ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া সংস্কৃতির মাধ্যমে বিদায় করতে হবে: জামায়াত আমির

- আপডেট সময় : ০৯:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
- / ৫২১ বার পড়া হয়েছে
ফ্যাসিবাদ ও ফ্যাসিবাদের দোসররা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তাদের কালো ছায়া এখনো দেশে রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মাধ্যমে এই কালো ছায়া দূর করতে হবে। দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ সেই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘জুলাই সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা, সাংস্কৃতিক চেতনা ও জাতীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। এই জুলাইকে সবাইকে ধরে রাখতে হবে এবং সম্মিলিতভাবে দেশ গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, জাতিকে বিভক্ত করা যাবে না। ভিন্নমত ও ভিন্ন আদর্শ থাকলেও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যারা জাতিকে বিভক্ত করতে চায়, তারা দেশের শত্রু। জামায়াত আমির আরও বলেন, ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদ সাময়িকভাবে দেশ থেকে বিদায় নিয়েছে। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারলে ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদকে চিরতরে বিদায় করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আ ন ম শামসুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। জুলাই সাংস্কৃতিক উৎসবে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পী ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে কোরআন তেলাওয়াত, আবৃত্তি, জারি, সংগীত, কাওয়ালি, গম্ভীরা ও অভিনয়সহ নানা পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।
এ ছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও গণজাগরণকে কেন্দ্র করে পরিবেশিত হয় বিশেষ নাটক ‘রক্তাক্ত জুলাই’। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশ নেয়। একক সংগীত পরিবেশন করেন কয়েকজন শিল্পী। বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় ‘জুলাই সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৬’।





























