কিশমিশ পুষ্টিকর তবে বেশি খেলেই বিপদ

- আপডেট সময় : ০৬:৩৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫৩৭ বার পড়া হয়েছে
পোলাও পায়েস কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি খাবারে কিশমিশের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। আবার অনেকে স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিন কয়েকটি কিশমিশ খেয়ে থাকেন। এতে রয়েছে ফাইবার প্রোটিন আয়রন পটাশিয়াম ও কপারের মতো বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান।
পরিমিত কিশমিশ শরীরে শক্তি জোগাতে এবং হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। অনেকেই সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখা কিশমিশ সকালে খালি পেটে খান। তবে কিশমিশ যত বেশি খাবেন তত বেশি উপকার পাবেন এমনটা নয়। বিশেষ করে ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন যারা তাদের কিশমিশ খাওয়ার পরিমাণের দিকে নজর রাখা জরুরি।
আরও পড়ুন,
- জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে: হুমায়ুন কবির
- আজ লতা মঙ্গেশকরের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী
- মালয়েশিয়ার পর সিঙ্গাপুরের কাছেও হার বাংলাদেশের
সাধারণভাবে দিনে ৪০ থেকে ৫০ গ্রাম পর্যন্ত কিশমিশ খাওয়ার কথা বলা হয়। এর বেশি খেলে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
প্রথমত হতে পারে অ্যালার্জির সমস্যা। কিশমিশে থাকা বিভিন্ন উপাদান কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে। এতে গলা ব্যথা কাশি কিংবা ত্বকে র্যাশের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
দ্বিতীয়ত অতিরিক্ত কিশমিশে হজমের সমস্যা হতে পারে। এতে প্রচুর ফাইবার রয়েছে। পরিমিত ফাইবার হজমে সহায়তা করলেও বেশি ফাইবার পেটের অস্বস্তি ও হজমের গোলমাল তৈরি করতে পারে। পর্যাপ্ত পানি না খেলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন,
- চাঁদাবাজি বন্ধে দানবক্স বসানোর ঘোষণা এনসিপি নেতার
- কঙ্গোয় ইবোলা আক্রান্ত ৮ হাজার ছাড়াল, মৃত প্রায় ৪ হাজার
- ইতালি প্রবাসীর স্ত্রী এনজিও কর্মীর সাথে উধাও
তৃতীয়ত অতিরিক্ত কিশমিশ খেলে কারও রক্তচাপ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কমে যেতে পারে। বিশেষ করে যারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধ খান তাদের খাবারের পরিমাণ নিয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
চতুর্থত নিয়মিত বেশি কিশমিশ খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। আকারে ছোট হলেও কিশমিশে ক্যালোরি কম নয়। ফলে অতিরিক্ত খেলে দৈনিক মোট ক্যালোরি গ্রহণ বেড়ে যেতে পারে।
পঞ্চমত কিশমিশে থাকা প্রাকৃতিক চিনি অতিরিক্ত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে। তাই যাদের রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি তাদের পরিমাণের বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকা উচিত।
সবশেষে মনে রাখতে হবে কিশমিশ পুষ্টিকর খাবার হলেও পরিমিত খাওয়াই গুরুত্বপূর্ণ। বেশি খেলেই বেশি উপকার পাওয়া যাবে এমন ধারণা ঠিক নয়।

















