রাজধানীতে ২৯ অক্টোবর থেকে তিনদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা

- আপডেট সময় : ০৬:১৬:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫২২ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীতে শুরু হচ্ছে তিনদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা—বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার, সংক্ষেপে বিটিটিএফ। আগামী ২৯ অক্টোবর রাজধানীর মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হবে এই মেলা। চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।
সোমবার রাজধানীর কুর্মিটোলা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকার সেন্টার পয়েন্টের ক্রাউন প্লাজায় আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে মেলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন আয়োজক কমিটির সদস্যরা।
বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের শীর্ষ সংগঠন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ—টোয়াবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবারের বিটিটিএফ। পর্যটন খাতের বিকাশ, নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করাই মেলার প্রধান উদ্দেশ্য।
এবারের মেলায় ২০টিরও বেশি দেশ থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটন অংশীজনদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে ট্যুর অপারেটর, এয়ারলাইন্স, হোটেল, ট্যুরিজম বোর্ডসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আয়োজকরা জানান, নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও ফিলিপাইনের অংশগ্রহণকারীরা ইতোমধ্যে মেলায় উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজান থেকেও পর্যটন খাতের অংশীজনরা অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
আয়োজকদের মতে, বিভিন্ন দেশের পর্যটন অংশীদারদের অংশগ্রহণের ফলে বাংলাদেশের পর্যটন গন্তব্যগুলোর প্রচার, নতুন ব্যবসায়িক যোগাযোগ তৈরি এবং আন্তর্জাতিক পর্যটন বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি হবে। এবারের বিটিটিএফের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।
মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টোয়াবের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হানিফ। বক্তব্য দেন টোয়াবের পরিচালক—মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন মো. মিজানুর রহমান, আইএসজির সাউথ ওয়েস্ট এশিয়ার এরিয়া জেনারেল ম্যানেজার আশয়োনি নায়ের, টোয়াবের পরিচালক—ট্রেড অ্যান্ড ফেয়ার আবদুল বাছেদ বাবু এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, তিনদিনের এই আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা দেশের পর্যটন খাতের ব্যবসা সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।













