ঢাকা ০৫:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

র‌্যাবের বদলে পুলিশের আওতায় এসআরবি

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫৭৯ বার পড়া হয়েছে

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশের আওতাধীন ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ এসআরবি নামে নতুন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিধান রেখে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের চতুর্থ দিনে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে যাচাই-বাছাই শেষে দুই কর্মদিবসের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাসবাদ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন এবং পুলিশ বাহিনীকে সহায়তার জন্য আধুনিক, দক্ষ, পেশাদার ও জবাবদিহিমূলক বিশেষায়িত ইউনিট প্রয়োজন। প্রস্তাবিত আইনে পুলিশের আওতাধীন এসআরবি গঠনের কথা বলা হয়েছে। ঢাকায় থাকবে এর সদর দপ্তর। একজন মহাপরিচালকের নেতৃত্বে পরিচালিত হবে ইউনিটটি। বাংলাদেশ পুলিশের অন্যূন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে সরকার মহাপরিচালক নিয়োগ দেবে।

এসআরবির দায়িত্বের মধ্যে থাকবে জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাস ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন, অবৈধ অস্ত্র-গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার, মাদক ও সাইবার অপরাধ দমন এবং গুম, ভূমিদস্যুতা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, মানবপাচার ও অপহরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তার পাশাপাশি আদালত, সরকার বা পুলিশ মহাপরিদর্শকের নির্দেশে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতাও থাকবে ইউনিটটির।

বিলে এসআরবি সদস্যদের তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা রাখা হয়েছে। তবে এসব ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে। গ্রেপ্তার করা ব্যক্তি বা জব্দ করা আলামত অনতিবিলম্বে নিকটস্থ থানার হেফাজতে হস্তান্তরের বিধান রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া সদস্যদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য বরখাস্ত, অপসারণ, বাধ্যতামূলক অবসর, পদাবনতি ও বেতন-ভাতা সংক্রান্ত বিভিন্ন শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। শাস্তির আগে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিভাগীয় শাস্তির বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের সুযোগও রাখা হয়েছে। আপিলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

র‌্যাবের বদলে পুলিশের আওতায় এসআরবি

আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশের আওতাধীন ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ এসআরবি নামে নতুন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিধান রেখে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের চতুর্থ দিনে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে যাচাই-বাছাই শেষে দুই কর্মদিবসের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাসবাদ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন এবং পুলিশ বাহিনীকে সহায়তার জন্য আধুনিক, দক্ষ, পেশাদার ও জবাবদিহিমূলক বিশেষায়িত ইউনিট প্রয়োজন। প্রস্তাবিত আইনে পুলিশের আওতাধীন এসআরবি গঠনের কথা বলা হয়েছে। ঢাকায় থাকবে এর সদর দপ্তর। একজন মহাপরিচালকের নেতৃত্বে পরিচালিত হবে ইউনিটটি। বাংলাদেশ পুলিশের অন্যূন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে সরকার মহাপরিচালক নিয়োগ দেবে।

এসআরবির দায়িত্বের মধ্যে থাকবে জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাস ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন, অবৈধ অস্ত্র-গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার, মাদক ও সাইবার অপরাধ দমন এবং গুম, ভূমিদস্যুতা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, মানবপাচার ও অপহরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তার পাশাপাশি আদালত, সরকার বা পুলিশ মহাপরিদর্শকের নির্দেশে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতাও থাকবে ইউনিটটির।

বিলে এসআরবি সদস্যদের তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা রাখা হয়েছে। তবে এসব ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে। গ্রেপ্তার করা ব্যক্তি বা জব্দ করা আলামত অনতিবিলম্বে নিকটস্থ থানার হেফাজতে হস্তান্তরের বিধান রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া সদস্যদের শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য বরখাস্ত, অপসারণ, বাধ্যতামূলক অবসর, পদাবনতি ও বেতন-ভাতা সংক্রান্ত বিভিন্ন শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। শাস্তির আগে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিভাগীয় শাস্তির বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের সুযোগও রাখা হয়েছে। আপিলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।