ঢাকা ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদ্মার ভাঙনে মসজিদ বিলীন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫৪৭ বার পড়া হয়েছে

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে পদ্মা নদীর ভাঙন। এরই মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে একটি মসজিদ। ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশ্রাফী। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

পদ্মার তীব্র ভাঙনে দিশেহারা মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নের বাসিন্দারা। একের পর এক বসতবাড়ি ও স্থাপনা রয়েছে ভাঙনের ঝুঁকিতে। এরই মধ্যে নদীর ভয়াল গ্রাসে বিলীন হয়েছে স্থানীয় একটি মসজিদ। মসজিদটি নদীগর্ভে চলে যাওয়ার খবর পেয়ে শনিবার বিকেল ৫টার দিকে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশ্রাফী।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো এবং মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ভাঙনের সর্বশেষ পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন। কথা বলেন ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে। তিনি ক্ষয়ক্ষতি, ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা এবং ভাঙনের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

জেলা প্রশাসক জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আপাতত জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে জিও ব্যাগ ফেলা সাময়িক সমাধান। দীর্ঘমেয়াদে ভাঙন ঠেকাতে প্রয়োজন স্থায়ী বাঁধ। তিনি বলেন, এর আগে শিলই ইউনিয়নে এসে মসজিদটি দেখে গিয়েছিলেন। এবার সেই মসজিদ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার খবর তাকে অত্যন্ত মর্মাহত করেছে।

স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হয়েছে বলেও জানান জেলা প্রশাসক। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে আতঙ্কে রয়েছেন শিলই ইউনিয়নের মানুষ। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আরও বসতবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

পদ্মার ভাঙনে মসজিদ বিলীন

আপডেট সময় : ০২:৪৬:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে পদ্মা নদীর ভাঙন। এরই মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে একটি মসজিদ। ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশ্রাফী। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

পদ্মার তীব্র ভাঙনে দিশেহারা মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নের বাসিন্দারা। একের পর এক বসতবাড়ি ও স্থাপনা রয়েছে ভাঙনের ঝুঁকিতে। এরই মধ্যে নদীর ভয়াল গ্রাসে বিলীন হয়েছে স্থানীয় একটি মসজিদ। মসজিদটি নদীগর্ভে চলে যাওয়ার খবর পেয়ে শনিবার বিকেল ৫টার দিকে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশ্রাফী।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো এবং মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ভাঙনের সর্বশেষ পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন। কথা বলেন ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে। তিনি ক্ষয়ক্ষতি, ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা এবং ভাঙনের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

জেলা প্রশাসক জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আপাতত জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে জিও ব্যাগ ফেলা সাময়িক সমাধান। দীর্ঘমেয়াদে ভাঙন ঠেকাতে প্রয়োজন স্থায়ী বাঁধ। তিনি বলেন, এর আগে শিলই ইউনিয়নে এসে মসজিদটি দেখে গিয়েছিলেন। এবার সেই মসজিদ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার খবর তাকে অত্যন্ত মর্মাহত করেছে।

স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হয়েছে বলেও জানান জেলা প্রশাসক। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে আতঙ্কে রয়েছেন শিলই ইউনিয়নের মানুষ। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আরও বসতবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।