ঢাকা ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দূর্নীতি ও ঘুষের তদন্ত রিপোর্ট প্রদানে বাঁধা সৃষ্টির অভিযোগ

মাগুরা জেলা, স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ১০:১০:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৬০৯ বার পড়া হয়েছে

মাগুরার শালিখা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হেনায়ারা খানমের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, শিক্ষক হয়রানি এবং তদন্ত প্রভাবিত করার চেষ্টাসহ নানা অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী শিক্ষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও অনিয়মের কারণে তারা অতিষ্ঠ। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ আগস্ট শালিখা উপজেলার শিক্ষকদের বক্তব্য গ্রহণ করে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, তদন্তে কয়েকজন শিক্ষক বাদে অধিকাংশ শিক্ষকই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হেনায়ারা খানমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ তুলে ধরেন। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, তদন্ত প্রতিবেদন নিজের বিরুদ্ধে যেতে পারে—এমন আশঙ্কায় তদন্ত কর্মকর্তাকে এক লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। যদিও তদন্ত কর্মকর্তাকে রাজি করানো সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।

আরও পড়ুন,

এরপর কয়েকজন শিক্ষককে নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে সাফাই সাক্ষ্য দেওয়ার উদ্দেশ্যে কুষ্টিয়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন তারা। এ জন্য কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে গোপন বৈঠকের অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে এবং শোকজের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের ঘটনাও ঘটেছে। দেওয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২২ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।

এ ছাড়া হেনায়ারা খানমের বিরুদ্ধে আগের কর্মস্থলেও ঘুষ সংক্রান্ত অভিযোগে শাস্তি পাওয়ার দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা। তবে এ দাবির স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। শিক্ষকদের অভিযোগ, এসব ঘটনায় শুধু শিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নয়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ ও সুশীল সমাজেরও দায়িত্ব রয়েছে।

এদিকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে শালিখা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হেনায়ারা খানমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং তদন্তের ফলাফল এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

দূর্নীতি ও ঘুষের তদন্ত রিপোর্ট প্রদানে বাঁধা সৃষ্টির অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:১০:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাগুরার শালিখা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হেনায়ারা খানমের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, শিক্ষক হয়রানি এবং তদন্ত প্রভাবিত করার চেষ্টাসহ নানা অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী শিক্ষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও অনিয়মের কারণে তারা অতিষ্ঠ। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ আগস্ট শালিখা উপজেলার শিক্ষকদের বক্তব্য গ্রহণ করে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, তদন্তে কয়েকজন শিক্ষক বাদে অধিকাংশ শিক্ষকই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হেনায়ারা খানমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ তুলে ধরেন। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, তদন্ত প্রতিবেদন নিজের বিরুদ্ধে যেতে পারে—এমন আশঙ্কায় তদন্ত কর্মকর্তাকে এক লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। যদিও তদন্ত কর্মকর্তাকে রাজি করানো সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।

আরও পড়ুন,

এরপর কয়েকজন শিক্ষককে নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে সাফাই সাক্ষ্য দেওয়ার উদ্দেশ্যে কুষ্টিয়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন তারা। এ জন্য কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে গোপন বৈঠকের অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে এবং শোকজের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের ঘটনাও ঘটেছে। দেওয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২২ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।

এ ছাড়া হেনায়ারা খানমের বিরুদ্ধে আগের কর্মস্থলেও ঘুষ সংক্রান্ত অভিযোগে শাস্তি পাওয়ার দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা। তবে এ দাবির স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। শিক্ষকদের অভিযোগ, এসব ঘটনায় শুধু শিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নয়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ ও সুশীল সমাজেরও দায়িত্ব রয়েছে।

এদিকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে শালিখা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হেনায়ারা খানমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং তদন্তের ফলাফল এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।