মাগুরা’র হেকমতের বাড়ীতে হামলা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ

- আপডেট সময় : ১১:৫৬:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫২৮ বার পড়া হয়েছে
জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে তর্ক-বিতর্কের জেরে মাগুরার মাধবপুরে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি, বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষই পাল্টাপাল্টি মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর মাধবপুর মাঠে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে হেকমত শিকদারের ছেলে মাহাবুরের সঙ্গে জুয়া খেলোয়াড়দের তর্ক-বিতর্ক হয়। ওই ঘটনার জের ধরে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে কয়েকজন জুয়া খেলোয়াড় মাহাবুরকে মারধরের উদ্দেশ্যে মাধবপুর মোড়ে অবস্থান নেয়। সেখানে মাহাবুরকে না পেয়ে তার বাবা হেকমত শিকদারকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এরই জের ধরে গত ১০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ৪টার দিকে হেকমত শিকদারের ছেলেদের বিরুদ্ধে সোনপুর গ্রামের আতিয়ারকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। আতিয়ার পরে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যান।
অভিযোগ রয়েছে, এর কিছুক্ষণ পর আতিয়ারের ছেলে ও সোনপুর গ্রামের লোকজন বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হেকমত শিকদারের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় জীবন রক্ষার জন্য বাড়ির লোকজন বাড়ি ছেড়ে চলে যান। পরে হামলাকারীরা বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সময় মাধবপুরের মান্নানের ছেলে মাসুমকেও মারধর করা হয়। এছাড়া হেকমত শিকদারের বাড়ির ঘর কুপিয়ে তছনছ করা এবং ঘরের ভেতরে রাখা পাটে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে তিনটি গরু, একটি পানির মোটর ও কয়েকটি মুরগি নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে হামলাকারীরা দ্রুত সেখান থেকে চলে যায় বলে স্থানীয়রা জানান। ঘটনার কিছু অংশের ভিডিও ফুটেজ রয়েছে বলেও জানা গেছে। এ ঘটনায় হেকমত শিকদারের ছেলে হাবিব অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। অন্যদিকে আতিয়ারের পরিবারের পক্ষ থেকেও পাল্টা মামলা করার কথা জানানো হয়েছে।
এ পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে জানা গেছে। তবে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হেকমত শিকদারের তিনটি গরু উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে উভয় পক্ষের অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।













