একটি সেটিং বদলালেই বাড়তে পারে ওয়াই-ফাইয়ের গতি
- আপডেট সময় : ১০:৩৫:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
- / ৫৭০ বার পড়া হয়েছে
বাসা কিংবা অফিসে ধীরগতির বা বারবার বিচ্ছিন্ন হওয়া ওয়াই-ফাই সংযোগ অনেকেরই পরিচিত সমস্যা। তবে নেটওয়ার্ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেটিং পরিবর্তন করলেই অনেক ক্ষেত্রে সংযোগের গতি ও স্থিতিশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাউটারের ‘চ্যানেল উইডথ’ বা ‘চ্যানেল ব্যান্ডউইডথ’ সেটিং নির্ধারণ করে কতটুকু বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান হবে। অধিকাংশ আধুনিক রাউটারে ২.৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে ৪০ মেগাহার্টজ এবং ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে ৮০ মেগাহার্টজ সেটিং ডিফল্টভাবে চালু থাকে।
তবে আশপাশে অনেক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক থাকলে বেশি চ্যানেল ব্যবহারের ফলে সিগন্যালের মধ্যে হস্তক্ষেপ বেড়ে যায়। বিশেষ করে বহুতল ভবন বা ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় একই ফ্রিকোয়েন্সিতে একাধিক রাউটার চলায় সংযোগ অস্থির হয়ে পড়তে পারে।
এ কারণে বিশেষজ্ঞরা ২.৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ডের চ্যানেল উইডথ ২০ মেগাহার্টজে নামিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছেন। এতে পাশের নেটওয়ার্কের সঙ্গে হস্তক্ষেপ কমে এবং সংযোগ আরও স্থিতিশীল হতে পারে। তবে ৫ ও ৬ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে প্রয়োজনে সেটিং পরিবর্তনের আগে ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এই পরিবর্তন করতে রাউটারের প্রশাসনিক প্যানেলে লগইন করে ‘ওয়্যারলেস সেটিংস’ থেকে চ্যানেল উইডথ পরিবর্তন করে সংরক্ষণ করতে হবে। কয়েক দিন ব্যবহার করে ফলাফল পর্যবেক্ষণেরও পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রয়োজনে আগের ডিফল্ট সেটিংয়েও ফিরে যাওয়া যাবে।
এছাড়া ‘ওয়াই-ফাই অ্যানালাইজার’ অ্যাপ ব্যবহার করে কম ব্যস্ত চ্যানেল নির্বাচন করলে সংযোগের মান আরও উন্নত হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব পরিবেশে একই সেটিং সমানভাবে কার্যকর হবে না। আশপাশের নেটওয়ার্ক, বাসার কাঠামো এবং ব্যবহৃত রাউটারের মডেলের ওপর নির্ভর করবে সবচেয়ে উপযুক্ত সেটিং।

















