৩০০ টাকা থেকে সুপারস্টার

- আপডেট সময় : ০২:১০:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
- / ৫১৯ বার পড়া হয়েছে
মাত্র ৩০০ টাকা নিয়ে বাড়ি ছেড়েছিলেন তিনি। থাকার জায়গা ছিল না, নিশ্চিত কোনো কাজও ছিল না। অনেক রাত কেটেছে বেঙ্গালুরুর ফুটপাতে। পুলিশের তাড়ায় মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়াও ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। সেই সংগ্রামের পথ পেরিয়েই আজ দক্ষিণী সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় সুপারস্টার যশ।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে যশ জানান, ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি ছিল প্রবল আগ্রহ। তবে পরিবার চেয়েছিল তিনি অন্য পেশায় যুক্ত হোন। কিন্তু স্বপ্নের টানেই একদিন মাত্র ৩০০ টাকা নিয়ে বাড়ি ছেড়ে বেঙ্গালুরুতে চলে যান। শুরু হয় কঠিন সংগ্রামের জীবন।
আরও পড়ুন,
- নাগরিক অধিকার রক্ষার শক্তিশালী সাংবিধানিক হাতিয়ার
- কোয়ার্টার ফাইনালে জন্মভূমির মুখোমুখি হালান্ড
- ডিমের বাজারে নতুন অস্বস্তি, চড়া দামে মাছ
অভিনয়ের সুযোগ পাওয়ার আগে থিয়েটার, ছোট ছোট চরিত্র এবং টেলিভিশন ধারাবাহিকে কাজ করেছেন তিনি। দীর্ঘ অপেক্ষা আর পরিশ্রমের পর বড় পর্দায় সুযোগ আসে। ধীরে ধীরে কন্নড় চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থান তৈরি করলেও সারা ভারতজুড়ে পরিচিতি পান ‘কেজিএফ’ সিনেমায় ‘রকি ভাই’ চরিত্রে অভিনয় করে। সিনেমাটি শুধু বক্স অফিসে সাফল্যই পায়নি, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও কন্নড় চলচ্চিত্রকে নতুন পরিচিতি এনে দেয়।
কর্নাটকের একটি সাধারণ পরিবারে জন্ম যশের। তার বাবা ছিলেন সরকারি বাসচালক। সীমিত আয়ের সংসার থেকে উঠে আসা এই অভিনেতা জানান, বাবার আত্মসম্মান ও কর্মনিষ্ঠাই তাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করেছে। ছেলে সুপারস্টার হওয়ার পরও অবসরের আগে পর্যন্ত বাসচালকের চাকরি ছাড়েননি তার বাবা।
আরও পড়ুন,
- খামেনির শেষ ইচ্ছায় জানাজায় ইমামতি করলেন প্রবীণ শিয়া আলেম
- সংঘাতের মধ্যেও সচল হরমুজ প্রণালি, চলছে তেল-গ্যাসবাহী জাহাজ
বর্তমানে বিলাসবহুল জীবনযাপন করলেও সংগ্রামের দিনগুলো ভোলেননি যশ। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবেও কাজ করছেন তিনি। সামনে রয়েছে ‘টক্সিক’ এবং ‘রামায়ণ’—দুটি বড় বাজেটের সিনেমা। দর্শকদের প্রত্যাশাও এখন আকাশছোঁয়া। ফুটপাত থেকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি—যশের এই যাত্রা আজ অনেক তরুণের কাছে স্বপ্নপূরণের এক অনুপ্রেরণার গল্প।




























