ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বনানী কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিনের অবৈধ দখল ও ভাড়া আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ

কাজী ফুয়াদ আহমেদ
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৫০৬ বার পড়া হয়েছে

সাঈদ বিন কবির, পিতা এ কে এম গোলাম কবির, চট্টগ্রামের বনানী কমপ্লেক্সের বৈধ ও প্রকৃত মালিক হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে সুলতানা বেগম (ব্লু), শওকত হোসেন, আমির হোসেন, এস. এম. শাহরিয়ার, নিগার সুলতানা (মিতালী) এবং আহসান উল্লাহ আলম অপু বেআইনিভাবে উক্ত কমপ্লেক্স দখল করে রেখেছেন। অভিযুক্তরা কোনো প্রকার বৈধ অধিকার, অনুমতি বা লিখিত চুক্তি ছাড়াই সম্পত্তিটির উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে নিজেদের ইচ্ছামতো পরিচালনা করে আসছেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে এর ভাড়া আদায় করে তা আত্মসাৎ করছেন।
এর ফলে প্রকৃত মালিক সাঈদ বিন কবির তার ন্যায্য দখল, মালিকানা অধিকার এবং আর্থিক প্রাপ্যতা থেকে সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা তার জন্য মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, এ কে এম গোলাম কবিরের পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অভিযুক্তরা দীর্ঘ সময় ধরে এই অবৈধ দখল ও আর্থিক সুবিধা ভোগ করে আসছেন।
উপরন্তু, এই অবৈধ দখল, ভাড়া আত্মসাৎ এবং সম্পত্তির অপব্যবহার কেবল ব্যক্তিগত ক্ষতিই নয়, বরং এটি একটি সুস্পষ্ট আইনবিরোধী ও দণ্ডনীয় অপরাধ, যা দেশের প্রচলিত সম্পত্তি আইন, আর্থিক শৃঙ্খলা এবং ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিষয়টি দ্রুত ও কার্যকর আইনগত পদক্ষেপের মাধ্যমে সমাধান করা অত্যন্ত জরুরি; অন্যথায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে এবং অপূরণীয় ক্ষতির ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে।
এ বিষয়ে আরো জানতে চাইলে জনাব সাঈদ বিন কবির জানান যে, তিনি ০৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC)-এর চেয়ারম্যান বরাবর একটি বিস্তারিত লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। উক্ত আবেদনে তিনি সুলতানা বেগম (বুলু) এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধ, দুর্নীতি, জালিয়াতি, কর ফাঁকি, প্রকৃত মালিকানা গোপন করা এবং ব্যাংক ঋণ খেলাপির মতো গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী, G. Mahmood & Co. Ltd. এবং Banani Complex Ltd. নামক দুটি প্রতিষ্ঠানের অধীনে থাকা চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত সম্পত্তির ৭ম, ৮ম ও ৯ম তলার ফ্লোরসমূহ (লিফট সুবিধাসহ) নভেম্বর ২০২৫ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)-এর অধীনস্থ ট্যাক্স জোন-৫ ও ট্যাক্স জোন-৬-এর নিকট মাসিক প্রায় ৯০ লক্ষ টাকায় (পার্কিং ও VIP সুবিধাসহ) বেআইনিভাবে ভাড়া প্রদান করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় যে, অভিযুক্তরা জাল নথিপত্র ও স্বাক্ষরের মাধ্যমে কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ অবৈধভাবে দখল করে এবং প্রাপ্ত আয় ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তরের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ ও সম্ভাব্য অর্থ পাচারের সাথে জড়িত। পাশাপাশি, তারা কোম্পানির সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ কিংবা ব্যাংক ঋণ পরিশোধে কোনো দায়িত্ব পালন করেননি। অভিযোগ অনুযায়ী, অবৈধভাবে শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে তারা আনুমানিক ১০ কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করেছে।
