্রায় অসম্ভব এক লক্ষ্য দিয়ে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। চতুর্থ ইনিংসে রান তাড়া করে জয়ের বিশ্বরেকর্ডই যেখানে ৪১৮! বিরতির সময় স্টার স্পোর্টসে বিশ্লেষণ করতে থাকা সুনীল গাভাস্কার তখন বলছিলেন, ‘জয় তো সম্ভব নয়। ভারত চতুর্থ ইনিংসে অন্তত ৩০০ বা ৩৫০ রান করতে পারলেও সেটি হবে বড় অর্জন।’ জবাবে আরেক বিশ্লেষক শেন ওয়ার্ন দুষ্টুমি করেই ভারতীয় কিংবদন্তিকে বললেন, ‘বেস্ট অব লাক, সানি!’ ইঙ্গিতটা পরিষ্কার, ভারত চতুর্থ ইনিংসে ৩০০-ও করতে পারবে না। কিংবদন্তি অস্ট্রেলিয়ান লেগ স্পিনারের কথাটাই তো সত্যি হলো। সত্যি করছেন আরেক অস্ট্রেলিয়ান স্পিনারই—স্টিভ ও’কিফ! সেটিও এমন কীর্তি গড়ে, যা করতে পারলে শেন ওয়ার্নও গর্বিত হতেন! প্রথম ইনিংসে ৩৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ভারতের বিখ্যাত ব্যাটিং লাইন-আপও ধসিয়ে দিয়েছিলেন ও’কিফ। কাকতালীয়ভাবে দ্বিতীয় ইনিংসেও ঠিক ৩৫ রানেই আরও ৬ উইকেট। ৭০ রানে ১২ উইকেট ভারতের মাটিতে যেকোনো বিদেশি স্পিনারের রেকর্ড বোলিং। এর আগে ২০০৮ সালে নাগপুরে ম্যাচে ৩৫৮ রান দিয়ে ১২ উইকেট পেয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ান অফ স্পিনার জেসন ক্রেজা। দুই ইনিংসে ও’কিফের স্পিন ঘূর্ণিই মাটিতে নামাল ভারতকে। প্রথম ইনিংসে ১০৫ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হলো ১০৭ রানে। সিরিজের প্রথম টেস্টটা তাতে হেরে গেল ৩৩৩ রানে। থামল বিরাট কোহলিদের টানা ১৯ টেস্টের অপরাজিত পথচলা। দিনের শুরুতে অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির সৌজন্যে অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংসে করেছে ২৮৫ রান। সঙ্গে প্রথম ইনিংসে পাওয়া ১৫৫ রানের লিড তো ছিলই। কিন্তু ৪৪১ রানের লক্ষ্যে নেমে যেন দিশেহারা ভারত। দুই ওপেনার মুরালি বিজয় ও লোকেশ রাহুল দুজনই আউট হয়েছেন ১৬ রানের মধ্যে, দুজনই এলবিডব্লু । কিন্তু এর চেয়েও যেটি চোখে লেগেছে তা হলো, দুজনই অহেতুক দুটি রিভিউ নিয়ে সেগুলো নষ্ট করেছেন। এরপর এল ভারতের সবচেয়ে বড় হতাশা! স্টিভেন স্মিথের সেঞ্চুরির পর যাঁর ব্যাটের দিকে তাকিয়ে ছিল ভারত, সেই বিরাট কোহলিও আউট! সেটিও বড্ড দৃষ্টিকটু। ও’কিফের বল স্টাম্পের বাইরে যাবে ভেবে ছেড়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু সেটি উল্টো ঘুরে এসে নাড়িয়ে দিল কোহলির অফ স্টাম্প! ৪৭ রানেই ৩ উইকেট নেই ভারতের। এরপর ভারতের মিডল অর্ডারের পুরোটা একাই ধসিয়ে দিয়েছেন ও’কিফ। রাহানে-অশ্বিন-ঋদ্ধিমান-পূজারা সবাইকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। ভারত তখন ৭ উইকেট হারিয়ে ১০০! তখন দুটি ‘প্রশ্ন’ ঘুরছিল—ও’কিফ ভারতের মাটিতে যেকোনো বিদেশি বোলারের মধ্যে রেকর্ডই ভাঙতে পারবেন (ইয়ান বোথামের, ম্যাচে ১০৬ রানে ১৩ উইকেট)? আর ভারত প্রথম ইনিংসের ১০৫ রান পেরোতে পারবে? প্রথমটি হয়নি। তাতে সঙ্গী স্পিনার নাথান লায়নের ওপর একটু ‘রাগ’ করতেই পারেন ও’কিফ। শুরুতে লোকেশ রাহুলকে ফিরিয়েছিলেন লায়ন, শেষ দিকে এসে একে একে ফিরিয়ে দিলেন ভারতের শেষ তিন ব্যাটসম্যান জাদেজা, জয়ন্ত ও ইশান্ত শর্মাকে! তবে ভারত এর মধ্যেই প্রথম ইনিংসের সংগ্রহটাকে ছাড়িয়ে গেছে—দ্বিতীয় ইনিংসে দু-ই রান বেশি করেছে। তাতে কী! লজ্জার পরাজয় তো তার অনেক আগেই লেখা হয়ে গেছে। স্টার স্পোর্টস।

