ঢাকা ০৫:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোলের পাশাপাশি বিশ্বাসের বার্তা দিচ্ছেন মুসলিম ফুটবলাররা

খেলা ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১২:১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • / ৫৩৭ বার পড়া হয়েছে

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুধু মাঠের লড়াইয়ের কারণে নয়, ইউরোপীয় সমাজে ইসলাম ও ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে চলমান আলোচনার কারণেও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। বিশ্বকাপের মঞ্চে বেশ কয়েকজন মুসলিম ফুটবলার নিজেদের বিশ্বাস ও সংস্কৃতির পরিচয় তুলে ধরেছেন। স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল সৌদি আরবের বিপক্ষে গোল করার পর মাঠেই সিজদা করে নিজের বিশ্বাসের প্রকাশ ঘটান। তার এই মুহূর্ত বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়।

আরও পড়ুন, 

এর আগে জার্মানির আন্তোনিও রুডিগার ও সুইডেনের ইয়াসিন আয়ারির মতো খেলোয়াড়রাও নিজেদের ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে নানা আলোচনার মুখে পড়েছেন। তবে ফুটবল মাঠের বাস্তবতা বলছে, ইউরোপীয় ফুটবলে মুসলিম খেলোয়াড়দের উপস্থিতি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি। তারা শুধু নিজেদের বিশ্বাস নয়, বরং পেশাদারিত্ব, দলীয় ঐক্য ও জাতীয় পরিচয়ের মাধ্যমে নিজেদের তুলে ধরছেন।

আরও পড়ুন, 

কেপ ভার্দের মতো দলের খেলোয়াড়দের উদাহরণও সামনে এসেছে, যেখানে মুসলিম ও খ্রিস্টান খেলোয়াড়রা একই দলের হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করছেন। বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপের মাঠ এখন শুধু প্রতিযোগিতার জায়গা নয়, বরং বিভিন্ন সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের মানুষের সহাবস্থানের একটি বড় মঞ্চ। ফুটবলারদের এই উপস্থিতি ইউরোপে ইসলামকে ঘিরে থাকা অনেক পুরনো ধারণাকে নতুনভাবে ভাবার সুযোগ তৈরি করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

গোলের পাশাপাশি বিশ্বাসের বার্তা দিচ্ছেন মুসলিম ফুটবলাররা

আপডেট সময় : ১২:১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুধু মাঠের লড়াইয়ের কারণে নয়, ইউরোপীয় সমাজে ইসলাম ও ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে চলমান আলোচনার কারণেও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। বিশ্বকাপের মঞ্চে বেশ কয়েকজন মুসলিম ফুটবলার নিজেদের বিশ্বাস ও সংস্কৃতির পরিচয় তুলে ধরেছেন। স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল সৌদি আরবের বিপক্ষে গোল করার পর মাঠেই সিজদা করে নিজের বিশ্বাসের প্রকাশ ঘটান। তার এই মুহূর্ত বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়।

আরও পড়ুন, 

এর আগে জার্মানির আন্তোনিও রুডিগার ও সুইডেনের ইয়াসিন আয়ারির মতো খেলোয়াড়রাও নিজেদের ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে নানা আলোচনার মুখে পড়েছেন। তবে ফুটবল মাঠের বাস্তবতা বলছে, ইউরোপীয় ফুটবলে মুসলিম খেলোয়াড়দের উপস্থিতি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি। তারা শুধু নিজেদের বিশ্বাস নয়, বরং পেশাদারিত্ব, দলীয় ঐক্য ও জাতীয় পরিচয়ের মাধ্যমে নিজেদের তুলে ধরছেন।

আরও পড়ুন, 

কেপ ভার্দের মতো দলের খেলোয়াড়দের উদাহরণও সামনে এসেছে, যেখানে মুসলিম ও খ্রিস্টান খেলোয়াড়রা একই দলের হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করছেন। বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপের মাঠ এখন শুধু প্রতিযোগিতার জায়গা নয়, বরং বিভিন্ন সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের মানুষের সহাবস্থানের একটি বড় মঞ্চ। ফুটবলারদের এই উপস্থিতি ইউরোপে ইসলামকে ঘিরে থাকা অনেক পুরনো ধারণাকে নতুনভাবে ভাবার সুযোগ তৈরি করছে।