ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবিনা ইয়াসমিনকে জন্মদিনে কনকচাঁপার আবেগঘন শুভেচ্ছা

বিনোদন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫৪৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলা সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের জন্মদিন ছিল ৪ সেপ্টেম্বর। বিশেষ এই দিনে ভক্ত-অনুরাগী ও সংগীতাঙ্গনের সহকর্মীদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন দেশের এই বরেণ্য শিল্পী। জন্মদিন উপলক্ষে সাবিনা ইয়াসমিনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে তোলা একটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন—‘সাবিনা ইয়াসমিন—একটি নাম, একটি ইনস্টিটিউট।’

পোস্টে লেখক ও শিক্ষাবিদ আবদুল্লাহ আবু সাঈদের একটি স্মৃতিচারণ তুলে ধরেন কনকচাঁপা। সেখানে বলা হয়, এক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে দর্শকদের প্রশ্ন করা হয়েছিল—কোকিল কখন গান গায়? উত্তরে সবাই বলেছিলেন, বসন্তে। এরপর সারা বছর সুর ছড়িয়ে মাতিয়ে রাখা পাখির কথা জানতে চাইলে আবদুল্লাহ আবু সাঈদ বলেন, সেই পাখি আমাদের সাবিনা ইয়াসমিন।

এই প্রসঙ্গে কনকচাঁপা লিখেছেন, সাবিনা ইয়াসমিন শুধু সারা বছর নয়, সারাজীবন বাংলাদেশের মানুষকে গানে ডুবিয়ে, ভাসিয়ে ও উজ্জীবিত করে রেখেছেন। পরিণত বয়সেও কীভাবে তিনি নিজের কণ্ঠের জাদু ধরে রেখেছেন, সেটিকে গবেষণার বিষয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

কনকচাঁপা আরও লেখেন, ‘জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো’, ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’ এবং ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতা’—এই তিনটি কালজয়ী গানই সাবিনা ইয়াসমিনের কিংবদন্তি হয়ে থাকার জন্য যথেষ্ট। ১৯৫৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া সাবিনা ইয়াসমিন দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে বাংলা সংগীতকে সমৃদ্ধ করছেন। ১৯৬৭ সালে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ সিনেমার ‘মধুর জোছনা দীপালি’ গানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক শুরু করেন তিনি।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ১০ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন এই শিল্পী। সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮৪ সালে একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন সাবিনা ইয়াসমিন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারেও রেকর্ডসংখ্যকবার শ্রেষ্ঠ নারী সংগীতশিল্পীর সম্মাননা পেয়েছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৩৭
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:৩৩
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৩
  • ১১:৪৭
  • ৩:৫৩
  • ৫:৩৩
  • ৬:৪৭
  • ৫:৫৭

সাবিনা ইয়াসমিনকে জন্মদিনে কনকচাঁপার আবেগঘন শুভেচ্ছা

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলা সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের জন্মদিন ছিল ৪ সেপ্টেম্বর। বিশেষ এই দিনে ভক্ত-অনুরাগী ও সংগীতাঙ্গনের সহকর্মীদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন দেশের এই বরেণ্য শিল্পী। জন্মদিন উপলক্ষে সাবিনা ইয়াসমিনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে তোলা একটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন—‘সাবিনা ইয়াসমিন—একটি নাম, একটি ইনস্টিটিউট।’

পোস্টে লেখক ও শিক্ষাবিদ আবদুল্লাহ আবু সাঈদের একটি স্মৃতিচারণ তুলে ধরেন কনকচাঁপা। সেখানে বলা হয়, এক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে দর্শকদের প্রশ্ন করা হয়েছিল—কোকিল কখন গান গায়? উত্তরে সবাই বলেছিলেন, বসন্তে। এরপর সারা বছর সুর ছড়িয়ে মাতিয়ে রাখা পাখির কথা জানতে চাইলে আবদুল্লাহ আবু সাঈদ বলেন, সেই পাখি আমাদের সাবিনা ইয়াসমিন।

এই প্রসঙ্গে কনকচাঁপা লিখেছেন, সাবিনা ইয়াসমিন শুধু সারা বছর নয়, সারাজীবন বাংলাদেশের মানুষকে গানে ডুবিয়ে, ভাসিয়ে ও উজ্জীবিত করে রেখেছেন। পরিণত বয়সেও কীভাবে তিনি নিজের কণ্ঠের জাদু ধরে রেখেছেন, সেটিকে গবেষণার বিষয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

কনকচাঁপা আরও লেখেন, ‘জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো’, ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’ এবং ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতা’—এই তিনটি কালজয়ী গানই সাবিনা ইয়াসমিনের কিংবদন্তি হয়ে থাকার জন্য যথেষ্ট। ১৯৫৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া সাবিনা ইয়াসমিন দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে বাংলা সংগীতকে সমৃদ্ধ করছেন। ১৯৬৭ সালে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ সিনেমার ‘মধুর জোছনা দীপালি’ গানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক শুরু করেন তিনি।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ১০ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন এই শিল্পী। সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮৪ সালে একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন সাবিনা ইয়াসমিন। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারেও রেকর্ডসংখ্যকবার শ্রেষ্ঠ নারী সংগীতশিল্পীর সম্মাননা পেয়েছেন তিনি।