ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান

​মাগুরা জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৩১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫৫৩ বার পড়া হয়েছে

মাগুরার শালিখায় শিক্ষক কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের আমানতকারীদের দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলাম। তিনি দাবি করেছেন, তাকে জড়িয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বাহারুল ইসলাম। তিনি শালিখার শ্রীহট্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং শিক্ষক কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের চেয়ারম্যান। সংবাদ সম্মেলনে বাহারুল ইসলাম জানান, ২০১১ সালের ২২ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি ২০১৯ সালে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার দাবি, দায়িত্ব নেওয়ার সময় প্রতিষ্ঠানে নগদ ছিল মাত্র ১৫ লাখ টাকা এবং প্রতিষ্ঠানটি ১২ লাখ টাকা লোকসানে চলছিল। এ ছাড়া একজন কর্মকর্তা বিদেশে চলে গিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

বাহারুল ইসলামের ভাষ্য, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে নগদ অর্থ ও জমিসহ প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদের পরিমাণ ৬ কোটি টাকার বেশি বলে দাবি করেন তিনি। দেড় কোটি টাকা দিয়ে জমি কেনার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের ১২তম বার্ষিক সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিরাপদ ও লাভজনক বিনিয়োগ হিসেবে জমি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্বাহী কমিটির রেজুলেশন এবং সমবায় আইন মেনেই প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে জমি কেনা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

চেয়ারম্যানের দাবি, মোট দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে ২ একর ১ শতক জমি কেনা হয়েছে। তবে জমিগুলো প্রতিষ্ঠানের নামে সুরক্ষিত রাখার জন্য সাময়িকভাবে তার নামে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের নামে লিখিত অঙ্গীকারনামাও দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তার দাবি, ওই অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ রয়েছে—জমিতে তার বা তার উত্তরাধিকারীদের কোনো ব্যক্তিগত দাবি থাকবে না এবং সম্পদের প্রকৃত মালিকানা প্রতিষ্ঠানেরই থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিভিন্ন সময়ে কেনা জমির বিবরণও তুলে ধরেন। তার দাবি অনুযায়ী, আড়পাড়া মৌজায় ২৩ ও ৩৫ শতক, পরে একই মৌজায় ৪০ দশমিক ৫ শতক, হাজরাহাটি মৌজায় ৬০ শতক এবং পোড়াগাছি মৌজায় ৪২ শতক জমি কেনা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২ একর ১ শতক জমির প্রকৃত মালিক প্রতিষ্ঠানটি এবং প্রতিষ্ঠানের অর্থ সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে বলে দাবি করেন চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলাম।

তবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা বা জমি কেনার প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট অভিযোগকারী বা সমবায় অধিদপ্তরের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৩১
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:৪৯
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৩৭
  • ১১:৫১
  • ৪:০৬
  • ৫:৪৯
  • ৭:০২
  • ৫:৪৯

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান

আপডেট সময় : ০৭:৩১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাগুরার শালিখায় শিক্ষক কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের আমানতকারীদের দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলাম। তিনি দাবি করেছেন, তাকে জড়িয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বাহারুল ইসলাম। তিনি শালিখার শ্রীহট্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং শিক্ষক কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের চেয়ারম্যান। সংবাদ সম্মেলনে বাহারুল ইসলাম জানান, ২০১১ সালের ২২ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি ২০১৯ সালে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার দাবি, দায়িত্ব নেওয়ার সময় প্রতিষ্ঠানে নগদ ছিল মাত্র ১৫ লাখ টাকা এবং প্রতিষ্ঠানটি ১২ লাখ টাকা লোকসানে চলছিল। এ ছাড়া একজন কর্মকর্তা বিদেশে চলে গিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

বাহারুল ইসলামের ভাষ্য, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে নগদ অর্থ ও জমিসহ প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদের পরিমাণ ৬ কোটি টাকার বেশি বলে দাবি করেন তিনি। দেড় কোটি টাকা দিয়ে জমি কেনার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের ১২তম বার্ষিক সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিরাপদ ও লাভজনক বিনিয়োগ হিসেবে জমি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্বাহী কমিটির রেজুলেশন এবং সমবায় আইন মেনেই প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে জমি কেনা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

চেয়ারম্যানের দাবি, মোট দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে ২ একর ১ শতক জমি কেনা হয়েছে। তবে জমিগুলো প্রতিষ্ঠানের নামে সুরক্ষিত রাখার জন্য সাময়িকভাবে তার নামে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের নামে লিখিত অঙ্গীকারনামাও দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তার দাবি, ওই অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ রয়েছে—জমিতে তার বা তার উত্তরাধিকারীদের কোনো ব্যক্তিগত দাবি থাকবে না এবং সম্পদের প্রকৃত মালিকানা প্রতিষ্ঠানেরই থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিভিন্ন সময়ে কেনা জমির বিবরণও তুলে ধরেন। তার দাবি অনুযায়ী, আড়পাড়া মৌজায় ২৩ ও ৩৫ শতক, পরে একই মৌজায় ৪০ দশমিক ৫ শতক, হাজরাহাটি মৌজায় ৬০ শতক এবং পোড়াগাছি মৌজায় ৪২ শতক জমি কেনা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২ একর ১ শতক জমির প্রকৃত মালিক প্রতিষ্ঠানটি এবং প্রতিষ্ঠানের অর্থ সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে বলে দাবি করেন চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলাম।

তবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা বা জমি কেনার প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট অভিযোগকারী বা সমবায় অধিদপ্তরের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন।