আলিম একাদশে ভর্তি শুরু ২ সেপ্টেম্বর, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর

- আপডেট সময় : ০৮:৩১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
- / ৫০৮ বার পড়া হয়েছে
২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আলিম একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা ও বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু হবে। মঙ্গলবার বোর্ডের রেজিস্ট্রার প্রফেসর এস.এম. তৌহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক স্মারকপত্রে এ নির্দেশনা জানানো হয়। বোর্ডের আওতাধীন সব মাদ্রাসার অধ্যক্ষদের কাছেও নির্দেশনাটি পাঠানো হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, আলিমে ভর্তির ক্ষেত্রে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ‘একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা-২০২৬’ অনুসরণ করতে হবে। কোনো লিখিত বা মৌখিক ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার জিপিএ ও মোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাতালিকা তৈরি করে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। ভর্তির আবেদন করতে হবে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে। অনলাইনে আবেদন শুরু হবে ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এবং চলবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হলে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর আবেদন করার সুযোগ থাকবে। একই সময়ে পছন্দক্রম পরিবর্তনও করা যাবে।
প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৩৪০ টাকা দিয়ে প্রাথমিক সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে নিশ্চয়ন না করলে মনোনয়ন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। মাদ্রাসায় চূড়ান্ত ভর্তি চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর। আর আলিম একাদশের ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর।
ভর্তির জন্য যেকোনো শিক্ষাবর্ষে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে। বাকি ৭ শতাংশের মধ্যে ৫ শতাংশ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এবং নাতি-নাতনিদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। অনলাইনে আবেদনের জন্য ফি দিতে হবে ২২০ টাকা। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর সিলেকশন নিশ্চয়নের জন্য দিতে হবে আরও ৩৪০ টাকা।
এদিকে প্রতিষ্ঠানের ধরন ও অবস্থান অনুযায়ী ভর্তি ফি ও সেশন চার্জ নির্ধারণ করে দিয়েছে বোর্ড। এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ঢাকা মহানগরে সর্বোচ্চ ৫ হাজার, ঢাকার বাইরে মহানগরে ৩ হাজার, জেলা পর্যায়ে ২ হাজার এবং উপজেলা বা মফস্বলে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে। নন-এমপিও ও আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগরে বাংলা ভার্সনে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ এবং ইংরেজি ভার্সনে ৮ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে। ঢাকার বাইরে মহানগরে এ সীমা যথাক্রমে ৫ হাজার ও ৬ হাজার টাকা। জেলা পর্যায়ে ৩ হাজার ও ৪ হাজার এবং উপজেলা বা মফস্বলে ২ হাজার ৫০০ ও ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নীতিমালায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়ে কঠোর সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। বোর্ড অনুমোদিত ভর্তি ফি ও সেশন চার্জের অতিরিক্ত অর্থ কোনো প্রতিষ্ঠান নিতে পারবে না। অনুমতি ছাড়া অতিরিক্ত আসন বা নির্ধারিত সময়ের বাইরে শিক্ষার্থী ভর্তি করাও নিষিদ্ধ। নির্দেশনা অমান্য করলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি বা স্বীকৃতি বাতিল এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।





























