১৬ ডিসেম্বর চালু হতে পারে থার্ড টার্মিনাল
- আপডেট সময় : ১০:৩৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
- / ৫১৯ বার পড়া হয়েছে
চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। মঙ্গলবার বিকেলে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এভিয়েশন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল আগের সরকারের একটি প্রকল্প হলেও বিদ্যমান টার্মিনালের সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় এর প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমানে সরকার টার্মিনালটি চালুর বিষয়ে কাজ করছে এবং ১৬ ডিসেম্বরকে সম্ভাব্য উদ্বোধনের লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। বিমান ও পর্যটন খাতের দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে অব্যবস্থাপনা ও অর্থ সংকট দেখেছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এসব দুরবস্থা কাটিয়ে বিমান খাতকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে। এ সময় দেশের এভিয়েশন খাতে মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল বা এমআরও সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
লালমনিরহাট বিমানবন্দরকে এমআরও শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বোয়িং, এয়ারবাস, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান মন্ত্রী। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশে দক্ষ জনবল তৈরির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের বিমান রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা গড়ে উঠবে। সৃষ্টি হবে নতুন কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের সুযোগ।
দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাইলট হিসেবে গড়ে তুলতে একটি এভিয়েশন একাডেমি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান আফরোজা খানম রিতা। বিমানবাহিনীর কল্যাণ ট্রাস্টের সঙ্গে সমন্বয় করে এ উদ্যোগ নেওয়ার কথা রয়েছে। মন্ত্রী বলেন, মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পাইলটসহ এভিয়েশন খাতের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে চাকরিতে যোগ দিয়ে তারা ব্যয় পরিশোধ করতে পারবেন। এতে দেশে পাইলটের ঘাটতি কমার পাশাপাশি বিদেশেও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
এভিয়েশন খাতের সমস্যা ও দুর্বলতার পাশাপাশি সম্ভাবনা ও ইতিবাচক দিকগুলোও গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান জানান মন্ত্রী। সাংবাদিকদের সমালোচনা ও পরামর্শের মাধ্যমে দেশের বিমান খাতকে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানে পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য এয়ার কমোডর মো. নূর-ই-আলম এবং এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ উইং কমান্ডার (অব.) এটিএম নজরুল ইসলাম বক্তব্য দেন।

















