গোপালগঞ্জে আইনজীবীদের প্রতিবাদ মিছিল

- আপডেট সময় : ০৫:৩৪:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
- / ৫৫০ বার পড়া হয়েছে
গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক নারী শিক্ষানবিশ আইনজীবীর ওপর বিচারক কর্তৃক হামলার ঘটনায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা। গত ২২ জুলাই ২০২৬ ইং প্রকাশ্য আদালতে বিচারকের ছুড়ে মারা পেপার ওয়েটের আঘাতে ওই নারী আইনজীবী আহত ও লাঞ্ছিত হওয়ার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্ত বিচারকের দ্রুত অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, গতকাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা শুনানি চলাকালে বিচারক সুজন মিয়া হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে পেপার ওয়েট ছুড়ে মারেন। এতে সাবিহা সুলতানা নামে এক নারী শিক্ষানবিশ আইনজীবী গুরুতর আহত ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হন। এই নজিরবিহীন ও ন্যক্কারজনক ঘটনার জের ধরে আজ সকাল ১০টায় জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সদস্যরা বিচার কাজ বর্জন করে জেলা বার ভবনের সামনে উপস্থিত হন। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি আদালত প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বার ভবনের সামনে এসে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।
আরও পড়ুন,
- মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি লড়াইয়ে নামছে আর্জেন্টিনা
- বিয়ের পিঁড়িতে ইউটিউব তারকা মিস্টার বিস্ট
- হরমুজে হামলা হলে ইরানের অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের
সমাবেশে বক্তব্য প্রদানকালে আইনজীবী নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন “প্রকাশ্য আদালতে বিচারক কর্তৃক একজন নারী আইনজীবীর ওপর এমন হামলা ও শারীরিক লাঞ্ছনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নজিরবিহীন। বিচারালয়ে একজন আইনজীবীর পেশাগত মর্যাদা ও শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে বিচারব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের আর কোনো আস্থা থাকবে না।” বক্তারা অবিলম্বে এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একইসাথে তাঁরা সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট সুজন মিয়ার দ্রুত অপসারণের জোর দাবি জানিয়ে হুঁশিয়ারি দেন যে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আইনজীবী সমিতির আন্দোলন ও বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন,
- শাড়ি কিনে না দেওয়ায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেফতার
- ফ্রিল্যান্সারদের ডলার লেনদেন সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক
- মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় আবারও চাঙা সোনার বাজার
এদিকে এ ঘটনার পর থেকে গোপালগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত বিচারকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আদালত সূত্রে জানা গেছে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারিক (আমলি) ক্ষমতা ইতোমধ্যেই স্থগিত করা হয়েছে। কষ্ট! লজ্জা! আমরা কেন এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হবো! আজ আমরা লজ্জিত! এই বিচারক সুজন মিয়া ঘুষ বাণিজ্যে ও সুচতুর! ধিক্কার!
আইনজীবীরা বলেন বিচারক যখন ঘুষ বানিজ্যে আসক্ত হন তখন ন্যায় বিচার আশা করা ভূল! আজ মানুষ যখন দূর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছেন তখন কিছু মানুষ দেশটাকে কলুষিত করছে। আমরা সকলে পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ চাই!



























