ঢাকা ১০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদকের সরবরাহ চক্র নির্মূলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান চরমোনাই পীর

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
  • / ৫২৫ বার পড়া হয়েছে

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু খুচরা পর্যায়ে অভিযান চালালে হবে না, এর সরবরাহ চক্রও সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করতে হবে। এ জন্য সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

শুক্রবার বিকেলে বরিশালের চরমোনাই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ‘চরমোনাই ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে আয়োজিত মাদকবিরোধী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, “মাদক সরবরাহের সঙ্গে দেশের অনেক রথি-মহারথিদের সংযোগ থাকে। শর্ষের মধ্যে ভূত থাকে। তাই মাদকের সরবরাহ লাইন নির্মূল করতে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর একক দায়িত্ব নেওয়া প্রয়োজন।”

তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করে বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি এবং দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব ছিল। কিন্তু অতীতের কোনো সরকার সে ধরনের কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। বরং উদ্বৃত্ত জনশক্তিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিতে মাদককে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ইসলামী আন্দোলনের আমিরের দাবি, মাদকের কারণে দেশের বিপুল জনসম্পদ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ধ্বংস হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ও বহুমাত্রিক ক্ষতির দিক বিবেচনায় মাদকই দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো মাদক প্রতিরোধ করা।

তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূলে শুধু চাহিদা কমালেই হবে না, একই সঙ্গে সরবরাহ ব্যবস্থাও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে। চাহিদা ও জোগান—উভয় দিক থেকেই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, সহকারী মহাসচিব মাওলানা সৈয়দ এসহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের, বরিশাল মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মুহাম্মাদ বেলাল হুসাইন এবং কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:১৪
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৬:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২০
  • ১২:০৪
  • ৪:৩৪
  • ৬:২৮
  • ৭:৪৪
  • ৫:৩৬

মাদকের সরবরাহ চক্র নির্মূলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান চরমোনাই পীর

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু খুচরা পর্যায়ে অভিযান চালালে হবে না, এর সরবরাহ চক্রও সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করতে হবে। এ জন্য সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

শুক্রবার বিকেলে বরিশালের চরমোনাই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ‘চরমোনাই ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে আয়োজিত মাদকবিরোধী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, “মাদক সরবরাহের সঙ্গে দেশের অনেক রথি-মহারথিদের সংযোগ থাকে। শর্ষের মধ্যে ভূত থাকে। তাই মাদকের সরবরাহ লাইন নির্মূল করতে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর একক দায়িত্ব নেওয়া প্রয়োজন।”

তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করে বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি এবং দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব ছিল। কিন্তু অতীতের কোনো সরকার সে ধরনের কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। বরং উদ্বৃত্ত জনশক্তিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিতে মাদককে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ইসলামী আন্দোলনের আমিরের দাবি, মাদকের কারণে দেশের বিপুল জনসম্পদ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ধ্বংস হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ও বহুমাত্রিক ক্ষতির দিক বিবেচনায় মাদকই দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো মাদক প্রতিরোধ করা।

তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূলে শুধু চাহিদা কমালেই হবে না, একই সঙ্গে সরবরাহ ব্যবস্থাও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে। চাহিদা ও জোগান—উভয় দিক থেকেই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, সহকারী মহাসচিব মাওলানা সৈয়দ এসহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের, বরিশাল মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মুহাম্মাদ বেলাল হুসাইন এবং কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।