  • ক্রিকইনফোর বর্ষসেরায় ছয় বাংলাদেশি

    আইসিসির বর্ষসেরা পুরস্কারের পাশাপাশি এই পুরস্কার নিয়েও সবার আগ্রহ থাকে। ক্রিকইনফোর বর্ষসেরা কারা হচ্ছে, তা জানা যাবে আজ রাতে। তবে এর আগে জেনে নিতে পারেন মনোনয়ন তালিকা। যেখানে আছে বাংলাদেশের দাপট। গতবার এই পুরস্কারের বর্ষসেরা উদীয়মান বিভাগে জিতে​ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। এবারও এই বিভাগে ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মেহেদী মিরাজ। মিরাজ মনোনয়ন পেয়েছেন বর্ষসেরা টেস্ট বোলিং পারফরম্যান্সেও। মিরাজ ছাড়াও আরও পাঁচ বাংলাদেশি ক্রিকেটার আছেন মনোনয়ন তালিকায়—তামিম ইকবাল, মাশরাফি বিন মুর্তজা, মোস্তাফিজুর রহমান, মাহমুদউল্লাহ ও সাব্বির রহমান।  টেস্ট ব্যাটিং পারফরম্যান্সে আছেন তামিম ইকবাল। ওই ঢাকা টেস্টেই অনবদ্য ১০৪ রানের ইনিংসটা তামিম ইকবালকে সুযোগ করে দিয়েছে এ তালিকায় আসার। তবে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দ্রুততম সেঞ্চুরি কিংবা বেন স্টোকসের দ্রুততম আড়াই শ রানকে সম্ভবত পেরোতে পারছেন না তামিম। তালিকায় আরও আছে পাল্লেকেলেতে কুশল মেন্ডিসের সেই অবিশ্বাস্য ১৭৬ আর মুম্বাইয়ে বিরাট কোহলির চোখজুড়ানো ২৩৫–ও।  গতবার সেরা অধিনায়কদের ছোট তালিকায় থাকতে পারলেও এবার আর সেটা করতে পারেননি মাশরাফি বিন মুর্তজা। তবে নিজের আসল কাজে ওয়ানডের সেরা বোলিং পারফরম্যান্সে জায়গা করে নিয়েছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাত্র ২৩৮ রানের লক্ষ্যটাকেই কঠিন বানিয়ে দিয়েছেন ২৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে। ওই সিরিজেই প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জয় কেড়ে নেওয়া স্পেলে এই তালিকায় চলে এসেছেন জ্যাক বলও। তবে সুনীল নারাইন, ইমরান তাহির কিংবা জন হেস্টিংসের পারফরম্যান্সগুলোই বেশি এগিয়ে আছে।  টি-টোয়েন্টি বোলিংয়েও আছেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ উইকেট পাওয়া মোস্তাফিজের সঙ্গে বিশ্বকাপেই ৫ উইকেট পাওয়া আরেক বোলার জেমস ফকনারের লড়াই হবে। তবে ভারতের বিপক্ষে মিচেল স্যান্টনারের ৪ উইকেট কিংবা এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে মোহাম্মদ আমিরের স্পেলেরই সম্ভাবনা বেশি এবারের বিজয়ী হওয়ার। ম্যাচের গুরুত্ব বিবেচনায়। ক্ষুদ্রতম সংস্করণের ব্যাটিংয়ে আছেন বাংলাদেশের দুজন। এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সাব্বির রহমানের দুর্দান্ত সেই ৮০ রানের ইনিংস কিংবা পাকিস্তানের বিপক্ষে মাহমুদউল্লাহর মহাগুরুত্বপূর্ণ ২২ রান জায়গা করে নিয়েছে এখানে। আছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কোহলির ৮২ রান, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ১৪৫ রানও।  এশিয়া কাপে আমিরের ওই স্পেলের উল্টো দিকে কোহলির ৪৯ রান কিংবা ভারতকে হারিয়ে দেওয়া ব্রেন্ডন সিমন্সের ৮২* রানের ইনিংসগুলোও কম ফেবারিট নয়। তবে বিশ্বকাপ ফাইনালে মারলন স্যামুয়েলসের ৮৫* কিংবা কার্লোস ব্রাফেটের চার বলে চার ছক্কা মারা ৩৪ রানকে টপকানো খুবই কঠিন হবে!  সব কৌতূহলই মিটবে আজ রাত সাড়ে নয়টায়। তখনই জানা যাবে বাংলাদেশের কেউ জিতলেন কি না। গতবারের মতো এবারও উদীয়মান বিভাগে রাখতে হবে বিশেষ নজর।

