২০২৪-এর আন্দোলনকে ‘চূড়ান্ত যুদ্ধের মহড়া’ বললেন জামায়াত আমির

- আপডেট সময় : ০৭:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
- / ৫০৪ বার পড়া হয়েছে
২০২৪ সালের আন্দোলনকে চূড়ান্ত যুদ্ধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি ছিল চূড়ান্ত যুদ্ধের প্রস্তুতি বা মহড়া—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের মিলনায়তনে আয়োজিত সীরাতুন্নবী (সা.) সেমিনার ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের আন্দোলনে যারা জেগে উঠেছিলেন, তারা মারা যাননি বা ঘুমিয়ে পড়েননি; বরং তারা সজাগ দৃষ্টিতে সবকিছু পর্যবেক্ষণ করছেন। তার দাবি, ২০২৪ সালের পর দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হওয়া ফ্যাসিবাদের ‘পঙ্কিলতা, ময়লা ও আবর্জনা’ পরিষ্কার হওয়ার আশা থাকলেও তা হয়নি; বরং আবর্জনা আরও বেড়েছে।
তিনি ফ্যাসিবাদকে সংক্রামক ব্যাধির সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় এর বিস্তার ঘটে। তার অভিযোগ, গত ১৫ বছর ধরে যে পথে ফ্যাসিবাদী সরকার হেঁটেছে, বর্তমান সরকারও সেই পথ অনুসরণ করছে। এই পথ পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ‘আয়নাঘরের পথ’ কিংবা বিনা বিচারে মানুষ হত্যার পথে কাউকে চলতে দেবে না।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর থেকে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা ও ব্যক্তির স্মৃতি সরিয়ে ফেলারও অভিযোগ করেন জামায়াত আমির। তার দাবি, নির্যাতিত মানুষের স্মৃতিচিহ্ন, ছবি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঘটনার উপাদান জাদুঘর থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
এ সময় তিনি ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ তুলে বলেন, ক্ষমতায় থাকা অনেকেই কোনো না কোনোভাবে ইতিহাস বিকৃতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ও পাসপোর্টের শক্তি নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন শফিকুর রহমান। তার মতে, স্বাধীনতার পাঁচ দশক পার হলেও বাংলাদেশ প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি।





























