শেয়ারবাজার কারসাজির মামলায় সাকিবসহ ১৫ জনের প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর

- আপডেট সময় : ০১:৪৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫২০ বার পড়া হয়েছে
শেয়ারবাজারে কারসাজি প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ ১৭ নভেম্বর নির্ধারণ করেছেন আদালত। বুধবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এ নিয়ে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ একাধিকবার পেছাল।
মামলায় সাকিব আল হাসান ছাড়াও আসামি করা হয়েছে সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের ওরফে হিরু তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানসহ আরও ১৩ জনকে। দুদকের করা মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়ানো এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ওই শেয়ারে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এভাবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিগ্রস্ত করে ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন,
- হজের কোটায় বিশ্বে পঞ্চম বাংলাদেশ
- ঢাকাসহ ১৫ জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
- ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, আবুল খায়ের হিরু তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সহায়তায় প্রায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকার উৎস গোপন করে বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করেন। তার নামে থাকা ১৭টি ব্যাংক হিসাবে ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ টাকার বেশি অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার কথাও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, আবুল খায়ের হিরুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে সাকিব আল হাসান বিনিয়োগ করেছিলেন। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে বাজার কারসাজিতে সহায়তা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগে সাকিবের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন হিসেবে অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০২৪ সালের ১৭ জুন দুদকের পক্ষ থেকে মামলাটি দায়ের করা হয়। এতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে মামলায় করা এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

















