কামরাঙ্গীরচর থেকে মুগদা
ঢাকায় কয়েক ঘণ্টায় তিন যুবকের লাশ

- আপডেট সময় : ০১:২৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
- / ৫১৮ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর তিন এলাকা থেকে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিন যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ১১টার মধ্যে কামরাঙ্গীরচর, বাড্ডা ও মুগদা এলাকা থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, তিনটি ঘটনাই আত্মহত্যা হতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। উদ্ধার করা লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত তিনজন হলেন—কামরাঙ্গীরচরের নয়ন, বয়স ৩০; বাড্ডার রবিউল সানি, বয়স ৩২ এবং মুগদার সবুজ বাবু, বয়স ২০।
কামরাঙ্গীরচরে সকাল ৯টার দিকে হাসাননগর সিকদার স্কুলের সামনের একটি ভবন থেকে নয়নের লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, তিনি ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিলেন। স্বজনদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, দাম্পত্য কলহের কারণে নয়নের স্ত্রী তাদের একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর থেকেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, পারিবারিক সংকটের জেরে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
অন্যদিকে, সকাল ১১টার দিকে বাড্ডার জামতলা এলাকার একটি সাততলা ভবনের ষষ্ঠতলার ফ্ল্যাট থেকে রবিউল সানির লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন তিনি। চাকরি ও অফিস-সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। এসব বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গেও মনোমালিন্য চলছিল বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।
আর মুগদার পাগল চাঁন হোটেল-সংলগ্ন একটি বাসা থেকে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সবুজ বাবুর লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। কয়েক দিন আগে মাদকের টাকা চাওয়া নিয়ে বাবার সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। পুলিশের ধারণা, পারিবারিক বিরোধের জেরে ভোরে নিজের কক্ষে সবুজ আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
তবে তিনটি মৃত্যুর ক্ষেত্রেই পুলিশ বলছে, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। পুলিশ তিন ঘটনাই তদন্ত করছে এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও অন্যান্য আলামত যাচাই করা হচ্ছে।



