  • ৪৪১ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে ভারত

    পুনে টেস্টে ভারতকে ৪৪১ রানের টার্গেট দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া । দ্বিতীয় ইনিংসে অধিনায়ক স্মিথের অপরাজিত ১০৯ রানের ওপর ভিত্তি করে ২৮৫ রানে অলআউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া । আগের ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ১৫৫ রানে এগিয়ে থাকায় ভারতের টার্গেট দাঁড়ায় ৪৪১ । এটি অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ক্যারিয়ারের ১৮তম টেস্ট সেঞ্চুরি। আর ভারতের মাটিতে প্রথম। কিন্তু শুধু এ কারণে নয়, এ সেঞ্চুরিটাকে স্মিথ হয়তো আলাদা করে রাখবেন অন্য একটা কারণেও। যে উইকেটে প্রথম দিনের প্রথম ওভার থেকে বল বিশাল বাঁক নিচ্ছে, যেখানে ব্যাট করা কঠিন ঠেকছে স্বাগতিক ভারতের ব্যাটসম্যানদের কাছেও, সেখানেই কী দারুণ খেলেছেন স্মিথ। ৫৯ রানে অপরাজিত থেকে দিন শুরু করেছিলেন স্মিথ। গতকাল ২৩, ২৯ ও ৩৭ রানে তিনবার জীবন পান তিনি। আজ সকাল থেকে অবশ্য বেশ স্বচ্ছন্দে খেলছিলেন স্মিথ। ভারতের বিপক্ষে এটি তার টানা পঞ্চম সেঞ্চুরি। ৩১ রানের দুটি ইনিংস এসেছে ম্যাট রেনশ ও মিচেল মার্শের ব্যাট থেকে। ৩০ রান করেছেন মিচেল স্টার্ক। ভারতের পক্ষে চারটি উইকেট নিয়েছেন রবীচন্দ্রন অশ্বিন।

