
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার কোনাপাড়া এলাকায় সুমি আক্তার নামে এক দেহ ব্যবসায়ীর সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দৈনিক রূপবানী পত্রিকার সাংবাদিক কাজী ফয়সাল আহমেদ মিথুন এর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা করেছে একটি রাজনৈতিক চক্র।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ১০ জুন ২০২৫ ইং রাত আনুমানিক ৮.০০ ঘটিকার সময় দেহ ব্যবসায়ী সুমি আক্তার তার পূর্বের ডিভোর্সি স্বামী মোহাম্মদ প্রিন্স খানের সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য মুগদা থেকে যাত্রাবাড়ী থানার কোনাপাড়া মাতুয়াইল নিউ মার্কেটের সামনে আসে তুষারের সাথে। ঘটনাচক্রে সুমি আক্তারের পূর্বের আরেক ডিভোর্স স্বামী স্বপন ওরফে হেদুর সাথে দেখা হয়ে যায়। ঠিক এই সময় হেদু ও মোহাম্মদ প্রিন্স খান ওরফে জুয়েল মুখোমুখি হয়ে পড়ে। সুমি আক্তার কে পাওয়ার জন্য হেদু ও মোহাম্মদ প্রিন্স খানের মধ্যে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। এমনকি বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয় ।এই পর্যায়ে নিউ মার্কেটের সামনে অনেক লোক জড়ো হয়ে যায়। তখন তুষার নামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী উপস্থিত সবাইকে বলে বিষয়টি আমরা দেখছি। আপনারা যার যার কাজে চলে যান। প্রিন্স খান জুয়েল তুষারের পূর্ব পরিচিত। এই কথা বলে তুষার রনি, ডিয়ার, বোরহান, বাবু,নুর-ইসলাম, রাসেল সহ আরো কয়েকজন সুমি আক্তার, মোহাম্মদ প্রিন্স খান জুয়েল ও স্বপন ওরফে হেদু কে নিয়ে কোনাপাড়া মান্না হাই স্কুল এন্ড কলেজ মার্কেটের দোতালায় একটি দোকানে যায়। সেখানে তারা ১০-১২ জন মিলে শালীশ দরবারে বসে বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য। তাদের শব্দের আওয়াজ মেইন রোড থেকে শোনা যাচ্ছিল। তাদের কয়েকজনের উচ্চ শব্দের আওয়াজ শুনে দৈনিক রূপবান পত্রিকার সাংবাদিক কাজী ফয়সাল আহমেদ মিথুন সেখানে যায় এবং তাদের নিকট থেকে ঘটনা কি জানার চেষ্টা করে। সাংবাদিকের জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সুমি আক্তার বলে, “আমি ২০১৩ সাল থেকে খালার বাসায় থাকাকালীন সময় হইতে দেহ ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়েছি এখনো দেহ ব্যবসা করছি।“ স্বপন ওরফে হেদু ও মোহাম্মদ প্রিন্স খান আমার পূর্বে ডিভোর্সি স্বামী। স্বপন ওরফে হেদু আমাকে আবার বিয়ে করতে চাচ্ছে কিন্তু বাদসেজেছে প্রিন্স খান। এ বিষয়ে এখানে বিচার চলছে। সাংবাদিক তাকে জিজ্ঞেস করে আপনি এখন কার সাথে যেতে চান ? এই সময় হেদু বলে আমি এখন সুমি আক্তার কে সাথে নিয়ে যাব। তাদের কথাবার্তা ভিডিও রেকর্ড করে সাংবাদিক কাজী ফয়সাল আহমেদ মিথুন সেখান থেকে চলে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় বিচার কাজ শেষ করে রাত আনুমানিক 9 ঘটিকার সময়ে তুষার, সুমি আক্তার ও প্রিন্স খান ও হেদু নিচে নেমে আবার মাতুয়াইল নিউমার্কেটের সামনে আসে। দারোয়ান শাহ আলম জানায়, “তুষার একজন মহিলা ও একজন পুরুষকে একটি রিকশায় তুলে দিয়ে আরো দুই তিনজন লোকের সাথে সেখান থেকে চলে যায়।“
কিন্তু সুমি আক্তার পিতা মোহাম্মদ আলম শেখ ১৩ জুন ২০২৫ তারিখে যাত্রাবাড়ী থানায় গিয়ে ৪ জন ও অজ্ঞাত আরো ৪ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে। যার যাত্রাবাড়ী থানার মামলা নং ৩৩, ধারা ৯(৩) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০। তৎসহ ৩২৩/৩৮৫/৩৭৯ পেনাল কোড।
মামলার বাদী মোহাম্মদ আলম শেখ ১ নং আসামী করেছেন মিথুনকে, তার পিতা অজ্ঞাত, মাতা অজ্ঞাত, এমনকি ঠিকানা অজ্ঞাত। কিন্তু পুলিশ গ্রেফতার করেছে দৈনিক রুপবানী পত্রিকার সাংবাদিক ও ঢাকা প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য কাজী ফয়সাল আহমেদ মিথুন কে। বাদী তার মামলায় উল্লেখ করেছেন, ঘটনা ঘটেছে ১০ই জুলাই রাত ৮:00 টা থেকে ৯:00 টার মধ্যে। ঘটনাটি মীমাংসার পর তারা ৯ টার দিকে যার যার গন্তব্য স্থানে চলে গেছে।
১১ জুন ২০২৫ ইং তারিখ রাত ২:00 টার সময় সুমি আক্তার আবার মাতুয়াইল নিউ মার্কেটে আসলো কি কারণে ? সেখানে সাংবাদিকের সাথে দেখা হলো কি করে ? সুমি আক্তার কি একাই দাঁড়িয়ে ছিল ? সাংবাদিক কাজী ফয়সাল আহমেদ মিথুন এর দৈহিক গঠন সুমি আক্তারের দেহের গঠনের অর্ধেক হবে। তাহলে এমন শক্তিশালী একজন মহিলাকে মুখে হাত দিয়ে ধরে প্রায় হাফ কিলোমিটার দূরে বালুর মাঠ পার করে কাশবনে নিয়ে মহিলার কাপড় খুলে ধর্ষণ করল অথচ সুমি আক্তার একটু নড়াচড়া করল না ? ডাক চিৎকার ও করলোনা, কারণ কি ? হোন্ডা তে আসা তিনজন লোক কিভাবে জানলো মিথুন সুমি আক্তার কে কোথায় গেছে ? এই প্রশ্নগুলি এখন সকলের কাছে সুন্দর সৃষ্টি করছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তুষার নামে যে ছেলেটি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ক্যাডার সে কৌশলে মামলা দিয়ে সাংবাদিক ফয়সাল আহমেদ মিথুন কে ফাঁসিয়েছে। কারণ তুষার এখন ছাত্র দলে ঢোকার জন্য চেষ্টা করছে। সাংবাদিক ফয়সাল আহমেদ মিথুন ডেমরা থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। কাজী ফয়সাল আহমেদ মিথুনকে সরাতে পারলে তুষার সহজেই ছাত্রদলে ঢুকত কাজী ফয়সাল আহমেদের পোস্ট দখল করতে পারবে। এই কারণে তুষার কাজী ফয়সাল আহমেদ মিথুনকে মিথ্যা মামলায় ঢুকিয়ে হেনস্তা করছে বলে এলাকাবাসীরা বলাবলি করছে।












