ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এসআরবি বিল নিয়ে জামায়াতের ৮ বিষয়ে আপত্তি

জুলিয়া জাহান
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫২১ বার পড়া হয়েছে

র‌্যাব বিলুপ্ত করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন—এসআরবি গঠনের প্রস্তাবিত বিল আরও যাচাই-বাছাই এবং অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শের দাবি জানিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বিল, ২০২৬’-এর আটটি বিষয়ে ভিন্নমত জানিয়েছে দলটি। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিলটি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকে জামায়াতের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে ভিন্নমত তুলে ধরা হয়।

বিরোধী দলের সদস্যরা বলেন, র‌্যাব বিলুপ্ত করার অঙ্গীকার থাকলেও প্রস্তাবিত এসআরবি অনেকটা আগের কাঠামোতেই রাখা হয়েছে। তাই বিলটি দ্রুত পাস না করে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ সভার দাবি জানানো হয়েছে। জামায়াতের আপত্তির অন্যতম বিষয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি। তাদের মতে, এই কমিটির প্রধান ও সদস্যসচিব এসআরবির কর্মকর্তা হলে বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হতে পারে। তাই অবসরপ্রাপ্ত একজন বিচারপতিকে সভাপতি করে স্বাধীন অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।

এ ছাড়া এসআরবির অভিযান ও কার্যক্রমে নিয়মিত নজরদারি এবং প্রতিবেদন দেওয়ার ব্যবস্থা রাখার দাবি জানানো হয়েছে। কোনো জেলায় কার্যক্রম পরিচালনা করলে আটক ব্যক্তির নাম, আটকের সময় ও স্থান, কারণ, তল্লাশি ও জব্দের তথ্য এবং থানায় হস্তান্তরের সময় উল্লেখ করে মাসিক প্রতিবেদন দেওয়ার প্রস্তাব করেছে জামায়াত। বেসামরিক ব্যক্তিদের আটকের বিষয়েও আইনে স্পষ্ট বিধান চেয়েছে দলটি। এসআরবির ক্যাম্প, হাজতখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষের অবস্থান সরকারি গেজেটে প্রকাশ এবং আটক ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংরক্ষণের দাবি জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি সদস্যদের যথাযথ প্রশিক্ষণ, আটক ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং বেআইনি আদেশ পালন না করার ক্ষেত্রে সদস্যদের সুরক্ষার বিষয়েও ভিন্নমত জানিয়েছে জামায়াত। তবে সংসদীয় কমিটি প্রয়োজনীয় সংশোধন এনে বিলটি জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের সুপারিশ করেছে। বৈঠকে অতীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অপব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরে নতুন বা পুনর্গঠিত বাহিনীতে পেশাদারিত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৩১
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:৪৯
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৩৭
  • ১১:৫১
  • ৪:০৬
  • ৫:৪৯
  • ৭:০২
  • ৫:৪৯

এসআরবি বিল নিয়ে জামায়াতের ৮ বিষয়ে আপত্তি

আপডেট সময় : ১০:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

র‌্যাব বিলুপ্ত করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন—এসআরবি গঠনের প্রস্তাবিত বিল আরও যাচাই-বাছাই এবং অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শের দাবি জানিয়েছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বিল, ২০২৬’-এর আটটি বিষয়ে ভিন্নমত জানিয়েছে দলটি। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিলটি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকে জামায়াতের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে ভিন্নমত তুলে ধরা হয়।

বিরোধী দলের সদস্যরা বলেন, র‌্যাব বিলুপ্ত করার অঙ্গীকার থাকলেও প্রস্তাবিত এসআরবি অনেকটা আগের কাঠামোতেই রাখা হয়েছে। তাই বিলটি দ্রুত পাস না করে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ সভার দাবি জানানো হয়েছে। জামায়াতের আপত্তির অন্যতম বিষয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি। তাদের মতে, এই কমিটির প্রধান ও সদস্যসচিব এসআরবির কর্মকর্তা হলে বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হতে পারে। তাই অবসরপ্রাপ্ত একজন বিচারপতিকে সভাপতি করে স্বাধীন অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।

এ ছাড়া এসআরবির অভিযান ও কার্যক্রমে নিয়মিত নজরদারি এবং প্রতিবেদন দেওয়ার ব্যবস্থা রাখার দাবি জানানো হয়েছে। কোনো জেলায় কার্যক্রম পরিচালনা করলে আটক ব্যক্তির নাম, আটকের সময় ও স্থান, কারণ, তল্লাশি ও জব্দের তথ্য এবং থানায় হস্তান্তরের সময় উল্লেখ করে মাসিক প্রতিবেদন দেওয়ার প্রস্তাব করেছে জামায়াত। বেসামরিক ব্যক্তিদের আটকের বিষয়েও আইনে স্পষ্ট বিধান চেয়েছে দলটি। এসআরবির ক্যাম্প, হাজতখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষের অবস্থান সরকারি গেজেটে প্রকাশ এবং আটক ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংরক্ষণের দাবি জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি সদস্যদের যথাযথ প্রশিক্ষণ, আটক ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং বেআইনি আদেশ পালন না করার ক্ষেত্রে সদস্যদের সুরক্ষার বিষয়েও ভিন্নমত জানিয়েছে জামায়াত। তবে সংসদীয় কমিটি প্রয়োজনীয় সংশোধন এনে বিলটি জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের সুপারিশ করেছে। বৈঠকে অতীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অপব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরে নতুন বা পুনর্গঠিত বাহিনীতে পেশাদারিত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।