দীর্ঘ সংকটের পর বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ

- আপডেট সময় : ০১:৩৯:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫৫৮ বার পড়া হয়েছে
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর দীর্ঘদিন ধরে চলা গ্যাস সংকট কাটিয়ে সরবরাহ পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতির আভাস মিলেছে। সোমবার সন্ধ্যা থেকে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। রাত ৯টার হিসাব অনুযায়ী, এলএনজি থেকে ৯৮ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। এর সঙ্গে দেশীয় উৎসের ১৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস যোগ হয়ে মোট সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ২৫৮ কোটি ঘনফুট।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এলএনজি সরবরাহ বাড়ায় মঙ্গলবার থেকে বিশেষ করে শিল্প ও আবাসিক গ্রাহকদের গ্যাসের চাপ কিছুটা বাড়তে পারে। সরবরাহের হিসাব বলছে, সোমবার রাত ৮টায় দেশে মোট ২৩৬ কোটি ২০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছিল। ওই সময় এলএনজি থেকে পাওয়া যায় ৭৬ কোটি ২০ লাখ ঘনফুট। মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে এলএনজি সরবরাহ বেড়ে দাঁড়ায় ৯৮ কোটি ঘনফুটে।
এর আগে গত ২১ জুলাই কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর বড় ধরনের গ্যাস ঘাটতি তৈরি হয়। আগুনে টার্মিনালের একটি বয়লার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
এর প্রভাব পড়ে শিল্পকারখানা থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, সিএনজি স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকদের ওপর। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যাহত হয়। একই সঙ্গে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পাওয়ায় উৎপাদন কমে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিংও বেড়ে যায়।
মেরামতের কাজ শেষে ১৫ আগস্ট টার্মিনালটি আবার গ্যাস সরবরাহের জন্য প্রস্তুত করা হয়। তবে পর্যাপ্ত এলএনজি কার্গো না আসায় তখনই সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান সরবরাহ বৃদ্ধি সাময়িকভাবে গ্যাসের চাপ উন্নত করতে পারে। তবে চাহিদার তুলনায় মোট সরবরাহ এখনও কম। তাই সংকট পুরোপুরি কাটাতে নিয়মিত এলএনজি আমদানি নিশ্চিত করা জরুরি।

















