মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে সমস্যা, কমেছে ৪৫০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ
- আপডেট সময় : ০১:২৬:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
- / ৫৫২ বার পড়া হয়েছে
মহেশখালীর এলএনজি বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে পুনঃগ্যাসীকৃত এলএনজি সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর প্রভাবে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন বিস্তীর্ণ এলাকায় শিল্প, বাণিজ্যিক, সিএনজি এবং আবাসিক গ্রাহকরা তীব্র গ্যাস সংকটে পড়েছেন।
রোববার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালগুলোতে সৃষ্ট কারিগরি সমস্যার কারণে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) পুনঃগ্যাসীকৃত এলএনজি সরবরাহ কমে গেছে।
এর ফলে তিতাসের বিতরণ এলাকায় গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ অব্যাহত থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।
গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় শিল্প-কারখানার উৎপাদন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকদের দৈনন্দিন গ্যাস ব্যবহার ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যা ও রাতের পিক আওয়ারে সংকট আরও প্রকট হতে পারে।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ সাময়িক ভোগান্তির জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কারিগরি ত্রুটি দ্রুত সমাধান করে এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ করছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে গ্যাসের চাপও ধীরে ধীরে আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। এদিকে গ্যাস সংকট দীর্ঘায়িত হলে শিল্প উৎপাদন ও দৈনন্দিন জনজীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

















