ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হার্ট অ্যাটাকের রোগীদের রক্তে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক!

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৫১৮ বার পড়া হয়েছে

প্লাস্টিকের ক্ষুদ্র কণা এবার কি হৃদ্‌যন্ত্রের জন্যও নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে? নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, হার্ট অ্যাটাকের শিকার রোগীদের রক্তে মাইক্রোপ্লাস্টিক ও ন্যানোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি স্বাস্থ্যবান মানুষের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

রোমের স্যাপিয়েঞ্জা ইউনিভার্সিটির সান্তআন্দ্রেয়া হাসপাতালের ড. পাসকুয়ালে পাওলিসোর নেতৃত্বে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। এর ফল প্রকাশিত হয়েছে ইউরোপিয়ান হার্ট জার্নালে। গবেষণায় হৃদ্‌যন্ত্রে রক্ত সরবরাহকারী ধমনির নমুনা পরীক্ষা করা হয় ৬১ জন রোগীর। তাদের মধ্যে ছিলেন হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত রোগী, দীর্ঘস্থায়ী হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত কিন্তু হার্ট অ্যাটাক হয়নি এমন রোগী এবং সুস্থ ধমনির ব্যক্তিরা।

গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। হার্ট অ্যাটাক হওয়া রোগীদের ৮৪ শতাংশের রক্তে মাইক্রোপ্লাস্টিক বা ন্যানোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। দীর্ঘস্থায়ী হৃদ্‌রোগীদের ক্ষেত্রে এই হার ৪০ শতাংশ। আর সুস্থ ধমনির ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মাত্র ৩২ শতাংশ। গবেষকরা আরও দেখতে পেয়েছেন, ধূমপান ও নিয়মিত বায়ুদূষণের সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিদের রক্তে মাইক্রোপ্লাস্টিকের মাত্রা বেশি হওয়ার ঝুঁকি ছয়গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

তবে গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এই গবেষণা থেকে এখনই বলা যায় না যে মাইক্রোপ্লাস্টিক সরাসরি হার্ট অ্যাটাক ঘটায়। তবে পরিবেশদূষণ, রক্তে প্লাস্টিক কণা এবং হৃদ্‌রোগের মধ্যে একটি শক্তিশালী যোগসূত্রের ইঙ্গিত মিলেছে।বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ধূমপান ও দূষিত বাতাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করা ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা রক্তপ্রবাহে পৌঁছাতে পারে। ফলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বোঝার ক্ষেত্রে প্লাস্টিক দূষণকে নতুন করে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:১৪
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৬:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২০
  • ১২:০৪
  • ৪:৩৪
  • ৬:২৮
  • ৭:৪৪
  • ৫:৩৬

হার্ট অ্যাটাকের রোগীদের রক্তে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক!

আপডেট সময় : ০৬:৪৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

প্লাস্টিকের ক্ষুদ্র কণা এবার কি হৃদ্‌যন্ত্রের জন্যও নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে? নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, হার্ট অ্যাটাকের শিকার রোগীদের রক্তে মাইক্রোপ্লাস্টিক ও ন্যানোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি স্বাস্থ্যবান মানুষের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

রোমের স্যাপিয়েঞ্জা ইউনিভার্সিটির সান্তআন্দ্রেয়া হাসপাতালের ড. পাসকুয়ালে পাওলিসোর নেতৃত্বে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। এর ফল প্রকাশিত হয়েছে ইউরোপিয়ান হার্ট জার্নালে। গবেষণায় হৃদ্‌যন্ত্রে রক্ত সরবরাহকারী ধমনির নমুনা পরীক্ষা করা হয় ৬১ জন রোগীর। তাদের মধ্যে ছিলেন হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত রোগী, দীর্ঘস্থায়ী হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত কিন্তু হার্ট অ্যাটাক হয়নি এমন রোগী এবং সুস্থ ধমনির ব্যক্তিরা।

গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। হার্ট অ্যাটাক হওয়া রোগীদের ৮৪ শতাংশের রক্তে মাইক্রোপ্লাস্টিক বা ন্যানোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। দীর্ঘস্থায়ী হৃদ্‌রোগীদের ক্ষেত্রে এই হার ৪০ শতাংশ। আর সুস্থ ধমনির ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মাত্র ৩২ শতাংশ। গবেষকরা আরও দেখতে পেয়েছেন, ধূমপান ও নিয়মিত বায়ুদূষণের সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিদের রক্তে মাইক্রোপ্লাস্টিকের মাত্রা বেশি হওয়ার ঝুঁকি ছয়গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

তবে গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এই গবেষণা থেকে এখনই বলা যায় না যে মাইক্রোপ্লাস্টিক সরাসরি হার্ট অ্যাটাক ঘটায়। তবে পরিবেশদূষণ, রক্তে প্লাস্টিক কণা এবং হৃদ্‌রোগের মধ্যে একটি শক্তিশালী যোগসূত্রের ইঙ্গিত মিলেছে।বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ধূমপান ও দূষিত বাতাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করা ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা রক্তপ্রবাহে পৌঁছাতে পারে। ফলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বোঝার ক্ষেত্রে প্লাস্টিক দূষণকে নতুন করে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন গবেষকরা।