ফতুল্লায় শ্রমিকদল নেতা মন্টুর বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ, থানায় ডায়েরি

- আপডেট সময় : ১০:২০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
- / ৫১৮ বার পড়া হয়েছে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার শিয়াচর এলাকায় একটি জমি জোরপূর্বক দখল ও বালু ভরাটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক শ্রমিকদল নেতাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মন্টু মিয়া, আক্তার হোসেন (৪০) ও মোক্তারকে (৩৫) অভিযুক্ত করে ফতুল্লা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন জমির দাবিদার মো. জামাল মিজি (৫৯)।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মো. জামাল মিজি ২০২০ সালের ১২ মার্চ একটি নিবন্ধিত আম-মোক্তার দলিলের মাধ্যমে শিয়াচর মৌজার প্রায় ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ জমির মালিকানা লাভ করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে তা ভোগদখল করে আসছিলেন। পরবর্তীতে ওই জমি নিয়ে আক্তার হোসেন ও মোক্তারের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হলে, বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দেন স্থানীয় শ্রমিকদল নেতা মন্টু মিয়া।
আরও পড়ুন,
- ভোলায় এইচএসসি পরীক্ষা শেষে কেন্দ্রে ভাঙচুর
- ফতুল্লায় শ্রমিকদল নেতা মন্টুর বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ, থানায় ডায়েরি!
- মাগুরা বন কর্মকর্তা তপনেন্দ্রনাথের মাসে ২৮ দিন ছুটিতে থাকার অভিযোগ
অভিযোগে ভুক্তভোগী জামাল মিজি উল্লেখ করেন, বিরোধের সমাধান না করে মন্টু মিয়া উল্টো ওই জমিতে নিজের নামে সাইনবোর্ড টানিয়ে মালিকানা দাবি করেন এবং জমি দখলের চেষ্টা চালান। এর ধারাবাহিকতায় গত ১০ মে (২০২৬) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক ওই জমিতে বালু ভরাট শুরু করেন।
জামাল মিজি আরও জানান, বালু ভরাটের খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তরা তাকে বাধা প্রদান করেন। এ সময় তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীর দাবি— অভিযুক্তদের কাছে জমির কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই, তারা কেবল স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে জমিটি দখলের পাঁয়তারা করছেন। আমি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করার পর ফতুল্লা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রশাসনের কাছে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
আরও পড়ুন,
- স্ত্রীকে খুঁজে না পেয়ে অভিযোগ স্বামীর, বক্তব্য মেলেনি অপর পক্ষের
- গোবরা এলাকায় সেতু ধসে দুর্ভোগে স্থানীয় বাসিন্দারা
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে অভিযুক্ত শ্রমিকদল নেতা মন্টু মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন। তিনি জানান তিনি নিজেই ওই জমির বায়নাকৃত মালিক। জমিটি নিয়ে বর্তমানে আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে। ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমরা এই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



























