সুড়ঙ্গে গর্ত করেও মিলল না সাড়াশব্দ, উদ্বেগে উদ্ধারকারীরা

- আপডেট সময় : ১০:৪২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
- / ৫৪৮ বার পড়া হয়েছে
নেপালে ভয়াবহ বন্যায় আপার ত্রিশূলি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকা পড়েছেন বহু মানুষ। টানা তিন দিন চেষ্টার পর রোববার সুড়ঙ্গের ওপরের অংশে গর্ত করতে সক্ষম হয়েছে নেপালি সেনাবাহিনী। কিন্তু গর্ত করার পর উদ্ধারকারীরা ডাক দিলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। ফলে আটকে থাকা মানুষদের নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।
নেপালের ভয়াবহ বন্যার মধ্যে নতুন করে সামনে এসেছে আপার ত্রিশূলি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে থাকা মানুষের উদ্ধারের চ্যালেঞ্জ। টানা তিন দিন ধরে চেষ্টা চালানোর পর রোববার সুড়ঙ্গের ওপরের অংশে গর্ত করতে সক্ষম হয় নেপালি সেনাবাহিনী। গর্ত করার পর ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের উদ্দেশে ডাক দেন উদ্ধারকারীরা। কিন্তু এখন পর্যন্ত ভেতর থেকে কারও সাড়া পাওয়া যায়নি।
নেপালি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, প্রায় সাত মিটার চওড়া এই সুড়ঙ্গের বেশ ওপর পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। ফলে উদ্ধার অভিযান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। আটকে থাকা মানুষদের দ্রুত উদ্ধারের জন্য এখন সুড়ঙ্গের মুখ আরও বড় করার চেষ্টা চলছে। তবে সুড়ঙ্গের ভেতরে ঠিক কতজন মানুষ আটকা পড়েছেন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
নেপালি সেনাবাহিনীর আশঙ্কা, সেখানে অন্তত ৩৫ জন আটকা পড়ে থাকতে পারেন। তবে নেপাল পুলিশের ধারণা, আটকের সংখ্যা প্রায় ২০০ হতে পারে। ফলে প্রকৃত সংখ্যা জানতে এবং ভেতরে আটকে থাকা মানুষদের জীবিত উদ্ধারে দ্রুত অভিযান চালানোর চেষ্টা করছেন উদ্ধারকারীরা। এদিকে ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালকে সহায়তা করতে ভারত ও চীনের বিশেষজ্ঞ দল দেশটিতে পৌঁছেছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে তারা ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে সহায়তা করছে।
নেপালি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সুড়ঙ্গের এই উদ্ধার অভিযানের পাশাপাশি বন্যাকবলিত অন্যান্য এলাকা থেকেও তারা উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে চীনা ও ভারতীয় নাগরিকসহ চার শতাধিক মানুষকে বিভিন্ন এলাকা থেকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে আপার ত্রিশূলি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধার এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সুড়ঙ্গের ভেতরে পানি দ্রুত সরিয়ে উদ্ধার অভিযান এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আটকে থাকা মানুষের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় স্বজন ও উদ্ধারকারীদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এখন দ্রুত উদ্ধারই সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।
