এছাড়াও, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (UCBL) উক্ত সম্পত্তির মর্টগেজ হোল্ডার হিসেবে জড়িত এবং বর্তমানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় ৩০ কোটি টাকার ঋণ খেলাপি অবস্থায় রয়েছে, যার ফলে ব্যাংকের সাথে দীর্ঘমেয়াদি আইনি বিরোধ চলমান। একই সময়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) উভয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আনুমানিক ১০ কোটি টাকার আয়কর ফাঁকির অভিযোগ এনে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয় যে, বন্ধক রাখা বা দায়বদ্ধ সম্পত্তি সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিকট ভাড়া বা লিজ প্রদান করা বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থী এবং এটি একটি গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন, সম্পত্তির অপব্যবহার, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, অর্থ পাচার, জালিয়াতি, পরিচয় চুরি এবং অন্যান্য ‘হোয়াইট কলার’ অপরাধের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।
এছাড়াও, একটি পেন্টহাউস (বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৫০ কোটি টাকা) এবং একটি পূর্ণাঙ্গ ফ্লোর (বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৭৫ কোটি টাকা), যা এ.কে.এম. গোলাম কবির পরিবারের জন্য নির্ধারিত ছিল, সেগুলোও বেআইনিভাবে ভাড়া প্রদান করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, যার ফলে বৈধ উত্তরাধিকারীরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
এমতাবস্থায়, সাঈদ বিন কবির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে এই অবৈধ কার্যক্রম দ্রুত বন্ধ করা যায়, প্রকৃত মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয় এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তার প্রয়াত পিতা এ.কে.এম. গোলাম কবির ছিলেন উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের একমাত্র প্রতিষ্ঠাতা ও মালিক এবং জীবদ্দশায় তাকে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ট্রাস্টি ও চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করেন। পাশাপাশি, উক্ত কোম্পানিগুলোর প্রায় ২০,০০০ শেয়ার তার নামে বরাদ্দ রয়েছে, যা তার বৈধ মালিকানার আরও শক্ত প্রমাণ বহন করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:১৭
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৬:২২
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২৩
  • ১২:০২
  • ৪:৩০
  • ৬:২২
  • ৭:৩৭
  • ৫:৩৯

বনানী কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিনের অবৈধ দখল ও ভাড়া আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

সাঈদ বিন কবির, পিতা এ কে এম গোলাম কবির, চট্টগ্রামের বনানী কমপ্লেক্সের বৈধ ও প্রকৃত মালিক হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে সুলতানা বেগম (ব্লু), শওকত হোসেন, আমির হোসেন, এস. এম. শাহরিয়ার, নিগার সুলতানা (মিতালী) এবং আহসান উল্লাহ আলম অপু বেআইনিভাবে উক্ত কমপ্লেক্স দখল করে রেখেছেন। অভিযুক্তরা কোনো প্রকার বৈধ অধিকার, অনুমতি বা লিখিত চুক্তি ছাড়াই সম্পত্তিটির উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে নিজেদের ইচ্ছামতো পরিচালনা করে আসছেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে এর ভাড়া আদায় করে তা আত্মসাৎ করছেন।
এর ফলে প্রকৃত মালিক সাঈদ বিন কবির তার ন্যায্য দখল, মালিকানা অধিকার এবং আর্থিক প্রাপ্যতা থেকে সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা তার জন্য মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, এ কে এম গোলাম কবিরের পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অভিযুক্তরা দীর্ঘ সময় ধরে এই অবৈধ দখল ও আর্থিক সুবিধা ভোগ করে আসছেন।
উপরন্তু, এই অবৈধ দখল, ভাড়া আত্মসাৎ এবং সম্পত্তির অপব্যবহার কেবল ব্যক্তিগত ক্ষতিই নয়, বরং এটি একটি সুস্পষ্ট আইনবিরোধী ও দণ্ডনীয় অপরাধ, যা দেশের প্রচলিত সম্পত্তি আইন, আর্থিক শৃঙ্খলা এবং ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিষয়টি দ্রুত ও কার্যকর আইনগত পদক্ষেপের মাধ্যমে সমাধান করা অত্যন্ত জরুরি; অন্যথায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে এবং অপূরণীয় ক্ষতির ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে।