  • নতুন কাবাডি রেফারী কোর্স শুরু

    বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় আগামী ২৫ ফেব্র“য়ারি হতে ০১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত নতুন কাবাডি রেফারি কোর্স কাবাডি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত কোর্স প্রতিদিন বিকেল ৩:০০-৭:৩০ ঘটিকায় পর্যন্ত চলবে। প্রাক্তণ জাতীয় কাবাডি খেলোয়াড় এবং ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্কুলের ক্রীড়া শিক্ষক ও স্কাউট এর শিক্ষকগন  উক্ত কোর্সে অংশগ্রহণ করবে। আগামী ২৫ ফেব্র“য়ারি ২০১৭ তারিখ বিকেল ৩:০০ ঘটিকায় কোর্সের শুভ উদ্বোধন করবেন জনাব গাজী মো: মোজাম্মেল হক এআইজি ডেভেলপমেন্ট এবং যুগ্ম-সম্পাদক বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আমির হোসেন পাটোয়ারী।

  • জুনিয়র ডেভিস কাপ এশিয়া/ওশানিয়া প্রি-কোয়ালিফাইং রাউন্ড ২০১৭

    আগামী ২০-২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ পর্যন্ত ভারতের নতুন দিল্লীতে ‘জুনিয়র ডেভিস কাপ এশিয়া/ওশানিয়া প্রি-কোয়ালিফাইং রাউন্ড ২০১৭’ এর খেলা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ, ভূটান, নেপাল, ইরান, ইরাক, কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান, লাওস, লেবানন, পাকিস্তান, সৌদি আরব, শ্রীলংকা, সিরিয়া, তুর্কমিনিস্তান, ভিয়েতনাম ও ইয়েমেন অংশগ্রহন করবে। প্রতিযোগিতায় ০৪ (চার) সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ দল অংশগ্রহন করবে। দলের নন-প্লেইং ক্যাপ্টেন হিসেবে অত্র ফেডারেশনের চীফ কোচ জনাব মোজাহিদুল হক দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারী বাংলাদশে দলের খেলোয়াড়রা হচ্ছেন : (১) মো: জুয়েল রানা, (২) মোহাম্মদ ইশতিয়াক এবং (৩) মো: স্বাধীন হোসেন। আগামীকাল বাংলাদেশ দল পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করবে।

  • বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ সম্পন্ন

    রাংগুনিয়া উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কুলকুরমাই হরদয়া কিন্ডার গার্টেন স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সারা দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে স্কুলের প্রঙ্গেনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব প্রতিযোগিতার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করেন সাবেক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তরুণী সেন বড়–য়া। স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাহাবুর ছাফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ ইউছুফ। বিকাল ৩ টায় প্রতিযোগিতার ২য় পর্ব পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য কামরুল ইসলাম চৌধুরী। স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও রাংগুনিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ খলিলুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রাংগুনিয়া মজুমদার খীল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক হাজী বদি আহমদ চৌধুরী, রাংগুনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক ভিপি মোস্তফা বদিউর খায়ের চৌধুরী লিটন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক মোঃ রাসেল খান, মোঃ ইয়াকুব রানা প্রমূখ। সভায় বক্তারা বলেন, শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার চর্চায় মনোনিবেশ করতে হবে। আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাই তাদের গড়ে তুলতে আমাদেরই দায়িত্ব নিতে হবে। আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরন করেন।

  • ঢাকা সাইক্লিং স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্বেগে শীতকালীন উন্মুক্ত সাইক্লিং প্রতিযোগিতা ২০১৭” অনুষ্ঠিত

    ঢাকা সাইক্লিং স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্বেগে আজ শুক্রবার ৩ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম চত্বরে শীতকালীন উন্মুক্ত সাইক্লিং প্রতিযোগিতা ২০১৭” অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিযোগিতা  সার্ভিসেস দল, বাংলাদেশ সেবাবাহিনী, বিজেএমসি , বাংলাদেশ জেল পুলিশ, বিজিবি সহ বিভিন্ন ক্লাব হতে ১৫০ জন পুরুষ ও মহিলা সাইক্লিস্ট অংশগ্রহন করেন ৩টি ইভেন্টে।প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরুষ্কার বিতরন করেন বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েসনের সহ-সভাপতি এবং ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক জনাব হারুনুর রশিদ। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ইসমে আরা হামিদ ও নাসিমা অহম্মেদ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন  ঢাকা সাইক্লিং স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি জোবেরা রহমান লিনু , সহ- সভাপতি ইকরামউজ্জমান, সেখ বাহা উদ্দিন রিটু, পারভেজ হাসান  এবং ক্লাবের সাধারন সম্পাদক লাজুল করিম কস্তুরী সহ অনান্য কর্মকর্তা বৃন্দ।

