ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শালিখায় শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে উচ্চতর গ্রেড

সাহেব আলী, স্টাফ রিপোর্টার: 
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৫২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাগুরার শালিখা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হেনায়ারা খানমকে ঘিরে একের পর এক অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, শালিখা উপজেলার ১০৫ জন শিক্ষক দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার যোগ্য হলেও তাদের বিষয়টি নিষ্পত্তি না করে আনোয়ারুল কবীর কাজল নামে এক শিক্ষককে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, গত ১১ জুলাই গোপনে ওই শিক্ষকের দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড প্রদানের অফিস আদেশ দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, গ্রেড ফিক্সেশনের জন্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিজেই হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে গিয়ে তদবির করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ওই আদেশে আপত্তি জানিয়ে তা ফেরত পাঠিয়েছেন।

আরও অভিযোগ রয়েছে, আনোয়ারুল কবীর কাজল দীর্ঘ সময় বিদ্যালয়ের নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রমে না থেকেও উপজেলা শিক্ষা অফিসে অবস্থান করেছেন এবং বেতন-ভাতা পেয়েছেন। বিনিময়ে তিনি বিভিন্ন কাজে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে সহযোগিতা ও ঘুষ আদায়ে ভূমিকা রেখেছেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন।

এদিকে, হেনায়ারা খানমের আগের কর্মস্থল নিয়েও নানা অভিযোগের কথা সামনে এনেছেন সংশ্লিষ্টরা। নাজিরপুরে দায়িত্ব পালনের সময় একজন শিক্ষকের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত এবং পরবর্তীতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হচ্ছে। শালিখায় যোগদানের পর তার কথিত প্রভাব ও কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয় শিক্ষক এবং কর্মকর্তাদের মধ্যেও অসন্তোষ রয়েছে বলে অভিযোগ।

কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দাবি করেছেন, তার আচরণ অনেক সময় কর্মকর্তা হিসেবে প্রত্যাশিত নয়। এ কারণে অনেকে তার সঙ্গে প্রয়োজন ছাড়া যোগাযোগ এড়িয়ে চলেন। সবশেষে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড প্রদানের ঘটনায় উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার আপত্তি নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হেনায়ারা খানমের বক্তব্য জানা গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। অভিযোগগুলো সত্য হলে সরকারি শিক্ষা প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:২১
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৬:১৫
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২৭
  • ১২:০০
  • ৪:২৫
  • ৬:১৫
  • ৭:৩০
  • ৫:৪১

শালিখায় শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে উচ্চতর গ্রেড

আপডেট সময় : ০৯:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

মাগুরার শালিখা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হেনায়ারা খানমকে ঘিরে একের পর এক অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, শালিখা উপজেলার ১০৫ জন শিক্ষক দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার যোগ্য হলেও তাদের বিষয়টি নিষ্পত্তি না করে আনোয়ারুল কবীর কাজল নামে এক শিক্ষককে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, গত ১১ জুলাই গোপনে ওই শিক্ষকের দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড প্রদানের অফিস আদেশ দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, গ্রেড ফিক্সেশনের জন্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিজেই হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে গিয়ে তদবির করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ওই আদেশে আপত্তি জানিয়ে তা ফেরত পাঠিয়েছেন।

আরও অভিযোগ রয়েছে, আনোয়ারুল কবীর কাজল দীর্ঘ সময় বিদ্যালয়ের নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রমে না থেকেও উপজেলা শিক্ষা অফিসে অবস্থান করেছেন এবং বেতন-ভাতা পেয়েছেন। বিনিময়ে তিনি বিভিন্ন কাজে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে সহযোগিতা ও ঘুষ আদায়ে ভূমিকা রেখেছেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন।

এদিকে, হেনায়ারা খানমের আগের কর্মস্থল নিয়েও নানা অভিযোগের কথা সামনে এনেছেন সংশ্লিষ্টরা। নাজিরপুরে দায়িত্ব পালনের সময় একজন শিক্ষকের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত এবং পরবর্তীতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হচ্ছে। শালিখায় যোগদানের পর তার কথিত প্রভাব ও কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয় শিক্ষক এবং কর্মকর্তাদের মধ্যেও অসন্তোষ রয়েছে বলে অভিযোগ।

কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দাবি করেছেন, তার আচরণ অনেক সময় কর্মকর্তা হিসেবে প্রত্যাশিত নয়। এ কারণে অনেকে তার সঙ্গে প্রয়োজন ছাড়া যোগাযোগ এড়িয়ে চলেন। সবশেষে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড প্রদানের ঘটনায় উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার আপত্তি নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হেনায়ারা খানমের বক্তব্য জানা গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। অভিযোগগুলো সত্য হলে সরকারি শিক্ষা প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।