বঙ্গবন্ধু সব সময় শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের পাশে থেকেছেন ——-শিল্পমন্ত্রী

0
36

কাজী ফায়সাল আহমেদ, ঢাকা,  ১৬ ভাদ্র  (৩১আগস্ট ২০২১):

বঙ্গবন্ধু সব সময় শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের পাশে থেকেছেন বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এমপি। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাও বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আজ দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে গবেষণা হচ্ছে, আলোচনা হচ্ছে এবং গ্রন্থ প্রকাশ হচ্ছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস-২০২১ উপলক্ষে মাসব্যাপী আয়োজিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী এসব কথা বলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আজ এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার এমপি এবং সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির মহাসচিব ড. মো: জয়নুল ইসলাম।  এতে অন্যদের মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও দপ্তর/সংস্থার প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন করেন।

শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু মানুষের দুঃসময়ে পাশে থাকার রাজনীতি করেছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনাও সব সময় গণমানুষের রাজনীতি করছেন। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের প্রতিটি দুঃসময়, দুর্যোগে জনগণের পাশে থেকেছে। করোনা মহামারির এ দুঃসময়েও আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে জনগণের পাশে থাকার আহবান জানান। যারা রক্তদানের মতো মহতী কাজে অংশগ্রহণ করেছেন এবং মরণোত্তর চক্ষুদানের অঙ্গীকার করলেন মন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু এদেশ ও জাতির কল্যাণে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দুই জন মুক্তিযোদ্ধার ওপর শিল্প মন্ত্রণালয়ের যে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন তা উত্তর উত্তর বৃদ্ধি করে শিল্প কারখানাগুলোকে শিল্প সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিতে আমারা অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন নতুন নতুন শিল্প-কারখানা স্থাপন করে জাতির কল্যাণে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, শিল্প মন্ত্রনালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর/সংস্থা সমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেন এবং বেশ কয়েক জন মরণোত্তর চক্ষুদানের অঙ্গীকার করেন।

Leave a Reply