  • আরচ্যারী চ্যাম্পিয়নশীপ ৯ টি গোল্ড মেডেল ম্যাচের ফলাফল

    আজ ৩০ জানুয়ারী-২০১৭ তারিখে ঢাকাস্থ মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ১ম আইএসএসএফ ইন্টারন্যাশনাল সলিডারিটি আরচ্যারী চ্যাম্পিয়নশীপের সমাপণী দিবসে ৯টি গোল্ড মেডেল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। রিকার্ভ পুরুষ এককে সৌদিআরবের ফারেস আলোতাইবি ভূটানের নিমা ওয়াংদীকে ৬-৪ সেট পয়েন্টে ব্যবধানে পরাজিত করেন। মহিলা এককে বাংলাদেশের মোসাম্মৎ হিরা মনি আজারবাইজানের রামোজানোভা ইয়ালাগুলকে ৬-৪ সেট পয়েন্টের ব্যবধানে পরাজিত করেন। মহিলা দলগতভাবে বাংলাদেশ আরচ্যারী দল (শ্যামলী রায়, বিউটি রায় ও রাদিয়া আক্তার শাপলা), নেপাল আরচ্যারী দলকে  ৬-২ সেট পয়েন্টের ব্যবধানে পরাজিত করেন। পুরুষ দলগতভাবে বাংলাদেশ আরচ্যারী দল (মো: রুমান সানা, মো:  সানোয়ার হোসেন ও মোহাম্মদ তামিমুল ইসলাম) ৬-২ সেট পয়েন্টের ব্যবধানে ভূটানকে পরাজিত করেন। মিশ্রদলগতভাবে বাংলাদেশের মো: রুমান সানা ও বিউটি রায় ভূটান আরচ্যারী দলের কিনলি টি-সিরিং ও কারমাকে ৬-২ সেট পয়েন্টের ব্যবধানে পরাজিত করেন।কম্পাউন্ড পুরুষ এককে মালয়েশিয়ার মোহাম্মদ ফিরদাউস বিন ইসা ১৪১-১৪০ স্কোরের ব্যবধানে একই দেশের নিক আহমদ ডেনিয়াল বিন মোহাম্মদ কামারুলজামানকে পরাজিত করেন। মহিলা এককে ইরাকের ফাতিমাহ আল মাসহাদানী ১৩৫-১৩৩ স্কোরের ব্যবধানে বাংলাদেশের বন্যা আক্তারকে পরাজিত করেন। পুরুষ দলগতভাবে বাংলাদেশ আরচ্যারী দল (মো: আবুল কাশেম, মো: নাজমুল হুদা ও মো: মিলন মোল্লা) ২১৪-২০৭ স্কোরের ব্যবধানে মালয়েশিয়া আরচ্যারী দলকে পরাজিত করেন। কম্পাউন্ড মিশ্র দলগতভাবে বাংলাদেশের মো: আবুল কাশেম মামুন ও সুস্মিতা বনিক ইরাকের আল-দাঘমান এশাক ও ফাতিমাহ আল মাসহাদানীকে ১৪৯-১৪১ স্কোরের ব্যবধানে পরাজিত করেন।  মেডেল টালি দেশের নাম গোল্ড সিলভার ব্রোঞ্জ মোট বাংলাদেশ         ৬ ১ ২ ৯ মালয়েশিয়া ১ ২ ০ ৩ সৌদিআরব ১ ০ ১ ১ ইরাক ১ ১ ২ ৪ নেপাল ০ ১ ০ ১ ভূটান ০ ৩ ১ ৫ আজারবাইজান ০ ১ ১ ২ বাংলাদেশ আরচ্যারী ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত ১ম আইএসএসএফ ইন্টারন্যাশনাল সলিডারিটি আরচ্যারী চ্যাম্পিয়নশীপ-২০১৭ আজ সম্পন্ন হয়। চ্যাম্পিয়নশীপের সমাপণী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপ-মন্ত্রী জনাব আরিফ খান জয়। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক সলিডারিটি স্পোর্টস ফেডারেশনের জেনারেল ডাইক্টের জনাব খালিদ বিন আল শায়েখ, চ্যাম্পিয়নশীপের টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর মেজর বাহার উদ্দিন বিন জামিল, ওয়ার্ল্ড আরচ্যারী, ওয়ার্ল্ড আরচ্যারী এশিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ন্যাশনাল আরচ্যারী এসোসিয়েশন অব থাইল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট জনাব সাংগুয়ান কোসাভিন্তা, বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সভাপতি জনাব এ কে এম নূরুল ফজল বুলবুল, বাংলাদেশ আরচ্যারী ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও টুর্ণামেন্ট কমিটির আহ্বায়ক জনাব এম শোয়েব চৌধুরী, সহ-সভাপতি জনাব মো: আনিসুর রহমান দিপু, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল, সহকারী সাধারণ সম্পাদক ও টুর্ণামেন্ট কমিটির সদস্য সচিব জনাব রশিদুজ্জামান সেরনিয়াবাত, ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, অন্যান্য ফেডারেশনের কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি ও দর্শকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আরচ্যারী ফেডারেশনের সভাপতি লে: জেনারেল মো: মইনুল ইসলাম, ওএসপি, বিজিবিএম, এডব্লিউসি, পিএসসি (এলপিআর)।

  • বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশন কার্যনির্বাহী কমিটি

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন ১৯৭৪ (হালনাগাদ সংশোধিত) - এর ২০ এ (বি) ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি বাতিল করে তদস্থলে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবনিযুক্ত সদস্যগনের মধ্যে জনাব মো: শাহরিয়ার আলম, এমপি, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে পুনরায় সভাপতি হিসেবে মনোনিত করা হয়েছে এবং নতুন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জনাব গোলাম মোরশেদ কে মনোনীত করা হয়েছে। ২৮ সদস্য বিশিষ্ট নব নিযুক্ত কমিটিতে ১ জন সভাপতি, ১ জন সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও ৫ জন সহ-সভাপতি, ২ জন যুগ্ম-সম্পাদক, ১ জন কোষাধ্যক্ষ এবং ১৮ জন সদস্য রয়েছেন।

  • এ.আই.ইউ.বি টেনিস প্রতিযোগিতা ২০১৬ পুরুষ ও মহিলা এককে চ্যাম্পিয়ন

    মহান বিজয় দিবস ২০১৬ উপলক্ষে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি - বাংলাদেশ এর পৃষ্ঠপোষকতায় ও বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় ১৪-১৯ জানুয়ারী ২০১৭ পর্যন্ত আয়োজিত ‘অওটই বিজয় দিবস টেনিস প্রতিযোগিতা ২০১৬’ এর ফাইনল খেলা ও পুরষ্কার বিতরনী অদ্য রমনাস্থ জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিযোগিতা শেষে বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের উপদেষ্টা এম্বাসেডর মোহাম্মদ জমির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরষ্কার বিতরনী করেন। অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি - বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান জনাব ইশতিয়াক আবেদীন ও প্রেস্টিজ ব্যাংগল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আমান মঈন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের উপদেষ্টা ও টুর্নামেন্ট কো-অর্ডিনেটর জনাব গোলাম মোরসেদ, সাধারণ সম্পাদক মীর খুরসিদ আনোয়ার, টুর্নামেন্ট ডিরেক্টর জনাব খালেদ সালাহউদ্দিনসহ এ.আই.ইউ.বি ও টেনিস ফেডারেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য প্রতিযোগিতা ১৯টি ক্লাব/সংস্থা হতে ২১৫ জন খেলোয়াড় ১৩টি ইভেন্টে অংশগ্রহন করে। প্রতিযোগিতার বিস্তারিত ফলাফর নি¤েœ দেয়া হলো :পুরুষ একক : চ্যাম্পিয়ন - মামুন বেপারী (স্যামসং এইচ চৌধুরী টেনিস ক্লাব, পাবনা) রানার-আপ - আলমগীর হোসেন (নরডিক ক্লাব) স্কোর : পুরুষ দ্বৈত : চ্যাম্পিয়ন - শেখ হাসিবুল হক (সাতক্ষীরা