আশুলিয়ায় যানজট কমাতে চালু হলো দুই সার্ভিস লেন

- আপডেট সময় : ০১:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫৬৮ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া বাজার পর্যন্ত নির্মিত দুই লেনবিশিষ্ট দুটি সার্ভিস সেতু সাধারণ যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় ধউর সেতুর ওপর আয়োজিত অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সার্ভিস সেতু দুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ প্রকল্পের দেশি-বিদেশি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সার্ভিস লেন চালুর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কোনো অংশ জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হলো। এর ফলে উত্তরা থেকে আশুলিয়া এবং আশুলিয়া থেকে উত্তরা অভিমুখী যানবাহনের চলাচল আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্প পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত নির্মিত দুটি সার্ভিস সেতুর প্রতিটির দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটার। গত আগস্টে সেতু দুটির নির্মাণকাজ শেষ হয়। এরই মধ্যে পিচ ঢালাই ও সড়কের চিহ্ন দেওয়ার কাজও সম্পন্ন করা হয়েছে।
একটি সার্ভিস লেন দিয়ে আশুলিয়া থেকে ঢাকার দিকে এবং অন্যটি দিয়ে ঢাকা থেকে আশুলিয়ার দিকে যানবাহন চলাচল করবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, তুরাগ নদের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ঠিক রাখার পাশাপাশি স্থানীয় যানবাহনের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে পৃথক এসব সার্ভিস লেন নির্মাণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণকাজের কারণে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে যানজটে ভোগান্তিতে ছিলেন পোশাকশ্রমিকসহ সাধারণ মানুষ। সার্ভিস লেন দুটি চালু হওয়ায় সেই দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
রাজধানীর যানজট কমানো এবং ঢাকা থেকে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যেই নেওয়া হয় ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প। ২০২২ সালের ১২ নভেম্বর শুরু হয় এর নির্মাণকাজ। প্রকল্পের মূল এলিভেটেড অংশের দৈর্ঘ্য ২৪ কিলোমিটার। এর সঙ্গে র্যাম্প, ফ্লাইওভার, সেতু, সড়ক ও ড্রেনেজ অবকাঠামোও নির্মাণ করা হচ্ছে।
প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর সঙ্গে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কের যোগাযোগ আরও দ্রুত ও সহজ হবে। পাশাপাশি এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযোগের মাধ্যমে আন্তসীমান্ত সড়ক যোগাযোগও সম্প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী যানবাহনকে নির্ধারিত হারে টোল দিতে হবে।













