ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নড়াইলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

সাহেব আলী, মাগুরা জেলা ​ প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • / ৫৩৪ বার পড়া হয়েছে

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নড়াইল আবেদন সূত্রে জানা যায়, লাহুড়িয়া গোবিন্দপাড়া সরকারি প্রাথমিক  বিদ্যালয়ের নামে দানকৃত জমির দলিল প্রধান শিক্ষক সরায়ে রেখে আমার দাতা সদস্য পদ থেকে বঞ্চিত।

নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার অন্তর্গত ০২নং লাহুড়িয়া ইউনিয়নে লাহুড়িয়া গোবিন্দ পাড়া গ্রামে ১৯৪৫ সাথে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়। সেই বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আমার বাবা মৃত. নিরোদ বিহারী মজুমদার ৩৩ শতাংশ জমি দান করিয়াছেন। সেই জমি উপর এখন পুনাঙ্গ একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিদ্যমান। আমার বাবা মৃত্যুর পর দীর্ঘ কাল যাবত আমি বিদ্যালয়ের কমিটিতে জমি দাতা সদস্য হিসাবে কমিটি পরিচালনা করিয়া আসিতেছিলাম। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উন্নতি রানি বিশ্বাস, স্বামী শিপুল বিশ্বাস বিদ্যালয় সংলগ্ন উত্তর পাশে তাহার বাড়ি।

উল্লেখিত উন্নতি রানি এই গ্রামের বউ। তিনি বিদ্যালয় আসার পর থেকে বিদ্যালয়ের অনৈতিক কাজ কর্মের সাথে জড়িত থেকে বিদ্যালয়টি ধংসের পথে নিয়ে গেছে। গ্রামে দলাদলি বাধিয়ে দিয়ে পুরান বেঞ্চ অনেক ভাঙ্গা টিন খাতাপত্র নিজের ইচ্ছামত বিক্রয় করে নিজের স্বার্থ হাসিল করেন। অন্য শিক্ষকদের কোন তুয়াক্কা করেন না।

আরও পড়ুন, 

বিদ্যালয়ের যত অপকর্ম স্বামী ও তার স্ত্রী একমত হয়ে দীর্ঘ দিন যাবত এই সকল অপকর্ম করিয়া আসিতেছে। এমনকি ছাত্র-ছাত্রীদের সংঙ্গে খারাপ আচরন করে। যার ফলে অভিভাবকরা এখন বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করছে। তাদের একটাই দাবি বিদ্যালয় সু-শৃংখল ভাবে চালাতে হলে উক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অনতিবিলম্বে অপসারন প্রয়োজন।

বিদ্যালয়ের নামে দানকৃত সম্পত্তির দলিল উল্লেখিত প্রধান শিক্ষক অনত্রে সরিয়ে রেখে আমার দাতা সদস্য পদথেকে বঞ্চিত করে আসছে। এমনকি বিদ্যালয়ের বিগত ২ বছরের কোন হিসাব নিকাশ প্রকাশ করে না। তাহাকে চাপ দিয়া দলিল উদ্ধার করা প্রয়োজন। যতদিন পর্যন্ত উল্লেখিত শিক্ষক দলিল দেখাতে না পারবে ততদিন পর্যন্ত বিদ্যালয়ে নতুন কমিটি স্থগিত রাখার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি। প্রহল্লাদ মজুমদার বলেন, অত্র বিদ্যালয় তদন্ত সাপেক্ষে উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার অনুরোধ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:১৪
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৬:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২০
  • ১২:০৪
  • ৪:৩৪
  • ৬:২৮
  • ৭:৪৪
  • ৫:৩৬

নড়াইলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নড়াইল আবেদন সূত্রে জানা যায়, লাহুড়িয়া গোবিন্দপাড়া সরকারি প্রাথমিক  বিদ্যালয়ের নামে দানকৃত জমির দলিল প্রধান শিক্ষক সরায়ে রেখে আমার দাতা সদস্য পদ থেকে বঞ্চিত।

নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার অন্তর্গত ০২নং লাহুড়িয়া ইউনিয়নে লাহুড়িয়া গোবিন্দ পাড়া গ্রামে ১৯৪৫ সাথে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়। সেই বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আমার বাবা মৃত. নিরোদ বিহারী মজুমদার ৩৩ শতাংশ জমি দান করিয়াছেন। সেই জমি উপর এখন পুনাঙ্গ একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিদ্যমান। আমার বাবা মৃত্যুর পর দীর্ঘ কাল যাবত আমি বিদ্যালয়ের কমিটিতে জমি দাতা সদস্য হিসাবে কমিটি পরিচালনা করিয়া আসিতেছিলাম। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উন্নতি রানি বিশ্বাস, স্বামী শিপুল বিশ্বাস বিদ্যালয় সংলগ্ন উত্তর পাশে তাহার বাড়ি।

উল্লেখিত উন্নতি রানি এই গ্রামের বউ। তিনি বিদ্যালয় আসার পর থেকে বিদ্যালয়ের অনৈতিক কাজ কর্মের সাথে জড়িত থেকে বিদ্যালয়টি ধংসের পথে নিয়ে গেছে। গ্রামে দলাদলি বাধিয়ে দিয়ে পুরান বেঞ্চ অনেক ভাঙ্গা টিন খাতাপত্র নিজের ইচ্ছামত বিক্রয় করে নিজের স্বার্থ হাসিল করেন। অন্য শিক্ষকদের কোন তুয়াক্কা করেন না।

আরও পড়ুন, 

বিদ্যালয়ের যত অপকর্ম স্বামী ও তার স্ত্রী একমত হয়ে দীর্ঘ দিন যাবত এই সকল অপকর্ম করিয়া আসিতেছে। এমনকি ছাত্র-ছাত্রীদের সংঙ্গে খারাপ আচরন করে। যার ফলে অভিভাবকরা এখন বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করছে। তাদের একটাই দাবি বিদ্যালয় সু-শৃংখল ভাবে চালাতে হলে উক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অনতিবিলম্বে অপসারন প্রয়োজন।

বিদ্যালয়ের নামে দানকৃত সম্পত্তির দলিল উল্লেখিত প্রধান শিক্ষক অনত্রে সরিয়ে রেখে আমার দাতা সদস্য পদথেকে বঞ্চিত করে আসছে। এমনকি বিদ্যালয়ের বিগত ২ বছরের কোন হিসাব নিকাশ প্রকাশ করে না। তাহাকে চাপ দিয়া দলিল উদ্ধার করা প্রয়োজন। যতদিন পর্যন্ত উল্লেখিত শিক্ষক দলিল দেখাতে না পারবে ততদিন পর্যন্ত বিদ্যালয়ে নতুন কমিটি স্থগিত রাখার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি। প্রহল্লাদ মজুমদার বলেন, অত্র বিদ্যালয় তদন্ত সাপেক্ষে উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার অনুরোধ করেন।