এভিয়েশন খাতকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: বিমানমন্ত্রী

- আপডেট সময় : ১০:৫০:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫৬৫ বার পড়া হয়েছে
দেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন খাতকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। এ সময় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি এভিয়েশন ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
মন্ত্রী জানান, আকাশপথে যোগাযোগব্যবস্থা আরও উন্নত করতে এভিয়েশন মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কাজ করছে সরকার। বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের অংশ হিসেবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অত্যাধুনিক এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে বিশ্বমানের লিগ্যাসি এয়ারলাইন্স হিসেবে গড়ে তুলতে বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তবে এসব উড়োজাহাজের ডেলিভারি দ্রুত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি এবং দুই দেশের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বিবেচনায় আগামী বছর ঢাকা নিউইয়র্ক রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলেও জানান মন্ত্রী। পর্যটন খাত নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পটকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে জানান রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, বাংলাদেশ এভিয়েশন হাব হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকবে। বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ রয়েছে বলেও জানান তিনি। এ সময় ঢাকা নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট চালুর ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার আশ্বাস দেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। পাশাপাশি বাংলাদেশের পর্যটন খাতের প্রচারে বিভিন্ন পর্যটন স্পট পরিদর্শনের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

















