জানুয়ারিতে সংবিধান সংশোধনের পথে সংসদ

- আপডেট সময় : ০৯:৫৭:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫২৮ বার পড়া হয়েছে
আগামী বছরের জানুয়ারির সংসদ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের বিল তোলা হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন ডিসেম্বরের মধ্যে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন সংসদে দেওয়ার পর সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইন মন্ত্রণালয় থেকে সংশোধনী বিল প্রণয়ন করা হবে। রোববার জাতীয় সংসদের ক্যাবিনেট কক্ষে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে সংবিধান সংশোধন নিয়ে মতবিনিময় করে বিশেষ কমিটি। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে বিরোধী দলগুলোকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিভেদ নয় বরং ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের কাজ এগিয়ে নেওয়ার কথা জানান তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন সংবিধানের প্রস্তাবনাসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদে পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে মৌলিক পরিবর্তন আনা হলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের আগে গণভোটের প্রয়োজন হবে বলে তিনি জানান।
বিশেষ কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিসেম্বরের মধ্যে কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপনের চেষ্টা চলছে। এরপর ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইন মন্ত্রণালয় সংশোধনী বিল তৈরি করবে। বিলটি জানুয়ারির প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন কমিটির সভাপতি। বিল সংসদে উত্থাপনের পর আলোচনা ও সংশোধনী প্রক্রিয়া শেষে তা পাস হলে গণভোট আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তার বক্তব্য অনুযায়ী সংশোধনীর ধরন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে গণভোটের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা তৈরি হবে। এদিকে সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের অংশগ্রহণের আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান কমিটিতে বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্বের জন্য আগে থেকেই আহ্বান জানানো হয়েছে এবং তারা অংশ নিলে স্বাগত জানানো হবে।
উল্লেখ্য গত ১৩ জুলাই সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে ১২ সদস্যের সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে বিরোধী দল থেকে পাঁচজন প্রতিনিধি রাখার প্রস্তাব থাকলেও তারা কোনো নাম দেয়নি। পরে বিরোধী দল কমিটির কার্যক্রম প্রত্যাখ্যান করে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অংশগ্রহণ এবং প্রস্তাবিত সংশোধনীর চূড়ান্ত রূপের ওপর পরবর্তী সংসদীয় ও গণভোটের প্রক্রিয়া নির্ভর করবে।

















