মাগুরায় ভাসুরের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ

- আপডেট সময় : ০৬:১৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫৮৬ বার পড়া হয়েছে
মাগুরার কুল্লিয়া গ্রামের গৃহবধূ অনামিকা বিশ্বাস স্বামী ও ভাসুরের বিরুদ্ধে নির্যাতন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন। বর্তমানে সন্তানকে নিয়ে মাগুরা শহরে একটি বাসায় আশ্রয় নিয়ে আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
অনামিকা বিশ্বাসের অভিযোগ, তার ভাসুর গোলক রায় বিভিন্ন সময় তাকে কুপ্রস্তাব দিতেন। ওই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তার স্বামীকে দিয়ে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করা হয়। তার দাবি, তিন লাখ টাকা যৌতুকের জন্য চাপ দেওয়া এবং নির্যাতনের একপর্যায়ে গত ২৬ জুলাই ২০২৬ দুপুর ২টার দিকে তাকে মারধর করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করা হয়। পরে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন,
- হরিনাকুণ্ডুতে এক রাতেই ৫ ট্রান্সফরমার চুরি
- গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলে প্রথম মাগুরা সদর থানার এএসআই
- মাদরাসার সুপারের বিরুদ্ধে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ
অনামিকা জানান, এরপর হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনি আদালতে মামলা করেন। তার অভিযোগ, ওই মামলায় তার স্বামী ও ভাসুর মীমাংসার শর্তে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তাকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
এমনকি আদালতেও তিনি ভয়ভীতির মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ করেছেন অনামিকা। নিজের জীবন নিয়েও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। একটি ভিডিও বার্তায় অনামিকা বিশ্বাস তার স্বামী ও ভাসুরের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলে ধরেছেন। যেকোনো সময় তার ক্ষতি হতে পারে আশঙ্কা করে তিনি নিজের ও সন্তানের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
আরও পড়ুন,
- শালিখা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে শিক্ষক বদলি ও পদায়ন নিয়ে ঘুষের হাট বসিয়েছেন টিইও হেনায়ারা খানম
- ট্রেনে অগ্নিসংযোগ নিয়ে রিজভীর বক্তব্যের নিন্দা জামায়াতের
- নারীদের জন্য বিশেষ বাস চালিয়ে বাড়ছে বিআরটিসির লোকসান
এ ঘটনায় সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অনামিকা। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। তবে অনামিকা বিশ্বাসের এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত স্বামী ও ভাসুরের বক্তব্য জানা যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভর করছে।