এ বিষয়ে আরো জানতে চাইলে জনাব সাঈদ বিন কবির জানান যে, তিনি ০৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC)-এর চেয়ারম্যান বরাবর একটি বিস্তারিত লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। উক্ত আবেদনে তিনি সুলতানা বেগম (বুলু) এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধ, দুর্নীতি, জালিয়াতি, কর ফাঁকি, প্রকৃত মালিকানা গোপন করা এবং ব্যাংক ঋণ খেলাপির মতো গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী, G. Mahmood & Co. Ltd. এবং Banani Complex Ltd. নামক দুটি প্রতিষ্ঠানের অধীনে থাকা চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত সম্পত্তির ৭ম, ৮ম ও ৯ম তলার ফ্লোরসমূহ (লিফট সুবিধাসহ) নভেম্বর ২০২৫ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)-এর অধীনস্থ ট্যাক্স জোন-৫ ও ট্যাক্স জোন-৬-এর নিকট মাসিক প্রায় ৯০ লক্ষ টাকায় (পার্কিং ও VIP সুবিধাসহ) বেআইনিভাবে ভাড়া প্রদান করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় যে, অভিযুক্তরা জাল নথিপত্র ও স্বাক্ষরের মাধ্যমে কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ অবৈধভাবে দখল করে এবং প্রাপ্ত আয় ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তরের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ ও সম্ভাব্য অর্থ পাচারের সাথে জড়িত। পাশাপাশি, তারা কোম্পানির সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ কিংবা ব্যাংক ঋণ পরিশোধে কোনো দায়িত্ব পালন করেননি। অভিযোগ অনুযায়ী, অবৈধভাবে শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে তারা আনুমানিক ১০ কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করেছে।
এছাড়াও, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (UCBL) উক্ত সম্পত্তির মর্টগেজ হোল্ডার হিসেবে জড়িত এবং বর্তমানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় ৩০ কোটি টাকার ঋণ খেলাপি অবস্থায় রয়েছে, যার ফলে ব্যাংকের সাথে দীর্ঘমেয়াদি আইনি বিরোধ চলমান। একই সময়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) উভয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আনুমানিক ১০ কোটি টাকার আয়কর ফাঁকির অভিযোগ এনে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয় যে, বন্ধক রাখা বা দায়বদ্ধ সম্পত্তি সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিকট ভাড়া বা লিজ প্রদান করা বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থী এবং এটি একটি গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন, সম্পত্তির অপব্যবহার, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, অর্থ পাচার, জালিয়াতি, পরিচয় চুরি এবং অন্যান্য ‘হোয়াইট কলার’ অপরাধের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।
এছাড়াও, একটি পেন্টহাউস (বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৫০ কোটি টাকা) এবং একটি পূর্ণাঙ্গ ফ্লোর (বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৭৫ কোটি টাকা), যা এ.কে.এম. গোলাম কবির পরিবারের জন্য নির্ধারিত ছিল, সেগুলোও বেআইনিভাবে ভাড়া প্রদান করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, যার ফলে বৈধ উত্তরাধিকারীরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
এমতাবস্থায়, সাঈদ বিন কবির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে এই অবৈধ কার্যক্রম দ্রুত বন্ধ করা যায়, প্রকৃত মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয় এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তার প্রয়াত পিতা এ.কে.এম. গোলাম কবির ছিলেন উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের একমাত্র প্রতিষ্ঠাতা ও মালিক এবং জীবদ্দশায় তাকে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ট্রাস্টি ও চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করেন। পাশাপাশি, উক্ত কোম্পানিগুলোর প্রায় ২০,০০০ শেয়ার তার নামে বরাদ্দ রয়েছে, যা তার বৈধ মালিকানার আরও শক্ত প্রমাণ বহন করে।