ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এলসি ছাড়াই পণ্য আমদানির সুযোগ পেলেন ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫৩০ বার পড়া হয়েছে

এখন থেকে কোনো ধরনের ঋণপত্র বা এলসি খোলা ছাড়াই কেবল ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানি করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। নতুন আমদানি নীতি আদেশ বাস্তবায়নে এ বিষয়ে চূড়ান্ত নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে অনুমোদিত ডিলার বা এডি ব্যাংকগুলোতে পাঠিয়েছে।

এর আগে গত ২৪ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯’ জারি করে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে আমদানিযোগ্য সব ধরনের পণ্য কোনো মূল্যসীমা ছাড়াই শুধু চুক্তির ভিত্তিতে আমদানি করা যাবে। একই সঙ্গে আমদানি মূল্য পরিশোধে ‘উন্মুক্ত হিসাব’ বা ‘ওপেন অ্যাকাউন্ট’ পদ্ধতি ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন এই ব্যবস্থা আমদানিকারকদের নগদ প্রবাহ ব্যবস্থাপনায় বাড়তি সুবিধা দেবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পণ্য সংগ্রহ ও মূল্য পরিশোধের প্রক্রিয়াও আগের তুলনায় সহজ ও নমনীয় হবে। এতে নিয়মিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর লেনদেন আরও গতিশীল হতে পারে।

তবে এলসি ছাড়া আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিদ্যমান সব বিধিবিধান যথাযথভাবে পরিপালন করতে হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়েছে, আমদানি করা পণ্য এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদন উপকরণ সংগ্রহসংক্রান্ত লেনদেন নিষ্পত্তির সময় এডি ব্যাংকগুলোকে আমদানি নীতি আদেশের বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

এদিকে রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্যও নতুন নীতিমালায় বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। নীতিমালার ২৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির মাধ্যমে স্থানীয় উৎস থেকে দেশীয় মুদ্রায় উৎপাদন উপকরণ সংগ্রহ করতে পারবে। পাশাপাশি বিনামূল্যে উৎপাদনের কাঁচামাল সংগ্রহ এবং বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধার যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যয় কমানোর সুযোগও রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন আমদানি নীতি আদেশ আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এ সময়ের মধ্যে নতুন কোনো আদেশ জারি না হলে বর্তমান বিধানই বহাল থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৩১
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:৪৯
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৩৭
  • ১১:৫১
  • ৪:০৬
  • ৫:৪৯
  • ৭:০২
  • ৫:৪৯

এলসি ছাড়াই পণ্য আমদানির সুযোগ পেলেন ব্যবসায়ীরা

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এখন থেকে কোনো ধরনের ঋণপত্র বা এলসি খোলা ছাড়াই কেবল ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানি করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। নতুন আমদানি নীতি আদেশ বাস্তবায়নে এ বিষয়ে চূড়ান্ত নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে অনুমোদিত ডিলার বা এডি ব্যাংকগুলোতে পাঠিয়েছে।

এর আগে গত ২৪ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯’ জারি করে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে আমদানিযোগ্য সব ধরনের পণ্য কোনো মূল্যসীমা ছাড়াই শুধু চুক্তির ভিত্তিতে আমদানি করা যাবে। একই সঙ্গে আমদানি মূল্য পরিশোধে ‘উন্মুক্ত হিসাব’ বা ‘ওপেন অ্যাকাউন্ট’ পদ্ধতি ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন এই ব্যবস্থা আমদানিকারকদের নগদ প্রবাহ ব্যবস্থাপনায় বাড়তি সুবিধা দেবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পণ্য সংগ্রহ ও মূল্য পরিশোধের প্রক্রিয়াও আগের তুলনায় সহজ ও নমনীয় হবে। এতে নিয়মিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর লেনদেন আরও গতিশীল হতে পারে।

তবে এলসি ছাড়া আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিদ্যমান সব বিধিবিধান যথাযথভাবে পরিপালন করতে হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়েছে, আমদানি করা পণ্য এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদন উপকরণ সংগ্রহসংক্রান্ত লেনদেন নিষ্পত্তির সময় এডি ব্যাংকগুলোকে আমদানি নীতি আদেশের বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

এদিকে রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্যও নতুন নীতিমালায় বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। নীতিমালার ২৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির মাধ্যমে স্থানীয় উৎস থেকে দেশীয় মুদ্রায় উৎপাদন উপকরণ সংগ্রহ করতে পারবে। পাশাপাশি বিনামূল্যে উৎপাদনের কাঁচামাল সংগ্রহ এবং বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধার যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যয় কমানোর সুযোগও রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন আমদানি নীতি আদেশ আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এ সময়ের মধ্যে নতুন কোনো আদেশ জারি না হলে বর্তমান বিধানই বহাল থাকবে।