ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরায় কলেজ অধ্যক্ষকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ

মাগুরা জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫৫০ বার পড়া হয়েছে

মাগুরা সদর উপজেলার আলোকদিয়া অমরেশ বসু ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ কাজী মোর্শেদ আলমকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ এবং সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কাজী মোর্শেদ আলম রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব বিস্তার ও অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

সম্প্রতি কলেজে তিনজন কর্মচারী নিয়োগকে কেন্দ্র করে নতুন করে অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, নিয়োগের ক্ষেত্রে কয়েক লাখ টাকা অর্থ লেনদেন হয়েছে। তবে এ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট নিয়োগের নথি ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন। এদিকে স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি এসব অভিযোগের প্রতিবাদ করায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে কথা কাটাকাটির মধ্যে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং অধ্যক্ষকে কলেজ থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

এরপর বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করছেন। সর্বশেষ, আজ কিছু লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে অধ্যক্ষ কলেজে প্রবেশের চেষ্টা করেছেন—এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন,

এছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তার গ্রামের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছিল বলে স্থানীয়দের একটি অংশ দাবি করছে। তবে ওই ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ ও সংশ্লিষ্টতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—অধ্যক্ষ কাজী মোর্শেদ আলমের বিরুদ্ধে মামলা থাকার যে দাবি করা হচ্ছে, সেটির প্রকৃত অবস্থা এবং মামলার ধারা ও বর্তমান আইনি অবস্থাও আদালতের নথি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র থেকে যাচাই করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ কাজী মোর্শেদ আলমের বক্তব্য, কলেজ কর্তৃপক্ষের অবস্থান এবং প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার পূর্ণ চিত্র আরও স্পষ্ট হবে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য প্রকাশ করা হোক এবং কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

মাগুরায় কলেজ অধ্যক্ষকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:২৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাগুরা সদর উপজেলার আলোকদিয়া অমরেশ বসু ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ কাজী মোর্শেদ আলমকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ এবং সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কাজী মোর্শেদ আলম রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব বিস্তার ও অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

সম্প্রতি কলেজে তিনজন কর্মচারী নিয়োগকে কেন্দ্র করে নতুন করে অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, নিয়োগের ক্ষেত্রে কয়েক লাখ টাকা অর্থ লেনদেন হয়েছে। তবে এ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট নিয়োগের নথি ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন। এদিকে স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি এসব অভিযোগের প্রতিবাদ করায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে কথা কাটাকাটির মধ্যে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং অধ্যক্ষকে কলেজ থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

এরপর বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করছেন। সর্বশেষ, আজ কিছু লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে অধ্যক্ষ কলেজে প্রবেশের চেষ্টা করেছেন—এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন,

এছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তার গ্রামের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছিল বলে স্থানীয়দের একটি অংশ দাবি করছে। তবে ওই ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ ও সংশ্লিষ্টতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—অধ্যক্ষ কাজী মোর্শেদ আলমের বিরুদ্ধে মামলা থাকার যে দাবি করা হচ্ছে, সেটির প্রকৃত অবস্থা এবং মামলার ধারা ও বর্তমান আইনি অবস্থাও আদালতের নথি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র থেকে যাচাই করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ কাজী মোর্শেদ আলমের বক্তব্য, কলেজ কর্তৃপক্ষের অবস্থান এবং প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার পূর্ণ চিত্র আরও স্পষ্ট হবে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য প্রকাশ করা হোক এবং কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।