টেনিস ক্লাব) ও মামুন বেপারী (স্যামসং এইচ চৌধুরী টেনিস ক্লাব, পাবনা) রানার-আপ - অমল রায় (ইঞ্জিনিয়ার্স রিক্রিয়েশন সেন্টার) ও আনোয়ার হোসেন (স্যামসং এইচ চৌধুরী টেনিস ক্লাব, পাবনা) : স্কোর - ওয়াকওভারমহিলা একক : চ্যাম্পিয়ন - ঈশিতা আফরোজ (বিকেএসপি) রানার-আপ : আফরানা ইসলাম প্রিতি স্কোর : মহিলা দ্বৈত : চ্যাম্পিয়ন - পপি আক্তার (বিকেএসপি) ও ঈশিতা আফরোজ (বিকেএসপি) রানার-আপ - আফরানা ইসলাম (বিকেএসপি) ও জলি আক্তার (বিকেএসপি) স্কোর : ৬-৩, ৬-২বালক একক অনুর্ধ ১৬ বছর : চ্যাম্পিয়ন - জুয়েল রানা (এলিট টেনিস একাডেমীর) রানার-আপ - মো: ইশতিয়াককে (বিকেএসপি) স্কোর : ৬-২, ৬-৪বালক একক অনুর্ধ ১৪ বছর : চ্যাম্পিয়ন  - মো: ইমন ইসলাম (জাফর ইমাম টেনিস কমপ্লেক্স, রাজশাহী) রানার-আপ - সোহেল (ইঞ্জিনিয়ার্স রিক্রিয়েশন সেন্টার) স্কোর : ৬-১, ৬-০বালিকা একক অনুর্ধ ১৪ বছর : চ্যাম্পিয়ন : জেরিন সুলতানা (বিকেএসপি) রানার-আপ : শ্রাবণী বিশ^াস জুই (জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্স) স্কোর : বালক একক অনুর্ধ ১২ বছর : চ্যাম্পিয়ন - আলভি (জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্স) রানার-আপ - খন্দকার শায়ান শহিদ (জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্স) স্কোর : বালিকা একক অনুর্ধ ১২ বছর : চ্যাম্পিয়ন - মাসফিয়া আফরিন (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থা) রানার-আপ - সাদিয়া আফরিন (বিকেএসপি) স্কোর : ৬-৩, ৬-১বালক একক অনুর্ধ ১০ বছর : প্রথম স্থান - আদনান (জাফর ইমাম টেনিস কমপ্লেক্স, রাজশাহী), ২য় স্থান - অমিত (এলিট টেনিস একাডেমী) ও ৩য় স্থান - রিয়ান শেখ (এলিট টেনিস একাডেমী) বালিকা একক অনুর্ধ ১০ বছর : প্রথম স্থান - প্রত্যাশা দাস (জাফর ইমাম টেনিস, রাজশাহী), ২য় স্থান - তুলতুল (জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্স), ৩য় স্থান - কনা (এলিট টেনিস একাডেমী)বালক একক অনুর্ধ ৮ বছর : প্রথম স্থান - সজিব মোল্লা (এলিট টেনিস একাডেমী), ২য় স্থান - সজিব হোসেন (এলিট টেনিস একাডেমী), ৩য় স্থান - সিয়াম (জাফর ইমাম টেনিস কমপ্লেক্স, রাজশাহী)বালিকা একক অনুর্ধ ৮ বছর : প্রথম স্থান - অশিতা নাওয়ার (জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্স), ২য় অরিদ্রা শাহরিয়ার (জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্স) ও

E-mail : info@dpcnews24.com / dpcnews24@gmail.com

EDITOR & CEO : KAZI FARID AHMED (Genarel Secratry - DHAKA PRESS CLUB)

Search

Back to Top