শালিখা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হেনায়ারা খানমের নতুন ঘুষ বানিজ্য

- আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
- / ৫২৭ বার পড়া হয়েছে
কয়লা শত ধুইলেও ময়লা যায়না। ২০১৩ সালের নিয়োগপ্রাপ্ত ২৫ জন সহকারী শিক্ষকের চাকরী স্থায়ীকরণ ফাইল সই বাবদ শালিখার টিইও হেনায়ারা খানম জনপ্রতি ৩০০ টাকা আদায় করেছেন। এই টাকা কালেকশনে সহায়তা করেছেন আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, (সশি, শতখালী সিংহেশ্বর পাড়া সপ্রাবি), মোঃ মেজবাহ উদ্দীন (সশি, বৈখোলা) এবং জুয়েল রানা (সশি, ছয়ঘরিয়া)।
বর্তমানে হেনায়ারা খানমের সকল অবৈধ কাজের সমন্বয় করছেন আলোকদিয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ বিল্লাল হোসেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হেনায়ারা খানমের ঘুষ বানিজ্য ধামাচাপা দিতে বিল্লাল হোসেন শিক্ষকদের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়া হয়নি এমন বয়ান লেখানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ে না থেকে বিল্লাল হোসেন হেনায়ারা খানমের ফাইল পাসের ঘুষ কালেকশনেই বেশি আগ্রহী।

এদিকে হেনায়ারা খানম শিক্ষক হয়রানি সমানে চালিয়ে যাচ্ছেন। স্কুলে গিয়ে তিনি শিক্ষকদের পুরাতন ফাইল ঘেটে শোকজের ভয় দেখিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস দাবী করেছেন। শালিখা সপ্রাবির প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে ২৮০ টাকার গ্যাসের ট্যাবলেট আনার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। ১২ আগস্টের তদন্তে হেনায়ারাকে নির্দোষ প্রমানের জন্য বিল্লাল হোসেন বিভিন্ন শিক্ষকদের ডেকে এনে টিইও হেনায়ারার বাসায় মিটিং করছেন ও লিখিত নেওয়ার চেস্টা করছেন।
পিরোজপুরের নাজিরপুর থেকে বিতাড়িত হেনায়ারা প্রতিটি স্টেশনের মতো শালিখাতেও ৪/৫ জন দালাল শিক্ষক সেট করে ঘুষ কালেকশন করে চলেছেন। হেনায়ারা ফল ও উপহার দিয়ে শালিখার অভিভাবকদের বশে এনেছেন বলে দাবী করেন। তিনি ১১ জন শিক্ষককে রাঙ্গামাটি বদলির হুমকি দিয়েছেন।ফলে শিক্ষকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন!!শালিখাবাসী কবে মুক্তি পাবে এই ঘুষখোর হেনায়ারার দাপট থেকে?













