ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের চলমান হামলায় আবারও দেশটির সামরিক শক্তি আলোচনায় এসেছে। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার জবাবে দৃশ্যত গাজা উপত্যকা গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। একপেশে এই লড়াইয়ে আজ বুধবার পর্যন্ত গাজায় সাড়ে ৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী যে সবচেয়ে শক্তিশালী, এ বিষয়ে বিশ্লেষকদের দ্বিমত নেই। এমনকি ইসরায়েলি বাহিনী অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারকারী বাহিনীগুলোরও অন্যতম।
ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) ‘মিলিটারি ব্যালেন্স, ২০২৩’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশাল এক সামরিক বাহিনী পরিচালনা করে আসছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীতে রয়েছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫০০ নিয়মিত সেনা। রিজার্ভ বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ৪ লাখ ৬৫ হাজার। সম্ভাব্য স্থল অভিযানে অংশ নিতে বর্তমানে গাজা সীমান্তে তিন লাখের মতো ইসরায়েলি সেনা অবস্থান নিয়েছে বলে সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন।
বয়স ১৮ বছর হলেই ইসরায়েলের সব নাগরিক বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের আওতায় আসেন। একবার তালিকাভুক্ত হলে পুরুষদের ৩২ মাস আর নারীদের ২৪ মাসের মতো সামরিক কার্যক্রমে অংশ নিতে হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসরায়েলের। তাদের রয়েছে অত্যাধুনিক নজরদারি সরঞ্জাম ও অস্ত্রশস্ত্র। দেশটির রয়েছে সমরাস্ত্রের বিশাল মজুতও। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর রয়েছে ২ হাজার ২০০টির বেশি ট্যাংক। ৫৩০টির মতো বিভিন্ন প্রযুক্তির কামান।
বিমানবাহিনীর রয়েছে ৩৩৯টি যুদ্ধবিমান। এসব যুদ্ধবিমানের ৩০৯টি স্থল হামলায় ব্যবহার করা যায়। যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৯৬টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান, ৮৩টি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান, ৩০টি সর্বাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান। এ ছাড়া ১৪২টি হেলিকপ্টারের মধ্যে রয়েছে ৪৩টি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার।
ইসরায়েলি
নৌবাহিনীর রয়েছে পাঁচটি সাবমেরিন। এ ছাড়া আরও
৪৯টি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে এই বাহিনীর।