দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুর মামলায় এমপির প্রথম স্ত্রী কারাগারে

- আপডেট সময় : ০৬:৩০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫১৯ বার পড়া হয়েছে
দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা ইসলামকে একদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে সোমবার একই মামলায় গাজী নজরুল ইসলামের চারদিন এবং মাকছুদা ইসলামের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার মাকছুদা ইসলামকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক শামসুজ্জোহা সরকার তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তার কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আরও পড়ুন,
- মাগুরায় ভাসুরের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ
- হরিনাকুণ্ডুতে এক রাতেই ৫ ট্রান্সফরমার চুরি
- গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলে প্রথম মাগুরা সদর থানার এএসআই
মরিয়ম আক্তারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। মামলার অপর আসামি তার শ্যালক মো. ওবায়দুর রহমান।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জুন মাসে ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে মরিয়মের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও তার প্রথম স্ত্রী বিভিন্ন বিষয়ে মরিয়মকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ করেন তার বাবা। এজাহারে আরও বলা হয়, এসব নির্যাতনের কথা মরিয়ম বিভিন্ন সময়ে পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ফোনে জানিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন,
- মাদরাসার সুপারের বিরুদ্ধে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ
- শালিখা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে শিক্ষক বদলি ও পদায়ন নিয়ে ঘুষের হাট বসিয়েছেন টিইও হেনায়ারা খানম
গত ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গাজী নজরুল ইসলাম ফোন করে মরিয়মের বাবাকে তার বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে তিনি অনেক লোকজনের উপস্থিতি দেখতে পান। পরে একটি কক্ষে মরিয়মকে ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। মরিয়মের বিছানার ওপর হাতে লেখা একটি ‘সুইসাইড নোট’ পাওয়া যায় বলেও মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে স্বামী গাজী নজরুল ইসলামের উদ্দেশে বিশ্বাসভঙ্গ ও মানসিক কষ্টের কথা লেখা ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নিহতের বাবার অভিযোগ, মো. ওবায়দুর রহমানের প্ররোচনায় গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে মরিয়মের বিয়ে হয়। পরে স্বামী ও প্রথম স্ত্রীর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং তাদের প্ররোচনায় মরিয়ম আত্মহত্যা করেছেন। তবে মামলায় করা এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তাধীন এবং অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।
















