নবম পে-স্কেল নিয়েও জানতে চায় আইএমএফ

- আপডেট সময় : ০২:১৮:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
- / ৫১৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের জন্য নতুন ঋণ কর্মসূচির আওতায় ৪৫০ থেকে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বসতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ। তবে ঋণ অনুমোদনের আগে দেশের বাজেট, রাজস্ব আহরণ, অর্থায়ন পরিকল্পনা এবং নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের আর্থিক সক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়েছে সংস্থাটি।
আরও পড়ুন,
- ৩০০ টাকা থেকে সুপারস্টার
- নাগরিক অধিকার রক্ষার শক্তিশালী সাংবিধানিক হাতিয়ার
- কোয়ার্টার ফাইনালে জন্মভূমির মুখোমুখি হালান্ড
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ থেকে ১৬ জুলাই আইএমএফের বাংলাদেশ মিশন প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ঢাকা সফর করবে। সফরের শুরুতেই অর্থ বিভাগের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে বাজেট, রাজস্বনীতি, মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক অর্থায়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। পাশাপাশি নবম জাতীয় পে-স্কেলের বাস্তবায়ন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং এ খাতে সরকারের ব্যয় পরিকল্পনাও গুরুত্ব পাবে।
সরকারের হিসাবে, চলতি অর্থবছরে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ৪৪ হাজার কোটি টাকার বেশি প্রয়োজন হবে। আর পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে বছরে ব্যয় এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকারও বেশি হতে পারে। এ কারণেই অতিরিক্ত ব্যয়ের অর্থায়নের উৎস, রাজস্ব বৃদ্ধির পরিকল্পনা এবং বাজেট ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাইছে আইএমএফ।
আরও পড়ুন,
- খামেনির শেষ ইচ্ছায় জানাজায় ইমামতি করলেন প্রবীণ শিয়া আলেম
- ডিমের বাজারে নতুন অস্বস্তি, চড়া দামে মাছ
এদিকে অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে শুধু অর্থনৈতিক সহায়তাই নয়, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, কর ব্যবস্থার সংস্কার, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং সরকারি ব্যয় আরও দক্ষভাবে পরিচালনার সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হবে।
বিশেষজ্ঞদের অভিমত, নতুন ঋণ কর্মসূচির অনুমোদনের পাশাপাশি আইএমএফের সুপারিশ অনুযায়ী অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নই আগামী দিনে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।






























