জুলাই বিপ্লবে শহীদ সাংবাদিক তুরাব হত্যার দুই বছর: বিচারের আশায় স্বজনরা
- আপডেট সময় : ১২:৫৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
- / ৫৮৮ বার পড়া হয়েছে
জুলাই আন্দোলনে শহীদ সাংবাদিক আবু তাহের মো. তুরাব, যিনি এটিএম তুরাব নামে পরিচিত, হত্যার দুই বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই সিলেট নগরের কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময় পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন দৈনিক নয়া দিগন্তের সিলেট ব্যুরো প্রধান তুরাব। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
আরও পড়ুন,
- দেশে আসছে ১ হাজার ৪০০ বৈদ্যুতিক বাস, বদলে যাবে গণপরিবহন
- উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার পরিচয়ে অবৈধ সুবিধা আদায়
- টঙ্গীতে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের বিচার দাবিতে টঙ্গীতে মহাসড়ক অবরোধ
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভ কর্মসূচির সংবাদ সংগ্রহের সময় গুলিবিদ্ধ হন তুরাব। ময়নাতদন্তে তার শরীরে অসংখ্য ছররা গুলির চিহ্ন পাওয়া যায় বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন।
তুরাব হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই আবুল আহসান মোহাম্মদ আজরফ বাদী হয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের তৎকালীন কর্মকর্তাসহ কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন। প্রথমে কোতোয়ালি থানা ও পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা পিবিআই মামলাটি তদন্ত করে। বর্তমানে মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্তাধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন,
- মাগুরায় শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বরাদ্দের টাকা আদায়ের অভিযোগ
- দেশে আসছে ১ হাজার ৪০০ বৈদ্যুতিক বাস, বদলে যাবে গণপরিবহন
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাবেক এডিসি সাদেক কাউসার দস্তগীর ও পুলিশ কনস্টেবল উজ্জ্বল সিংহ কারাগারে রয়েছেন। তবে এজাহারভুক্ত আরও কয়েকজন আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তুরাবের স্বজনরা। তুরাবের পরিবারের দাবি, দ্রুত তদন্ত শেষ করে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হোক। তার বড় ভাই বলেন, দুই বছর পার হলেও বিচার না হওয়া পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টের।
ছেলে হত্যার বিচার দেখে যেতে চান তুরাবের বৃদ্ধা মা। মাত্র তিন মাসের দাম্পত্য জীবনের পর স্বামী হারানো স্ত্রী তানিয়া ইসলামও অপেক্ষা করছেন ন্যায়বিচারের। সাংবাদিক তুরাব হত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে—এটাই এখন পরিবারের পাশাপাশি সহকর্মীদের প্রত্যাশা।















